কয়েকদিন আগে খবর এলো- সন্ত্রাসী আমেরিকার আকাশে রহস্যময় ড্রোন দেখা গেছে। অনেকের ধারণা, এটি ইরানি ড্রোন হতে পারে। এরই মধ্যে সন্ত্রাসী আমেরিকার টেক্সাসে নর্থ সন্ত্রাসী আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ তেল শোধনাগারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। প্রশ্ন আসতে পারে- সেই রহস্যময় ড্রোন দিয়েই কি তেল শোধনাগারে হামলা হয়েছে? কারা করছে এই হামলা? হতে পারে, এটি ইরানি হামলা। আবার নাও হতে পারে।
বিশেষ করে ইরান যুদ্ধকে ঘিরে ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশনের বেশ নজির তৈরি হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, সন্ত্রাসী ইসরাইল বিভিন্ন দেশকে যুদ্ধে টানতে সেখানে গিয়ে ফলস ফ্ল্যাগ হামলা চালাচ্ছে বাকি অংশ পড়ুন...
বস্তুত অতীতের তিনটি গণভোটের ফলাফলই নিরঙ্কুশভাবে সরকারের পক্ষে গেছে। বলা হয়, সরকার যে ফলাফল চেয়েছে, গণভোটের ফলাফলে তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি।
এবারের গণভোট নিয়ে যা হয়েছে তা গণ প্রতারণা ও গণ প্রহসন।
কাজেই গণভোটের প্রেক্ষিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন মূলতঃ জনরায়কে প্রত্যাখান করা। সংবিধান অস্বীকার করা।
যা সরকারকে অবৈধ করার শামিল।
জনমত অনুযায়ী জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধন এবং গণভোটের মূল্যায়ন; সরকারকে প্রত্যাখান করতেই হবে ইনশাআল্লাহ।
সরকার এখন পর্যন্ত জুলাই সনদের বাইরে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি দাবি করেছে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামা বাকি অংশ পড়ুন...
আধুনিক যুদ্ধবিগ্রহের চিত্র দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। ড্রোন ঝাঁক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত মনুষ্যবিহীন বিমান, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র-এসব শব্দ এখন আর কল্পবিজ্ঞানের পাতায় সীমাবদ্ধ নেই। বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রে এগুলো এমন হুমকি তৈরি করছে, যার মোকাবেলায় প্রচলিত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্রমশ অপ্রতুল হয়ে পড়ছে।
জার্নাল অফ ফিজিক্সে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণাপত্র এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোকপাত করেছে। গবেষকরা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, লেজার, মাইক্রোওয়েভ এবং ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেলগানের মতো নতুন প্রজন্মের অস্ত্র এখন আর পরীক্ষাগা বাকি অংশ পড়ুন...
মধ্যপ্রাচ্য পুড়ছে যুদ্ধের আগুনে। আর বিশ্বজুড়ে হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেল ও জ্বালানি গ্যাসের দাম। এই জ্বালানি উপাদানগুলোই এখন ভূ-রাজনীতির হিসাব-নিকাশ সব পাল্টে দিচ্ছে।
আমাদের দেশ এইসব হিসাবের বাইরে থাকছে না। ইতোমধ্যে আমরা সেটা দেখতেও পেয়েছি। হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের পাম্পগুলোতে দেখা গিয়েছে লম্বা লম্বা লাইন। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিলো সবখানে। তবে সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে এবং ঈদের লম্বা ছুটির কারণে এই আতঙ্ক এখন আড়ালে।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে যেভাবে অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাচ্ছে যুদ্ধের প্রেক্ষাপট, খুব বেশিদিন হয়তো সরকার জ বাকি অংশ পড়ুন...
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি বৈশি^ক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। সম্প্রতি কাতারের এলএনজি টার্মিনালে হামলার ঘটনায় তাদের রফতানি সক্ষমতা প্রায় ১৭ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা পুনরুদ্ধার করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। অথচ বাংলাদেশ এই এলএনজির একটি বড় ক্রেতা। ফলে এই সংকট সরাসরি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার উপর প্রভাব ফেলতে বাধ্য।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলএনজির সরবরাহ ব্যাহত হলে দেশের শিল্প-কারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দেবে, বাড়বে লো বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের আকাশসীমা আজ এক অতিপ্রাকৃত ও ইহুদীবাদি ফিতনার হুমকির সম্মুখীন। যখন বিশ^রাজনীতির আকাশে ‘বনী আসফার’ বা পশ্চিমা ও প্রতিবেশী কুফরী শক্তিগুলোর ড্রোন আর স্টিলথ ফাইটারের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে, তখন ৫১ কোটি ঈমানি জনতার এই ভূখ--বাংলাদেশ কি কেবল মান্ধাতা আমলের রাডার আর সেকেলে মিসাইল দিয়ে নিজের অস্তিত্ব রক্ষা করবে? বাংলাদেশের বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর একটি বড় অংশই আধুনিক যুদ্ধের নিরিখে যথেষ্ট নয়। অথচ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই ভূখ-টি আজ সা¤্রাজ্যবাদী ও হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলোর শ্যেনদৃষ্টির নি বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের সিংহভাগ মুসলিম জনতা আজ ইহুদিবাদী ফিতনার শিকার। যখন বিশে^র বিভিন্ন প্রান্তে মুসলিম নিধনের চক্রান্ত চলছে, তখন এদেশের মুসলিমি সমাজ এক অদৃশ্য কিন্তু ভয়াবহ যুদ্ধের সম্মুখীন- যার নাম ‘ভগওয়া লাভ ট্র্যাপ’। এটি কেবল কোনো সাধারণ প্রণয় নয়, বরং এটি হলো মুসলিম তরুণীদের ঈমান, আমল ও ইজ্জত হরণ করে হিন্দুত্ববাদের বিষাক্ত গহ্বরে নিক্ষেপ করার এক দীর্ঘমেয়াদী ‘মরণফাঁদ’। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তথাকথিত প্রগতিশীলতার আড়ালে এই ফাঁদ আজ বাংলার ঘরে ঘরে বিষ ছড়াচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা ও সচেতন মহল বলছেন, দেশে প্রায় লক্ষাধিক মুসলিম তর বাকি অংশ পড়ুন...
একটি রাষ্ট্রের বন্দর কেবল জাহাজ ভিড়ার স্থান নয়; এটি সেই রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্পন্দন, কৌশলগত সুরক্ষা, বাণিজ্যিক প্রবাহ এবং সার্বভৌম সিদ্ধান্তক্ষমতার এক কেন্দ্রীয় ভিত্তি। যে দেশ তার বন্দর নিয়ন্ত্রণ করে, সে দেশ তার আমদানি-রপ্তানি, আঞ্চলিক সংযোগ, শিল্পোন্নয়ন এবং জাতীয় নিরাপত্তাসহ অর্থনীতির ওপর নিজস্ব কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারে। আর যে দেশ তার বন্দর ব্যবস্থাপনা বিদেশি শক্তি, বিদেশি করপোরেশন বা বহুজাতিক গোষ্ঠীর হাতে সমর্পণ করে, সে মূলত নিজের ঘরের দরজার চাবিই অন্যের হাতে তুলে দেয়।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই প্রশ্ন আরও বেশি গুরুত্বপূ বাকি অংশ পড়ুন...
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস ক্ষমতায় থাকাকালীন ১৮ মাস জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অকার্যকর করে রেখেছিল। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০০৯ রহিত করে উপদেষ্টা পরিষদে যখন দেশ ও জাতীয় স্বার্থ বিরোধী নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হলো তখন থেকে কমিশনের কার্যক্রম পুণরায় চালু করা হলো। সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক দলের সাথে আলাপ না করে তড়িগড়ি করে এনজিও কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হলো। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে এনজিওরা সবসময় বাঙ্গালী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিরোধী। যারা পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিতিশীলতার নেপথ্য কারিগর। পার্বত্য চট্টগ্রাম বি বাকি অংশ পড়ুন...
দেশ আবারও এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সাক্ষী হলো। গত ০৫ শাওওয়াল ১৪৪৭ হিজরী দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরির পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যায়। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যমতে ২৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই ঘটনা কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়; এটি আমাদের সামগ্রিক অবহেলা, অসচেতনতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার নির্মম প্রতিফলন।
মৃত্যু মহান আল্লাহ পাক উনার নির্ধারিত-এ কথা সত্য। তবে একই সঙ্গে এটাও অনস্বীকার্য যে, মানুষের অসচেতনতা ও অবহেলা অনেক সময় মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে নৌপথ, সড়কপথ এবং ফ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব মাহবুব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রহমতে তেল গ্যাস ও খনিজ সম্পদে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও সমৃদ্ধ দেশ বাংলাদেশ। যুগে যুগে তা-ই দেখা গেছে।
বাংলাদেশে সিলেটের হরিপুরে ১৯৮৬ সালে প্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। জরিপ অনুযায়ী হরিপুর তেলক্ষেত্রে অন্তত ১ কোটি (বা ১০ মিলিয়ন) ব্যারেল তেল মজুত রয়েছে। তেলক্ষেত্রের নিজস্ব প্রাকৃতিক শক্তির মাধ্যমে ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়। অতঃপর অদৃশ্য কারণে তেল স্তরের চাপ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাকি অংশ পড়ুন...
উচ্চশিক্ষায় বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দিতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রীর এ পদক্ষেপে আমরা আশাহত, দুঃখিত এবং মর্মাহত। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন তার একটা পরিকল্পনা আছে। পরিকল্পনার সার্থক রূপ দেখিয়েছেন, মালয়েশিয়ার মাহাথির। তিনি একদিকে বলেছিলেন, তোমরা আমাকে ১০টা মালয় যুবক দেও আমি তাদেরকে নিয়ে জাতি গঠন বাকি অংশ পড়ুন...












