মন্তব্য কলাম
সার্বভৌমত্বের হিফাযতে বাংলাদেশের ‘আকাশ প্রতিরক্ষা’ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এখন সময়ের দাবি ও সরকারের জন্য ফরয
, ৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
দেশের আকাশসীমা আজ এক অতিপ্রাকৃত ও ইহুদীবাদি ফিতনার হুমকির সম্মুখীন। যখন বিশ^রাজনীতির আকাশে ‘বনী আসফার’ বা পশ্চিমা ও প্রতিবেশী কুফরী শক্তিগুলোর ড্রোন আর স্টিলথ ফাইটারের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে, তখন ৫১ কোটি ঈমানি জনতার এই ভূখ--বাংলাদেশ কি কেবল মান্ধাতা আমলের রাডার আর সেকেলে মিসাইল দিয়ে নিজের অস্তিত্ব রক্ষা করবে? বাংলাদেশের বর্তমান আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর একটি বড় অংশই আধুনিক যুদ্ধের নিরিখে যথেষ্ট নয়। অথচ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই ভূখ-টি আজ সা¤্রাজ্যবাদী ও হিন্দুত্ববাদী শক্তিগুলোর শ্যেনদৃষ্টির নিচে।
সংশ্লিষ্ট সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে যেকোনো আকস্মিক আগ্রাসনে দেশের কৌশলগত স্থাপনা ও সম্পদ চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। প্রতি বছর প্রতিরক্ষা খাতে যে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়, তার একটি বড় অংশই যদি আধুনিক সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল বা উন্নত রাডার সিস্টেমে ব্যয় না হয়, তবে এই জনপদ শত্রুর কাছে অরক্ষিত থেকে যাবে। বর্তমানে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষায় যে পরিমাণ অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট গান বা সর্ট-রেঞ্জ মিসাইল রয়েছে, তা দিয়ে আধুনিক হাইপারসনিক গতি বা ড্রোন ঝাঁকের মোকাবিলা করা প্রায় অসম্ভব।
আকাশ সুরক্ষা বিষয়ে সার্বভৌমত্ব নিশ্চিতের জন্য একটি ‘মাল্টি-লেয়ারড’ বা স্তরভিত্তিক আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দরকার। তা না হওয়ায় আকাশপথে যেকোনো অনুপ্রবেশ ঠেকানোর ক্ষমতা আমাদের সীমিত। আর এই সীমাবদ্ধতার কারণেই পাশর্^বর্তী দেশগুলো মাঝেমধ্যেই আকাশসীমা লঙ্ঘনের ধৃষ্টতা দেখায়। এর কারণ হিসেবে সামরিক সরঞ্জামের অপ্রতুলতা ছাড়াও রয়েছে প্রযুক্তির পরনির্ভরশীলতা, পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেটের অভাব, ড্রোন জ্যামিং সিস্টেমের অনুপস্থিতি এবং শক্তিশালী লং-রেঞ্জ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম (যেমন-এস-৪০০ বা সমপর্যায়ের প্রযুক্তি) না থাকা। স্বদেশী প্রতিরক্ষা সরঞ্জামাদির চেয়ে যদি প্রতিবেশী দেশের সরঞ্জামের শক্তি বেশি হয়, তবে যুদ্ধের ময়দানে মনস্তাত্ত্বিক পরাজয় অনিবার্য।
প্রতিরক্ষা খাতে এ বছর বাজেটে বড় অংকের টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও আকাশ প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণে তার সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর প্রয়োগ দৃশ্যমান নয়। অথচ বর্তমান যুগে যার আকাশ অরক্ষিত, তার ভূমি ও নৌসীমাও নিরাপদ নয়। তাই বাধ্য হয়েই দেশ আজ সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক কঠিন অবস্থার মুখোমুখি। আকাশ প্রতিরক্ষায় বিনিয়োগ কম হওয়ার কারণে জাতীয় নিরাপত্তার সূচক প্রতিনিয়ত নি¤œগামী হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের বিশাল আকাশসীমা পাহারা দেওয়ার মতো যে পরিমাণ ইন্টারসেপ্টর এয়ারক্রাফট, ড্রোন এবং দক্ষ জনবল থাকা উচিত, সরকারের পক্ষ থেকে তা এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। সেই সুযোগে বিদেশি কথিত পরাশক্তিগুলো তাদের নজরদারি বৃদ্ধি করছে। যদিও কিছু আধুনিক প্রযুক্তি আমদানির কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু সেগুলোর কার্যকর সমন্বয় ও রূঢ় বাস্তবতায় প্রয়োগ নিয়ে সংশয় রয়েছে।
পবিত্র কুরআন শরীফ-উনার সূরা আনফাল শরীফ উনার ৬০ নম্বর আয়াত শরীফ উনাতে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: “তোমরা তাদের (শত্রুদের) মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ^বাহিনী প্রস্তুত রাখো, যা দিয়ে তোমরা ভয় দেখাবে মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রুদের এবং তোমাদের শত্রুদের।” বর্তমান যামানায় এই শক্তির একটা বিষয় হলো- উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি। অথচ আমাদের সক্ষমতা এখনও অনেক ক্ষেত্রে আমদানিকৃত এবং অন্যের দয়ার ওপর নির্ভরশীল। বিদেশি শক্তিগুলো আমাদের কেবল ততটুকুই দেয়, যা দিয়ে তাদের নিজেদের স্বার্থ ব্যাহত হবে না।
সরকারের তরফ থেকে সার্বভৌমত্ব রক্ষার কথা বলা হলেও আকাশসীমায় নজরদারির যে ফাঁক রয়েছে, তা পূরণে দৃশ্যমান কোনো মহাবিপ্লব নেই। বিজাতীয় প্রযুক্তির ওপর অতিনির্ভরশীলতার কারণে আমরা সংকটের সময় প্রতারণার শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে থাকি। নিজস্ব প্রযুক্তিতে আকাশ প্রতিরক্ষা গড়ে তোলার কোনো মহাপরিকল্পনা আজও আলোর মুখ দেখেনি।
বাংলাদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও লেয়ার্ড স্তরে উন্নীত করার জন্য তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইরান থেকে নির্দিষ্ট ধরনের সিস্টেম আমদানি করা উচিত, যেখানে তুরস্ক থেকে রোকেটসান-এর হিসার-ও+ মাঝারি-পাল্লার (৪০-৭০ কিলোমিটার রেঞ্জ) এবং সিপার দূরপাল্লার (১০০ কিলোমিটারেরও বেশি) সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম আমদানি করে একটি সম্পূর্ণ ‘স্টিল ডোম’-জাতীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সবচেয়ে কার্যকর ও বাস্তবসম্মত হবে, কারণ এগুলো ইতিমধ্যে ২০২৫-এর শেষভাগ থেকে ২০২৬-২০২৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশে সরবরাহের চুক্তি চূড়ান্তের কাছাকাছি, বিমান, ইউএভি, ক্রুজ মিসাইল ও পরবর্তী সংস্করণে ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিরোধে সক্ষম, আসেলসান-রোকেটসানের যৌথ উন্নয়ন, ন্যাটো-সামঞ্জস্যপূর্ণ কমান্ড-কন্ট্রোল, মডুলার ডিজাইন ও ট্রেনিং প্যাকেজসহ বাংলাদেশের ফোর্সেস গোল ২০৩০-এর সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ, সস্তা ও নিষেধাজ্ঞামুক্ত; পাকিস্তান থেকে সরাসরি উন্নত স্যাম সিস্টেমের পরিবর্তে তাদের জেএফ-১৭ ব্লক-৩ ফাইটারের সাথে সমন্বিত শর্ট-টু-মিডিয়াম রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স রাডার ইন্টিগ্রেশন, টেকনিক্যাল ট্রেনিং ও সাপোর্ট সিস্টেম (চীনা-উৎসের এইচকিউ-১৬/লাইক লো-লেভেল সিস্টেমসহ) আমদানি করা উচিত যা ২০২৬ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের বিদ্যমান এফএম-৯০-এর সাথে যুক্ত করে বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় সহায়তা করবে এবং পাকিস্তানের যুদ্ধ-পরীক্ষিত অভিজ্ঞতা থেকে রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা পাওয়া যাবে; আর ইরান থেকে বাভার-৩৭৩ দূরপাল্লার স্যাম সিস্টেম (এস-৩০০-এর সমকক্ষ, ১৫০-৩০০ কিলোমিটার রেঞ্জ, এডি-২০০ এক্সপোর্ট ভ্যারিয়েন্টসহ বিমান ও মিসাইল প্রতিরোধে শক্তিশালী) বিবেচনা করা যেতে পারে । এছাড়াও তুরস্কের হিসার-ও+ ও সিপারকে প্রাধান্য দিয়ে গড়ে তোলা "স্টিল ডোম" বা "ইস্পাত গম্বুজকে ভিত্তি করে পাকিস্তানের সাপোর্টিং ইন্টিগ্রেশনের সাহায্যে একটি সম্পূর্ণ লেয়ার্ড বা বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা শিল্ড গড়ে তোলাই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কৌশলগত, বাজেট-সম্মত ও নিরাপদ পথ হবে। এছাড়া সাম্প্রতিক যুদ্ধে অত্যন্ত সাফল্যের সাথে ব্যাবহৃত ইরানের ড্রোন শাহিদ-১৩৬ (ঝযধযবফ-১৩৬), শাহিদ-১২৯, মোহাজের-৬, ফাত্তাহ ড্রোন এবং ভিন্ন ভিন্ন পাল্লা সমৃদ্ধ আরাশ-২, খেইবার শেকান, ইমাদ, শাহাব-৩ , ফাত্তাহ-১, ফাত্তাহ-২, পাভেহ, রেজওয়ান, সেজজিল ইত্যাদি বাংলাদেশের সামরিক ব্যবস্থাপনায় সংযুক্ত করা উচিৎ।
এছাড়া তুরস্ক ও পাকিস্তান বাংলাদেশে সামরিক কারখানা স্থাপনের জন্য কৌশলগত প্রস্তাব দিয়েছিলো। বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে সেই প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাহীনতা থেকে উত্তরণের উপায় হচ্ছে- স্বাধীন প্রতিরক্ষা নীতি, বাজেটে আকাশ প্রতিরক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া এবং আধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম ও ড্রোন প্রযুক্তি গড়ে তোলা। এটা তেমন কোনো কঠিন কাজ নয়, সরকার যদি বিজাতীয় শত্রুদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করার হিম্মত রাখে, তবেই এটা করা সম্ভব।
-মুহম্মদ শামসিৎ তাবরীজ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে দেশে গ্যাস সংকট : টেকসই সমাধান দেশের গ্যাস কূপগুলো খনন করা
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঈমান ও ইজ্জত হরণে হিন্দুত্ববাদী নীল নকশা ‘ভগওয়া লাভ ট্র্যাপ’-সরকার ও জনতাকে সতর্ক হওয়া এখন সময়ের দাবি ও ফরয
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের বন্দর বিদেশিদের হাতে নয়, জাতির হাতেই থাক
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নতুন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ; একটি দেশ ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী অধ্যাদেশ। অধ্যাদেশে বাঙ্গালীদের বাদ দিয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য চালু হয়েছে কোটাপ্রথা, উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে সশস্ত্রবাহিনীও বিচারের আওতায়, পশ্চিমা অমানবিকতাকে প্রাধান্য।
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাসডুবির মর্মান্তিক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খনিজ সম্পদে ভরপুর সোনার বাংলা। অথচ অনুসন্ধানের অভাবে অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে বেশীরভাগ খনিজ সম্পদ। শুধু পার্বত্য চট্টগ্রামের অনাবিষ্কৃত তেল গ্যাসই দেশের চাহিদা মিটিয়ে দিতে পারে।
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বিদেশে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের দশ লাখ টাকার ব্যাংক সহযোগিতার ঘোষণা- যুগপৎ দুর্ভাগ্যজনক এবং আত্মঘাতী যা মেধা পাচার, অর্থ পাচার এবং দেশীয় শিক্ষাব্যবস্থার উৎকর্ষতা সাধনে অবহেলার দৃষ্টিভঙ্গী। দেশীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার মান বাড়াতে হবে মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ন করে অতি সত্ত্বর দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সন্ত্রাসী আম্রিকা যুদ্ধের নামে বাঁচতে চায়। ভূয়া অস্ত্র বেঁচে টাকা লুট করতে চায় ভূয়া আম্রিকানরা মনে করে আম্রিকা যুদ্ধে সেরা অথচ মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানসহ কয়েকটি কাফের রাষ্ট্র ছাড়া কানাডা ভিয়েতনামসহ অনেক কাফের রাষ্ট্রের কাছেও তারা শোচনীয়ভাবে হেরেছে
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে ইরানের একটি ২০ হাজার ডলারের শাহেদ-১৩৬ ড্রোন প্রতিরোধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে। যা যুক্তরাষ্ট্রকে কঠিন অর্থনৈতিক শিক্ষার মুখোমুখি করেছে।
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইহুদী-খ্রিষ্টান-হিন্দুরা কোন মুসলিম দেশ ধ্বংস ও দখল করার আগে সে দেশে তাদের অপসংস্কৃতি চাপিয়ে দেয়। চলচ্চিত্র নামক বিধ্বর্মীদের জাহান্নামী সংস্কৃতির ফাঁদে মুসলিম উম্মাহ।
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ : জ্বালানিসংকট সামলাতে প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতির আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে স্বাধীনতার পর থেকেই হাঁটছে বাংলাদেশ গভীর জ্বালানি সংকটের দিকে এগোচ্ছে দেশ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও উৎপাদনের বিকল্প নেই
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ : জ্বালানিসংকট সামলাতে প্রয়োজন দক্ষ ব্যবস্থাপনা আমদানিনির্ভর জ্বালানিনীতির আত্মঘাতী সিদ্ধান্তে স্বাধীনতার পর থেকেই হাঁটছে বাংলাদেশ গভীর জ্বালানি সংকটের দিকে এগোচ্ছে দেশ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও উৎপাদনের বিকল্প নেই
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












