মন্তব্য কলাম
নতুন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ; একটি দেশ ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী অধ্যাদেশ। অধ্যাদেশে বাঙ্গালীদের বাদ দিয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য চালু হয়েছে কোটাপ্রথা, উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে সশস্ত্রবাহিনীও বিচারের আওতায়, পশ্চিমা অমানবিকতাকে প্রাধান্য।
, ০৯ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৯ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৯ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ১৫ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ইউনুস ক্ষমতায় থাকাকালীন ১৮ মাস জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে অকার্যকর করে রেখেছিল। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০০৯ রহিত করে উপদেষ্টা পরিষদে যখন দেশ ও জাতীয় স্বার্থ বিরোধী নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হলো তখন থেকে কমিশনের কার্যক্রম পুণরায় চালু করা হলো। সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক দলের সাথে আলাপ না করে তড়িগড়ি করে এনজিও কর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হলো। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে এনজিওরা সবসময় বাঙ্গালী ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিরোধী। যারা পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিতিশীলতার নেপথ্য কারিগর। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের অনুচর।
এই অধ্যাদেশের সুরক্ষা দিতে ইতিমধ্যে এনজিওরা তোড়জোড় শুরু করেছে। এর সুবিধাভোগী বিদেশী এনজিও গোষ্ঠী এবং উপজাতি প্রতিনিধিরা গত ৯ মার্চ মানবাধিকার কমিশনের মিটিংয়ে “কোন পর্যালোচনা ছাড়াই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ সংসদে অনুমোদনের দাবি জানিয়েছে। (৯ মার্চ, দৈনিক কালের কণ্ঠ)
সভায় দেশী বিদেশী এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিল। উপরোক্ত দাবি জানায়, এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের আহ্বায়ক দেবপ্রিয়, টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (এএলআরডি) নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, ‘নিজেরা করি’র সমন্বয়কারী খুশী কবির, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী অধিকারকর্মী দিপায়ন, ‘স্বদেশ’-এর নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্ত, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের উপদেষ্টা মাবরুক মোহাম্মদ, কাপেং ফাউন্ডেশনের ফাল্গুনী।
তাদের দাবির সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম চৌধুরীসহ সাবেক গুম কমিশনের সদস্য ও বর্তমান মানবাধিকার কমিশনের কমিশনার নাবিলা ইদ্রিস, নুর খান, অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম ও ইলিরা দেওয়ান।
উল্লেখ্য কোন পর্যালোচনা ছাড়াই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ সংসদে অনুমোদনের তোড়জোড়ে এটা স্পস্ট যে, ইউনুস পাহাড়ের বাঙ্গালী জনগোষ্ঠী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গিয়ে বিদেশী স্বার্থে এই অধ্যাদেশ জারী করেছে।
এই অধ্যাদেশ মূলতঃ বাঙ্গালী ও সেনাবাহিনীর অধিকার খর্ব করে উপজাতী নৃগোষ্ঠীদের ক্ষমতায়নে, বিচ্ছিন্নতাবাদে মদদ দিতে এবং তথাকথিত পশ্চিমা মানবাধিকার বাস্তবায়নে পশ্চিমাদেরই গোপন এজেন্ডা। বিভিন্ন গোপন চুক্তির মতো ইউনুস পশ্চিমাদের এই গোপন এজেন্ডা দেশের উপর চাপিয়ে দিয়েছে।
কি আছে এই বিতর্কিত অধ্যাদেশে?
(১) বাঙ্গালী নয় উপজাতিদের জন্য কোটা প্রথা চালু!
কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে গণ অভ্যূত্থান হলেও ইউনুস জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে উপজাতিদের জন্য কোটা চালু করেছে। সেখানে বাঙ্গালীদের জন্য কোটা না রাখলেও অধ্যাদেশের ৫ এর (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্য থেকে একজন কমিশনার রাখা বাধ্যতামূলক করেছে। আর সেই কোটায় নিয়োগ দিয়েছে বর্তমান কমিশনার ইলোরা দেওয়ানকে।
(২) বাছাই কমিটিতেও উপজাতি রাখা বাধ্যতামূলক!
কমিশনের চেয়ারপার্সন ও কমিশনার নিয়োগের বাছাই কমিটিতে ৭ সদস্যের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর একজন রাখা বাধ্যতামূলক করেছে। অধ্যাদেশের ৭ এর (১) এর (চ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মধ্য হইতে তাহাদের অধিকার রক্ষায় কাজ করিবার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন প্রতিনিধি, যিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত হইবেন।”
৩) পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার হরণকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে হবে সেনাবাহিনীর বিচার!
পার্বত্য চট্টগ্রামে মানবাধিকার হরণকারী কিছু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর দেশ বিরোধী কর্মকান্ড ও উপজাতি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা রোধে এবং দেশের অখন্ডতা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করে থাকে। দেশের স্বার্থে যাতে সেই কাজ করতে না পারে সেজন্য পশ্চিমা এজেন্ডা হিসেবে সেনাবাহিনী ও সেনা সদস্যদের বিচারের জন্য নতুন মানবাধিকার অধ্যাদেশে রাষ্ট্রীয় বা সরকারি প্রতিষ্ঠান বা শৃঙ্খলা-বাহিনীকে বিচারের আওতায় এনেছে ইউনুস।
এ বিষয়ে কমিশনের কার্যাবলি সম্পর্কে, ১৩ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “কোনো রাষ্ট্রীয় বা সরকারি প্রতিষ্ঠান বা শৃঙ্খলা-বাহিনী বা অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘন বা লঙ্ঘনের প্ররোচনা সম্পর্কিত কোনো অভিযোগ স্বতঃপ্রণোদিত হইয়া কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান ও, ক্ষেত্রমত, তদন্ত করা।
৪) পশ্চিমা অমানবিক মানবাধিকার বাস্তবায়নের চেষ্টা!
জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন বিতর্কিত ইহুদীবাদ প্রভাবিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। যা ফিলিস্থিনের গাযায়, ভারতের কাশ্মিরে, মিয়ানমারের আরাকানে, সুদানের দারফুরসহ বিশে^র নির্যাতিত মুসলিমদের ক্ষেত্রে জাতিসংঘ এবং এর এই সংস্থার বিতর্কিত পক্ষপাতমূলক কার্যক্রম প্রমাণিত। মুসলিমদের বেলায় তাদের মানবাধিকারের সংজ্ঞা সম্পূর্ণ বিপরীত। কথিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানে হলো পশ্চিমাদের প্রবর্তিত মানবাধিকার। আর জাতিসংঘ সেই পশ্চিমা মানবাধিকারের রক্ষক।
উল্লেখ্য পশ্চিমাদের মানবাধিকারে সমকামীতা বা এলজিবিটিকিউ প্রচার সেটাও মানবাধিকার। ট্রান্সজেন্ডার বা লিঙ্গ পরিবর্তন করা সেটাও মানবাধিকার। প্রকাশ্যে বস্ত্রহীনভাবে চলাও মানবাধিকার। ফিলিস্থিনে মুসলিম গণহত্যা করা মানবাধিকার। গাজার মুসলিমদের দুর্ভিক্ষ পীড়িত রাখা মানবাধিকার।
দ্বীন ইসলাম উনার বিদ্বেষী কথা বলা-লিখা সেটা বাক স্বাধীনতার মানবাধিকার। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম পালন ও অনুসরণের কথা বলা পশ্চিমাদের কাছে মানবাধিকারের লঙ্ঘন। এই তথাকথিত মানবাধিকার লালন পালন করে জাতিসংঘ।
অর্থাৎ পশ্চিমা মানবাধিকার মানে হচ্ছে, সম্মানিত দ্বীন ইসলামের বিরোধীতা করা, মুসলমানদের অধিকার হরণ করা। মুসলমানদের দমন করা। মানবাধিকারের নামে বিশ^ব্যাপী পশ্চিমা দাসত্ব মানতে বাধ্য করা।
অথচ সেই পশ্চিমা মানবাধিকারের মানদন্ড অনুসরণে ধারা সংযুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশে।
অধ্যাদেশের ১৩ (ড) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “দেশের প্রচলিত আইন ও প্রশাসনিক কর্মসূচির মাধ্যমে গৃহীতব্য ব্যবস্থা যাহাতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানের ও নিয়মের হয় সেই লক্ষ্যে সরকারের নিকট সুপারিশ করা।”
১৩ (ত) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মানের সহিত কোনো প্রস্তাবিত আইনের সাদৃশ্য পরীক্ষা করা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দলিলের সহিত উহাদের সমন্বয় নিশ্চিত করিবার স্বার্থে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রয়োজনীয় সংশোধন সুপারিশ করা;
১৩ (থ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দলিলের অনুসমর্থন বা উহাতে স্বাক্ষর প্রদানে সরকারকে পরামর্শ প্রদান এবং উহাদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য ইউনুসের এই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ মূলতঃ দেশ, সেনাবাহিনী ও সম্মানিত দ্বীন ইসলামী মূল্যবোধ ধ্বংসের ফাঁদ। পশ্চিমা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার এই অধ্যাদেশ সংশোধন বা বাতিল না করলে দেশে মানবাধিকার রক্ষা নয় বরং মানবাধিকার লঙ্ঘনেরই চর্চা হবে। এবং সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিচ্ছিন্নতাবাদ ত্বরান্বিত করা হবে।
অতএব এই দেশ বিরোধী, সেনাবাহিনী বিরোধী প্রকৃত মানবাধিকার বিরোধী এই মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ সংসদের পর্যালোচনায় বাতিল ঘোষণা করা হোক। সম্মানিত দ্বীন ইসলামী মূল্যবোধ এবং সবার আগে বাংলাদেশ এই চেতনায় বিশ^াসী বর্তমান সরকারের কাছে দেশবাসী এটাই আশা করে।
-মুহম্মদ জুলফিকার হায়দার।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১১)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বর্তমান জ্বালানী সংকটে অনেক দেশই এখন কয়লার দিকে ঝুকছে। কয়লার উপর নির্ভরতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। দেশে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুদ থাকার পরও রহস্যজনকভাবে তা উত্তোলনে আগ্রহ নেই সরকারের। ৭ হাজার ৮০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদের দেশে কয়লার ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ কেন?
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












