প্যারিসের লাতিন কোয়ার্টার এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা গ্র্যান্ড মসজিদ ২০২৬ সালে শতবর্ষে পদার্পণ করেছে। একশ বছরের এ পথচলায় এটি শুধু একটি দ্বীনি স্থাপনা হিসেবে নয়, ফ্রান্সের ইতিহাসে মুসলমানদের অবদান, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং সামাজিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) পর গ্র্যান্ড মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই যুদ্ধে ফ্রান্সের হয়ে লড়াই করেছিলেন বিভিন্ন অঞ্চলের মুসলিম সৈনিকরা। উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম আফ্রিকা এবং ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণাধীন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা এসব সৈন বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদ
তাজ-উল-মসজিদ ভারতের মধ্যেপ্রদেশের ভূপালে অবস্থিত একটি বৃহৎ মসজিদ। প্রকৃতপক্ষে তাজ-উল-মসজিদ ভারতের সর্ববৃহৎ মসজিদ। এই মসজিদ এশিয়ার সর্ববৃহৎ মসজিদগুলোর অন্যতম। এটি হলো বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তর মসজিদ। ১৯০১ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
চিত্র: ঐতিহাসিক তাজ-উল-মসজিদের কারুকার্য
মোগল শাসক বাহাদুর শাহ জাফরের রাজত্বকালে ভূপালের নবাব শাহ জাহান বেগম (নবাব সৈয়দ সিদ্দিক হাসান খানের স্ত্রী) এই মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু করেছিল এবং তার কন্যা সুলতান জাহান বেগম নির্মাণের কাজ অব্যাহত রেখেছিলেন।
কয়েকধাপে ম বাকি অংশ পড়ুন...
সুনামগঞ্জে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে শত বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী পাগলা বড় মসজিদ। এই মসজিদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৮ ফুট ও প্রস্থ ২৫ ফুট। মসজিদটিতে রয়েছে ৩টি বিশাল গম্বুজ ও ৬টি বড় মিনারসহ আরো রয়েছে ১২টি ছোট মিনার। এছাড়াও রয়েছে ১টি বারান্দা ও বিশাল ঈদগাহ ময়দান। মসজিদের বাহিরের তুলনায় ভিতরের দৃশ্য খুবই নান্দনিক।
ফ্লোর ও চারপাশের কারুকার্য দেখে অনেকেই আশ্চর্য হয়ে যায়। পুরো মসজিদের চারপাশে তিনফুট উচ্চতায় যে নান্দনিক টাইলস লাগানো হয়েছে তা আনা হয়েছে ইতালি ও ইংল্যান্ড থেকে। মসজিদে প্রবেশ করার জন্য রয়েছে ১টি গেইট। দৃষ্টিনন্দন দুতলা ব বাকি অংশ পড়ুন...
সব থেকে সমৃদ্ধ সংগ্রহটি রয়েছে কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারে। আওরঙ্গজেবের (বাদশাহ আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি) শাসনকাল সংক্রান্ত নথিগুলো ২১টি খণ্ডে সংরক্ষিত হয়েছে সেখানে।
প্রথম নজরে এসব নথির বড় অংশ নিতান্তই সাধারণ বলে মনে হতে পারে, যেখানে নিয়োগ, বিবাদ, সেনাবাহিনীর চলাচল, উপহার, অসুস্থতা এবং অজস্র প্রশাসনিক খুঁটিনাটি তথ্যে ভরা।
কিন্তু ফারুকির মতে, সবগুলো নথি একসাথে বিবেচনা করলে প্রায় অবিচ্ছিন্ন একটি প্রতিচ্ছবি পাওয়া যায়, যেগুলো থেকে বোঝা যায় কীভাবে একটি সাম্রাজ্য নিজের কর্মকাণ্ডের ওপরে নজর রাখতো।
আওরঙ্গজেবের সিংহাসনে আরোহণে বাকি অংশ পড়ুন...
জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় পঞ্চাশ মাইল পূর্বে “কুসাইর আমরা দুর্গ” নামক ঐতিহাসিক একটি মুসলিম ইমারত স্থাপত্য অবস্থিত। ৭১১-৭১৪ খৃ: উমাইয়া শাসক আল ওয়ালিদের সময় জর্দানের রাজধানী আম্মানের প্রায় ৫০ মাইল পূর্বে ওয়াদি বাতুম নামক স্থানে “কুসাইর আমরা দুর্গটি” নির্মিত হয়। কুসাইর আমরা ছিলো উমাইয়া শাসকদের দ্বারা নির্মিত প্রথম জাগতিক স্থাপত্যের নির্দশন।
ভূমি নকশা ও গঠন:
‘কুসাইর আমরা’ অন্যান্য উমাইয়া স্থাপনার তুলনায় সুরক্ষিত। এটি সামান্য লোহিতাভ চুনা পাথরে নির্মিত এবং দুইটি সংবদ্ধ অংশে বিভক্ত। পশ্চিমদিকের আয়তাকার অংশটি হলো বাকি অংশ পড়ুন...
আফ্রিকা মহাদেশের গোল্ড কোস্টখ্যাত দেশ ঘানা। দেশটির সাভানা অঞ্চলের লারাবাঙ্গা নামক এক মুসলিমপ্রধান গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক স্থাপত্য-‘লারাবাঙ্গা মসজিদ’। শুধু ঘানার সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদই নয়, এটি সমগ্র পশ্চিম আফ্রিকার অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহাসিক মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত। এর গুরুত্ব ও ঐতিহ্যের কারণে স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের কাছে এটি ‘পশ্চিম আফ্রিকার মক্কা’ নামে পরিচিত।
লারাবাঙ্গা মসজিদ নির্মাণের ইতিহাসকে ঘিরে বেশ কিছু লোকগাথা প্রচলিত রয়েছে। প্রথমত; ১৪২১ খ্রিষ্টাব্দে আইয়ুবা নামক একজন মুসলিম ব্যবসায়ী সাহারা মরুভূমি পাড় বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকার সোনারগাঁয়ে পবিত্র দ্বীন ইসলাম প্রচার করার জন্য যারা এসেছিলেন উনাদের মধ্যে হযরত হাজী বাবা সালেহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নাম উল্লেখযোগ্য। হযরত বাবা সালেহ রহমতুল্লাহি আলাইহি বাংলায় স্বাধীন সুলতানদের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি সুলতান জালালউদ্দিন ফতেহ শাহের শাসনামল থেকে আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনকাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় সোনারগাঁও অঞ্চলে ছিলেন। কোন কোন বর্ণনা অনুযায়ী তিনি প্রশাসনিক একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন।
১৪৮২ খৃ: তিনি বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীর বামতীরে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৫০৪ খৃ: তিনি আমীন বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র-০১: পবিত্র মসজিদে জুমুয়ার ঐতিহাসিক ছবি
আল জুমুয়া মসজিদ (আরবি: مسجد الجمعة), এছাড়াও মসজিদটি বনী সেলিম মসজিদ, আল গুবাইব মসজিদ বা আতিকাহ মসজিদ হিসেবে পরিচিত, মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরে অবস্থিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা পবিত্র মক্কা শরীফ থেকে পবিত্র মদীনা শরীফে হিজরত মুবারকের সময় প্রথমবারের মত এই স্থানে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় করেছিলেন।
মসজিদের অবস্থান:
মসজিদটি পবিত্র মদীনা শরীফ শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে, ওয়াদি রানুনার বাকি অংশ পড়ুন...
শক্তির অন্যতম প্রাকৃতিক উৎস পেট্রোলিয়াম, যাকে বলা হয় তরল সোনা। এটি পৃথিবীর চেহারা পাল্টে দিয়েছে। গোটা পৃথিবীর উন্নতির পেছনে এই তরল সোনার অবদান অপরিসীম। পৃথিবীর যত কল-কারখানা, ইঞ্জিন, বিমান, জাহাজ ও মোটরগাড়ি সব কিছুই এই তরল সোনার ওপর নির্ভরশীল।
সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাসের সঙ্গে খনিতে পেট্রোলিয়ামও থাকে। প্রোপেন ও বিউটেন স্বাভাবিক চাপ ও তাপমাত্রায় (২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস) গ্যাসীয় হলেও উচ্চ চাপে তরল অবস্থায় থাকে বলে এরাও পেট্রোলিয়ামের অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়া গ্যাসোলিন, কেরোসিন, ডিজেল এগুলো সবই পেট্রোলিয়াম।
বর্তমান বিশ্বের মতো প্রাচী বাকি অংশ পড়ুন...
আগ্রা লাল কেল্লার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ঐতিহাসিক মতি মসজিদ। বাদশাহ আলমগীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার শাসনামলের শুরুর ভাগে এটি নির্মাণ করেন। ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়। তিনি উনার শাসনকালের প্রথম ২৩ বছর দিল্লিতে অবস্থান করেন।
এ সময় মতি মসজিদ ছিলো উনার ব্যক্তিগত মসজিদ। ১৬৮১ খ্রিস্টাব্দে বিদ্রোহ দমনের জন্য তিনি দিল্লি ত্যাগ করেন। এরপর আর কখনোই উনার দিল্লি ফেরা হয়নি। মসজিদটি নির্মাণ করতে ৫ বছর সময় এবং এক লাখ ৬০ হাজার রুপি ব্যয় হয়েছিলো।
এটাই ছিলো আগ্রা কেল্লার অভ্যন্তরে নির্মিত প্রথম মসজিদ। ঐতিহাসিকরা লেখেন, ব বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদে নামিরা থেকে আরাফাতের ময়দান ঘুরে মুজদালিফা হয়ে মিনা যাওয়ার পথে চোখে পড়বে একটি পুরাতন স্থাপনা। স্থাপনাগুলো পাহাড়ের পাশ দিয়ে চলে গেছে দৃষ্টিসীমার বাইরে। যা নহরে জুবাইদা নামে পরিচিত। নহরের সমার্থক সরু, স্রোতস্বিনী, পানিধারা, খাল, নালা।
আব্বাসীয় শাসক হারুনুর রশিদের স্ত্রী জুবাইদা বিনতে জাফর পবিত্র মক্কা শরীফে হজ্জযাত্রীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মিষ্টি পানির খাল খনন করেছিলেন। যা হজ্জের সময় পানির অভাব দূর করে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিলো। খালটি তায়েফের কাছের ঝরনা থেকে পানি এনে পবিত্র মক্কা শরীফ পর্যন্ত পৌঁছে দিতো। জ বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের মালদা জেলার পান্ডুয়াতে রয়েছে মুসলমানদের অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন। হারিয়ে যাওয়া যুগের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এখানকার বিভিন্ন ইসলামিক স্থাপত্য। যেমন আদিনা মসজিদ, কুতুব শাহি মসজিদ, একলাখি মাজারসৌধ কিংবা বিভিন্ন আউলিয়ায়ে ক্বিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের মাজার শরীফ। বাংলা স্বাধীন সুলতান শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ এখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। ইলিয়াস শাহি বংশের বেশ কয়েকজন সুলতান শাসনকার্য চালাতেন এখান থেকেই। এই শহরের আরেক নাম ছিলো ফিরোজাবাদ, যে নাম সম্ভবত বাংলার আরেক সুলতান শামসউদ্দিন ফিরোজ শাহের থেকে এসেছে। টাঁক বাকি অংশ পড়ুন...












