ন্যাটোর ধারা ৫ এ বলা হয়েছে-
যদি ন্যাটোভুক্ত কোনো সদস্য দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হয়, তবে সকল সদস্য দেশ এটিকে নিজেদের উপর হামলা হিসেবে গণ্য করবে এবং আক্রান্ত দেশকে সাহায্য করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, যার মধ্যে সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগও অন্তর্ভুক্ত।
অথচ শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো ন্যাটোর বিপরীতে মহা অধিকতর সামরিক জোট কঠিন করে কাফির বিশ্বে নিজেদের শক্তিমত্তা সর্ম্পকে জানান দেয়না। নাউযুবিল্লাহ!
প্রসঙ্গত অধিকাংশ মুসলিম শাসকগুলো প্রবৃত্তির দাস সা¤্রাজ্যবাদীদের ক্রীড়ানক।
কিছু মুসলিম শাসক মুসলিম বিশ্বের সামরিক জোটের কথা বলা শুরু বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ ‘অ্যালকোহল নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০২২’ জারি করেছে। এটি ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’-এর অধীনে করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশে প্রথমবারের মতো অ্যালকোহল বা মদ উৎপাদন, কেনাবেচা, পান করা, পরিবহন, আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে নিয়মনীতি স্পষ্ট করা হলো।
বিধিমালা অনুযায়ী, মদ কেনাবেচা, পান, পরিবহনের ক্ষেত্রে লাইসেন্স, পারমিট ও পাস নিতে হবে। কোথাও কমপক্ষে ১০০ জন মদের পারমিটধারী থাকলে ওই এলাকায় অ্যালকোহল বিক্রির লাইসেন্স দেওয়া হবে। আর ২০০ জন হলে দেওয়া হবে বারের লাইসেন্স। ২১ বছ বাকি অংশ পড়ুন...
গত এক যুগে দেশে অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি যেমন বেড়েছে, সঙ্গে দ্রুতগতিতে বৈষম্যও বেড়েছে। বৈষম্যের নির্দেশক গিনি সহগ সূচক এখন দশমিক ৪৯৯ পয়েন্ট। দশমিক ৫০০ পয়েন্ট পেরোলেই উচ্চ বৈষম্যের দেশ হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ উচ্চ বৈষম্যের দেশ থেকে অতি সামান্য দূরত্বে আছে বাংলাদেশ।
সাধারণত গিনি (কেউ কেউ জিনি বলেন) সহগ দিয়ে একটি দেশে আয়বৈষম্য কেমন, তা বিচার-বিশ্লেষণ করা হয়। এটি বৈষম্য মাপার একটি পদ্ধতি। ১৯১২ সালে ইতালির সংখ্যাতত্ত্ববিদ কোরাদো গিনি বা জিনি এর উদ্ভাবক। সবার আয় সমান হলে গিনি সূচক হবে শূন্য। এর অর্থ হলো চরম সাম্য অবস্থা বিরাজ করছে। আর বাকি অংশ পড়ুন...
অন্তর্বর্তী সরকারের ২৫ বছর মেয়াদী জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনার (ইপিএসএমপি ২০২৫) বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে নাগরিক সমাজের বিভিন্ন সংগঠন।
অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব ছিল নিয়মিত রাষ্ট্র পরিচালনা নিশ্চিত করা। কিন্তু সেই সীমা অতিক্রম করে একটি দীর্ঘমেয়াদি, বহুমাত্রিক ও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জ্বালানি পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২০৫০ সাল পর্যন্ত এলএনজি, কয়লা ও তেলের ওপর প্রায় ৫০ শতাংশ নির্ভরতা বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে। এতে ওই সময় পর্যন্ত প্রায় ১৯২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জ্বালানি আমদানির চাপ তৈরি হবে, যা অর্থনীত বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের সমৃদ্ধি আর ৯৮ ভাগ মুসলমান জনগোষ্ঠীর ইসলাম পালন ওদের গাত্রদাহের কারণ হয়ে উঠেছে।
মুসলমানদের জন্য বড় আতঙ্ক, বড় শত্রু আমেরিকা।
আমেরিকার লোলুপ দৃষ্টি এখন বাংলাদেশে।
বাংলাদেশের বিরল খনিজ লুট, নারিকেল দ্বীপ দখল, করিডোর, পার্বত্য চট্টগ্রাম নেওয়াতেই আমেরিকা ক্ষান্ত হবে না।
আমেরিকা চায় গৃহযুদ্ধের বাংলাদেশ।
টুকরা টুকরা বাংলাদেশ, ব্যর্থ বাংলাদেশ।
আমেরিকা চায় ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সর্বনাশ
আমেরিকা চায় সমকামিতা আর পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রসার
এখনই সতর্ক না হলে ভবিষ্যত অন্ধকার। নাউযুবিল্লাহ।
মুসলমানদের প্রথম শত্ বাকি অংশ পড়ুন...
অব্যাহত এবং ভয়াবহ
কাশ্মীরে স্কুলে বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতারাম’- চাপানো হচ্ছে হিন্দুত্ববাদ
কাশ্মীরি ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জঙ্গিদের হুমকি
ভারতে কাশ্মীরি ছাত্রকে মেয়েদের পোশাক পরিয়ে অমানবিক নির্যাতন
৩৭০ ধারা বাতিলের পর সরকারী হিসেবেই ১ মাসেই নিখোঁজ ১৩ হাজার শিশু
কাশ্মীরে সামগ্রিক নির্যাতনের পাশাপাশি বিশেষভাবে নারী-শিশু ও শিক্ষার্থীদের উপর চরম নির্যাতন করা হচ্ছে
সব মুসলিম দেশই দেখেও না দেখার ভান করছে।
কাশ্মীরিদের কান্নায় বোবা হয়ে আছে শক্তিধর সব মুসলিম দেশ। (নাউযুবিল্লাহ)
(২য় পর্ব)
ভারতীয় পিশাচ সেনারা কাশ্ম বাকি অংশ পড়ুন...
অব্যাহত এবং ভয়াবহ
কাশ্মীরে স্কুলে বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতারাম’- চাপানো হচ্ছে হিন্দুত্ববাদ
কাশ্মীরি ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জঙ্গিদের হুমকি
ভারতে কাশ্মীরি ছাত্রকে মেয়েদের পোশাক পরিয়ে অমানবিক নির্যাতন
৩৭০ ধারা বাতিলের পর সরকারী হিসেবেই ১ মাসেই নিখোঁজ ১৩ হাজার শিশু
কাশ্মীরে সামগ্রিক নির্যাতনের পাশাপাশি বিশেষভাবে নারী-শিশু ও শিক্ষার্থীদের উপর চরম নির্যাতন করা হচ্ছে
সব মুসলিম দেশই দেখেও না দেখার ভান করছে।
কাশ্মীরীদের কান্নায় বোবা হয়ে আছে শক্তিধর সব মুসলিম দেশ। (নাউযুবিল্লাহ)
(১ম পর্ব)
কাশ্মীরে জুলুমের ইতিহাস বাকি অংশ পড়ুন...
পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওই যুক্তি অনুযায়ী, সহযোগী কোনও দেশের উপর আক্রমণ নেমে এলে, একযোগে বাকিরা তার মোকাবিলা করবে।
পাকিস্তান ও সৌদি আরবের ২০২৫ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, কোনো এক দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা উভয় দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে। ন্যাটোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষার নীতির অনুকরণে গঠিত এই কাঠামো জোটকে শক্তিশালী করেছে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তির খুঁটিনাটি তথ্য প্রকাশ করা না হলেও, চুক্তি বাকি অংশ পড়ুন...
মক্কা শরীফ উনার নগরীতে সহজে এবং নিরাপদে সফর করার উদ্দেশ্যে ১৯০০ সালে ‘দ্য হেজাজ রেলওয়ে’ প্রকল্প শুরু করেছিলেন দ্বিতীয় আবদুল হামিদ, যিনি ওসমানিয়া সালতানাতের (বর্তমান তুরস্ক) সুলতান ছিলেন।
তার আগ পর্যন্ত উটের কাফেলায় কয়েক সপ্তাহ ধরে মক্কা শরীফে সফর করতেন মুসলিম ব্যবসায়ী ও হজ্জযাত্রীরা।
সে সময় দামেস্ক থেকে মক্কা শরীফে পৌঁছাতে অন্তত ৪০ দিন সময় লাগতো। যাত্রা পথে শুষ্ক মরুভূমি আর পাহাড়ি পথ পাড়ি দিতে গিয়ে কাফেলার বহু যাত্রীর মৃত্যু হত।
রেলওয়ে প্রতিষ্ঠার পরে এই ৪০ দিনের যাত্রা নেমে আসে মাত্র পাঁচ দিনে।
এই প্রকল্পের অধীনে রেলও বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের কৃষি-বাণিজ্য সবই তারা জবর দখল করতে চাইছে।
জে.এম.ও ফুড বাংলাদেশে বিস্তার করতে তারা বদ্ধপরিকর।
বাংলাদেশকে পাঠানো ইউএসটিআরের চিঠিতে মার্কিন বাণিজ্য আগ্রাসনের নীল নকশা বিশেষভাবে সন্নিবেশিত হয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতি তথা জাতীয় নিরাপত্তাও মার্কিনীরা বিশেষভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে।
চিকিৎসা, সেবা-বিনিয়োগ, মোটর গাড়ি থেকে মেধা স্বত্ব সবকিছুই থাকবে আমেরিকার একান্ত কব্জায়।
স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বলতে আসলে কিছুই থাকবে না।
৭১ এ ও আমেরিকা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী ছিল।
স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে একবার।
স্বা বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের বাজারে সাড়ে ৫ কোটি সিলিন্ডার থাকলেও বর্তমানে রিফিল হচ্ছে মাত্র ১ কোটি ২৫ লাখের মতো। সমিতির দেয়া হিসাব অনুযায়ী অন্তত ৪ কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডার অব্যবহৃত পড়ে আছে। এ খালি সিলিন্ডারের বড় অংশ সেসব অপারেটরের যারা আর এলপিজি আমদানি করছে না।
এলপিজি অপারেটরস অব বাংলাদেশ (লোয়াব) বলছে, দেশের বাজারে ২৮টি কোম্পানি এলপিজি ব্যবসা করে। এর মধ্যে ২৩টি কোম্পানির আমদানির অনুমোদন আছে। যদিও এখন মূলত পাঁচটি কোম্পানি এলপিজি আমদানি করছে। অন্যগুলোর আমদানি কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। কোনো কোনো কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধের পথে। আবার অনেক কোম্ বাকি অংশ পড়ুন...
অসম্ভব দ্রুততার সমুদ্রবন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দিলেও,
পরিবেশ রক্ষায় নারিকেল দ্বীপ বন্ধে প্রচন্ডরকমের তোরজোর দেখালেও
কনকনে ঠান্ডায় দেশব্যাপী কতজন মারা গেছে সে তথ্যটুকুও নেই তাদের কাছে।
তার স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে পছন্দের উপদেষ্টার দফতরে।
শীতার্ত দরিদ্র জনসাধারণের কষ্ট দূরীকরনেও নেই কোনো পদক্ষেপ, কোনো প্রক্রিয়া।
যেনো বিদেশীদের হাতে গোপনে সব কিছু তুলে দেয়ার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার
আর জনগণের দুর্দশা লাঘবে সবকিছুর জন্য অপেক্ষায় থাকবে নির্বাচিত সরকার।
হাড়কাঁপানো শীত ও শৈত্যপ্রবাহে যশোরে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্য বাকি অংশ পড়ুন...












