৩) ঢাকার পাইকারি ও বৃহৎ বাণিজ্যিক বাজারের বহুকেন্দ্রীকরণ:
ঢাকার যানজটের অন্যতম আরেকটি কারণ হলো শহরের ভেতরে দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজারগুলোর এককেন্দ্রীক অবস্থান। ঢাকা শহরের জনসংখ্যার তুলনায় দুই সিটি কর্পোরেশনে পাইকারী বাজারের সংখ্যা খুবই সীমিত। যা রয়েছে তাও শহরের একদিকেই বেশীরভাগের অবস্থান। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান পণ্য আনা-নেওয়া করায় এসব এলাকায় প্রচন্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। যেমন-
ক) পুরান ঢাকা : সবচেয়ে বড় পাইকারী বাজার
পুরান ঢাকা হলো দেশের ব্যবসার মূল কেন্দ্র। এখানে প্রায় প্রতিটা মহল্লাই কোনো না ক বাকি অংশ পড়ুন...
২) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিকেন্দ্রীকরণ:
প্রতি বছর উচ্চশিক্ষার জন্য লাখ লাখ শিক্ষার্থীর ঢাকামুখী হওয়া ঢাকার জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং তীব্র যানজটের অন্যতম বড় কারণ। যারা ফরয পরিমাণ দ্বীনি শিক্ষার পর অন্যান্য বিষয়ে পড়াশোনা করতে চায় তাদের জন্য ঢাকার বাইরে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে উচ্চ মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে ঢাকামূখী ‘শিক্ষা অভিবাসন’ বন্ধ করা যেতে পারে।
এবং ঢাকার ওপর চাপ কমানোর জন্য ঢাকার বাইরে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরি সহ নিচের পদক্ষেপগুলো বাকি অংশ পড়ুন...
ফলের জগতে বিলাসিতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত মিয়াজাকি আম। পুষ্টিগুণ, বিরলতা ও বাজারমূল্যের দিক থেকেও অন্যান্য আমকে ছাড়িয়ে গেছে এই বিশেষ ধরণের আমটি। বিশ্ববাজারে এটি ‘রেড ম্যাংগো’ নামে পরিচিত।
আমটির স্বাদ অন্য আমের চেয়ে প্রায় ১৫ গুণ বেশি। আমটি খেতে খুবই মিষ্টি। আমটির গড় ওজন প্রায় ৭০০ গ্রামের মতো। বিশ্ববাজারে এর দাম প্রায় ৩ লাখ টাকা কেজি।
জাপানের কিউশু অঞ্চলের মিয়াজাকি শহর থেকে উৎপত্তি হওয়া এই বিশেষ জাতের আম বিশ্বজুড়ে পরিচিত এর রং, স্বাদ এবং আকাশছোঁয়া দামের জন্য। সাধারণ আমের মতো সবুজ বা হলুদ নয়, মিয়াজাকি আমের রং উজ্জ্বল লালচে-বে বাকি অংশ পড়ুন...
গত পরশু (৮ই জুন) সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমাদের ওষুধ ১৪০টিরও বেশি দেশে রফতানি হচ্ছে, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতের সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প গত দুই দশকে দেশের অন্যতম সফল শিল্প খাত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এই খাতটি এখন দেশীয় চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির নানা শর্ত দেশের বিকাশমান এই শিল্পের জন্য ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠ বাকি অংশ পড়ুন...
মিরপুরে ৭২ বছর বয়সী নুরজাহান বেগমের পচনধরা লাশ উদ্ধারের সংবাদ পাওয়া গেছে। একজন বৃদ্ধা মা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে মারা গেছেন, অথচ কেউ খবর রাখেনি। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দিয়েছে। আরও বিস্ময়ের বিষয়, তার সন্তানরা কেউ অশিক্ষিত নন। একজন রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, অন্যজন বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
এই খবর দেখে অনেকে অবাক হচ্ছেন। কিন্তু আমি অবাক হওয়ার কিছু দেখি না।
ইউরোপ, আমেরিকা, চীন ও জাপানের মতো দেশে এ ধরনের ঘটনা খুবই সাধারণ। আপনি একদিকে ইউরোপ-আমেরিকা-চীন-জাপানের জীবন ব্যবস্থাকে উন্নত জীবন ব্যবস্থার না বাকি অংশ পড়ুন...
গত ৩ থেকে ৬ মের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদক, সঞ্চালক ও বিতরণকারী সংস্থা-কোম্পানিগুলো বিইআরসিতে বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম এবং সঞ্চালন মাশুল বাড়ানোর আবেদন করে। গত ২০ ও ২১ মে বিইআরসির গণশুনানিতে রাজনৈতিক নেতা, ভোক্তা অধিকারকর্মী, ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তারা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, ভুল পরিকল্পনা ও অপচয়ের দায় সাধারণ গ্রাহকদের ওপর চাপানো হচ্ছে।
প্রবাদ আছে- চোরে শুনে না ধর্মের কাহিনী। প্রবাদের মতই যেন শুনে না গণশুনানীর আরজি বা আর্তি। গণশুনানিকে সব সময়ের মত বাকি অংশ পড়ুন...
ড) বিচার বিভাগ ও আইনি প্রতিষ্ঠান বিকেন্দ্রীকরণ:
আইনি সেবার জন্য সাধারণ মানুষের ঢাকা আসা বন্ধ করতে উচ্চ আদালতের বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বেঞ্চ বা সার্কিট বেঞ্চ চালু করা উচিত। এর ফলে সাধারণ মানুষকে ছোটখাটো মামলার আপিলের জন্য ঢাকায় আসতে হবে না।
* বিশেষায়িত ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনাল:
অনেক বিশেষায়িত আদালত বা ট্রাইব্যুনালের প্রধান কার্যালয় বা আপিল আদালত শুধু ঢাকায় অবস্থিত। এগুলোকে বিভাগীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া দরকার।
যেমন, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল। এটা শিল্প বাকি অংশ পড়ুন...
এবারও ঈদের পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একই দৃশ্য দেখা গেছে। কোথাও চামড়া রাস্তায় পড়ে আছে, কোথাও খোলা মাঠে নষ্ট হচ্ছে, কোথাও আবার নদী বা খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ক্রেতা না পাওয়ায় অনেককেই রাস্তা-মাঠে চামড়া ফেলে রেখে চলে যেতে দেখা গেছে। দুর্গন্ধের হাত থেকে বাঁচতে বিভিন্ন স্থানে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলার খবরও পাওয়া গেছে। এছাড়া, মহাসড়কের পাশে চামড়া ফেলে গেছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।
রাজধানী থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন জেলা শহর ও গ্রামে চামড়া শিল্পের এই করুণ দৃশ্য দেখা গেছে।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশি বাকি অংশ পড়ুন...
কুরবানীর ঈদ এলেই বেড়ে যায় কসাইদের কদর। এ সময় পেশাদার কসাইয়ের পাশাপাশি মৌসুমি কসাইদের কদরও বেড়ে যায়। অনেকে ভালো কসাই না পেয়ে মৌসুমি কসাইদের কাজে নিতে বাধ্য হন।
ঈদের ছুটিতে সবাই যখন রাজধানী ছেড়ে বাড়ি যাচ্ছেন, তখন এসব কসাই ছুটে আসছেন ঢাকায়। তাদের কারণে দিন দিন নগরবাসীর ভোগান্তি দূর হচ্ছে বলে মনে করেন সেন্ট্রাল রোডের বাসিন্দা করিম শেখ। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কসাইদের কারণে আমরা দ্রুত পশু কুরবানীর কাজ শেষ করতে পারছি। এসব কাজে তারা নিজেরাও কুরবানীর আনন্দ পেয়ে থাকেন। পাশাপাশি পান পারিশ্রমিক এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে গোশতও বাকি অংশ পড়ুন...
জনসাধারণের চোখ কপালে ওঠার মতো খবর হলেও এটি কোনো বানানো গল্প বা রূপকথা নয়; বরং খোদ ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ পত্রিকার বিগত ১৫ মে’র এক চাঞ্চল্যকর খবরের শিরোনাম! মার্কিন ইহুদী কথিত ধনকুবের বিল গেটসের অর্থায়নে পরিচালিত একটি বিশাল মশার কারখানা থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৩০ মিলিয়ন অর্থাৎ ৩ কোটি মশা উৎপাদন করে মুক্ত বাতাসে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। যদিও কর্পোরেট ও ইহুদী-নাসারাদের আন্তর্জাতিক মূলধারার মিডিয়াগুলো এই মরণঘাতী প্রজেক্টের সপক্ষে দিনরাত সাফাই গেয়ে যাচ্ছে এবং কলম্বিয়ার মেডেলিন শহরের ভেতরে এই মশার প্রজনন ঘটিয়ে তা পরিবেশে অবমুক্ত করা বাকি অংশ পড়ুন...
গত পরশু (২১ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনিস্টিউশনের মিলনায়তনে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবিত বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি করা হয়।
দেশের ছয়টি বিতরণ কোম্পানি বিদ্যুতের খুচরা মূল্য প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে।
বিশেষ করে বাংলাদেশে সিস্টেম লসের কারণে বছরে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা লোকসানের তথ্য অনেক দিনের।
রিডিং নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তা নেওয়া হচ্ছে না।
একেক সময় একেক বাড়ির মিটার রিডিং নিয়ে একটা গড়পড়তা হিসাব করে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সিস্টেম লসের নামে গোঁজামিল দেওয়ার স বাকি অংশ পড়ুন...
হিন্দু প্রধান দল কংগ্রেস উপমহাদেশের মুসলমানের উপর হিন্দুত্ববাদীদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্যে এক জাতীয়তার ধূম্রজাল সৃষ্টি করে মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে বিরাট বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, দেওবন্দের কথিত আলেম হুসাইন আহমদ নাদানী। সে কংগ্রেসের সুরে সুর মিলিয়ে ঘোষণা করে একই ভৌগোলিক সীমারেখার ভিতরে বসবাসকারী মুসলমান অমুসলমান নির্বিশেষে মিলে এক জাতি। এই বিষয়ে সে বইও লিখে। সে দেওবন্দভিত্তিক সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ-এর সভাপতি ছিলো।
মুসলিম লীগ উপমহাদেশে দ্বিজাতিতত্ত্বের (মুসলিম ও মুশরিক দুই জাতি) ভিত্তিতেই বাকি অংশ পড়ুন...












