মন্তব্য কলাম
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
, ২৭ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৫ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৪ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ৩১ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
৩) ঢাকার পাইকারি ও বৃহৎ বাণিজ্যিক বাজারের বহুকেন্দ্রীকরণ:
ঢাকার যানজটের অন্যতম আরেকটি কারণ হলো শহরের ভেতরে দেশের বৃহত্তম পাইকারি বাজারগুলোর এককেন্দ্রীক অবস্থান। ঢাকা শহরের জনসংখ্যার তুলনায় দুই সিটি কর্পোরেশনে পাইকারী বাজারের সংখ্যা খুবই সীমিত। যা রয়েছে তাও শহরের একদিকেই বেশীরভাগের অবস্থান। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান পণ্য আনা-নেওয়া করায় এসব এলাকায় প্রচন্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। যেমন-
ক) পুরান ঢাকা : সবচেয়ে বড় পাইকারী বাজার
পুরান ঢাকা হলো দেশের ব্যবসার মূল কেন্দ্র। এখানে প্রায় প্রতিটা মহল্লাই কোনো না কোনো পণ্যের পাইকারি বাজার। যেমন,
* চকবাজার ও বেগমবাজার: কসমেটিকস, প্লাস্টিক পণ্য, ইমিটেশন গহনা এবং ক্রোকারিজ সামগ্রীর বাজার।
* ইসলামপুর: দেশের বৃহত্তম কাপড়ের পাইকারি বাজার।
* মৌলভীবাজার: ভোজ্যতেল, চিনি, মসলা, চা পাতা এবং সব ধরনের শুকনো মুদি পণ্যের আমদানিকারক ও পাইকারদের মূল বাজার এটি।
* বাদামতলী, সদরঘাট ও নয়াবাজার: ফলমূল, চাল এবং কাগজের বিশাল বাজার।
* নবাবপুর ও ধোলাইখাল: দেশের সবচেয়ে বড় ইলেকট্রনিক্স পার্টস, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, জেনারেটর, হার্ডওয়্যার, হালকা প্রকৌশল এবং গাড়ীর যন্ত্রাংশের বৃহত্তম পাইকারি বাজার।
* শ্যামবাজার: পেঁয়াজ, রসুন, আদা এবং ডালসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের বাজার।
* মিটফোর্ড: ওষুধ ও কেমিক্যালের প্রধান পাইকারি বাজার।
* বাংলাবাজার: বাংলাদেশের প্রকাশনা ও সব ধরনের বই, খাতা ও কাগজপত্রের প্রধান পাইকারি বাজার।
খ) কারওয়ান বাজার: ঢাকা শহরের সবচেয়ে বড় কাঁচাবাজার (সবজি, মাছ, গোশত ইত্যাদি)।
গ) গুলিস্তান ও বঙ্গবাজার: তৈরি পোশাক, জুতা, ইলেকট্রনিক্স, ব্যাগ ইত্যাদি পাইকারি বাজার।
ঘ) নীলক্ষেত: বই, গাইড ও প্রকাশনা সামগ্রীর পাইকারি বাজার।
ঙ) যাত্রাবাড়ী ও সোয়ারীঘাট: মাছের বিশাল পাইকারি বাজার।
চ) মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট: চাল, ডাল ও মুদি পণ্যের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার।
ছ) গাবতলী ও আমিনবাজার: গবাদি পশু এবং নির্মাণ সামগ্রীর (বালু, ইট) বড় বাজার।
এসব বাজারগুলোর সিংহভাগ বাজার পুরান ঢাকায় অবস্থিত। এই এলাকাসহ অন্যান্য বাজারগুলো যদি ঢাকার ভেতরে বাহিরেও বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেয়া যায় তাহলে ঐসব এলাকার যানজট ব্যাপকভাবে কমে যাবে। ঢাকা শহরের ভেতরে বাহিরেও বিভিন্ন এলাকায় এবং নদীকেন্দ্রীক এলাকাগুলোতে নতুন নতুন বাজার গড়ে তোলার মাধ্যমে এসব বাজারগুলো বিকেন্দ্রীকরণ করা যায়।
ঢাকার ভৌগোলিক বিন্যাস, জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং যাতায়াত ব্যবস্থা বিবেচনা করে প্রথমত শহরের ভেতরে এবং নদী তীর সংলগ্ন যেসব এলাকায় নতুন আধুনিক পাইকারি বাজার গড়ে তোলা যায়, তার কয়েকটি নিচে দেওয়া হলো:
১. মিরপুর-১৪ বা বেড়িবাঁধ এলাকা (তুরাগ নদীর তীর):
মিরপুর ও তার আশেপাশের বিশাল জনসংখ্যার জন্য একটি নির্দিষ্ট পাইকারি বাজার প্রয়োজন।
সম্ভাব্য জায়গা: মিরপুর-১৪ নম্বর (যেখানে বড় বড় খালি সরকারি জায়গা বা কোয়ার্টার রয়েছে) অথবা মিরপুর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন গাবতলী-উত্তরা লিংক রোডের পাশ।
আশুলিয়া ও গাবতলীর সংযোগস্থলে হওয়ায় এখানে নদী ও সড়ক উভয় পথেই এখানে পণ্য আনা-নেয়া সহজ হবে। এখানে মেট্রো রেলের স্টেশন কাছাকাছি থাকায় সাধারণ ব্যবসায়ীদের যাতায়াতও সহজ হবে।
এই বাজারে সবজি ও মাছসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্য এবং তৈরি পোশাকের পাইকারি মার্কেট করা সম্ভব। ফলে মিরপুর, পল্লবী, কাফরুল ও ডিওএইচএস এলাকার খুচরা ব্যবসায়ীদের আর কারওয়ান বাজার বা ইসলামপুর যেতে হবে না।
-মুহম্মদ জুলফিকার হায়দার।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












