(১)
দীর্ঘ আলোচনার পর রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি। ১লা আগস্ট শনিবার রাতে গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।
কিন্তু এতে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ। তারা আক্ষেপ করে বলেছেন, তাহলে স্থায়ী কমিটির মতামতের অবকাশ থাকলো কৈ?
তাহলে দলের মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা হল কীভাবে? একক ব্যক্তি বিবেচনা ভূল হলে সংশোধন করবে কে?
ইউনুসের প্রতি তার দুর্বলতা থাকলে ঠেকাবে কে?
বোঝাবে কে?
দেশ জাতির অপ বাকি অংশ পড়ুন...
ইউনুস ক্ষমতায় বসার পর থেকে ৯ মাসের মাথায় সে রাষ্ট্রের ভিতরে ভিতরে এমন ৯টি সুবিধা গ্রহণ করেছে, যা একাধারে নজিরবিহীন এবং গভীরভাবে দুর্নীতিপূর্ণ। এই ঘটনাপ্রবাহ দেখলে প্রশ্ন উঠে এটি কি কেবল দক্ষতা, নাকি একটি সুগভীর দুর্নীতির নীল নকশা?
১. নিজের মামলাগুলো 'অদৃশ্য হাতে' খারিজ করিয়ে ফেলা
অর্থপাচার, শ্রম আইন লঙ্ঘনসহ ১৬৮ মামলায় অভিযুক্ত থাকা সত্ত্বেও, ইউনুস অল্প সময়ের ব্যবধানে সব মামলা খারিজ করিয়েছে। যেখানে সাধারণ নাগরিকদের বছরের পর বছর কোর্টে ঘুরতে হয়, সেখানে তার মামলাগুলো মূহূর্তেই উধাও!
২. ৬৬৬ কোটি টাকার কর ‘মওকুফ’
গ্রামীণ ব্যাংক বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্ব রাজনীতির আকাশে আজ অস্থিরতার কালো মেঘ। একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধ আর শুধু ট্যাংক, কামান কিংবা যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে সীমাবদ্ধ নয়; এটি এখন সাইবার হামলা, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্যাটেলাইট নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য এবং অর্থনৈতিক চাপের সমন্বয়ে পরিচালিত এক বহুমাত্রিক লড়াই। এমন বাস্তবতায় সামরিক শক্তি কোনো যুদ্ধপ্রীতি নয়, বরং শান্তি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পূর্বশর্ত। বাংলাদেশ যদি ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে চায়, তবে এখনই দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়ে ভাবতে হবে।
শুধু খেলাধুলা নয়, জাতীয় প্রস্তুতি বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতারক, চোর, সুদখোর ইউনূসের বিরুদ্ধে বিচারাধীন যত মামলা
ইউনূস ও তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২০২৪ সাল জুলাই পর্যন্ত ১৬৮টি মামলা বিচারাধীন ছিল। এর মধ্যে ফৌজদারি আদালতে একটি, দুর্নীতি দমন কমিশনে একটি এবং বাকি ১৬৬টি মামলা ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে বিচারাধীন ছিল।
ইউনূসসহ অন্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে বিচারাধীন মামলাগুলোর মধ্যে গ্রামীণ টেলিকম সংশ্লিষ্ট মামলা ৬৪টি। এছাড়া গ্রামীণ কল্যাণের ৬৯টি, গ্রামীণ কমিউনিকেশনের ২৫টি ও গ্রামীণ ফিশারিজের নামে ৮টি।
জানা যায়, শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকম ও গ্রামীণ কল্যাণের ক বাকি অংশ পড়ুন...
এক সময় টিকাটুলী মোড়ে ছিল দৈনিক পত্রিকাটির অফিস। প্রতিষ্ঠাতা বাবার মৃত্যুর পর দু ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব। অবশেষে মালিকানার পরিবর্তন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের সাথে পতিত আওয়ামী লীগের পিরিতির কাহিনীই শেষ নয়; পত্রিকাটি যে পুড়ানো মার্কিন প্রেম এখনো ছাড়তে পারেনি তা গত ২৯ শে জুলাই প্রকাশিত “নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আলোচনায় ইউনুস” শীর্ষক প্রতিবেদন সাক্ষাৎ প্রমাণ দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-
“আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে বাড়তি কৌতূহল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির মতো অলংকারিক পদে ইউনূসের নাম আ বাকি অংশ পড়ুন...
আম্রিকা একদিকে দেশের আভ্যন্তরীন বিষয়- উপজাতি, জামাতি, এনসিপি, আওয়ামী হাসিনা নিয়ে গুটি চালতে চাইছে অপরদিকে চীন-ভারত রাশিয়ার প্রভাব রুখে নিজেদের বলয়ে বাংলাদেশকে বন্দী রাখতে উদ্ধত হচ্ছে।
বিদেশ সফর সংক্ষিপ্ত করে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাংলাদেশে ফিরেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সে গত পরশু খুব ভোরে ফিরে এসেছে এবং ফিরে এসেই সে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। কারণ গতকাল উনত্রিশে জুলাই বাংলাদেশ সফরে এসেছে ভারতের মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় আমেরিকার ড্রাম্পের বিশেষ দূত গোর। তার দুই দিনের সফরসূচি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত করা হয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
উন্নয়নের জোঁক!! দেশজুড়ে ফ্লাইওভার, মেট্রোরেল, বিদ্যুৎ প্রকল্প, আবহাওয়া ও পানিবায়ু প্রকল্প ইত্যাদি নামে যত প্রকল্প হচ্ছে এগুলোই একেকটি ‘উন্নয়নের জোঁক’।
এসব উন্নয়নের ভুয়া প্রকল্প দেখিয়েই বাড়ানো হয় দেশের জনগণের নিত্য প্রয়োজনীয় সবকিছুর দাম। কিন্তু প্রশ্ন হলো- উন্নয়ন হলে তো দাম কমার কথা, কিন্তু বাড়ে কেন? কারন কথিত এসব উন্নয়নের হিসাব-নিকাশে রয়েছে নানারকম ছলছাতুরী ও প্রতারণা।
ভুয়া উন্নয়ন পরিসংখ্যান তৈরি ও ঋণের লোভনীয় ফাঁদ এগুলোর পুরোটাই একটি বিশেষ আর্ন্তজাতিক অমুসলিম-বিধর্মী চক্রের কাজ। এসব কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ‘দ্বীন ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র ‘ইসলাম’ই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ সবদিকেই শুধু অশান্তি আর অস্থিরতা। বিশেষ করে মহিলাঘটিত ফিতনায় জর্জরিত সমাজ। মহিলারা আজ সর্বত্র লাঞ্ছিত, অপমানিত ও অবহেলিত হচ্ছে এবং মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে। এর সবগুলোর পিছনে কারণ একটাই; তা হলো- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়া; অর্থাৎ অহরহ ছবি তোলা, শরয়ী পর্দার বিধান মেনে না বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের সমৃদ্ধি আর ৯৮ ভাগ মুসলমান জনগোষ্ঠীর ইসলাম পালন ওদের গাত্রদাহের কারণ হয়ে উঠেছে।
মুসলমানদের জন্য বড় আতঙ্ক, বড় শত্রু আমেরিকা।
আমেরিকার লোলুপ দৃষ্টি এখন বাংলাদেশে।
বাংলাদেশের বিরল খনিজ লুট, নারিকেল দ্বীপ দখল, করিডোর, পার্বত্য চট্টগ্রাম নেওয়াতেই আমেরিকা ক্ষান্ত হবে না।
আমেরিকা চায় গৃহযুদ্ধের বাংলাদেশ।
টুকরা টুকরা বাংলাদেশ, ব্যর্থ বাংলাদেশ।
আমেরিকা চায় ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সর্বনাশ
আমেরিকা চায় সমকামিতা আর পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রসার
এখনই সতর্ক না হলে ভবিষ্যত অন্ধকার। নাউযুবিল্লাহ।
আমেরিকার লক্ষ্য হল প্র বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবরক করেন, “আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারারা চেয়ে থাকে কিভাবে মুসলমানদেরকে ঈমান আনার পর কাফির বানানো যায়।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ)
বর্তমান যামানায় সমস্ত পাপ কাজের মূল উৎস হচ্ছে ছবি এবং বেপর্দা। যে ব্যক্তি এ দুটোর মধ্যে মশগুল হয়ে যাবে, সে পবিত্র ঈমান এবং সম্মানিত ইসলাম থেকে দূরে সরে যাবে। তার দ্বারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কাজ করা কস্মিনকালেও সম্ভব হবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করুন, খালিছ তওবা নছীব না হলে তার জন্য বেঈমান হয়ে মারা যাওয়াটাই স্বাভাবিক।
আর এজন্যই ম বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিবছর দেশের বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে, যা অর্থনীতির ওপর নীরব কিন্তু ক্রমবর্ধমান চাপ সৃষ্টি করছে। সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার ৭০ শতাংশেরও বেশি আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়। এ জন্য বছরে প্রায় ২ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাম অয়েল ও সয়াবিন তেল আমদানিতে বাংলাদেশের মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫৬ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সয়াবিন তেল আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৬১ কোটি টাক বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে বাংলাদেশে সামাজিক অবক্ষয় এবং নৈতিকতা ভূলুন্ঠিত হওয়ার অন্যতম কারণ হলো এই ভারতীয় টিভি সিরিয়াল। ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত নাটক সিনেমার আসল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- অনৈতিকতা, অশ্লীলতা, কুটনামি, অপরাধ, খুন, সম্ভ্রমহরণ ইত্যাদি শিক্ষা প্রদান। প্রায় সব সিরিয়ালের মধ্যে থাকে কীভাবে পরকীয়া করা যায় তার বাস্তব প্রশিক্ষণ। পরকীয়ার অশ্লীল যত কাহিনী সব আছে ঐসব সিরিয়ালে। ভারতীয় টিভি সিরিয়াল এদেশে আসার পূর্বে এদেশের বেশিরভাগ মহিলা বোরকা পরিধান করতো। কিন্তু এই ভারতীয় টিভি সিরিয়াল নামক ভাইরাসগুলো এদেশে আমদানির পর থেকে বাঙ বাকি অংশ পড়ুন...












