মধ্যপ্রাচ্য পুড়ছে যুদ্ধের আগুনে। আর বিশ্বজুড়ে হু হু করে বাড়ছে জ্বালানি তেল ও জ্বালানি গ্যাসের দাম। এই জ্বালানি উপাদানগুলোই এখন ভূ-রাজনীতির হিসাব-নিকাশ সব পাল্টে দিচ্ছে।
আমাদের দেশ এইসব হিসাবের বাইরে থাকছে না। ইতোমধ্যে আমরা সেটা দেখতেও পেয়েছি। হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের পাম্পগুলোতে দেখা গিয়েছে লম্বা লম্বা লাইন। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিলো সবখানে। তবে সরকারের কিছু সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে এবং ঈদের লম্বা ছুটির কারণে এই আতঙ্ক এখন আড়ালে।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে যেভাবে অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাচ্ছে যুদ্ধের প্রেক্ষাপট, খুব বেশিদিন হয়তো সরকার জ বাকি অংশ পড়ুন...
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি বৈশি^ক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। সম্প্রতি কাতারের এলএনজি টার্মিনালে হামলার ঘটনায় তাদের রফতানি সক্ষমতা প্রায় ১৭ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা পুনরুদ্ধার করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। অথচ বাংলাদেশ এই এলএনজির একটি বড় ক্রেতা। ফলে এই সংকট সরাসরি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার উপর প্রভাব ফেলতে বাধ্য।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলএনজির সরবরাহ ব্যাহত হলে দেশের শিল্প-কারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দেবে, বাড়বে লো বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের আকাশসীমা আজ এক অতিপ্রাকৃত ও ইহুদীবাদি ফিতনার হুমকির সম্মুখীন। যখন বিশ^রাজনীতির আকাশে ‘বনী আসফার’ বা পশ্চিমা ও প্রতিবেশী কুফরী শক্তিগুলোর ড্রোন আর স্টিলথ ফাইটারের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে, তখন ৫১ কোটি ঈমানি জনতার এই ভূখ--বাংলাদেশ কি কেবল মান্ধাতা আমলের রাডার আর সেকেলে মিসাইল দিয়ে নিজের অস্তিত্ব রক্ষা করবে? বাংলাদেশের বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর একটি বড় অংশই আধুনিক যুদ্ধের নিরিখে যথেষ্ট নয়। অথচ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই ভূখ-টি আজ সা¤্রাজ্যবাদী ও হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলোর শ্যেনদৃষ্টির নি বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের সিংহভাগ মুসলিম জনতা আজ ইহুদিবাদী ফিতনার শিকার। যখন বিশে^র বিভিন্ন প্রান্তে মুসলিম নিধনের চক্রান্ত চলছে, তখন এদেশের মুসলিমি সমাজ এক অদৃশ্য কিন্তু ভয়াবহ যুদ্ধের সম্মুখীন- যার নাম ‘ভগওয়া লাভ ট্র্যাপ’। এটি কেবল কোনো সাধারণ প্রণয় নয়, বরং এটি হলো মুসলিম তরুণীদের ঈমান, আমল ও ইজ্জত হরণ করে হিন্দুত্ববাদের বিষাক্ত গহ্বরে নিক্ষেপ করার এক দীর্ঘমেয়াদী ‘মরণফাঁদ’। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও তথাকথিত প্রগতিশীলতার আড়ালে এই ফাঁদ আজ বাংলার ঘরে ঘরে বিষ ছড়াচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা ও সচেতন মহল বলছেন, দেশে প্রায় লক্ষাধিক মুসলিম তর বাকি অংশ পড়ুন...
একটি রাষ্ট্রের বন্দর কেবল জাহাজ ভিড়ার স্থান নয়; এটি সেই রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্পন্দন, কৌশলগত সুরক্ষা, বাণিজ্যিক প্রবাহ এবং সার্বভৌম সিদ্ধান্তক্ষমতার এক কেন্দ্রীয় ভিত্তি। যে দেশ তার বন্দর নিয়ন্ত্রণ করে, সে দেশ তার আমদানি-রপ্তানি, আঞ্চলিক সংযোগ, শিল্পোন্নয়ন এবং জাতীয় নিরাপত্তাসহ অর্থনীতির ওপর নিজস্ব কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারে। আর যে দেশ তার বন্দর ব্যবস্থাপনা বিদেশি শক্তি, বিদেশি করপোরেশন বা বহুজাতিক গোষ্ঠীর হাতে সমর্পণ করে, সে মূলত নিজের ঘরের দরজার চাবিই অন্যের হাতে তুলে দেয়।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই প্রশ্ন আরও বেশি গুরুত্বপূ বাকি অংশ পড়ুন...
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস ক্ষমতায় থাকাকালীন ১৮ মাস জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অকার্যকর করে রেখেছিল। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০০৯ রহিত করে উপদেষ্টা পরিষদে যখন দেশ ও জাতীয় স্বার্থ বিরোধী নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হলো তখন থেকে কমিশনের কার্যক্রম পুণরায় চালু করা হলো। সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক দলের সাথে আলাপ না করে তড়িগড়ি করে এনজিও কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হলো। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে এনজিওরা সবসময় বাঙ্গালী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিরোধী। যারা পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিতিশীলতার নেপথ্য কারিগর। পার্বত্য চট্টগ্রাম বি বাকি অংশ পড়ুন...
দেশ আবারও এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার সাক্ষী হলো। গত ০৫ শাওওয়াল ১৪৪৭ হিজরী দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরির পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে যায়। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যমতে ২৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এই ঘটনা কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়; এটি আমাদের সামগ্রিক অবহেলা, অসচেতনতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার নির্মম প্রতিফলন।
মৃত্যু মহান আল্লাহ পাক উনার নির্ধারিত-এ কথা সত্য। তবে একই সঙ্গে এটাও অনস্বীকার্য যে, মানুষের অসচেতনতা ও অবহেলা অনেক সময় মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে নৌপথ, সড়কপথ এবং ফ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব মাহবুব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রহমতে তেল গ্যাস ও খনিজ সম্পদে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও সমৃদ্ধ দেশ বাংলাদেশ। যুগে যুগে তা-ই দেখা গেছে।
বাংলাদেশে সিলেটের হরিপুরে ১৯৮৬ সালে প্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। জরিপ অনুযায়ী হরিপুর তেলক্ষেত্রে অন্তত ১ কোটি (বা ১০ মিলিয়ন) ব্যারেল তেল মজুত রয়েছে। তেলক্ষেত্রের নিজস্ব প্রাকৃতিক শক্তির মাধ্যমে ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়। অতঃপর অদৃশ্য কারণে তেল স্তরের চাপ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাকি অংশ পড়ুন...
উচ্চশিক্ষায় বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দিতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রীর এ পদক্ষেপে আমরা আশাহত, দুঃখিত এবং মর্মাহত। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন তার একটা পরিকল্পনা আছে। পরিকল্পনার সার্থক রূপ দেখিয়েছেন, মালয়েশিয়ার মাহাথির। তিনি একদিকে বলেছিলেন, তোমরা আমাকে ১০টা মালয় যুবক দেও আমি তাদেরকে নিয়ে জাতি গঠন বাকি অংশ পড়ুন...
আর ইরাক, লিবিয়া সহ আফগানিস্তানে বারবার পরাজয়ের পর এবার তারা
ইরানের কাছে মহা লজ্জাজনকভাবে পর্যুদস্ত হচ্ছে
অথচ ইহুদী নিয়ন্ত্রিত বিশ্ব মিডিয়ায় এসবের প্রচারণা নেই
আম্রিকা যে পরাজিত নেড়ি কুত্তা-
এটা বিশ্বে জোরদার প্রচারণা চালাতে হবে ইনশাআল্লাহ
সম্প্রতি ইরানের ও আম্রিকার মধ্যকার যুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছে পুরো বিশ্ব। আম্রিকা সব দেশেই নাক গলাতে আসে। ফলে সেসব দেশের সঙ্গে সংঘাত অনিবার্য হয়ে পড়ে।
অনেক আম্রিকান মনে করে তাদের দেশ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং তাই তারা যুদ্ধে জেতে। তবে ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। যুক্তরাষ্ট্র যতটা যুদ্ধে বাকি অংশ পড়ুন...
ফলে ইরান যুদ্ধে কার্যত কৌশলের দিক দিয়ে ইরান এগিয়ে রয়েছে।
ইরানের রণকৌশল মূলত বহুমুখী এবং আধুনিক 'প্রতিরক্ষামূলক' (Defensive) কৌশলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
যা সরাসরি যুদ্ধের চেয়ে শত্রুকে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয় ও চাপের মুখে রাখাকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়ে এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত করে কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে কঠিন শিক্ষা দিচ্ছে।
পেট্রো-ডলারের আধিপত্য ক্ষুন্ন হলে ভূ-রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যও ক্ষুন্ন হবে। আর ইরান ঠিক এই জায়গাটির গুরুত্ব ভেবেই তাদের যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছে।
মা বাকি অংশ পড়ুন...
নাটক-সিনেমার মাধ্যমে মুসলিম প্রজন্মকে দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
সিনেমার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিস্তার ঘটছে ইসলামোফোবিয়ার।
পরকালের কথা স্মরণ করে মুসলিম উম্মাহকে বিধর্মীদের এসব ষড়যন্ত্র থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জন ফষ্টার ডালেস বলেছিলো, ‘কোন জাতিকে ধ্বংস করতে হ’লে, আগে সে জাতির সংষ্কৃতিকে ধ্বংস করে দাও’। বর্তমানে বাংলাদেশে যেভাবে অপসংষ্কৃতির চর্চা শুরু
হয়েছে, তাতে মার্কিনীদের সে এজেন্ডাই বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এইডস (অওউঝ) রোগে আক্রান্ত হলে যেমন কোন রোগীর বাঁচার আশা থাকে না, তেমনি অপস বাকি অংশ পড়ুন...












