মন্তব্য কলাম
বর্তমান জ্বালানী সংকটে অনেক দেশই এখন কয়লার দিকে ঝুকছে। কয়লার উপর নির্ভরতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। দেশে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুদ থাকার পরও রহস্যজনকভাবে তা উত্তোলনে আগ্রহ নেই সরকারের। ৭ হাজার ৮০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদের দেশে কয়লার ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ কেন?
, ১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
কয়লা বাদ দিয়ে ব্যয়বহুল এলএনজি ও তেলনির্ভরতায় অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশ।
এক কয়লা দিয়েই দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানী উৎপাদনে বিপ্লব ঘটানো তথা বহির্বিশ্বে রফতানী সম্ভব।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ঘাটতি দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেলের বাজারেও। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে উন্নত থেকে উন্নয়নশীল-সব দেশই আবার কয়লার দিকে ঝুঁকছে।
বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এলএনজি উৎপাদন হয় মধ্যেপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে। কিন্তু সেখান থেকে জ্বালানির সর্বশেষ চালান রওয়ানা দিয়েছিল প্রায় এক মাস আগে। যুদ্ধের পর সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় আমদানিনির্ভর দেশগুলো ভয়াবহ চাপের মুখে পড়েছে।
উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে আসা এলএনজি কার্গোগুলো তাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর পর নতুন কোনো সরবরাহ না থাকায় হাহাকার শুরু হয়েছে। ধনী দেশগুলো চড়া দামে বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি কেনার চেষ্টা করছে।
অথচ বিকল্প হিসেবে কয়লার ব্যবহার বাড়ানো হতে পারে সবচেয়ে সুফলদায়ক পদ্ধতি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে কয়লা আমদানি বাড়িয়েছে।
তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছে, বিদেশ থেকে কয়লা আমদানি করে জ্বালানি সঙ্কট মেটানো সম্ভব নয়। কারণ এতে বিপুল অর্থ ব্যয় হবে সরকারের। যার প্রভাব পড়বে জনগণের উপর, বিদ্যুতের মূল্যের উপর।
এর বিপরীতে দেশেই মজুদ থাকা বিপুল পরিমাণ কয়লা যদি উত্তোলন করা যায় তাহলে তা দিয়েই বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটানো খুব সহজেই সম্ভব। কিন্তু সরকার এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করছে না। ফলে স্থায়ী একটি জ্বালানি সঙ্কটের দিকে এগোচ্ছে দেশ। যার পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ।
জানা গেছে, ১৯৫৯ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিগত ৪৫ বছরে দেশে মোট ১৩টি কয়লার খনি আবিষ্কৃত হয়েছে। এর সবই উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলায় অবস্থিত।
বড়পুকুরিয়াসহ এখন দেশে ৫টি কয়লা খনিতে মোট ৭ হাজার ৮০০ মিলিয়ন টন কয়লার মজুদ রয়েছে। কয়লা নিয়ে সরকারের গুরুত্ব সহকারে ভেবে দেখার সময় হয়েছে। মাটির নিচে কয়লা সম্পদ রেখে দিয়ে লাভ নেই, ব্যবহারেই লাভ। দেশীয় খনির কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর জন্য বড় ধরনের অবদান রাখতে পারে। বড়পুকুরিয়া থেকে কয়লা উঠছে। এখন ফুলবাড়ী ও দীঘিপাড়ার খনি থেকে কয়লা উঠানোর সুযোগ রয়েছে। এটা ব্যাবহার করতে পারলে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ অনেক কমে যাবে।
বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণে উন্নতমানের কয়লার মজুদ রয়েছে। মজুদের পরিমাণ ৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন টন, যা ২০০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সমান। ১০ শতাংশ উত্তোলন করা গেলে ২০ টিসিএফ পাওয়া যাবে। অভ্যন্তরীণ কয়লা বহুমুখী সুবিধা দিতে পারে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণ ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। ‘আমদানি করা কয়লার চেয়ে দেশি কয়লা উত্তোলন করলে জ্বালানি খরচ কম হবে। দেশি কয়লা উত্তোলন করতে না পারা আমাদের জন্য বড় দুর্বলতা।’
‘আমদানির সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো যেকোনো সময় এর দাম অনেক বেড়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে এর প্রমাণও পাওয়া গেছে। এটি জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য হুমকি।’
জ্বালানি বিভাগের উপস্থাপনায় উঠে এসে এই কয়লার কুড়ি শতাংশ উত্তোলনযোগ্য যার পরিমাণ ১ হাজার ৫৬৪.৬ মিলিয়ন টন। এ পরিমাণ কয়লা ৪০.৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাংলাদেশে কয়লার ব্যবহার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সরকারের মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী অদূর ভবিষ্যতে কয়লা থেকে ১০-১১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এই বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিপুল পরিমাণ কয়লা আমদানি করতে হবে। এজন্য বাংলাদেশকে প্রতিবছর বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করতে হবে। বর্তমান কয়লার আন্তর্জাতিক বাজার দর হিসেবে সেটি ছয় বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও ধারণা করা হয়।
এ পরিস্থিতিতে দেশীয় কয়লা উত্তোলনের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। শুধু দিনাজপুরের দীঘিপাড়া কয়লাখনি থেকে ৯ কোটি টন কয়লা উত্তোলন করা যায়। যার বর্তমান বাজারমূল্য ১৬ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা।
অপরদিকে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থেকে কয়লা উত্তোলনের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে এর বিরোধিতা সবচেয়ে বেশি।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী কয়লা খনিতে কয়লা মজুদ রয়েছে বর্তমানে ৫৭২ মিলিয়ন টন। জ্বালানি বিভাগের হাইড্রোকার্বন ইউনিটের এক হিসাব অনুযায়ী, মূলধন ও পরিচালন ব্যয় মিলিয়ে ফুলবাড়ী খনি উন্নয়ন কার্যক্রমে অর্থ প্রয়োজন পড়বে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ আন্তঃব্যাংক মুদ্রা বিনিময় হার অনুযায়ী প্রতি ডলারে ১২২ টাকা ধরে বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা। এ বিনিয়োগ করা গেলে এখান থেকে কয়লা তোলা যাবে প্রায় ৮৩ বিলিয়ন ডলারের (বড়পুকুরিয়ার কয়লার দাম বিবেচনায়)। স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১০ লাখ ১২ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এ বিষয়ে এরই মধ্যে বেশকিছু সুপারিশ উপস্থাপন করেছে হাইড্রোকার্বন ইউনিট।
প্রসঙ্গত: আমরা মনে করি, উচ্চ জ্বালানি মূল্যের কারণে স্থানীয় শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে দেশ যখন ব্যাপক সমস্যায় রয়েছে, তারমধ্যে এটি হবে একমাত্র সঠিক পদক্ষেপ। ইনশাআল্লাহ! বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রতিবছর কয়লার প্রয়োজন ৩.৬ মিলিয়ন টন, যার মূল্য প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশে ভূগর্ভস্থ কয়লার সবচেয়ে বড় মজুদটি অবস্থিত জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে। ছয় দশক আগে এখানে জরিপ ও অনুসন্ধান চালিয়েছিল জাতিসংঘ ও তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের খনিজ সম্পদ বিশেষজ্ঞ দল।
সেই সময়ের জরিপের ভিত্তিতে অনুমান করা হয় এখানে কয়লার মোট মজুদ রয়েছে ১০৫ কোটি ৩০ লাখ টন। এরপর ২০১৫ সালে খনিটিতে কয়লা খনির গ্যাস বা কোল বেড মিথেন অনুসন্ধানে ভারতীয় এক প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয় পেট্রোবাংলা। মাইনিং অ্যাসোসিয়েট প্রাইভেট লিমিটেড (এমএপিএল) নামে ওই প্রতিষ্ঠানের পরের বছর প্রকাশিত জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, জামালগঞ্জে কয়লার প্রকৃত মজুদ আগের হিসাবের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি হতে পারে, যার সম্ভাব্য মোট পরিমাণ ৫৫০ কোটি টন।
বিশ্বে কয়লার সবচেয়ে বড় খনি ধরা হয় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইয়োমিংয়ের নর্থ অ্যান্টিলোপ রোশেল কোল মাইনকে। মাইনিং টেকনোলজির তথ্য অনুযায়ী, এখানে কয়লার উত্তোলনযোগ্য মজুদ ১৭০ কোটি টন। অর্থাৎ বিশ্বের কথিত বড় কয়লার খনির চেয়ে বাংলাদেশের, জয়পুরহাটের- জামালগঞ্জের কয়লা খনি প্রায় চার গুণ বড়। সুবহানাল্লাহ!
জাতিসংঘ ও পাকিস্তান সরকারের বিশেষজ্ঞদের অনুসন্ধানে জামালগঞ্জে কয়লা খনি আবিষ্কৃত হয় ১৯৬২ সালে। ১৯৬২ সালের প্রথম অনুসন্ধানে খনির আয়তন নির্ধারণ করা হয়েছিল ১১ দশমিক ৬৬ বর্গকিলোমিটার। পরের জরিপে এর সম্ভাব্য আয়তন নির্ধারণ হয় ৬৪ বর্গকিলোমিটার। এছাড়া খনিতে কয়লার স্তরের পুরুত্বও পাওয়া গেছে আগের চেয়ে অনেক বেশি।
বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানের মতো জামালগঞ্জের খনিতে মজুদকৃত কয়লাও অনেক বেশি উচ্চমানসম্পন্ন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
খনিটিকে যথাযথ কাজে লাগানো গেলে তা দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চলমান ও ভবিষ্যৎ সংকট সমাধান তো অবশ্যই এমনকি রফতানী করে সমৃদ্ধি অর্জনেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
উল্লেখ্য জামালগঞ্জও কয়লা খনির গভীরতা অনেক বেশি হওয়ায় কিছু বাড়তি সুবিধাও রয়েছে। এখান থেকে ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের উদ্যোগ নেয়া হলে গভীরতার কারণেই জামালগঞ্জে বড়পুকুরিয়ার মতো ভূমিধসের কোনো সম্ভাবনা নেই। ওপরের মাটিও বেশ কঠিন ও শক্ত প্রকৃতির। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও কম।
কয়লার ভূগর্ভস্থ গ্যাসিফিকেশনের (আন্ডারগ্রাউন্ড কোল গ্যাসিফিকেশন বা ইউসিজি) মাধ্যমে জামালগঞ্জের খনিটির কয়লাকে কাজে লাগানো যায় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ইউসিজি হলো মাটির নিচ থেকে কয়লা না তুলেই সেখান থেকে শক্তি উৎপাদনে ব্যবহূত একটি পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ভূগর্ভের কয়লার স্তরকে অক্সিজেন ও বাষ্প দিয়ে নিয়ন্ত্রিতভাবে পুড়িয়ে ভেতরে উৎপন্ন গ্যাসকে পাইপলাইন দিয়ে তুলে আনা হয়। এরপর তা বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়। তুলনামূলক বেশি গভীরতার খনিগুলোয় মজুদকৃত কয়লা কাজে লাগাতে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, ভারত ও উজবেকিস্তানের মতো দেশগুলো এখন ইউসিজি পদ্ধতিকে কাজে লাগাচ্ছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে বৃহৎ শুধুমাত্র জয়পুরহাটের জামালগঞ্জের একটি কয়লা খনি যদি দ্রুত উৎপাদনে আনা যায়, সেক্ষেত্রে বিদ্যুৎ আমদানি নির্ভরতা তথা গোটা বিদ্যুৎ সংকটের তথা লোডশেডিং-এর সমাধানের পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনেও খরচ অনেক কমে আসবে। দেশের অভ্যন্তরীন চাহিদা মিটিয়ে রফতানীও সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা এ বিষয়ে সরকারের সহীহ সমঝ সত্বর সক্রিয় তৎপরতা এবং জনগণের সচেতনতা প্রত্যাশা করি।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
তবে কি সাবেক সরকারের অসমাপ্ত ষড়যন্ত্রের সমাপনীর পথেই হাঁটতে চাইছে বর্তমান সরকার?
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলিম দেশগুলোর উচিৎ মক্কা চুক্তিকে আরো বিশুদ্ধ ও বিস্তৃত করা যাতে ভারতের গোস্বা এত বাড়ে যে তাদের গোস্বার অনলেই তারা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












