বাংলাদেশের সমৃদ্ধি আর ৯৮ ভাগ মুসলমান জনগোষ্ঠীর ইসলাম পালন ওদের গাত্রদাহের কারণ হয়ে উঠেছে।
মুসলমানদের জন্য বড় আতঙ্ক, বড় শত্রু আমেরিকা।
আমেরিকার লোলুপ দৃষ্টি এখন বাংলাদেশে।
বাংলাদেশের বিরল খনিজ লুট, নারিকেল দ্বীপ দখল, করিডোর, পার্বত্য চট্টগ্রাম নেওয়াতেই আমেরিকা ক্ষান্ত হবে না।
আমেরিকা চায় গৃহযুদ্ধের বাংলাদেশ।
টুকরা টুকরা বাংলাদেশ, ব্যর্থ বাংলাদেশ।
আমেরিকা চায় ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সর্বনাশ
আমেরিকা চায় সমকামিতা আর পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রসার
এখনই সতর্ক না হলে ভবিষ্যত অন্ধকার। নাউযুবিল্লাহ।
আমেরিকার লক্ষ্য হল প্র বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবরক করেন, “আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারারা চেয়ে থাকে কিভাবে মুসলমানদেরকে ঈমান আনার পর কাফির বানানো যায়।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ)
বর্তমান যামানায় সমস্ত পাপ কাজের মূল উৎস হচ্ছে ছবি এবং বেপর্দা। যে ব্যক্তি এ দুটোর মধ্যে মশগুল হয়ে যাবে, সে পবিত্র ঈমান এবং সম্মানিত ইসলাম থেকে দূরে সরে যাবে। তার দ্বারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কাজ করা কস্মিনকালেও সম্ভব হবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করুন, খালিছ তওবা নছীব না হলে তার জন্য বেঈমান হয়ে মারা যাওয়াটাই স্বাভাবিক।
আর এজন্যই ম বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিবছর দেশের বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে, যা অর্থনীতির ওপর নীরব কিন্তু ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার ৭০ শতাংশেরও বেশি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এ জন্য বছরে প্রায় ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে বাংলাদেশের মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সয়াবিন তেল আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাক বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে বাংলাদেশে সামাজিক অবক্ষয় এবং নৈতিকতা ভূলুন্ঠিত হওয়ার অন্যতম কারণ হলো এই ভারতীয় টিভি সিরিয়াল। ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত নাটক সিনেমার আসল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- অনৈতিকতা, অশ্লীলতা, কুটনামি, অপরাধ, খুন, সম্ভ্রমহরণ ইত্যাদি শিক্ষা প্রদান। প্রায় সব সিরিয়ালের মধ্যে থাকে কীভাবে পরকীয়া করা যায় তার বাস্তব প্রশিক্ষণ। পরকীয়ার অশ্লীল যত কাহিনী সব আছে ঐসব সিরিয়ালে। ভারতীয় টিভি সিরিয়াল এদেশে আসার পূর্বে এদেশের বেশিরভাগ মহিলা বোরকা পরিধান করতো। কিন্তু এই ভারতীয় টিভি সিরিয়াল নামক ভাইরাসগুলো এদেশে আমদানির পর থেকে বাঙ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ষার টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের পাহাড়ি ঢলে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলো ফুঁসে উঠেছে। তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা থেকে শুরু করে দক্ষিণের পায়রা বা উত্তরের মৃগী সবখানেই এখন আগ্রাসী রূপ। কোথাও নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে, কোথাওবা পানি নামতে শুরু করেছে। কিন্তু নদীর এই পানি বাড়া ও কমার দোলাচলেই ঘটছে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র গ্রোতের টানে পাড়ের মাটি ধসে পড়ছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে এবং প্রতিনিধিদের পাঠানো সরেজমিন চিত্রে দেখা যায়, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, রংপুর, শেরপু বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭১ আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের আশা-আকঙ্খার মাঝে ভূমিহীনদের স্বল্প লালিত ছিল দেশের সম্পদের উপর নিজেদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা। দেশের গরিব, ভূমিহীন মানুষগুলো খাস জমি ও নীরাভূমির উপর তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলো। তাদের সে আশা-আকাঙ্খা স্বাধীনতার ৪৬ বছরেও পূরণ হয়নি। শুধুমাত্র উত্তরাঞ্চলের ৬০ লাখ ভূমিহীন পরিবার দীর্ঘদিন থেকে বসতভিটার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ৩ লাখ ১৬ হাজার একরের বেশি খাস জমি রয়েছে। এর অর্ধেকের বেশি জমি প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে। যার বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা পাল্টা শুল্ক শুধু বাণিজ্যের বিষয় নয়। এটি ভূরাজনৈতিক, ভূ-অর্থনৈতিক ও ভূকৌশলগত বিষয়। আগামী ১ আগস্ট কার্যকর হওয়ার কথা বিদ্যমান ১৫ শতাংশের সঙ্গে নতুন ৩৫ শতাংশ অর্থাৎ মোট ৫০ শতাংশ শুল্কহার। এ হার কমিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত দেশটির সঙ্গে যথাযথ আলোচনা ও দর-কষাকষি করতে পারেনি বাংলাদেশ। এসব কথা তুলে ধরে ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, কোনো দুর্বল সরকার সফল দর-কষাকষি করেছে-ইতিহাসে এমন নজির খুব কম।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দেশে বাড়ছে অসন্তোষ। বাংলাদেশ যে চুক্তিতে ঠকেছে-এ বিষয়ে প্ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
বিটিশরা বিদায় নিলেও মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান যাতে প্রতিষ্ঠিত না হতে পারে সে বিষয়ে গান্ধী ও নেহরুর নেতৃত্বে কংগ্রেস এবং ভারতীয় হিন্দুরা শেষ পর্যন্তও চেষ্টা করেছিল।
পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় দলের ভেতরে-বাইরে তীব্র নিন্দা-সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিলো গান্ধী ও নেহরু। অমন এক অবস্থার মধ্যেই নেহরু তার ভিসন বা স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলো। বলেছিলো ‘তার ভারত মাতার’ এই বিভক্তি নিতান্তই সাময়িক ব্যাপার। ভারতকে আবারও পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। অর্থাৎ এক রাষ্ট্রে পরিণত করা হবেÑ ‘তার ভারত মাতা’ অখন্ডই থাকবে। নেহর বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে পাঁচ দিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে তুরস্ক গিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। রোববার (১৯ জুলাই) তিনি দেশটির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নয়ন ও শক্তিশালী করা। সফরকালীন কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি তুরস্কের বিভিন্ন অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং গুর বাকি অংশ পড়ুন...
পাঁচই আগস্টের আগে যেমন বাংলাদেশে মার্কিন গোয়েন্দাদের ঘন ঘন যাতায়াত দেখা গেছে, ঠিক তেমনি এখন আবার হঠাৎ করে দলে বলে মার্কিন গোয়েন্দারা এসে হাজির হয়েছে ঢাকার ওয়েষ্ট ইন হোটেলে। চেক ইন করেছে। তাদের পাসপোর্ট বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার বরাতেই সংবাদ মাধ্যমের কাছে, সাংবাদিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং এরা প্রত্যেকেই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ইন্টেলিজেন্স এবং রিসার্চ উইংয়ের সদস্য। তখন বাংলাদেশের গোয়েন্দারা বলছে, এরা এসেছে মূলত বাংলাদেশের সরকার এবং বাংলাদেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো শেখ হাসিনা যে ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা দিয় বাকি অংশ পড়ুন...
রাষ্ট্রের কর্ম বিভাগের আওতায় দেশে একটি পরিকল্পনা কমিশন রয়েছে, যার কাজ হচ্ছে দেশের জন্য জাতীয়ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, অনুমোদন ও সেসবের বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ স্থানীয় পর্যায়ে যেসব উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে, পরিকল্পনা কমিশন জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সেসবেরও সমন্বয় ও সংযোগসাধন করবে। ফলে দেখাই যাচ্ছে যে রাষ্ট্রের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিকল্পনা কমিশন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের বাইরে বা এর মধ্যবর্তী পর্যায়ে এমপি বা অন্য কারোরই কোনো বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারক ও জাতীয় সংসদের সদস্যদের প্রতি প্রশ্ন নিবদ্ধ হয়, রাষ্ট্রের সংবিধান ও পরিকল্পনা-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে হলেও এ কাজগুলো এমপিদের মাধ্যমে কেন করতে হবে? এ কাজগুলো স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে সম্পন্ন হলে এমপিদের অসুবিধা কোথায়? দেশের উন্নয়নই যদি শেষ পর্যন্ত সরকারের লক্ষ্য হয়, তাহলে তা কার মাধ্যমে হলো সেটি তো জরুরি নয়। জরুরি হচ্ছে, কাজটি মানসম্মতভাবে হলো কি না, সেটি। আর যার কাজ, সেটি তার মাধ্যমে হওয়াটাই তো একটি দক্ষ ও আদর্শ সরকারব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত।
এলজিইডি এরুপ প্রকল্প প্রণয়নে অতি উৎস বাকি অংশ পড়ুন...












