মরদূদ দরবেশ বালয়াম বিন বাউরা তিনশত বছর ইবাদত করেছিলো। চোখ বন্ধ করলে সিদরাতুল মুনতাহা থেকে তাহ তাছ্ছারা পর্যন্ত সবকিছু দেখতে পেতো। তার সমস্ত দোয়া কবুল করা হতো। কিন্তু হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে ৩০০ বছর পর সেও গোমরাহ হয়ে গেলো। তার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ الَّذِي آتَيْنَاهُ آيَاتِنَا فَانسَلَخَ مِنْهَا فَأَتْبَعَهُ الشَّيْطَانُ فَكَانَ مِنَ الْغَاوِينَ
অর্থ: আর আপনি তাদের নিকট বর্ণনা করুন, সে লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের নিদর্শনসমূহ দান করেছিলাম, অথচ সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। আর তার বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ بُرَيْدَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لاَ تُتْبِعِ النَّظْرَةَ النَّظْرَةَ فَإِنَّ لَكَ الأُولَى وَلَيْسَتْ لَكَ الآخِرَةُ
অর্থ: হযরত বুরাইদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, দৃষ্টিকে অনুসরণ করো না। প্রথম দৃষ্টি (যা অনিচ্ছা সত্ত্বে পতিত হয় তা) ক্ষমা করা হবে; কিন্তু পরবর্তী দৃষ্টি ক্ষমা করা হবে না। অর্থাৎ প্রতি দৃষ্টিতে এক বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি কেমন লোক ছিলেন? সে কাজিউল কুজাত বলতেছেন,
وَكَانَ يَلْبَسُ الصُّوفَ،
তিনি ছূফী লোক ছিলেন। (তিনি সুন্নতী লিবাস মুবারক পড়তেন।)
وَيَأْمُرُ بِالْمَعْرُوفِ، وَيَنْهَى عَنِ الْمُنْكَرِ،
তিনি সবসময় সৎ কাজের আদেশ করতেন, বদ কাজের নিষেধ করতেন। এবং
وَيُوَجِّهُ فِي كُلِّ سَنَةٍ بِعِشْرِينَ أَلْفَ دِينَارٍ إِلٰى مَدِينَةِ السَّلَامِ
প্রতি বৎসর তিনি বিশ হাজার স্বর্ণ মুদ্রা মহাসম্মানিত মদীনাতুস সালামে পাঠাতেন। কেন?
تُفَرَّقُ عَلٰى صَغَائِرِ وَلَدِ الصَّحَابَةِ،
তিনি বিশ হাজার স্বর্ণ মুদ্রা, বিশ হাজার দিনার পাঠাতেন প্রতি বছর। এখন মহাসম্মানিত মদীনাতুস সালাম নিয়ে ইখতিলাফ। যাই হোক মহাসম্মানিত মদ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إذَا رَأَيْتُمُ الَّذِيْنَ يَسُبُّوْنَ أصْحَابِىْ فَقُوْلُوْا لَعْنَةُ اللهِ عَلَى شَرِّكُمْ.
অর্থ: যখন তোমরা কাউকে আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে গালি দিতে দেখবে, তখন তোমরা বলো, এ নিকৃষ্ট কাজের জন্য তোমাদের প্রতি আল্লাহ পাক উনার লা’নত বর্ষিত হোক। (তিরমিযী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُوْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ حَدَّثَتْهُ اَنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَـمْ يَكُنْ يَتْرُكُ فِىْ بَيْتِهِ شَيْئَا فِيْهِ تَصَالِيْبُ اِلَّا نَقَضَهُ
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বীয় পবিত্র হুজরা শরীফ-এ (প্রাণীর) ছবিযুক্ত কোনো জিনিসই রাখতেন না। দেখলেই ভেঙ্গে চূর্ণ করে দিতেন। (বুখারী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
উক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বার বাকি অংশ পড়ুন...
وَيُبَيِّنُ اللهُ لَكُمُ الآيَاتِ وَاللهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সব হুকুম স্পষ্ট করে বর্ণনা করে দিলেন। তিনি সব জানেন, শুনেন। তিনি আলিম তিনি হাকীম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
যদি করো তাহলে কি হবে?
لُعِنُوا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ
তাহলে কি হবে? ইহকাল পরকালে লা’নত বর্ষণ করা হবে। নাউযুবিল্লাহ!
وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
কঠিন শাস্তি তোমাদের জন্য রাখা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
ইবলিস সম্পর্কে বলা হয়েছে-
وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِي إِلَى يَوْمِ الدِّينِ
ইবলিস তোর জন্য অনন্তকালের জন্য লা’নত। এদেরও প্রতি অনন্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الْكَافِرِيْنَ كَانُوْا لَكُمْ عَدُوًّا مُّبِيْنًا
অর্থ: হে ঈমানদাররা! নিশ্চয়ই কাফিররা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। (পবিত্র সূরা নিসা: আয়াত শরীফ ১০১)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা নাস শরীফ
পবিত্র আয়াত শরীফ ৬
بِسْمِ اللهِ الرَّحْـمٰـنِ الرَّحِيْمِ
قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۙ مَلِكِ النَّاسِ ۙ اِلٰهِ النَّاسِ ۙ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ لا الْـخَنَّاسِ ۙ الَّذِىْ يُوَسْوِسُ فِىْ صُدُوْرِ النَّاسِ ۙ مِنَ الـجِنَّةِ وَالنَّاسِ ۟
ছহীহ তরজমা : আপনি বলুন, আমি মানুষের রব বা প্রতিপালক উনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। যিনি মানুষের মালিক বা অধিপতি। যিনি মানুষের ইলাহ বা মা’বূদ। খন্নাস বা শয়তানের ওয়াসওয়াসার বুরায়ী বা অনিষ্টতা থেকে। যে মানুষের ছুদূর বা অন্তরে ওয়াসওয়াসা দেয়। জিন ও ইনসান থেকে।
পবিত্র সূরা ক্বদর শরীফ
পবিত্র আয়াত শরীফ ৫
بِسْمِ اللهِ الرَّحْـمٰـنِ الرَّ বাকি অংশ পড়ুন...
اَللهُ الصَّمَدُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন একক। তিনি বেনিয়াজ। তিনি কারো মুহতাজ নন। তিনি একক। আবার ঠিক একইভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও ছমাদ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তিনি যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত সব থেকে তিনি বেনিয়াজ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন একমাত্র যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল বাকি অংশ পড়ুন...












