আজ আমেরিকার প্রকাশ্য গোলামী বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে তারা নীরব কেনো?
দেশ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধীরাও নিস্ক্রিয় থেকে কঠিন বৈষম্য করছে।
বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের যেহেতু সুযোগ আছে সেহেতু অবিলম্বে এই চুক্তি বাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সবার আগে বাংলাদেশ প্রমাণ করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
(২য় পর্ব)
যুক্তরাষ্ট্রের ‘অফিস অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ’ (ইউএসটিআর)-এর দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ তিন দিনের সফরে গত (৫ মে) ঢাকায় এসেছে। তার এই সফরের মূল লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাকি অংশ পড়ুন...
আসন্ন পবিত্র কুরবানির হাট নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যে আলোচনা শুরু হয়েছে, তা এখন আদালতের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। সিটি করপোরেশনের কথিত ইজারা না পাওয়া হাটগুলো একে একে বিলুপ্ত হওয়ার পথে।
‘অবৈধ হাট’ এই একটি শব্দের আড়ালে যে আয়োজনটি লুকিয়ে আছে, সেটি কেবল একটি বাজার নয়; এটি একটি দ্বীনি উৎসবের প্রাণ, মানুষের বিশ্বাসের অংশ, এবং বহু মানুষের জীবিকার একমাত্র ভরসা। অথচ আজ সেই আয়োজনটিকেই ধীরে ধীরে অপরাধের আসনে বসানো হচ্ছে। এর অভিঘাত এসে পড়েছে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মেরাদিয়া হাটেও, যা বহু বছর ধরে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মানুষের প্রয়োজন মিটিয়ে আসছে। অ বাকি অংশ পড়ুন...
দেশীয় বাজারে গরুর গোশতের উচ্চমূল্য, সরবরাহ সংকট ও পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে রেস্তোরাঁ ব্যবসা চাপে পড়েছে বলে দাবি করেছেন রেস্তোরাঁ মালিকরা। এ পরিস্থিতিতে বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিজেরাই বিদেশ থেকে গরুর গোশত আমদানির সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা। পাশাপাশি আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে কর-ভ্যাট কমানোসহ ১১ দফা দাবি তুলে ধরেছে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।
গত ১০ মে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।
অথচ একই দিনে অর্থাৎ (১০ ম বাকি অংশ পড়ুন...
দৈনিক আল ইহসানে বহুদিন ধরে লেখালেখি হচ্ছে- ‘আমদানি করা কয়লার চেয়ে দেশি কয়লা উত্তোলন করলে জ্বালানি খরচ কম হবে। দেশি কয়লা উত্তোলন করতে না পারা আমাদের জন্য বড় দুর্বলতা।’
বর্তমানে চালু করা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি নির্মাণাধীন কেন্দ্র উৎপাদনে এলে প্রতি বছর দেশে কয়লার চাহিদা দাঁড়াবে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মিলিয়ন টন। এর পুরো কয়লার জোগান দেশি খনি থেকে দেওয়া সম্ভব। এই কয়লা দিয়ে অন্তত ৪০ বছর চলবে।
কয়লা ওঠালে কোন ক্ষতি নেই বরং অনেক উপকার রয়েছে। বড়পুকুরিয়ায় ১৫ বছর ধরে কয়লা ওঠানো হচ্ছে। এর ফলে কী ওই এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে? গাছপালা নষ্ট হয়ে বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত গোপনীয় বাণিজ্য চুক্তির কিছু ধারা প্রকাশ্যে আসার পর উদ্বেগ ও প্রশ্ন ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে চুক্তির “কৃষিপ্রযুক্তিপণ্য”অংশে আর্টিকেল ১.৬, অ্যানেক্স ৩-এ বলা হয়েছে- চুক্তি স্বাক্ষরের ২৪ মাসের মধ্যে বাংলাদেশকে এমন নীতিমালা তৈরি করতে হবে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে নিরাপদ হিসেবে স্বীকৃত বায়োটেকনোলজি বা জৈবপ্রযুক্তিপণ্য বাংলাদেশে বিনা পরীক্ষা ও বাড়তি কোনো লেবেলিং ছাড়াই প্রবেশ করতে পারে। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে জিএমও (এবহবঃরপধষষু গড়ফরভরবফ ঙৎমধহরংস) খাদ্যপণ্য পাঠাবে, কিন্তু বাংলাদে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি চার স্থানে শূকরের গোশত খেতে নিষেধ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে বলেন- ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের প্রতি হারাম করেছেন মৃত জীবজন্তুর গোশত, প্রবাহমান রক্ত, শূকরের গোশত এবং সেইসব জন্তু যা মহান আল্লাহ পাক ব্যতীত অন্য কারো নামে জবেহ করা হয়। (পবিত্র সূরা আল-বাক্বারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৭৩)
‘তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত জন্তু, প্রবাহমান রক্ত, শূকরের গোশত, মহান আল্লাহ পাক ছাড়া অন্যের নামে যবেহকৃত পশু, আর শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত জন্তু, আঘাতে মৃত জন্তু, উপর থেকে পতনের ফ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ সরকারের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো দেশের সম্পদ রক্ষায় সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
গত ১০ মে ২০২৬ তারিখে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার শিরোনাম ছিল- “বিষমাখা আম-লিচুতে সয়লাব বাজার”। আরেকটি খবরে শিরোনাম করা হয়েছে- “কৃত্রিমভাবে পাকানো ‘বিষাক্ত’ আমে সয়লাব বাজার”। খবরে দাবি করা হয়েছে, আম নাকি কার্বাইড বা ইথোফেন দিয়ে পাকানো হচ্ছে, যা নাকি বিষাক্ত ও ক্যান্সারের জন্য দায়ী।
এসব সংবাদে যা বলা হচ্ছে, তা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পুরোপুরি ভুল। কারণ কার্বাইড বা ইথোফেন দিয়ে ফল পাকালে ফল কখনোই বিষাক্ত হয় না। কার্বাইড বা ইথোফেন কোনো বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বরUnited Nations International Children's Emergency Fund বা ‘জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক শিশু জরুরি তহবিল’ বা ইউনিসেফ তৈরী প্রতিষ্ঠা করে জাতিসংঘ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ এবং চীনের ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জরুরি খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা এবং পোশাক সরবরাহের উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠা করা হলেও পরবর্তীতে শিশুদের অধিকারের নামে বিভিন্ন দেশে পশ্চিমা অনৈতিকতা, অপসংস্কৃতি চালুর প্রকল্প বাস্তবায়নের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।
এটি শিশুদের মধ্যে দ্বীনি মূল্যবোধ-রীতিনীতি মেনে না চলা, সামাজিক কাঠামো ও পারিবারিক শৃঙ্খলা উপেক্ষা করা, দেশীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ বাকি অংশ পড়ুন...
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০" পুনর্বহাল হলে কি হবে?
আদালত রায়টি বলবৎ করলে এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রীয় সংকট তৈরী হবে।
১) পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০ পুণঃবহাল হলে এ অঞ্চলে সরকার ও বাঙালিদের ভূমি অধিকার খর্ব হবে।
২) পার্বত্য অঞ্চলের নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যক্রমের উপর প্রভাব ফেলবে। এছাড়াও উপজাতিরা সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের দাবি আরো জোড়ালো করবে।
৩) ১৯০০ সালের শাসনবিধির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব ধরনের ভূমির মালিক হবে উপজাতিরা। এই আইনের ক্ষমতাবলে হেডম্যান, কার্বারী ও সার্কেল চীফরা বাকি অংশ পড়ুন...
ভারত বাংলাদেশ চুক্তিকে তারা গোলামীর চুক্তি বলে কঠিন আওয়াজ তুলেছিলো?
আজ আমেরিকার প্রকাশ্য গোলামী বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে তারা নীরব কেনো?
দেশ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধীরাও বৈষম্য করছে। (১ম পর্ব)
জামাত সাধারণ সমর্থকও যে আয়াত শরীফের নামে প্রথমেই সম্পৃক্ত হয় তা হলো: “তোমার সৎ কাজের আদেশ করবে ও অসৎ কাজের নিষেধ করবে”। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩/১১০)
তথাকথিত জামাতের শিবিরের কর্মী, রোকন, সদস্য থেকে নেতা এই আয়াত শরীফ কতবার আওড়িয়েছে, আওড়ায়। তথাকথিত জামাতের আমীর নিজেও কতবার উচ্চারণ করেছে সে সংখ বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের ভেতরে যখন ভিন্ন কোনো প্রশাসনিক বিধিমালা বা সমান্তরাল শাসনব্যবস্থা চালু থাকে, তখন সেই রাষ্ট্রের অখ-তা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া স্বাভাবিক। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই অসংগতির নাম ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০’ বা ‘সিএইচটি ম্যানুয়াল’। ব্রিটিশ শাসনামলে নিজেদের ডিভাইড অ্যান্ড রুল (ভাগ করো এবং শাসন করো) নীতি বাস্তবায়ন করতে তারা এই দুর্গম পাহাড়কে মূল ভূখ- থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার যে অবৈধ আইনি প্রাচীর তৈরি করেছিল, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও সেই ঔপনিবেশিক বোঝা বয়ে বেড়ানো কেবল আত্মঘাতীই নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার জ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের গভীর ও অগভীর সমুদ্রের তলদেশে রয়েছে মহামূল্যবান বিভিন্ন খনিজ সম্পদ। যার মধ্যে রয়েছে ইউরোনিয়াম ও থোরিয়াম। আর অগভীর সমুদ্রের তলদেশে রয়েছে, বিপুল পরিমাণ ‘ক্লে’; যা সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল। এছাড়া বঙ্গোপসাগরের ১৩টি স্থানে ভারী খনিজ বালু পাওয়া গেছে। এ বালু ইলমেনাইট, গার্নেট, সিলিমানাইট, জিরকন, রুটাইল ও ম্যাগনেটাইট সমৃদ্ধ। বাংলাদেশ ও জার্মানির যৌথ জরিপে সাগরের ৮০ থেকে ১১০ মিটার গভীরতায় এই মূল্যবান সম্পদের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গভীর ও অগভীর সমুদ্রের তলদেশের এইসব খনিজ সম্পদের সন্ধান বাংলাদেশের জন্য অত বাকি অংশ পড়ুন...












