বিএনপি তার ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতা গ্রহণের পর কিছুটা ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের শাসনামলে সবচেয়ে বড় অনিয়ম হিসেবে বিবেচনা করা হয় বিনা দরপত্রে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নকে। বিগত সরকার ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বিশেষ বিধান আইন, ২০১০ ’-এর আওতায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
অন্তর্বর্তী সরকার বিশেষ বিধানটি বাতিল করায় বিনা দরপত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ সীমিত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, দরপত্র না হলে কে বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের ভূখন্ডে থেকে, বাংলাদেশেরই সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করার পরও এদেশেরই বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এমনকি পার্বত্য অঞ্চলকে ভারতের অঞ্চল হিসেবেও মিথ্যাচার ও প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে একটি উপজাতীয় সন্ত্রাসী গ্রুপ। প্রতিবছর ১৭ই আগষ্ট উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা পার্বত্য ৩ এলাকায় চট্টগ্রাম আগ্রাসন দিবস পালন করে থাকে।
১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত রাষ্ট্রের জন্ম হয়। তার আগের দিন জন্ম হয়েছে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের। ভারত বিভাগে র্যাড ক্লিফের বিভাজন রেখা অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম পড়ে পূর্ব পাকিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
কথক, সমালোচক, বিশ্লেষক, সাংবাদিক, সম্পাদক, রাজনীতিক, আইনজীবি, সাবেক সচিব, আমলা, সুশীল-কুশীল সবাই কথা বলছেন। সমালোচিত হচ্ছেন অথবা অভিনন্দিত হচ্ছেন। কমপক্ষে বহু আলোচিত হচ্ছেন। পরিচিত হচ্ছেন।
কিন্তু কঠিনভাবে যদি প্রশ্ন করা হয়?
সুক্ষ্মভাবে যদি বিচার করা হয়, কেন তারা কথকতা করছেন?
কি উদ্দেশ্যে করছেন?
তাদের বক্তব্যে যুক্তি আছে।
প্রমাণ আছে!
তথ্য আছে
ব্যাখ্যা আছে
ভাষ্য আছে
বিশ্লেষণ আছে
প্রতিক্রিয়া আছে। বাকী সবই আছে
কিন্তু সব কিছুর মূলে নিখাদ দেশ প্রেম, কী আছে?
দেশের স্বার্থে, দেশ রক্ষার্থে তারা কথা বলছেন কী?
যে কথকতা, যে টকশো-পডকাস্ট বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
দীর্ঘ আলোচনার পর রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটি। ১লা আগস্ট শনিবার রাতে গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়।
কিন্তু এতে গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ। তারা আক্ষেপ করে বলেছেন, তাহলে স্থায়ী কমিটির মতামতের অবকাশ থাকলো কৈ?
তাহলে দলের মধ্যে গণতন্ত্রের চর্চা হল কীভাবে? একক ব্যক্তি বিবেচনা ভূল হলে সংশোধন করবে কে?
ইউনুসের প্রতি তার দুর্বলতা থাকলে ঠেকাবে কে?
বোঝাবে কে?
দেশ জাতির অপ বাকি অংশ পড়ুন...
ইউনুস ক্ষমতায় বসার পর থেকে ৯ মাসের মাথায় সে রাষ্ট্রের ভিতরে ভিতরে এমন ৯টি সুবিধা গ্রহণ করেছে, যা একাধারে নজিরবিহীন এবং গভীরভাবে দুর্নীতিপূর্ণ। এই ঘটনাপ্রবাহ দেখলে প্রশ্ন উঠে এটি কি কেবল দক্ষতা, নাকি একটি সুগভীর দুর্নীতির নীল নকশা?
১. নিজের মামলাগুলো 'অদৃশ্য হাতে' খারিজ করিয়ে ফেলা
অর্থপাচার, শ্রম আইন লঙ্ঘনসহ ১৬৮ মামলায় অভিযুক্ত থাকা সত্ত্বেও, ইউনুস অল্প সময়ের ব্যবধানে সব মামলা খারিজ করিয়েছে। যেখানে সাধারণ নাগরিকদের বছরের পর বছর কোর্টে ঘুরতে হয়, সেখানে তার মামলাগুলো মূহূর্তেই উধাও!
২. ৬৬৬ কোটি টাকার কর ‘মওকুফ’
গ্রামীণ ব্যাংক বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্ব রাজনীতির আকাশে আজ অস্থিরতার কালো মেঘ। একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধ আর শুধু ট্যাংক, কামান কিংবা যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষে সীমাবদ্ধ নয়; এটি এখন সাইবার হামলা, ড্রোন প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্যাটেলাইট নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য এবং অর্থনৈতিক চাপের সমন্বয়ে পরিচালিত এক বহুমাত্রিক লড়াই। এমন বাস্তবতায় সামরিক শক্তি কোনো যুদ্ধপ্রীতি নয়, বরং শান্তি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পূর্বশর্ত। বাংলাদেশ যদি ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে চায়, তবে এখনই দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়ে ভাবতে হবে।
শুধু খেলাধুলা নয়, জাতীয় প্রস্তুতি বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতারক, চোর, সুদখোর ইউনূসের বিরুদ্ধে বিচারাধীন যত মামলা
ইউনূস ও তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২০২৪ সাল জুলাই পর্যন্ত ১৬৮টি মামলা বিচারাধীন ছিল। এর মধ্যে ফৌজদারি আদালতে একটি, দুর্নীতি দমন কমিশনে একটি এবং বাকি ১৬৬টি মামলা ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে বিচারাধীন ছিল।
ইউনূসসহ অন্য বিবাদীদের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে বিচারাধীন মামলাগুলোর মধ্যে গ্রামীণ টেলিকম সংশ্লিষ্ট মামলা ৬৪টি। এছাড়া গ্রামীণ কল্যাণের ৬৯টি, গ্রামীণ কমিউনিকেশনের ২৫টি ও গ্রামীণ ফিশারিজের নামে ৮টি।
জানা যায়, শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকম ও গ্রামীণ কল্যাণের ক বাকি অংশ পড়ুন...
এক সময় টিকাটুলী মোড়ে ছিল দৈনিক পত্রিকাটির অফিস। প্রতিষ্ঠাতা বাবার মৃত্যুর পর দু ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব। অবশেষে মালিকানার পরিবর্তন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের সাথে পতিত আওয়ামী লীগের পিরিতির কাহিনীই শেষ নয়; পত্রিকাটি যে পুড়ানো মার্কিন প্রেম এখনো ছাড়তে পারেনি তা গত ২৯ শে জুলাই প্রকাশিত “নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আলোচনায় ইউনুস” শীর্ষক প্রতিবেদন সাক্ষাৎ প্রমাণ দেয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-
“আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে বাড়তি কৌতূহল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির মতো অলংকারিক পদে ইউনূসের নাম আ বাকি অংশ পড়ুন...
আম্রিকা একদিকে দেশের আভ্যন্তরীন বিষয়- উপজাতি, জামাতি, এনসিপি, আওয়ামী হাসিনা নিয়ে গুটি চালতে চাইছে অপরদিকে চীন-ভারত রাশিয়ার প্রভাব রুখে নিজেদের বলয়ে বাংলাদেশকে বন্দী রাখতে উদ্ধত হচ্ছে।
বিদেশ সফর সংক্ষিপ্ত করে নির্ধারিত সময়ের আগেই বাংলাদেশে ফিরেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সে গত পরশু খুব ভোরে ফিরে এসেছে এবং ফিরে এসেই সে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। কারণ গতকাল উনত্রিশে জুলাই বাংলাদেশ সফরে এসেছে ভারতের মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় আমেরিকার ড্রাম্পের বিশেষ দূত গোর। তার দুই দিনের সফরসূচি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত করা হয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
উন্নয়নের জোঁক!! দেশজুড়ে ফ্লাইওভার, মেট্রোরেল, বিদ্যুৎ প্রকল্প, আবহাওয়া ও পানিবায়ু প্রকল্প ইত্যাদি নামে যত প্রকল্প হচ্ছে এগুলোই একেকটি ‘উন্নয়নের জোঁক’।
এসব উন্নয়নের ভুয়া প্রকল্প দেখিয়েই বাড়ানো হয় দেশের জনগণের নিত্য প্রয়োজনীয় সবকিছুর দাম। কিন্তু প্রশ্ন হলো- উন্নয়ন হলে তো দাম কমার কথা, কিন্তু বাড়ে কেন? কারন কথিত এসব উন্নয়নের হিসাব-নিকাশে রয়েছে নানারকম ছলছাতুরী ও প্রতারণা।
ভুয়া উন্নয়ন পরিসংখ্যান তৈরি ও ঋণের লোভনীয় ফাঁদ এগুলোর পুরোটাই একটি বিশেষ আর্ন্তজাতিক অমুসলিম-বিধর্মী চক্রের কাজ। এসব কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ‘দ্বীন ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র ‘ইসলাম’ই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ সবদিকেই শুধু অশান্তি আর অস্থিরতা। বিশেষ করে মহিলাঘটিত ফিতনায় জর্জরিত সমাজ। মহিলারা আজ সর্বত্র লাঞ্ছিত, অপমানিত ও অবহেলিত হচ্ছে এবং মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে। এর সবগুলোর পিছনে কারণ একটাই; তা হলো- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়া; অর্থাৎ অহরহ ছবি তোলা, শরয়ী পর্দার বিধান মেনে না বাকি অংশ পড়ুন...












