স্বভাবজাত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক হলো এমন কতগুলো মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক যা মানুষের স্বভাবের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যা নিয়মিত কাজের অন্তর্ভুক্ত এবং নিয়মিত করাই মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক। এরকম স্বভাবজাত মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হলো সাধারণত দশটি। এসব মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পূর্ববর্তী হযরত নবী রসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে শুরু করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মতের জন্যও মহাসম্মানিত মহপবিত্র সুন্নত মুবারক হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
মহাসম্মানিত মহাপ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, একদিন তিনজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা আসলেন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আমল (ইবাদত) মুবারক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। উনাদেরকে যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আমল (ইবাদত) মুবারক সম্পর্কে সংবাদ দেয়া হলো, তখন উনারা নিজেদের আমলগুলো কম মনে করলেন এবং বললেন, মহান আল্লাহ পাক তিনিতো উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত-মা’রিফত ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের প্রধান ও একমাত্র মহান মাধ্যম হচ্ছেন মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক।
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এ সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থ: “আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্ বাকি অংশ পড়ুন...
আয়না ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক। স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আয়না ব্যবহার করতেন অর্থাৎ আয়নাতে উনার মহাসম্মানিত নূরুর রহ্মাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) দেখতেন। অপর বর্ণনায় পাওয়া যায় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পানির পাত্রে উনার মহাসম্মানিত নূরুর রহ্মাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) চেহারা মুবারক দেখে মহাসম্মানিত পাগড়ী মুবারক, মহাসম্মানিত টুপি মুবারক, মহাসম্মানিত রুমাল মুবারক ইত্ বাকি অংশ পড়ুন...
আম্বর (اَلْعَنْبَرُ) বৃহদাকার সামুদ্রিক মাছঃ
এ সম্পর্কে সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَمَّرَ عَلَيْنَا أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ الْجَرَّاحِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ نَتَلَقَّى عِيرًا لِقُرَيْشٍ وَزَوَّدَنَا جِرَابًا مِنْ تَمْرٍ لَمْ نَجِدْ لَهُ غَيْرَهُ فَكَانَ أَبُو عُبَيْدَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ يُعْطِينَا تَمْرَةً تَمْرَةً كُنَّا نَمُصُّهَا كَمَا يَمُصُّ الصَّبِيُّ ثُمَّ نَشْرَبُ عَلَيْهَا مِنَ الْمَاءِ فَتَكْفِينَا يَوْمَنَا إِلَى اللَّيْلِ وَكُنَّا نَضْرِبُ بِعِصِيِّنَا الْخَبَطَ ثُمَّ نَبُلُّهُ بِالْمَاءِ فَنَأْكُلُهُ وَانْطَل বাকি অংশ পড়ুন...
মাছ (سَمَك) সামাক/ সামুদ্রিক মাছ (حُوْت) হূত:
মহান আল্লাহ পাক তিনি মাছ সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا يَسْتَوِي الْبَحْرَانِ هٰذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ سَائِغٌ شَرَابُهٗ وَهٰذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ ۖ وَمِن كُلٍّ تَأْكُلُونَ لَحْمًا طَرِيًّا وَتَسْتَخْرِجُونَ حِلْيَةً تَلْبَسُونَهَا.
অর্থ: “দু’টি সমুদ্র সমান হয় না, একটি মিঠা ও তৃষ্ণা নিবারক এবং অপরটি লোনা। উভয়টি থেকেই তোমরা তাজা গোশ্ত (মাছ) আহার করো এবং পরিধানে ব্যবহার্য অলঙ্কার আহরণ করো।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ -১২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি মাছ সম্পর্কে আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَهُوَ الَّذِي سَخَّرَ الْبَحْرَ لِتَأ বাকি অংশ পড়ুন...
“মুয়াত্তা ইমাম মালিক” কিতাবের ২৩ পৃষ্ঠার ৪ নং হাশিয়ায় উল্লেখ আছে,
قوله صلى الله عليه وسلم فقولوا مثل ما يقول اى وجوبا عند حَضْرَتْ ابى حنيفة رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وندبا عند الشافعى.
অর্থাৎ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, যখন তোমরা আযান শুনবে, তখন মুয়াজ্জিন যেরূপ বলে তোমরাও অনুরূপ বল। অর্থাৎ এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভিত্তিতে আমাদের হানাফী মাযহাবের ইমাম, ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট মৌখিকভাবে আযানের জাওয়াব দেয়া ওয়াজিব। আর শাফিয়ী মাযহাবে মুস্তাহাব।
পবিত্র আযান উনার জা বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ.
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যিনি যতো বেশি মুহব্বত মুবারক করেন, যিনি যতবেশি মুত্তাক্বি, পরেহেযগার, নিসবত-কুরবত ওয়ালা, আল্লাহ ওয়ালা তিনি, ততোবেশি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণ-অনুকরণ করে থাকেন। অর্থাৎ বেশি বেশি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণের কারণেই মহান আল্লাহ পাক তিনি অধিক ফযীলত, মর্যাদা-মর্তবা, ইজ্জত-সম্মান হাদিয়া করে থাকেন। এ সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-
قال بشر الحافى رحمة الله عليه رايت النبى صلى الله عليه وسلم فى الـمنام فقال لى يا بشر هل تدرى لـم رفعك الله تعالى من بين اقرانك قلت لا يا رسول الله صلى ال বাকি অংশ পড়ুন...












