একই লক্ষ্যে তারা পশ্চিমা আর্থিক সহযোগিতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে স্টারলিংক সংযোগ চালু করার উদ্যোগ নেয়। এর বিরুদ্ধে আমি প্রবলভাবে লিখেছি। কিন্তু অন্যান্য অনেক ইস্যুগুলোর মত এখানে প্রকাশ্যে সমর্থন পাশে পাইনি। তারা কৌশলে ই লার্নিং এর নামে ইউএনডিপির অর্থে পার্বত্য চট্টগ্রামের ১০০ স্কুলে স্টারলিংক সংযোগ চালু করে দেয়।
আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, এই ১০০ স্কুলের একটিও পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্ধেক জনগোষ্ঠী বাঙ্গালী অধ্যুষিত এলাকায় অধিষ্ঠিত নয়। আমি বলছি না বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় চালু করলে এটা বৈধ হতো। মূলত এ দ্বারা তাদের উদ্দেশ্য বাকি অংশ পড়ুন...
৫৫ বছরেও উত্তোলনের উদ্যোগ নেই মৌলভীবাজারের ইউরেনিয়াম
মৌলভীবাজারের জুড়ি উপজেলার হারাগাছা ও সিলেটের জৈন্তাপুরে মাটির নিচে অব্যবহৃতভাবেই পড়ে আছে মূল্যবান খনিজ সম্পদ ইউরেনিয়াম। দেশে ৫০ বছর আগে মূল্যবান ইউরেনিয়ামের সন্ধান মিললেও নেই উত্তোলনের কোনো উদ্যোগ।
বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে আমাদের দেশেপ্রাপ্ত ইউরেনিয়ামের মানও ভালো।
হারাগাছা ও জৈন্তাপুর থেকে সংগৃহিত মাটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, এখানে ইউরেনিয়াম প্রাপ্তির হার ৫০০-১৩০০ পার্টস পার মিলিয়ন (পিপিএম)। বিশ্বের যেসব খনি থেকে ইউরেনিয়াম সংগ্রহ করা হয়। সেগুলোতে ৩শ থেকে এক হাজার বাকি অংশ পড়ুন...
বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতের এমন প্রকল্প বাংলাদেশের নদীমাতৃক পরিবেশে বিরূপ প্রভাব রাখবে বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানি আটকে রাখার কারণে নদীর পানি কমে যেতে পারে। এতে জৈন্তাপুর ও তাহিরপুরের মতো বিস্তীর্ণ কৃষি এলাকার সেচব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়বে। এছাড়াও উজানে বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের নদীতে ইলিশসহ বিভিন্ন পরিযায়ী মাছের (সরমৎধঃড়ৎু ভরংয) যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। শুধু তাই নয় বর্ষাকালে যখন অতিরিক্ত পানি বাঁধের পানিধারের ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে যায়, তখন তা হঠাৎ করে ছেড়ে দিতে হয়। এর ফলে বাংলাদেশের সমতলে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হ বাকি অংশ পড়ুন...
আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ভারত একতরফাভাবে নদীশাসন করছে। ফারাক্কার ভয়াবহ প্রভাবের কথা আমরা জানি। তিস্তা বা ফেনী নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা বাংলাদেশের মানুষ এখনও পাননি। বরাক নদী উজানে টিপাই বাঁধ সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনার প্রবাহকে শুকিয়ে দিচ্ছে। ভারত থেকে প্রায় ৫৪টি নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এ সকল নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট করে ভারত বাংলাদেশের সমূহ ক্ষতি করছে। পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় নদীতে সাগর থেকে নোনা পানি প্রবেশ করছে। স্বাভাবিকভাবেই নোনা পানিতে স্বাদু পানির মাছ, পানিজ উদ্ভিদ কিছুই বাঁচতে পারে না। ফলে কমছে বাকি অংশ পড়ুন...
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০”কি?
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিজেদের দখলে রাখতে ব্রিটিশ লুটেরারা ঐ অঞ্চলকে বিশেষ অঞ্চল নামে আখ্যা দিয়ে ১৯০০ সালে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০’ (চিটাগং হিল ট্র্যাক্ট ম্যানুয়েল ১৯০০) নামক আইন প্রণয়ন করে এবং ১৯০০ সালের ১ মে থেকে কার্যকর করে। এই আইনের মাধ্যমে উপজাতিদের ব্যাপক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামের শাসন ক্ষমতা নিজেরা কুক্ষিগত করে। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল এই সমৃদ্ধ অঞ্চলটি দূরে থেকে কিভাবে শাসন-শোষণ করা যায়। এলক্ষ্যে পার্বত্য উপজাতিদের তারা ব্যবহার করে।
পার্বত্ বাকি অংশ পড়ুন...
৩৬ জুলাই অভ্যুত্থান সফল হওয়ার পর প্রফেসর ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হলে অন্য সকলের মতো আমিও অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম বর্তমান বিশে^র সবচেয়ে আলোচিত এবং এক জীবনে যা পাওয়া সম্ভব প্রায় তার সবকিছু পাওয়া একজন মানুষ এই দায়িত্ব নেয়ায় খুশির মাত্রা একটু বেশি ছিল। ধারণা করেছিলাম তার আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের জন্য অসম্ভবকে সম্ভব করবেন। কার্যত সে আশা মরীচিকায় পরিণত হতে বেশি সময় নেয়নি। অল্পদিনেই বুঝতে পারলাম, এরা মূলত হাসিনা রেজিমে দিল্লির হেজিমনি থেকে বাংলাদেশকে বের করে পশ্চিমা হেজিমনিতে অনুপ্রবিষ্ট করার লক্ বাকি অংশ পড়ুন...
কত আশ্চর্য মিল? একই প্রচারণা! একই পদচারনা! বাংলাদেশের সম্পদ, সমৃদ্ধির বিরুদ্ধে কি অদ্ভূত একাকার ষড়যন্ত্র।
গত ২৬ শে এপ্রিল Hindustan Times বাংলা খবরে হেডিং হয়েছে-
" Cox's Bayar: বাংলাদেশে হুলুস্থূল! সমুদ্রসৈকতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ বিরল খনিজ? উত্তোলনের উদ্যোগ নেই"
খবরে দাবি করা হয়- “Cox's Bayar: বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজারের পর এবার পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে মূল্যবান সম্পদের ভা-ারের হদিস পেলেন গবেষকরা। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে ওপার বাংলায়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আগ্রহ দেখায়নি সরকার। জানা গেছে, সেখানে ক বাকি অংশ পড়ুন...
মূল লক্ষ্য হলো, পাহাড়কে ‘পূর্ব তিমুর’ বা ‘দক্ষিণ সুদান’-এর মতো পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়া।
সন্তু লারমা, প্রসীত, নাথান বম, কুখ্যাত দেবাশীষ রায়, ইয়েন ইয়েন, মাইকেল চাকমা এবং তাদের সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অবিলম্বে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
কুখ্যাত রাজাকার, মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী শীষ রায় এবং সন্তু লারমা ক্ষমতার ভাগ নেয়ার জন্য বাংলাদেশে আদিবাসী নেই বলে স্বীকার করলেও এখন আবার স্বাধীন জুমল্যান্ড গঠনের ষড়যন্ত্রে আদিবাসী প্রচারণা চালিয়ে
বাংলার বুকে নতুন ইসরাইল সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।
আলাদা জুম্মল্যান বাকি অংশ পড়ুন...
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা বলে দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুনতে ভালো লাগে-সংকট, সাশ্রয়, দায়িত্বশীলতা। কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই উল্টো। এই সিদ্ধান্ত সরাসরি অর্থনীতির ওপর আঘাত। এবং অথনৈতিক মন্দার মাধ্যমে ঈমানহারা করা। পবিত্র হাদিছ শরীফে রয়েছেন, অভাব-অনটন মানুষেল কুফরী বৃদ্ধি করে।
বাংলাদেশে খুচরা ব্যবসার আসল সময় কখন? সকাল না, দুপুর না- সন্ধ্যা ৭টার পর। অফিস শেষ করে মানুষ বাসায় ফিরে, তারপরই বের হয় কেনাকাটায়। রাত ৭টা থেকে ১০টা -এই তিন ঘণ্টাই ব্যবসার প্রাণ। ঠিক এই সময়টাকেই বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
এখন সহজ বাকি অংশ পড়ুন...
সরকার ঘোষিত মৎস্য আহরণ নিষেধাজ্ঞায় মরার উপর খাড়ার ঘা অবস্থা হয় দেশের জেলেদের।
বৈষম্যবিরোধী দল বলে দাবীদার, এন.সি.পির এমপিও জেলের আহাজারিতে কান দেয়নি।
নিভৃতেই চলছে জেলেদের নীরব কান্না।
‘সবার আগে বাংলাদেশ’- দাবীদার সরকারের কাছে এমনটা কি করে আশা করা যায়?
(১)
নোয়াখালীর হাতিয়ায় অসুস্থ এক জেলের চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। মিরাজ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি গত ২০ শে এপ্রিল ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা (এন.সি.পি) এবং নোয়াখালী-৬ আসনের এমপি আবদুল হান্নান মাসউদের কাছে সহায়তা বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের প্রধান প্রধান অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু কারণ হলো-
৪) প্রাতিষ্ঠানিক ও বাণিজ্যিক বিকেন্দ্রীকরণের অভাব:
পুরো বাংলাদেশের প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা ঢাকা কেন্দ্রিক। মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে অধিকাংশ অধিদপ্তর, প্রধান প্রধান সরকারী বেসরকারী অফিস, আদালত, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বড় সব হাসপাতাল ও বিশ^বিদ্যালয় ইত্যাদি ঢাকায় অবস্থিত। বাংলাদেশের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস ঢাকাতেই অবস্থিত।
বাংলাদেশের ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ রয়েছে, যার প্রায় সবকটিই ঢাকার “বাংলাদেশ সচিবালয় বাকি অংশ পড়ুন...
যার সুফল ভোগ করছে মুষ্টিমেয় কয়েকজন আর দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ২৫ হাজার শ্রমিক, পাঁচ লাখ কৃষক পরিবার আর পরোক্ষভাবে এর সঙ্গে যুক্ত ৫০ লাখের ও অধিক মানুষ।
চিনিকলের জায়গা দখলের সঙ্গে সঙ্গে পরিশোধিত চিনির উপর নির্ভরশীল করে
একচেটিয়া ব্যবসা করার স্বার্থে চিনিকল বন্ধ রাখার তৎপরতা চলছে।
তিন দাবিতে ফটক সভা ও বিক্ষোভ করেছেন জয়পুরহাট চিনিকল শ্রমিকরা। চিনিকলের অস্থায়ী ইউনিয়ন ভবন কার্যালয়ে শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের উদ্যোগে গত সপ্তাহে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিক নেতারা।
রংপুর চিনিকল প বাকি অংশ পড়ুন...












