পবিত্র কুরআন শরীফে মূর্তি পূজা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে অন্য কাউকে শরীক (শিরক) করার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা বর্ণনা করা হয়েছে। যা মহান আল্লাহ পাক কখনও ক্ষমা করবেন না। যা সবচেয়ে বড় গুনাহ ও শিরক। এবং যা স্পষ্টত জাহান্নামে যাওয়ার কারণ। নাউযুবিল্লাহ।
মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে এই কঠোরতা পেশ করতে গিয়ে প্রায় প্রত্যেক নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পূজারীদের সাথে সংঘাতে লিপ্ত হতে হয়েছে। নমরূদ, ফেরাউন, কওমে নূহ, কওমে শুআইব, কওমে ইলিয়াস, কওমে আদ-ছামূদ প্রভৃতি সম্প্রদায়ের ইতিহাস তো সেই সংঘাতেরই জাজ্জ্বল্য প্রমাণ। তাই মূর্তি বিরোধী বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় পর্ব)
সিনিয়র সাংবাদিক, রাজনীতিক বিশ্লেষক, টকশো কথক, পর্যবেক্ষক মহল, অভিজ্ঞমহল সবাই খুব শ্লেষাত্মক হোক
আর আক্ষেপ ভরেই হোক, বেদনাবিধুর হায় হোক
আর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া থেকেই হোক-
এটাই বার বার আকার ইঙ্গিত থেকে প্রকাশ্যেই বলছেন যে,
প্রধানমন্ত্রীর আশেপাশের একটি অংশ বা মহল অথবা অতি উৎসাহী মহলই প্রধানমন্ত্রীকে
প্রকৃত সত্য উপলব্ধিতে,
প্রকৃত ইতিহাস জানতে,
প্রকৃত তথ্য বুঝতে
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের হৃদয়ের স্পন্দন অনুভাব যথাযথ সহযোগিতা করছে না। বরং বিকৃত তথ্য উপস্থাপনে তারা ব্যতিব্যস্ত।
বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভোটারদ বাকি অংশ পড়ুন...
এনসিপি নেতারা যেভাবে দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অশালীন এবং অসহনীয় ও অগ্রহণযোগ্য ভাষায় গালাগাল করছে, সম্মানহানি করছে তাতে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা একেবারে প্রাসঙ্গিক। কারণ রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ধারায় বলা আছে-
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা কার ক্ষেত্রে হয় কি কারণে শাস্তি কি হয়
বাংলাদেশের দ-বিধির ১২৪-ক ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রদ্রোহিতা বা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়।
কোনো ব্যক্তি যদি মুখে বা লিখে, ইশারা দিয়ে, প্রতীক দেখিয়ে বা অন্য কোনোভাবে আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা, অবজ্ঞা বা অসন্তুষ্টি (রাজদ্রোহিতা বা শত্রু বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘রহমানের বান্দা তারা, যারা অন্যায় কাজে শামিল হয় না এবং যখন কোনো বেহুদা কার্যকলাপের নিকট দিয়ে যায়, তখন আত্মসম্মান রক্ষা করে চলে যায়।’ (পবিত্র সূরা আল-ফুরকান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ- ৭২)
অর্থাৎ মুসলমানগণ মিথ্যা ও বাতিল মজলিসে যোগদান করে না। সর্ববৃহৎ মিথ্যা ও বাতিল হলো শিরক ও কুফর। হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মতে, এখানে মুশরিকদের পূজা মেলা ইত্যাদি বোঝানো হয়েছে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ঘোষণা করেছেন, যখনই তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার আয়াত শরীফসমূহকে অস্বীকার বাকি অংশ পড়ুন...
পলাতক ফ্যাসিস্ট আওয়ামী আমলে শেখ পরিবারকে বেছে বেছে এবং বিদেশি কোম্পানির আড়ালে আওয়ামী অলিগার্ক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেয়ার সর্বনাশা টার্গেটে পড়ে চট্টগ্রাম বন্দর। এনসিটিসহ গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল ও স্থাপনাগুলো বিদেশি একেকটি কোম্পানির সাথে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা চুক্তির ফর্মুলা সাজানো হয় আওয়ামী সরকার পতনের ঠিক আগেই ২০২৪ সালে। বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেয়া হলে কাড়ি কাড়ি ডলার আসার ‘লাভে’র টোপ ছিল পুরোটাই ছিল মহা ফাঁকি!
নিউমুরিং টার্মিনালের (এনসিটি) আধুনিকায়নে প্রায় ২০৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে বলে ইনিয়ে-বিনিয়ে কথিত ব বাকি অংশ পড়ুন...
২০১৫ সালের কথা। তখন এক অজ্ঞাত ক্রেতা ২৩ কোটি ডলার খরচ করে একটি শ্যাটো বা আবাসিক বাড়ি কিনে বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছিলো। কিন্তু সে সময় এই ক্রেতার নাম গোপন করা হয়েছিলো। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের পশ্চিমে ওই বাড়িটির অবস্থান। তখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া বাড়ি ছিলো এটি। বছর দুয়েক পর খবরে বলা হয়েছে- ৩৪ বছর বয়সী সৌদি রাজপুত্র মোহাম্মদ বিন সালমানই কিনে নিয়েছিলো ওই বাড়ি।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমোদকরী বা ইয়টের একটির নাম সেরিন। রাশিয়ার ভদকা ধনকুবের হিসাবে পরিচিত ইউরি শেলফারের কাছ থেকে সৌদি রাজপুত্র ২০১৫ সালে এই সুপার ইয়ট কেনà§ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কা ও নেপাল উভয় দেশকেই বড় ধরনের জরুরি ও আর্থিক মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এই দুই দেশের জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও তার সশস্ত্র বাহিনী স্বতঃস্ফূর্তভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা যখন দেওলিয়া হয়েছিলো তখন বাংলাদেশের আর্থিক সাহায্যই আবার দাড়াতে পেড়েছিলো।
স্টার বিজনেস রিপোর্টে, ৪ নভেম্বর ২০২৩
শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের বরাতে বলা হয়- ‘বাংলাদেশের সহায়তায় শ্রীলঙ্কা ব্যাপকভাবে লাভবান হয়েছে’
সে বলে, 'শ্রীলঙ্কাকে যে সহায়à বাকি অংশ পড়ুন...
আফ্রিকার ছোট্ট দেশ সোমালিয়া। কিছুটা প্রাকৃতিক হলেও দেশটিতে দুর্ভিক্ষের অধিকাংশই মানবসৃষ্ট। স্বাধীনতা লাভের পর থেকেই জাতি ও অঞ্চলগত দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে দেশটি।
সোমালিয়া ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতা লাভের পর থেকে দেশটি এখনো স্থিতিশীল সরকার গঠন করতে পারেনি। দাঙ্গা-হাঙ্গামা স্থানীয় জনগণের স্বাভাবিক আচরণে পরিণত হয়েছে। এমনকিছু অঞ্চল রয়েছে যেখানে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই এখন পর্যন্ত। সামান্য কলেরায় হাজারো শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। জীবন মান উন্নয়ন ও শিক্ষার কোনো উদ্যোগ কাজে লাগতে পারেনি দেশটির সরকার। সে দেশের সেনà বাকি অংশ পড়ুন...
নাপাক মুশরিক মূর্তিপূজারীদের জাতিগত অভ্যাস ধর্মের পবিত্রতার নামে খাবার জাতীয় মিষ্টি, জিলাপী, দই, রসগোল্লা ইত্যাদিতে গোবর-গোচনা ছিটানো যা আমি প্রত্যক্ষদর্শী। নাপাক হিন্দুরা গরুকে তাদের মা মনে করে গোবর-গোচনা খেয়ে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! তারা চায় কি করে মুসলমানদেরও গোবর-গোচনা খাওয়ানো যায়, সে লক্ষ্যে তারা তাদের সমস্ত খাবারে গোবর-গোচনা ছিটিয়ে থাকে।
কাজেই মুসলমানরা পবিত্র। আর পবিত্র থাকার জন্য বিধর্মী-মূর্তিপূজারীদের হোটেলে খাবার না খেয়ে মুসলমান হোটেলে খাবার খাওয়া। অন্যথায় গোবর-গোচনা খাওয়া ব্যতীত উপায় থাকবে না।
-মুহম্মদ ইমন আলà§ বাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানীসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা ও সম্ভ্রমহরণ এবং খুনসহ বড় অপরাধ বেড়েই চলেছে।
গুরুতর অপরাধে হাতেনাতে গ্রেফতারের পরও কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব কিশোর দুর্বৃত্তদের আবার এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।
কিশোর আইনের নমনীয়তার কারণে অনেক অভিযুক্ত দ্রুত জামিনে বের হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াচ্ছে।
জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদে শিশু হিসেবে ১৮ বছরের কম বয়সী সকলকে গণ্য করা হয়েছে।
১৯৭৪ সালের শিশু আইনে শিশুর বয়স ১৬ পর্যন্ত ধরা হলেও ২০১৩ সালের শিশু আইনে বয়স করা হয়েছে ১৮
বাস্তবে জন্ম সনদে অà বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
পুলিশ সদরদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী বাদে দেশের বিভিন্ন মহানগর ও জেলায় ২২৭টি কিশোর গ্যাং সক্রিয়।
ডিএমপির তথ্য বলছে, রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৫৯টি গ্রুপ রয়েছে। এসব গ্রুপে সদস্য রয়েছে এক হাজার ৮১২।
এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় সমগ্র দেশের চিত্র কতটা ভয়াবহ। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, মাদক চোরাচালান, অপহরণ, যৌনহয়রানি, চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি থেকে শুরু করে গুম-খুনের মতো ঘৃণ্য অপরাধে কিশোরেরা জড়িয়ে যাচ্ছে প্রায়শই। বর্তমানে কিশোর গ্যাং শুধু অভিভাবকদের জন্যই আতঙ্ক নয়; বরং পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রের জন্যও ক্ষ বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ায় ২০ কোটিরও বেশি মুসলিম বসবাস করে, যা ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম জনসংখ্যা।
ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়ার অভ্যন্তরে জাতীয়তাবাদী ও অর্থোডক্স খ্রিস্টান পরিচয়ভিত্তিক রাজনৈতিক বক্তব্য আরও জোরালো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর নজরদারি ও চাপও বেড়েছে। সাম্প্রতিক গ্রেফতার এবং নতুন আইন নিয়ে বিতর্ক সেই পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত বহন করছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব ঘটনা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে-দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আনুগত্যের বিনিময়ে যে ধর্মীয় বৈচিত্র্যকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, রাশিয়া à বাকি অংশ পড়ুন...












