‘যা কিছু কালো’ তার সাথে ‘প্রথম আলো’। যদিও ‘প্রথম আলো’ মুনাফেকী করে প্রচার করে ‘যা কিছু ভালো তার সাথে প্রথম আলো’। আসলে দিন দিন মুনাফেকী প্রকাশ এবং প্রমাণের পর ‘প্রথম আলো’ না বলে ‘প্রথম কালো’ বলাই যুক্তিযুক্ত।
গত ১৩ই মে প্রথম আলো সংবাদ শিরোনাম করেছে- ‘প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ: একটি অপচয়মূলক ও ক্ষতিকর প্রকল্প’
যুক্তি হিসেবে বলেছে- এই প্রকল্পের ফলে ভারতের কাছে গঙ্গার হিস্যা আদায়ের প্রচেষ্টার আর সুযোগ থাকবে না। কারণ, ভারত জানাবে যে পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।
গতকাল ৮ই জুলাই, ২০২ বাকি অংশ পড়ুন...
আলজেরিয়ার মুসলিমদের প্রতিরোধকে দমন করার জন্য এমন কোনো বর্বরতা ছিল না যা ফরাসি দস্যুরা করেনি। এমনকি তারা প্রতিরোধ যুদ্ধে শহীদ সেনাদের মর্যাদাপূর্ণ দাফনেরও সুযোগ দেয়নি। শহীদ যোদ্ধাদের মস্তক শিরচ্ছেদ করে আলজেরিয়ার সাধারণ জনগণের সামনে প্রদর্শন করা হতো, যাতে তারা আর বিদ্রোহ করার সাহস না পায়।
পাশাপাশি ফরাসী দস্যুরা মুসলিম যোদ্ধাদের মস্তক ছিন্ন করে বাক্স বন্দী করে "যুদ্ধের ট্রফি" হিসেবে প্যারিসে পাঠাতো। যার মাধ্যমে শাসকদের বার্তা দেওয়া হতো আফ্রিকায় ফরাসিদের প্রকৃত বিজয় অর্জিত হচ্ছে, লুণ্ঠন আর দখলদারিত্ব ঠিকঠাক চলছে। সেই সব বাকি অংশ পড়ুন...
এনসিটি ও সিসিটি বিদেশিদের হাতে ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই আন্দোলন করে আসছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি, চট্টগ্রাম শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ), টিইউসি, চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ, চট্টগ্রাম বন্দর শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন সংগঠন।
শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৯ অক্টোবর বন্দর এলাকায় মিছিল-সমাবেশের ওপর এক মাসের নিষেধাজ্ঞা দেয় নগর পুলিশ। পরে সেই নিষেধাজ্ঞা আরও এক মাস বাড়ানো হয়।
জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এস কে খোদা তোতন বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকেই আমরা আন্দোলন ক বাকি অংশ পড়ুন...
ফ্রান্স ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট এর গেরিলাদের থেকে সাধারণ জনগণকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য বিশাল গ্রামীণ জনসংখ্যাকে তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে ফরাসী দস্যু বাহিনী। প্রায় ২০ লক্ষ আলজেরীয় মুসলিমদের জোরপূর্বক কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সামরিক কারাগারে স্থানান্তর করে। এই কারাগারগুলোতে খাবার, চিকিৎসা এবং স্যানিটেশনের খুবই সীমিত করে দেয়, যার ফলে ক্ষুধা ও মহামারীতে হাজার হাজার মুসলিম মারা যায়।
দৈহিক নির্যাতনের পাশাপাশি আলজেরীয় নাগরিকদের থেকে উর্বর জমিগুলো কেড়ে নেয় ফ্রান্স। ফলে হাজার হাজার পরিবার ভূমিহীন ও নিঃস্ব হয়ে পড়ে। স বাকি অংশ পড়ুন...
‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দাবীদার সরকারের প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা ভারতের এজেন্টদের ভারতে পাঠাতে হবে।
ভারতে গোশত রফতানির সব ধরনের ছাড়পত্র দিয়ে থাকে দেশটির বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রফতানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এপিইডিএ)। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারত থেকে প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের কৃষিজাত পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ব্যয়ের হিসাবে সর্বোচ্চ আমদানি হয়েছে মহিষের গোশত, প্রায় ৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলারের।
অথচ বাংলাদেশ সরকারের ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২৪’-এ বলা হয়েছে-গরু, বাকি অংশ পড়ুন...
আলজেরিয়া আফ্রিকায় অবস্থিত একটি মুসলিম রাষ্ট্র। দেশটির আয়তন প্রায় ২৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৭৪১ বর্গকিলোমিটার। আয়তনের দিক দিয়ে আলজেরিয়া আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম ও বিশে^র ১০ম বৃহত্তম রাষ্ট্র। রাষ্ট্র ধর্ম, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম। প্রায় সবাই সুন্নি মুসলমান। সাহারা মরুভূমি থেকে উত্তোলিত খনিজ তেল (পেট্রোলিয়াম) ও প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ দেশটির অর্থনীতি। এই দুইটি পণ্য দেশটির রপ্তানিকৃত পণ্যের ৯৭ ভাগ পূরণ করে।
গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার এর ২০২৬ সালের সর্বশেষ সামরিক শক্তি র্যাংকিং অনুযায়ী, মুসলিম বিশে^ সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীর তালিকায় বাকি অংশ পড়ুন...
গত ৪ঠা জুলাই ইয়াওমুস সাবত জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগদান করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর।
শফিক বলেছে, আমেরিকা দীর্ঘ সময়ে ধরে বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু।
প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনের ভূমিকা স্পষ্টতই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে। ৪. মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান ছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তথা পাকিস্তানের পক্ষে। সুতরাং সেই দেশের স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে তাদের পতাকা উড় বাকি অংশ পড়ুন...
৫০ লক্ষাধিক বিশাল সমন্বিত সামরিক বহরের জন্য যে আধুনিক, এআই-চালিত এবং ত্রিমাত্রিক ‘সার্ভে ও নজরদারি’ নেটওয়ার্কের প্রয়োজন, তা রাতারাতি শূন্য থেকে গড়ে তোলা কোনো একক রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান, হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং সফটওয়্যার আর্কিটেকচার প্রয়োজন। এই বিশাল কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ এশিয়ার তিনটি উদীয়মান ও পরীক্ষিত সামরিক-প্রযুক্তি পরাশক্তি-তুরস্ক, ইরান এবং পাকিস্তান-এর কাছ থেকে কৌশলগত কারিগরি সহযোগিতা গ্রহণ করতে পার বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের কৃষি খাতের দুঃখজনক কথা হলো, কৃষক পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় না, আবার ভোক্তাও সস্তায় কিনতে পারে না। মাঝখানের এই বিশাল ‘দাম’ শুষে নিচ্ছে মধ্যসত্ত্বভোগীরা।
গুটিকয়েক প্রভাবশালী ব্যবসায়ী যখন রাজনৈতিক ক্ষমতার অংশীদার হয়, তখন তারা একটি শক্তিশালী ‘দাম নিয়ন্ত্রণকারী’ গোষ্ঠী তৈরি করে। এই গোষ্ঠীটি হিমাগার, সার এবং বীজের বাজারের ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং নিজেদের স্বার্থেই রফতানী প্রক্রিয়াকে আমলাতান্ত্রিকভাবে জটিল করে রাখে, যাতে রফতানী সহজ হলে তাদের একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ ভেঙে না যায় এবং প্রান্তিক কৃষক বাকি অংশ পড়ুন...
বঙ্গোপসাগরে প্রচুর ইয়োলোফিন ও বিগআই টুনা মাছ পাওয়া যায়। জাপান, আমেরিকা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে টুনা মাছের বিপুল চাহিদা রয়েছে।
গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ এবং মৎস্য আহরণ কার্যক্রমে বাংলাদেশের শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্ভাবনা থাকলেও তা কেবলই কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে। সঠিক বিনিয়োগ ও অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারলে এই খাত থেকে বছরে কমপক্ষে এক হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি আয় করা সম্ভব হবে।
আন্তর্জাতিক মানের ২৫ থেকে ৫০টি বৃহৎ ও উন্নত প্রযুক্তির গভীর সমুদ্রগামী জাহাজ নামানো গেলে বছরে ৩ লাখ টন ভালো মানের টুনা ধরা যাবে, এই মাছের বৈ বাকি অংশ পড়ুন...
পতিত আওয়ামী সরকারের সময়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ন্যাক্কারজনকভাবে ভারতের প্রতি নতজানু হয়ে পড়েছিল। সীমান্ত হত্যা বন্ধ হয়নি, তিস্তার পানিচুক্তি বাস্তবায়ন হয়নি, বাণিজ্য বৈষম্য কমেনি; কিন্তু তারপরও দিল্লির অনধিকার চর্চা ছিল প্রকট দৃশ্যমান। ফলে বাংলাদেশের গণমানুষের মধ্যে ভারতের প্রতি তীব্র রোষ তৈরি হয়েছিল। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিশ্রুতির দাবীদার বর্তমান সরকার ভারতের প্রতি নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কাঙ্খিত না হলেও কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে।
প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসার পর তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর কোনটি? এর সরল বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি নূরপুরে ঘটে যাওয়া এক বর্বরোচিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড সমগ্র দেশবাসীকে স্তব্ধ ও গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। একই পরিবারের চারজন নিরপরাধ মানুষকে একজন মা ও তাঁর তিন সন্তানকে ঘরের ভেতর প্রবেশ করে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা উগ্র হিন্দু সন্ত্রাসীদের চরম স্পর্ধাকে প্রকাশ করে। প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় অন্তর নামের উগ্র হিন্দুটাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা এবং পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও এই ঘটনাটি দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং জননিরাপত্তা নিয়ে গভীর ও মৌলিক কিছু প্রশ্ন বাকি অংশ পড়ুন...












