বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
, ২৫ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৩ আউওয়াল, ১৩৯৪ শামসী সন , ১২ জুন, ২০২৬ খ্রি:, ২৯ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
ফলের জগতে বিলাসিতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত মিয়াজাকি আম। পুষ্টিগুণ, বিরলতা ও বাজারমূল্যের দিক থেকেও অন্যান্য আমকে ছাড়িয়ে গেছে এই বিশেষ ধরণের আমটি। বিশ্ববাজারে এটি ‘রেড ম্যাংগো’ নামে পরিচিত।
আমটির স্বাদ অন্য আমের চেয়ে প্রায় ১৫ গুণ বেশি। আমটি খেতে খুবই মিষ্টি। আমটির গড় ওজন প্রায় ৭০০ গ্রামের মতো। বিশ্ববাজারে এর দাম প্রায় ৩ লাখ টাকা কেজি।
জাপানের কিউশু অঞ্চলের মিয়াজাকি শহর থেকে উৎপত্তি হওয়া এই বিশেষ জাতের আম বিশ্বজুড়ে পরিচিত এর রং, স্বাদ এবং আকাশছোঁয়া দামের জন্য। সাধারণ আমের মতো সবুজ বা হলুদ নয়, মিয়াজাকি আমের রং উজ্জ্বল লালচে-বেগুনি। আকারেও এটি তুলনামূলক বড় এবং দেখতে অনেকটা ডিম্বাকৃতির হওয়ায় একে ‘সূর্যের ডিম’ বলেও ডাকা হয়।
মিয়াজাকি আমের আরেক নাম ‘তাইয়ো নো তোমাগো’, যার অর্থ ‘সূর্যের ডিম’ বা। ১৯৮০-এর দশকে জাপানি গবেষক ও স্থানীয় কৃষকদের যৌথ প্রচেষ্টায় এই জাতের আম বাণিজ্যিকভাবে উন্নয়ন করা হয়। এরপর ধীরে ধীরে এটি বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান ফল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মিয়াজাকি আমে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি এবং খাদ্য উপাদান রয়েছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এছাড়া এতে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ত্বক, চোখ ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে বিবেচিত হয়।
তবে এই আমকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় এর মূল্য। আন্তর্জাতিক বাজারে উন্নতমানের মিয়াজাকি আমের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। বিশেষ নিলাম কিংবা প্রিমিয়াম বাজারে এর দাম আরও বেশি হওয়ার নজির রয়েছে।
অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চাষ, সীমিত উৎপাদন, কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাদের কারণে মিয়াজাকি আমকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম হিসেবে গণ্য করা হয়। শুধু দামি ফল হিসেবেই নয়, বিরলতা ও বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় কৃষিপণ্য হিসেবেও পরিচিত।
আদর্শ পানিবায়ু পরিস্থিতি, উর্বর মাটি এবং বিশুদ্ধ পানির অ্যাক্সেসসহ একটি অঞ্চলে জন্মানো, মিয়াজাকি আম ফল উৎপাদনের জন্য অনুকূল পরিবেশে বৃদ্ধি পায়।
মিয়াজাকি আম চাষ একটি শ্রম-নিবিড় প্রক্রিয়া যার জন্য বিশদ যতœ এবং মনোযোগ প্রয়োজন। উৎকৃষ্ট আমের চারা নির্বাচন থেকে শুরু করে জিনগত বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য কলম তৈরির কৌশল ব্যবহার করা পর্যন্ত, প্রতিটি ফলের গুণমান নিশ্চিত করতে কৃষকরা কোনো প্রচেষ্টাই ছাড়েন না।
কঠোর পরিচর্যার পরও সব আম কিন্তু ‘সূর্যের ডিম’ উপাধি পায় না। কড়া নজরদারির পর কেবল নিখুঁত আমগুলোই এই খেতাব পায়। এর জন্য প্রতিটি আমের ওজন ৩০০ গ্রামের বেশি হতে হয়, কোনও দাগ থাকা চলে না এবং রঙ ও মিষ্টির মান হতে হয় একদম নিখুঁত। এরপর নির্বাচিত আমগুলো জাপানের মিয়াজাকি সেন্ট্রাল হোলসেল মার্কেটে নিলামে তোলা হয়। সেখানে এক জোড়া মিয়াজাকি আম সর্বোচ্চ ৬ লাখ জাপানি ইয়েন বিক্রি হওয়ার রেকর্ড রয়েছে! অর্থাৎ একটি আমের দাম অনেক দামি স্মার্টফোন, লাক্সারি হ্যান্ডব্যাগ কিংবা ছোট স্বর্ণের গহনার চেয়েও বেশি।
এই বিশেষ আমের পুষ্টিগুণ:
গবেষকরা জানান, এই আমের উপকারী উপাদান অনেক। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, মিয়াজাকি ম্যাঙ্গো- ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে, শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, পেটের স্বাস্থ্য ফেরায়, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে, ত্বকে ফুটে ওঠে যৌবনের দীপ্তি।
বাংলাদেশের আবহাওয়ায় এই মিয়াজাকি আমের আবাদ শুরু হয়েছে। এমনকি অনেকেই ভালো ফলন পাচ্ছে। এখন ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় বাড়িতে শখ করে অনেকেই মিয়াজাকি আমের আবাদ করছেন। সবই বাংলাদেশের ট্রপিকাল আবহাওয়ার কারণেই সম্ভব হয়েছে।
সারাবছরই চাষ করতে পারেন লালশাক
লালশাক চাষের জন্য বেলে-দোঁআশ থেকে এঁটেল-দোঁআশ মাটি উপযুক্ত। যেখানে পানি জমে না এমন জমিই চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। সারাবছরই লালশাক চাষ করা যায়। তবে ভাদ্র থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত বেশি চাষ হয়।
ছটিয়ে অথবা লাইনে লালশাকের বীজ বোনা যায়। এক শতকে সারিতে ১০০ গ্রাম, ছিটিয়ে ১৫০ গ্রাম এবং হেক্টরপ্রতি সারিতে ১-১.৫ কেজি, ছিটিয়ে ২-২.৫ কেজি বীজ বুনতে হয়। জমি ভালো করে চাষ ও মই দিয়ে সমান করার পর ১ ভাগ বীজের সাথে ৯ ভাগ শুকনা ছাই মিশিয়ে হালকাভাবে ছিটিয়ে লালশাকের বীজ বুনতে হয়। লাইন করে অথবা সারি করে বুনতে হলে ১৫ থেকে ২০ সেন্টমিটার দূরে দূরে কাঠি দিয়ে ১.৫ থেকে ২.০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত গভীর করে বীজ বুনতে হয়। পরে তা মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।
পরিমাণমতো গোবর, ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি সার দিতে হবে। সব সার বীজ বোনার আগেই মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।
ঘন জায়গা থেকে চারা তুলে পাতলা করে দিতে হবে। ছিটিয়ে বোনা হলে প্রতি বর্গমিটারে ১০০ থেকে ১৪০টি গাছ রাখতে হবে। সারিতে বোনা হলে প্রতি লাইনে ৫ সেন্টিমিটার দূরে দূরে গাছ রাখতে হয়। ৪-৫ দিন পরপর সেচ দিতে পারলে ভালো। তা ছাড়া পরিষ্কার করে সময়মতো মাটি আলগা করে দিতে হবে।
বীজ বোনার ৩০-৪০ দিনের মধ্যে লালশাক খাওয়ার উপযুক্ত হয়। একসাথে শাক সংগ্রহ না করে ধীরে ধীরে সংগ্রহ করা ভালো। প্রতি শতকে ৩০-৪০ কেজি, হেক্টরপ্রতি ৫-৬ টন ফলন হয়ে থাকে।
প্রতি ঈদেই চামড়ার কান্না: ব্যর্থতা, সিন্ডিকেট নাকি পরিকল্পিত পতন?
চামড়ার দাম তলানিতে, চামড়াজাত পণ্যের দাম আকাশে, লাভ যাচ্ছে কার পকেটে?
একসময় কুরবানির ঈদ মানেই ছিল চামড়াকে ঘিরে আলাদা অর্থনৈতিক ব্যস্ততা। ঈদের আগেই ব্যবসায়ীরা যোগাযোগ করতেন, দরদাম হতো, কোথাও কোথাও আগাম চুক্তিও সম্পন্ন হয়ে যেত। একটি গরুর চামড়া বিক্রি হতো ৪০০০ থেকে ৪৫০০ টাকায়। এতিমখানা, মাদ্রাসা এবং নি¤œআয়ের বহু প্রতিষ্ঠান বছরের বড় একটি অংশের খরচ চালাতো এই চামড়ার টাকায়। কিন্তু আজ সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখন একটি গরুর চামড়া ১০০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কোথাও আবার আরও কমে। অনেক জায়গায় ক্রেতা না পেয়ে চামড়া রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে আবার কোথাও মাটিতে পুঁতে ফেলার ঘটনাও ঘটেছে। এটা শুধু এক বছরের ঘটনা নয় গত কয়েক বছর ধরেই একই অবস্থা বারবার দেখা যাচ্ছে। অথচ এই সময়ের মধ্যে বাজারে প্রায় সব কিছুর দাম বেড়েছে। নিত্যপণ্য থেকে শুরু করে পরিবহন জ্বালানি এমনকি চামড়াজাত পণ্যের দামও বেড়েছে। জুতা বেল্ট ব্যাগ এসবের দাম কমেনি বরং আরও বেড়েছে।
যে কাঁচামাল দিয়ে এত পণ্য তৈরি হয় সেই চামড়ার দাম কেন এত কমে গেলো কিভাবে?
সরকার প্রতি বছর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে ঈদের পূর্বেই। ২০২৫ সালে ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিলো প্রতি বর্গফুট ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। ২০২৬ সালে তা বাড়িয়ে ৬২ থেকে ৬৭ টাকা করা হয়েছে। কাগজে লেখা এই দাম বাড়লেও বাস্তবে কোন বিক্রেতাই সেই দাম পান না। মাঠ পর্যায়ে ঘোষিত দামের সঙ্গে বাস্তব বাজারের বড় ফারাক দেখা যায়। এর মাধ্যমেই মৌসুমী ব্যবসায়ীরা লাভ করলেও চামড়ার ট্যানারি মালিক কিংবা চামড়া বহনকারী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা পূর্ণ মজুরি পায় না।
এক সময় বাংলাদেশ চামড়া শিল্পকে বড় রপ্তানি সম্ভাবনার খাত হিসেবে ধরা হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে। এর পেছনে বড় কারণ হলো শিল্প কাঠামোর দুর্বলতা এবং পরিকল্পনার অভাব। হাজারীবাগ থেকে সাভারে ট্যানারি স্থানান্তরের পর আধুনিক পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঠিকভাবে কাজ না করা এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে না পারার কারণে অনেক বিদেশি ক্রেতা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এতে রপ্তানি বাজার সংকুচিত হয় এবং চামড়ার চাহিদাও কমে যায়।
দেশের ভেতরেও সমস্যা কম নয়। কুরবানির সময় একসাথে বিপুল পরিমাণ চামড়া বাজারে আসে কিন্তু বিক্রেতারা সরাসরি ট্যানারির কাছে যেতে পারে না। মাঝখানে স্থানীয় সংগ্রাহক আড়তদার এবং বড় ব্যবসায়ীদের কয়েক স্তরের হাতবদল হয়। এই ব্যবস্থার কারণে অনেক সময় আসল বিক্রেতা ন্যায্য দাম পায় না। বাজার নিয়ন্ত্রণ কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে চলে যায় বলে অভিযোগও দীর্ঘদিনের।
আরেকটি বড় সমস্যা হলো সংরক্ষণ। কাঁচা চামড়া দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। পর্যাপ্ত লবণ গুদাম এবং সংরক্ষণ সুবিধা না থাকায় অনেক সময় বিক্রেতারা বাধ্য হয়ে কম দামে চামড়া বিক্রি করে দেয়। ঈদের সময় একসাথে বেশি সরবরাহ আসায় দাম আরও নিচে নেমে যায়।
এই সব মিলিয়ে চামড়ার বাজারে একটি দীর্ঘমেয়াদি সংকট তৈরি হয়েছে। সরকারি দাম ঘোষণা থাকলেও বাস্তব বাজার সেই কাঠামো মানছে না। ফলে প্রান্তিক মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যারা পশু লালন পালন করে তারা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি মসজিদ মাদ্রাসা এবং এতিমখানার মতো প্রতিষ্ঠানও এই আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। চামড়ার এই পতন শুধু একটি পণ্যের বিষয় নয় এটি একটি পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র;
সবচেয়ে বড় অস্বাভাবিকতা হলো চামড়ার দাম কমলেও চামড়াজাত পণ্যের দাম কমেনি। বরং বেড়েছে। এতে বোঝা যায় সমস্যাটি শুধু চাহিদার নয় বরং পুরো সরবরাহ ব্যবস্থা এবং মূল্য নির্ধারণ কাঠামোর ভেতরে গভীর সংকট রয়েছে।
এই পরিস্থিতি থেকে বের হতে হলে কয়েকটি বাস্তব পদক্ষেপ প্রয়োজন। প্রথমত চামড়া সংগ্রহ থেকে শুরু করে ট্যানারি পর্যন্ত সরাসরি সংযোগ তৈরি করতে হবে যাতে মধ্যস্বত্বভোগীর সংখ্যা কমে আসে। দ্বিতীয়ত ইউনিয়ন এবং উপজেলা পর্যায়ে আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে যাতে চামড়া নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমে। তৃতীয়ত সরকারি নির্ধারিত দাম বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে কি না তার কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। চতুর্থত কাঁচা চামড়া রপ্তানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। এতে মূল্য সংযোজন হবে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। পঞ্চমত ছোট উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে সহায়তা দিতে হবে যাতে তারা এই শিল্পে টিকে থাকতে পারে।
চামড়া শিল্পকে শুধু একটি মৌসুমি বাজার হিসেবে দেখলে এই সংকট কখনোই কাটবে না। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্প যা সঠিক পরিকল্পনা পেলে দেশের অর্থনীতির বড় শক্তি হতে পারে। কিন্তু পরিকল্পনার অভাব এবং ব্যবস্থার দুর্বলতা এই সম্ভাবনাকে দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে দিচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা খুব সহজ-
একটি দেশের এত বড় সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তার ন্যায্য মূল্য যদি কৃষক খামারি এবং প্রান্তিক মানুষ না পায় তাহলে সেই ব্যবস্থাকে কি সত্যিই কার্যকর বলা যায়।
যে দেশ নিজের কাঁচামালের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে পারে না, সে দেশে কাঁচামাল থেকে শিল্প শক্তি পরিণত করা আরো কঠিন হয়ে পড়ে । চামড়া বিক্রি করে নয়, চামড়া থেকে তৈরি পণ্য বিক্রি করেই প্রকৃত লাভ আসে।
তাই প্রশ্ন শুধু চামড়ার দাম বাড়ানোর নয়; প্রশ্ন হলো, আমরা কি কাঁচামাল বিক্রির অর্থনীতি থেকে বের হয়ে নিজেদের শিল্প, নিজেদের কর্মসংস্থান এবং নিজেদের বাজারকে শক্তিশালী করতে চাই কিভাবে?
চামড়া শিল্পকে ঘিরে পরিকল্পিত উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো, স্বচ্ছ বাজার ব্যবস্থা এবং দেশীয় উৎপাদনের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা গেলে এই খাত আবারও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।
-ফিয়াদ নওশাদ ইয়ামিন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আকাশের অতন্দ্র প্রহরী: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও আবহাওয়া রাডার অবকাঠামোর মহাপরিকল্পনা কেন জরুরি? (১ম পর্ব)
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর ২০২৫) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












