(১)
দৈনিক আল ইহসান শরীফের খবর জানাচ্ছে, কৃষকেরা সেচের জন্য প্রয়োজনীয় ডিজেল পাচ্ছেন না, আর পেলেও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। চট্টগ্রাম, জামালপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারীসহ দেশের ১২টি জেলার ১৫ জন কৃষক প্রয়োজনীয় ডিজেল না পাওয়ার কথা বলেছেন, গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতেও ডিজেল পেতে কৃষকের ভোগান্তির চিত্র জানা যাচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় অবশ্য বলে আসছে, জ্বালানি সরবরাহে কৃষিকে তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তবে মাঠের বাস্তবতা সেটা বলছে না। বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শস্য বোরো। দেশের মোট বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের প্রধান প্রধান অনেক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে কিছু কারণ হলো,
১) ঢাকামূখী জনস্রোত:
অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অবকাঠামোগত বৈষম্যের কারণে প্রতিদিন মানুষ ঢাকামুখী হতে বাধ্য হচ্ছে। থানা ও জেলা শহরের তুলনায় ঢাকাকে পুরোপুরি অর্থনীতিনির্ভর শহর করা হয়েছে। চাকুরী, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার আদালত, উন্নত নাগরিক সুবিধা ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দেশের প্রতিটি অঞ্চল থেকে প্রতিদিন লোকজন রাজধানীতে আসছে। তবে বেশীরভাগ মানুষ আসছে কাজের সন্ধানে। ঢাকামূখী এই জনস্রোত বন্ধে গ্রাম থেকে জেলা পর্যায়ে সরকারের তেমন কোন পরিকল্পনা নেই। ফলে দিন বাকি অংশ পড়ুন...
সমস্ত প্রশংসা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সমগ্র জগতের প্রতিপালক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অসংখ্য দরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে জ্বালানি বিষয়ক নীতিনির্ধারকদের বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতা অপরিহার্য। কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নামে এমন কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণের আলোচনা হচ্ছে, যা অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করার প্রস্তাব বাকি অংশ পড়ুন...
দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে গত ৩ মার্চ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে ৪ হাজার ৮২৪টি অভিযান চালিয়ে অবৈধ মজুতকৃত ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব।
জানা গেছে, দেশে বছরে ডিজেলের চাহিদা ৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। অকটেন এবং পেট্রোল মাসে দরকার হয় ৭০ হাজার মেট্রিক টন। পেট্রল এবং অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত আছে। কোনো সংকট নেই। কোনো সংকট নেই ডিজেলের ক্ষেত্রেও। এপ্রিল মাস পুরোপুরি নিরাপদ ইনশাআল্লাহ।
মূলত, প্যানিক কেনো এখনো বন্ধ হয়নি, যার প্রভাব পড়ছে পেট্রল পাম্পে। মজুত বাকি অংশ পড়ুন...
অতীতে বি.এন.পি এসব আস্ফালনে হাসিনা সরকারের নীরবতায় কঠোর সমালোচনা করেছিলো।
দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতি হাসিনা আন্তরিক নয় বলে তীব্র নিন্দা করেছিল ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হুমকীর বিপরীতে উল্টো পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা দখলের ঘোষণা দিয়েছিলো।
সেই একই বি.এন.পির সামনে এখন আগের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর আরো বুলন্দ করার এবং টেকসই ও কঠিন পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ উপস্থিত।
পিপীলিকা ওড়ে, মরিবার তরে। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে চরম লজ্জাকর হার হয়েছে ভারত। ১৯৭১ এ মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব, বিজয় ছিনতাই করেছে ভারত। ২০০১ সালে সিলে বাকি অংশ পড়ুন...
একটি রাষ্ট্র তখনই আযাদ থাকে, যখন তার প্রতিরক্ষা ঢাল হয় অভেদ্য। কিন্তু আফসোস! ৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ আজ এক চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির দ্বারপ্রান্তে। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার যখন উত্তর কোরিয়ার গোপন প্রযুক্তিতে নিজেদের মিসাইল রেঞ্জকে ৭০০ কিলোমিটারে নিয়ে গেছে, তখন স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিক্রম করেও আমাদের সর্বোচ্চ দৌড় মাত্র ২৮০ কিলোমিটার! এই শোচনীয় বৈষম্য দেখেও যদি নীতিনির্ধারকদের ‘নিদ্রা’ না ভাঙে, তবে বুঝতে হবে-এই স্বাধীন ভূখ-ে তাদের জাগবার আর কোনো নৈতিক অধিকার অবশিষ্ট নেই।
তাত্ত্বিক ও কারিগরি বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় প্রতিটি সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত জনস্বার্থকেন্দ্রিক ও দূরদর্শী। অথচ দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা শুধু অর্থনীতির জন্য নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে-যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬২ হাজার ১৫০ টন গমবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। এই ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে-আমরা কি সচেতনভাবে একটি ঝুঁকিপূর্ণ ও ব্যয়বহুল আমদানির পথে হাঁটছি?
সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সরকার আগামী পাঁচ বছ বাকি অংশ পড়ুন...
ইসরায়েলের পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদ-ের আইন পাসের যে জঘন্য প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা কেবল একটি রাষ্ট্রীয় নীতির পরিবর্তন নয় - বরং সমগ্র মানবতার বিরুদ্ধে এক ঘৃণ্য আগ্রাসন এবং ন্যায়বিচারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়ার শামিল। "সন্ত্রাস দমন" -এর ঠুনকো দোহাই দিয়ে সন্ত্রাসী ইসরায়েল আসলে একটি সম্পূর্ণ জনগোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসকে বৈধতা দেওয়ার নোংরা কাজে মেতেছে। এটি কোনো বিচারিক প্রক্রিয়া নয় বরং আইনি লেবাসে সুপরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় হত্যাকা-।
দ্বৈত বিচারব্যবস্থা ও আধুন বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকা মহানগরে যানজটের সাধারণ কিছু কারণ যেমন রয়েছে তদ্রুপ মূল বা প্রধান কিছু কারণও রয়েছে।
যানজটের কিছু সাধারণ কারণ:
১৩) অপর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ:
বর্তমানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীনে ঢাকায় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০টি নিয়মিত ট্রাফিক পয়েন্ট রয়েছে। এর নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগের প্রায় ৪,০০০ থেকে ৪,৫০০ জন মোট জনবল রয়েছে। ঢাকার রাস্তায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫-২০ লাখ যানবাহন চলাচল করে, যা সামলানোর জন্য এই সংখ্যাটি অত্যন্ত অপ্রতুল। এছাড়া ঢাকার অনেক এলাকা ও রাস্তা রয়েছে যেখানে নিয়মিত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু তা ট্রাফিক পয়েন্ট হিসেবে ঘ বাকি অংশ পড়ুন...
৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় ভূখ-ে আজ বিজাতীয় অপশক্তির কালো ছায়া ঘনীভূত হচ্ছে, যা আমাদের ঈমানি ও জাতীয় অস্তিত্বকে এক চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।যে জমিন ওলী-আল্লাহ উনাদের পদধূলিতে ধন্য, যেখানে রিসালাত উনার ঝা-া চিরকাল সমুন্নত; আজ সেখানে বিজাতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের আস্ফালন ও রাষ্ট্রদ্রোহী চক্রান্ত এক ভয়াবহ রূপ পরিগ্রহ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের উগ্রবাদী ও বাংলাদেশ বিরোধী বিষবাষ্প ছড়ানোর প্রধান কারিগর ‘রবীন্দ্র ঘোষ’ কীভাবে বাংলাদেশের নিñিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে অতি অনায়াসে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করল, তা কেবল বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকায় যানজট নিত্য জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লাতেও ভয়াবহ যানজট লেগে থাকে। যানজটের কারণে ঢাকা শহর দিন দিন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে। এ থেকে পরিত্রাণের সঠিক উপায় এখনো প্রয়োগ করতে পারেনি কোন সরকার। নগর বিশেষজ্ঞ এবং দেশী-বিদেশী পরামর্শক থেকে সরকার বিভিন্ন সময় সরকার পরামর্শ নিয়েছে। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে এতেও যানজটের সমাধান হয়নি। সাময়িক কিছু উপকার হলেও এসবের মাধ্যমে যানজট নিরসনে স্থায়ী সমাধান হবেনা। বরং এসব পদক্ষেপ কোন কোন ক্ষেত্রে যান বাকি অংশ পড়ুন...
৫১ কোটিরও বেশি মানুষের একটি দেশ হিসেবে, বিশে^র অন্যতম ভূরাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থান করেও বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক সদিচ্ছা, বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠান এবং বৃহৎ শক্তিগুলোর ছোট রাষ্ট্রের প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষার আশার উপর নির্ভর করে এসেছে। কিন্তু পুনরুজ্জীবিত মহাশক্তির প্রতিযোগিতা, ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক বিস্তার এবং দ্রুত অস্থিতিশীল হয়ে ওঠা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা কাঠামোর এই যুগে- সেই আশায় জাতি টিকে থাকার জন্য যথেষ্ট ভিত্তি নয়। এখন সময় এসেছে বাংলাদেশে পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে একটি সৎ, নির্ভীক জাতীয় আলোচনার- উস বাকি অংশ পড়ুন...












