বর্ষার টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের পাহাড়ি ঢলে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলো ফুঁসে উঠেছে। তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা থেকে শুরু করে দক্ষিণের পায়রা বা উত্তরের মৃগী সবখানেই এখন আগ্রাসী রূপ। কোথাও নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে, কোথাওবা পানি নামতে শুরু করেছে। কিন্তু নদীর এই পানি বাড়া ও কমার দোলাচলেই ঘটছে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে তীব্র গ্রোতের টানে পাড়ের মাটি ধসে পড়ছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে এবং প্রতিনিধিদের পাঠানো সরেজমিন চিত্রে দেখা যায়, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, রংপুর, শেরপু বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭১ আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের আশা-আকঙ্খার মাঝে ভূমিহীনদের স্বল্প লালিত ছিল দেশের সম্পদের উপর নিজেদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা। দেশের গরিব, ভূমিহীন মানুষগুলো খাস জমি ও নীরাভূমির উপর তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলো। তাদের সে আশা-আকাঙ্খা স্বাধীনতার ৪৬ বছরেও পূরণ হয়নি। শুধুমাত্র উত্তরাঞ্চলের ৬০ লাখ ভূমিহীন পরিবার দীর্ঘদিন থেকে বসতভিটার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় ৩ লাখ ১৬ হাজার একরের বেশি খাস জমি রয়েছে। এর অর্ধেকের বেশি জমি প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে। যার বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা পাল্টা শুল্ক শুধু বাণিজ্যের বিষয় নয়। এটি ভূরাজনৈতিক, ভূ-অর্থনৈতিক ও ভূকৌশলগত বিষয়। আগামী ১ আগস্ট কার্যকর হওয়ার কথা বিদ্যমান ১৫ শতাংশের সঙ্গে নতুন ৩৫ শতাংশ অর্থাৎ মোট ৫০ শতাংশ শুল্কহার। এ হার কমিয়ে আনতে এখন পর্যন্ত দেশটির সঙ্গে যথাযথ আলোচনা ও দর-কষাকষি করতে পারেনি বাংলাদেশ। এসব কথা তুলে ধরে ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদেরা বলেছেন, কোনো দুর্বল সরকার সফল দর-কষাকষি করেছে-ইতিহাসে এমন নজির খুব কম।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দেশে বাড়ছে অসন্তোষ। বাংলাদেশ যে চুক্তিতে ঠকেছে-এ বিষয়ে প্ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
বিটিশরা বিদায় নিলেও মুসলিম রাষ্ট্র পাকিস্তান যাতে প্রতিষ্ঠিত না হতে পারে সে বিষয়ে গান্ধী ও নেহরুর নেতৃত্বে কংগ্রেস এবং ভারতীয় হিন্দুরা শেষ পর্যন্তও চেষ্টা করেছিল।
পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় দলের ভেতরে-বাইরে তীব্র নিন্দা-সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিলো গান্ধী ও নেহরু। অমন এক অবস্থার মধ্যেই নেহরু তার ভিসন বা স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলো। বলেছিলো ‘তার ভারত মাতার’ এই বিভক্তি নিতান্তই সাময়িক ব্যাপার। ভারতকে আবারও পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। অর্থাৎ এক রাষ্ট্রে পরিণত করা হবেÑ ‘তার ভারত মাতা’ অখন্ডই থাকবে। নেহর বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে পাঁচ দিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে তুরস্ক গিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। রোববার (১৯ জুলাই) তিনি দেশটির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।
সেনাবাহিনী প্রধানের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নয়ন ও শক্তিশালী করা। সফরকালীন কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি তুরস্কের বিভিন্ন অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং গুর বাকি অংশ পড়ুন...
পাঁচই আগস্টের আগে যেমন বাংলাদেশে মার্কিন গোয়েন্দাদের ঘন ঘন যাতায়াত দেখা গেছে, ঠিক তেমনি এখন আবার হঠাৎ করে দলে বলে মার্কিন গোয়েন্দারা এসে হাজির হয়েছে ঢাকার ওয়েষ্ট ইন হোটেলে। চেক ইন করেছে। তাদের পাসপোর্ট বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার বরাতেই সংবাদ মাধ্যমের কাছে, সাংবাদিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং এরা প্রত্যেকেই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ইন্টেলিজেন্স এবং রিসার্চ উইংয়ের সদস্য। তখন বাংলাদেশের গোয়েন্দারা বলছে, এরা এসেছে মূলত বাংলাদেশের সরকার এবং বাংলাদেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো শেখ হাসিনা যে ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা দিয় বাকি অংশ পড়ুন...
রাষ্ট্রের কর্ম বিভাগের আওতায় দেশে একটি পরিকল্পনা কমিশন রয়েছে, যার কাজ হচ্ছে দেশের জন্য জাতীয়ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, অনুমোদন ও সেসবের বাস্তবায়নের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ স্থানীয় পর্যায়ে যেসব উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে, পরিকল্পনা কমিশন জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সেসবেরও সমন্বয় ও সংযোগসাধন করবে। ফলে দেখাই যাচ্ছে যে রাষ্ট্রের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে পরিকল্পনা কমিশন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের বাইরে বা এর মধ্যবর্তী পর্যায়ে এমপি বা অন্য কারোরই কোনো বাকি অংশ পড়ুন...
এ প্রসঙ্গে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারক ও জাতীয় সংসদের সদস্যদের প্রতি প্রশ্ন নিবদ্ধ হয়, রাষ্ট্রের সংবিধান ও পরিকল্পনা-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে হলেও এ কাজগুলো এমপিদের মাধ্যমে কেন করতে হবে? এ কাজগুলো স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে সম্পন্ন হলে এমপিদের অসুবিধা কোথায়? দেশের উন্নয়নই যদি শেষ পর্যন্ত সরকারের লক্ষ্য হয়, তাহলে তা কার মাধ্যমে হলো সেটি তো জরুরি নয়। জরুরি হচ্ছে, কাজটি মানসম্মতভাবে হলো কি না, সেটি। আর যার কাজ, সেটি তার মাধ্যমে হওয়াটাই তো একটি দক্ষ ও আদর্শ সরকারব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য হওয়া উচিত।
এলজিইডি এরুপ প্রকল্প প্রণয়নে অতি উৎস বাকি অংশ পড়ুন...
সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়েদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তার ঐচ্ছিক তহবিল থেকে আমাদের বিরোধী দলের সদস্যদের আসনগুলোতে, সিটি করপোরেশন বাদ দিয়ে, প্রায় ২০ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছেন।’
বৈঠকে মির্জা ফখরুলের বিবৃতির পর বিরোধীদলীয় সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ‘৪০ বছর আমিও এই সংসদে কাটিয়েছি। বিরোধী দলেরও সদস্য ছিলাম। একটি কানাকড়িও কোনোদিন পাইনি। পাঁচবার গ্রেফতার হয়ে জেলে গিয়েছি, এটুকুই পেয়েছি।
এর আগে ১৭ই জুন বাকি অংশ পড়ুন...
দেশে জ্বালানি চাহিদা এতটাই আমদানিনির্ভর যে ৬৫-৭০ শতাংশ জ্বালানি বিদেশ থেকে এবং বাকি ৩০-৩৫ শতাংশ দেশীয় উৎস থেকে আসে। মোট আমদানির প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল, বাকি ৮০ শতাংশই পরিশোধিত তেল। পরিশোধিত তেলের জন্য আমদানিনির্ভরতা এত বেশি থাকার কারণ দেশে তেল পরিশোধনের প্রতিষ্ঠান মাত্র একটি।
প্রায় শতভাগ এলএনজি এবং ৬০ শতাংশের বেশি এলপিজি আমদানি করতে হয়। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে এসব গ্যাস ও তেল আমদানি করতে হরমুজ প্রণালির ওপর আমাদের নির্ভর করতে হয়। মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও মালয়েশিয়া, চীন, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত থেকে আমরা তেল আম বাকি অংশ পড়ুন...
বত্রিশ পৃষ্ঠার একটি চুক্তি, যেখানে ইংরেজি শব্দ shall -এর ব্যবহার হয়েছে একশো উনআশি বার। এর মধ্যে একশো একত্রিশ বারই shall শব্দটা জুড়ে দেয়া হয়েছে বাংলাদেশের সাথে। বাংলাদেশ shall অর্থাৎ বাংলাদেশ নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নিতে বাধ্য থাকবে। এমন শর্তগুলো আছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সই হওয়া Agreement on Reciprocal Trade বা ART বাণিজ্য চুক্তিতে।
এতে যেসব শর্তের কথা বলা হয়েছে সেসব মানতে হলে জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও স্বাধীন অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে পারে বাংলাদেশ। এই চুক্তির ধারাগুলোর প্রভাব কোথায় কেমন জানবো আজকের Star Explains -এ। বাকি অংশ পড়ুন...
৩. অ্যান্টি-ড্রোন লেজার গান:
শত্রু যখন ঝাঁকে ঝাঁকে সস্তা ড্রোন দিয়ে আক্রমণ করবে তখন দামি এয়ার ডিফেন্স মিসাইল (যেমন পেট্রিয়ট বা এস-৪০০) বাবহার করে প্রতিটি ড্রোন ধ্বংস করা অর্থনৈতিকভাবে আত্মঘাতী।
প্রয়োজনীয়তা: কম খরচে শত্রুর ড্রোন বা লয়টারিং মিউনিশন আকাশেই পুড়িয়ে বা অচল করে দেয়ার জন্য ডাইরেক্টেড-এনার্জি বা লেজার গানের কোনো বিকল্প নেই। এতে প্রতি শটে খরচ হয় নামমাত্র, যা ৫০ লক্ষ বাহিনীর সুরক্ষায় বাজেট সাশ্রয়ী সমাধান দেবে।
উৎস (তুরস্ক) : তুরস্ক ইতোমধ্যে তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে ‘আলকা’ নামক ডাইরেক্টেড-এনার্জি বা লেজার অস্ত্র তৈরি ক বাকি অংশ পড়ুন...












