ইতিহাসের এক বীভৎস পরিহাস আর চরম ধৃষ্টতার সাক্ষী হয়ে রইল কুড়িগ্রামের নাগেশ^রী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়ন। যেখানে ২০২১ সালের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২নং ওয়ার্ডের (ডাকনীরপাঠ এলাকা) মোট জনসংখ্যার ৯৭.২২ শতাংশই মুসলমান, আর হিন্দু ধর্মাবলম্বী মাত্র ২.৭৬ শতাংশ-সেখানে দীর্ঘদিন ধরে এক অদ্ভুত ও নজিরবিহীন সাম্প্রদায়িক আধিপত্যের মহড়া চলছিলো! ভাবা যায়, মাত্র ৭৫ জন হিন্দুর জন্য ২৬৪১ জন মুসলমানের দ্বীনি অধিকার আর জীবনযাত্রাকে বলি দেয়া হচ্ছে?
খবরটি কেবল চাঞ্চল্যকর নয়, বরং প্রতিটি রিসালতী জনতার কলিজায় আঘাত করার মতো। জানা গেছে, ডাকনীরপাঠ বা বাকি অংশ পড়ুন...
২০২৫ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক মেডলগ এসএ-র সাথে পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনার জন্য ২২ বছরের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। মেডলগ হলো বিশে^র বৃহত্তম কন্টেইনার শিপিং কোম্পানি মেডিটারেনিয়ান শিপিং কর্পোরেশন বা এমএসসি-র লজিস্টিক্স শাখা। কিন্তু যে প্রতিষ্ঠানের মূল কোম্পানি মাদক পাচারের ভয়াবহ অভিযোগে আন্তর্জাতিকভাবে তদন্তের মুখে পড়েছে, তাকে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর পরিচালনার ভার দেওয়া কতটুকু বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
ব্লুমবার বাকি অংশ পড়ুন...
দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত এক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবে যুদ্ধবিমান ও সহযোগী বিমানসহ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পৌঁছেছে। ১১ই এপ্রিল শনিবার সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে তারা অবতরণ করে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি এ খবর জানিয়েছে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানি বাহিনীকে কিং আবদুল আজিজ বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন করা হয়েছে। ইরান যুদ্ধের সময় এই ঘাঁটিটি বারবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছিল।
এই মোতায়েনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এর লক বাকি অংশ পড়ুন...
পরাবাস্তব এক ঘোর অমানিশার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে ৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। যে জমিন ওলী-আল্লাহগণের পদধূলিতে ধন্য, যেখানে রিসালাত উনার ঝা-া চিরকাল সমুন্নত; আজ সেখানে বিজাতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর রাষ্ট্রবিরোধী আস্ফালন এক ভয়ংকর রূপ পরিগ্রহ করেছে। তথাকথিত ‘ইস্কন’ এবং উগ্রবাদী ‘সনাতন জাগরণ মঞ্চ’র ব্যানারে যে বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানো হচ্ছে, তা কেবল শান্তি বিঘিœত করছে না, বরং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের মূলে কুঠারাঘাত করার এক ইহুদীবাদি নীল নকশা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
সং বাকি অংশ পড়ুন...
কারাগারের সেই স্যাঁতসেঁতে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আজ হাজার হাজার বনী আদম বন্দি হয়ে আছে, যাদের রূহ আজ এক অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ। অপরাধী হোক কিংবা নির্দোষ- প্রতিটি মানুষের ভেতরেই রয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার দেওয়া এক নূরী সত্তা, যা উপযুক্ত তালিম ও তালক্বীন পেলে পুনরায় হিদায়াতের পথে ফিরে আসতে পারে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আধুনিক কারাগারগুলো আজ কেবল শাস্তির গুদামে পরিণত হয়েছে, যেখানে মানুষের আত্মিক সংশোধনের চেয়ে শারীরিক লাঞ্ছনাই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজাতীয় ইহুদীবাদি দ-বিধির প্রভাবে আমরা ভুলে গেছি যে, কারাগার হওয়া উচিত ছিল বাকি অংশ পড়ুন...
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ১ এপ্রিল থেকে রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। ডিএমপির পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, হকারদের আর কোনোভাবেই ফুটপাতে বসতে দেওয়া হবে না।
রাজধানীর ব্যস্ততম সড়ক ও ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং দুই সিটি করপোরেশন ৬ই এপ্রিল পর্যন্ত সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে।
বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে, বিশেষ করে ঢাকা শহরে, হকাররা আজ অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতির এক অবিচ্ছেদ্য ও শক্তিশালী বাস্তবতা। ফুটপাতের এই ব্যবসায় বড় মূলধন লাগে না, উচ্চত বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের সাধারণ কিছু কারণ যেমন রয়েছে তদ্রুপ মূল বা প্রধান কিছু কারণও রয়েছে।
যানজটের কিছু সাধারণ কারণ:
২০) বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব:
ঢাকার যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ৫০টিরও বেশি সংস্থা কাজ করে। এই সংস্থাগুলোর মধ্যে কাজের কোনো সুনির্দিষ্ট ও একক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো না থাকায় সমস্যাগুলো জটিলতর হয়।
অনেক সময় দেখা যায় একটি সংস্থা যেমন, সিটি কর্পোরেশন রাস্তা মেরামত বা কার্পেটিং শেষ করার পরপরই অন্য একটি সংস্থা যেমন: ওয়াসা, তিতাস বা ডিপিডিসি পাইপলাইন বা তার বসানোর জন্য রাস্তাটি আবার খনন করছে বাকি অংশ পড়ুন...
একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে দ্বীন ইসরাম উনার প্রতি শ্রদ্ধা জাতীয় স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, কিছু ব্যক্তি তাদের ব্যক্তিগত ও সংকীর্ণ চক্রান্ত বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পিতভাবে দ্বীনি অনুভূতিতে আঘাত এবং রাষ্ট্রের সংহতি বিনষ্টের অপচেষ্টায় লিপ্ত। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের হিন্দুধর্মতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক কুশল লা’নতুল্লাহি আলাইহি তেমনই এক ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে, যার বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষ এবং রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছে।
দ্বীনি অনুভূতিতে আঘাত ও ইসলা বাকি অংশ পড়ুন...
তার এ বক্তব্য এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকা- দেখে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর কাছে তার প্রতীয়মান হচ্ছে, তার চিন্তাধারা আওয়ামী এবং ভারতীয় চেতনা দ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত।
মুসলিম জনতা তার অপসারন চায়।
অমুসলিম সংস্কৃতিমন্ত্রীর ইসলাম বিরোধী পদক্ষেপ খুব অল্পদিনেই অনেক বেশী জাহির হয়ে গেলো। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গান বাজনার শিক্ষক, চারুকলার শিক্ষক নিয়োগে ৪র্থ শ্রেণী থেকে খেলাধুলা বাধ্য করার ঘোষণা। এদেশে ভারতীয় শিল্পীদের মত শিল্পী গড়ে তোলার ইচ্ছা প্রকাশ।
সংস্কৃতিমন্ত্রীর ভাষায় প্রগতিশীল ও জীবনমুখী সংস্কৃতি বিকাশে বাউল গান, লোকসংগীত, যাত্রা ও বাকি অংশ পড়ুন...
কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ তার অবকাঠামো খাতের শত শত কোটি ডলারের কাজ চীন ও জাপানের কোম্পানিগুলোর হাতে তুলে দিচ্ছে। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ থেকে শুরু করে ঢাকা মেট্রোরেল-সবখানেই চিত্রটা একই: বিদেশি ঋণের সাথে জুড়ে দেওয়া হয় বিদেশি ঠিকাদারদের। এতে প্রযুক্তি হস্তান্তরের সুযোগ থাকে সীমিত, খরচ বাড়ে আকাশচুম্বী এবং আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর তৈরি হয় প্রচ- চাপ। এখন সময় এসেছে এই কৌশল পুনর্বিবেচনা করার-যেখানে অগ্রাধিকার পাবে সংহতি, অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং দীর্ঘমেয়াদী জাতীয় স্বার্থ।
বাংলাদেশকে এখন সাহসের সাথে পাকিস্তান, তুরস্ক এবং ই বাকি অংশ পড়ুন...
দেশে বড় প্রকল্প বাস্তবায়নসহ উন্নয়নমূলক কর্মকা- পরিচালনার অন্যতম উৎস বিদেশী ঋণ। বৈদেশিক এ ঋণের স্থিতি ও মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ যেভাবে দ্রুত বেড়ে চলেছে, তা দেশের অর্থনীতির জন্য গভীর উদ্বেগজনক। বিদেশী ঋণের স্থিতি বাড়তে থাকায় পরিশোধের চাপ বাড়ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ ১১৩ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, তা ২০১০-এর তুলনায় প্রায় ছয়গুণ বেশি। বিদেশী ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকায় দেশের মানুষের মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণের পরিমাণও বাড়ছে। বর্তমানে মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৬৫৫ ডলার।
এ ঋণ বৃদ্ধির পেছনে উৎপাদনশীল ও অর্থনৈতিক বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে বাল্যবিয়ে নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। বরং এটি দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক, আইনগত এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে একটি আলোচিত বিষয়। সাম্প্রতিক সময়ে “লুবাবা”নামের এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ এবং তার প্রেক্ষিতে তার মা-বাবার শাস্তির দাবি আবারও এই আলোচনাকে সামনে নিয়ে এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো-এই ইস্যুেক আমরা কি শুধুই সামাজিক বা আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখবো, নাকি এর পেছনের বৃহত্তর আন্তর্জাতিক আগ্রাসী নীতি ও মুসলিমবিরোধী কাফিরদের ষড়যন্ত্রের দিকটিও বিবেচনা করবো?
বাস্তবতা হলো, বাল্যবিয়ে বিরোধী যে আইন ও প্রচারণা বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তার এক বাকি অংশ পড়ুন...












