বাংলাদেশের মার্কেটগুলোতে কেমন জিএসএম (গ্রাম পার স্কয়ার মিটার)’র কাপড় আসবে সেটা নির্ভর করে পোশাক ববসায় ফ্যাশন হাউসগুলোর উপর। তারা গার্মেন্টগুলোতে যে পরিমাণ জিএসএম’র কাপড় অর্ডার করবে, মার্কেটে সেরকম কাপড়ই আসবে। যদি ফ্যাশন হাউসগুলো মহিলাদের জন্য পাতলা কাপড়ের অর্ডার দেয় তবে তারা পাতলা কাপড় তৈরী করে দিবে, ফলে মহিলারা পাতলা কাপড় পরবে। এক্ষেত্রে ফ্যাশন হাউসগুলো বিজ্ঞাপন দিয়ে, নাটক সিনেমায় তাদের পোশাকগুলো প্রমোট করে গণচাহিদা সৃষ্টি করে এবং নানা কৌশলে প্রথমেই সেই পাতলা কাপড়ের চাহিদা সৃষ্টি করে। এরপর সেই কাপড় বা পোশাক মার্কেটে ছ বাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’ এর ১০ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট বা একিউআইএস নিয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রতিবেদনে মূলত বিশ্বজুড়ে নিষিদ্ধঘোষিত বিভিন্ন জঙ্গি ও সন্ত্রাসী সংগঠনের বর্তমান অবস্থা, আর্থিক নেটওয়ার্ক এবং নিরাপত্তা হুমকি বিশ্লেষণ করা হয়। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা তথ্য, মাঠপর্যায়ের গবেষণা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবছর বা নির্দিষ্ট সময় পরপর এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
৩০ পৃষ্ঠা এই প্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে: “তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন; এমনকি নিজের জীবন থেকে আমাকে বেশি মুহব্বত করতে না পারবে।”
এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার প্রেক্ষিতে জ্বলন্ত জিজ্ঞাসা ব্যক্তি মুসলমান থেকে রাষ্ট্রের প্রতি- মুসলমানরা কী আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সর্বক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিতে পেরেছে?’
অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ করে চিকিৎসা করাচ্ছেন বিভিন্ন বেসকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে। আবার চিকিৎসার জন্য যে টাকা খরচ হচ্ছে সেখানে ৭০ শতাংশের বেশি যাচ্ছে ওষুধ কেনার জন্য। বাংলাদেশে ন্যাশনাল হেলথ অ্যাকাউন্ট (এএনএইচ) জানাচ্ছে জনপ্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ৬৭ টাকা খরচ হচ্ছে মানুষের পকেট থেকে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে প্রায় ১০ কোটি মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করছে এবং প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে। আর স্বাস্থ্যসেবার এই খ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রধানমন্ত্রী শব্দের আগে ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সরকারি সিদ্ধান্ত নিজের দপ্তর থেকেই গত ১০ই সেপ্টেম্বর বাস্তবায়ন শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এর আগে গত বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না।
প্রসঙ্গত সারাদেশে সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছে যে, যেখা বাকি অংশ পড়ুন...
বিএনপির ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে সশস্ত্র বাহিনীকে 'মডার্ন' (আধুনিক), 'কুইক' (দ্রুতগতির), 'সেল্ফ কনটেইন্ড' (স্বয়ংসম্পূর্ণ), রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকা এবং সমন্বিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সম্পন্ন বাহিনী হিসাবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন জলিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিকট হস্তান্তরের জন্য গত ২৭শে আগস্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করার পাশাপাশি প বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের অধীনে বর্তমানে ১৫টি চিনিকল আছে। এগুলোর বার্ষিক মোট উৎপাদন ক্ষমতা দুই লাখ ১০ হাজার টন। আগে এক লাখ টনের বেশি উৎপাদন করতে পারলেও এখন ৬০-৭০ হাজার টনের বেশি উৎপাদন করতে পারে না। প্র বাকি অংশ পড়ুন...
হাসিনার সরকার আমেরিকার বিরুদ্ধে হুংকার দিলেও তলে তলে আমেরিকাকে যথাসম্ভব লুট করার সুযোগ করে দিয়েছে।
পুরো দেশটাকে সে শত্রুদের ও বহুজাতিক সিন্ডিকেটের জিম্মায় ঠেলে দিয়ে পালিয়েছে।
মুখে আমেরিকার বিরুদ্ধে বড় বড় কথা বললেও আমেরিকাকে খুশি রাখতে যা যা পেরেছে, করেছে পতিত আওয়ামী সরকার।
২০১৭ সালে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘এক্সিলারেট এনার্জি’ কোনো ধরনের টেন্ডার ছাড়াই বাংলাদেশের সাগরে এই ভাসমান টার্মিনাল নির্মাণের কাজ পায়।
তাদের কাজ ছিল আমদানি করা তরল গ্যাস কার্গো থেকে টার্মিনালে আনলোড করে পাইপলাইনের মাধ্যমে মূল ভূখ-ে সরবরাহ করা।
কিন বাকি অংশ পড়ুন...
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এলএনজি কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি কক্সবাজার মহেশখালী দ্বীপে ১০ হাজার ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ম্যানেজার বলেছে, কর্মসূচির মূল লক্ষ্য উপকূলীয় পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়তা করা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে এই ধরনের কর্মকা-ে অনুপ্রাণিত করা।
আম্রিকার কোম্পানী, বাংলাদেশে বনায়নে ১০ হাজার চারা রোপন করেছে, বাংলাদেশের পরিবেশ সজীব করা- গ্রোথিত করা ও জনগণের মনোজগত ইতিবাচক করার লক্ষ্যে কাজ করছে- এমনটাই তারা প্রচার করছে। কিন্তু বাংলাদেশকে এত আপন ভাবা বাংলাদেশের প্রতি এত আন্তরিক হওয়া ক বাকি অংশ পড়ুন...
ড্রোন যে প্রক্রিয়াই কাজ করে তার নাম হচ্ছে ইউএভি । যার আছে ২ টি প্রকারভেদ, একটি সাধারণ ও অপরটি সামরিক । সাধারণ ইউএভি গুলোতে মুলত একটি ক্যামেরা, পাখা, আর কিছু সেন্সর থাকে। যা তাকে আকাশে উড়তে এবং সঠিক পথে যেতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই সাধারণ ইউএভি হোক আর সামরিক ইউএভি সবাইকেই রিমোট দ্বারা চালনা করা লাগে। অপর দিকে সামরিক ইউএভি গুলোতে থাকে ককপিট, স্পাই ক্যামেরা, লেজার, জিপিএস, সেন্সর, লাইটিং সেন্সর ইত্যাদি। তবে এটার সমস্ত ইউএভি গুলো থাকে এর নাকের কাছে ও যার কারণে এরা অনেক বেশি দূরে যেতে পারে। আর এইগুলোর জন্য অবশ্যই একটা রানওয়ে দরকার। ড্ বাকি অংশ পড়ুন...
২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাস,
নগরনো-কারাবাখের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে বৈরী প্রতিবেশী আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে আজারবাইজান। এ যুদ্ধে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান না থাকা আজারবাইজানের মূল হাতিয়ারই ছিল তুরস্ক থেকে কেনা অত্যাধুনিক সব ড্রোন; যার সাহায্যে আর্মেনিয়ার আকাশ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ধবংস করে দিয়ে আকাশপথে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ নেয় দেশটি। আজেরি ড্রোনের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমায় বিদ্ধস্ত হয় আর্মেনিয় সেনাবাহিনীর অসংখ্য সাঁজোয়া যান, ট্যাঙ্ক ও গোলন্দাজ ইউনিট।
তাছাড়া, ড্রোন শুধু আঘাতই হানে না, নজরদারির মাধ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে মজুদ খনিজ সম্পদের বাজারমূল্য নিরূপণ করেছে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি)। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রাকৃতিকভাবে মজুদ খনিজ সম্পদের মূল্য ২ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন (২ লাখ ২৬ হাজার কোটি) ডলারের বেশি। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৪১ দশমিক ৯৭ ট্রিলিয়ন (২ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার ৩০০ কোটি) টাকা। তবে জিএসবির এ হিসাবে দেশে মজুদ প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যকে ধরা হয়নি। এছাড়া আরো অনেক সম্পদ ধরা হয়নি। এবং সব সম্পদের প্রতি হিসাবও ধরা হয়নি। জিএসবির হিসাবের সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্যকে বিবেচনায় নেয়া হলে দেশে মজুদ খনিজ স বাকি অংশ পড়ুন...












