মন্তব্য কলাম
সন্ত্রাসী আম্রিকা যুদ্ধের নামে বাঁচতে চায়। ভূয়া অস্ত্র বেঁচে টাকা লুট করতে চায় ভূয়া আম্রিকানরা মনে করে আম্রিকা যুদ্ধে সেরা অথচ মেক্সিকো, স্পেন, জার্মানসহ কয়েকটি কাফের রাষ্ট্র ছাড়া কানাডা ভিয়েতনামসহ অনেক কাফের রাষ্ট্রের কাছেও তারা শোচনীয়ভাবে হেরেছে
, ০৬ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৬ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৬ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ১২ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
আর ইরাক, লিবিয়া সহ আফগানিস্তানে বারবার পরাজয়ের পর এবার তারা
ইরানের কাছে মহা লজ্জাজনকভাবে পর্যুদস্ত হচ্ছে
অথচ ইহুদী নিয়ন্ত্রিত বিশ্ব মিডিয়ায় এসবের প্রচারণা নেই
আম্রিকা যে পরাজিত নেড়ি কুত্তা-
এটা বিশ্বে জোরদার প্রচারণা চালাতে হবে ইনশাআল্লাহ
সম্প্রতি ইরানের ও আম্রিকার মধ্যকার যুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছে পুরো বিশ্ব। আম্রিকা সব দেশেই নাক গলাতে আসে। ফলে সেসব দেশের সঙ্গে সংঘাত অনিবার্য হয়ে পড়ে।
অনেক আম্রিকান মনে করে তাদের দেশ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং তাই তারা যুদ্ধে জেতে। তবে ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। যুক্তরাষ্ট্র যতটা যুদ্ধে জিতেছে, ততটাই আবার কিছু যুদ্ধে মুখ থুবড়ে পড়েছে। কখনও সরাসরি পরাজয়, কখনও কৌশলগত ব্যর্থতা, কখনও বা রাজনৈতিক ও মানবিক পরিণতির ভারে নুয়ে পড়েছে।
প্রথম বড় ধাক্কা আসে ১৮১২ সালের “ওয়ার অব ১৮১২”-এ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামে। এই যুদ্ধে তারা মূলত চেয়েছিল কানাডা দখল করতে। কিন্তু ব্রিটিশ ও তাদের কানাডিয়ান মিত্রদের সামনে শেষ পর্যন্ত আম্রিকান সেনারা ব্যর্থ হয়। যুদ্ধে সরাসরি পরাজয় না হলেও উদ্দেশ্য ব্যর্থ হওয়ায় ইতিহাসবিদরা একে "একটি অমীমাংসিত কিন্তু কৌশলগতভাবে হার" হিসেবে চিহ্নিত করেন। ব্রিটিশ সামরিক ইতিহাসবিদ জন পিকারিং বলেছিলেন, “যুদ্ধ হয়তো ড্র হয়েছিল কাগজে-কলমে, কিন্তু আম্রিকার রাজনৈতিক লক্ষ্য ব্যর্থ হওয়ায় এটি একটি পরোক্ষ পরাজয়।”
এরপর সবচেয়ে আলোচিত পরাজয় আসে ১৯৫০-এর দশকে কোরিয়ান যুদ্ধের (কড়ৎবধহ ডধৎ) সময়। উত্তর কোরিয়া ও চীন মিলে যখন দক্ষিণ কোরিয়াকে দখল করতে চায়, তখন আম্রিকা জাতিসংঘের ম্যান্ডেট নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার পাশে দাঁড়ায়। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হয় ১৯৫৩ সালে একটি অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে। উত্তর কোরিয়াকে পরাজিত করতে না পারায় এবং পুরো কোরিয়া উপদ্বীপকে একত্র করতে না পারায় যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধকেও একটি “অসমাপ্ত মিশন” হিসেবে ধরা হয়।
তবে সবচেয়ে বড় ও সরাসরি সামরিক ও রাজনৈতিক পরাজয় আসে ভিয়েতনাম যুদ্ধে। ১৯৫৫ সাল থেকে শুরু হয়ে প্রায় দুই দশক ধরে চলা এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র লাখ লাখ সৈন্য পাঠিয়েছিল দক্ষিণ ভিয়েতনামের সরকারকে বাঁচাতে। কিন্তু উত্তর ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট বাহিনী, বিশেষ করে ভিয়েতকং-এর গেরিলা যুদ্ধ কৌশলের সামনে মার্কিন সামরিক বাহিনী বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। যুদ্ধের শেষ দিকে আম্রিকান জনমতও যুদ্ধবিরোধী হয়ে ওঠে। অবশেষে ১৯৭৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনাম থেকে সেনা সরিয়ে নেয় এবং সাইগন পতনের মাধ্যমে উত্তর ভিয়েতনাম বিজয়ী হয়।
ভিয়েতনাম হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ, যার সাথে চীন, কম্বোডিয়া ও লাওস এবং থাইল্যান্ডের সীমান্ত রয়েছে। প্রথমে ফরাসিরা একে তাদের উপনিবেশ ‘ফ্রেঞ্চ ইন্দোচীন’ এর অংশ হিসেবে ঘোষণা দিলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি সাম্রাজ্যের স্বপ্ন নিয়ে অগ্রসর হওয়া জাপানের একটি উপনিবেশে পরিণত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হলে ফরাসিরা আবারও ভিয়েতনামে উপনিবেশ স্থাপনের চেষ্টা করে। কিন্তু ভিয়েতনামের সৈন্যরা যুদ্ধের মাধ্যমে হলেও নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর পরই ফরাসিদের সাথে ভিয়েতনামের মানুষের যুদ্ধ বেধে যায় এবং দ্বিতীয় ইতোমধ্যেই প্রচন্ড ক্ষয়ক্ষতির শিকার হওয়া ফরাসিরা যুদ্ধে পরাজিত হয়। ফরাসিদের পর ভিয়েতনাম একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
কিন্তু ভিয়েতনাম স্বাধীন হলেও এর কমিউনিস্টরা দেশটির পুঁজিবাদী মডেল নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল না। তারা চেয়েছিল নতুন এই দেশে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠান করতে হবে। চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপ্লব তাদেরকে কমিউনিস্ট রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় দারুণভাবে উজ্জীবিত করে। তারা তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য হাতে অস্ত্র তুলে নেয়। দক্ষিণ ভিয়েতনামের পুঁজিবাদী সরকার কমিউনিস্টদের দমন করতে ব্যর্থ হলে শুরু হয়ে যায় গৃহযুদ্ধ।
তৎকালীন স্নায়ুযুদ্ধের রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ভিয়েতনাম। উত্তর ভিয়েতনামের কমিউনিস্টদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিল চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন। অপরদিকে, দক্ষিণ ভিয়েতনামের পুঁজিবাদী সরকারকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিল আম্রিকা। আম্রিকা এই যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। প্রায় বিশ বছর ধরে চলা এই যুদ্ধে শেষপর্যন্ত আম্রিকার পূর্ণ সমর্থনপ্রাপ্ত দক্ষিণ ভিয়েতনাম পরাজিত হয়। পুরো ভিয়েতনামের একত্রীকরণ সম্পন্ন করে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠা করা হয়।
ভিয়েতনাম যুদ্ধে আম্রিকার পরাজয়কে বিংশ শতকে মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়গুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। দুই দশক ধরে চলা এই যুদ্ধে আম্রিকা বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করলেও শেষপর্যন্ত যুদ্ধে পরাজয় বরণ করে। শুধু অর্থই নয়, এই যুদ্ধে অসংখ্য মার্কিন সেনা ও সামরিক কর্মকর্তা প্রাণ হারায়। যারা যুদ্ধের ময়দান থেকে ফেরত গিয়েছিল, তাদের অনেকেই পরবর্তীতে আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেনি। যুদ্ধের ভয়াবহ মানসিক ধকলকে সঙ্গী করেই বাঁচতে হয়েছিল তাদেরকে। এছাড়াও গবেষণায় দেখা গিয়েছে- যুদ্ধফেরত সৈন্যদের মাঝে মাদকাসক্তি এবং বিবাহবিচ্ছেদের হার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একসময় মার্কিন গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ভিয়েতনাম যুদ্ধবিরোধী মনোভাব এত বেশি পরিমাণে মাথাচাড়া দেয় যে, আম্রিকা সরকার ভিয়েতনাম থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।
ভিয়েতনাম যুদ্ধে পরাজয়ের মানসিক ফলাফল ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। গণমাধ্যমের অব্যাহত প্রচারণায় মার্কিন জনগণের মধ্যে প্রবল যুদ্ধবিরোধী মনোভাব গড়ে ওঠে। তারা মনে করতে থাকে- হয়তো এই যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাবে ভবিষ্যতের কোনো যুদ্ধে হয়তো আম্রিকা আর জয়লাভ করতে পারবে না। মার্কিন সেনাবাহিনীর সামর্থ্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল এই যুদ্ধের পর। আম্রিকার নীতিনির্ধারকরা মার্কিন জনগণের মাঝে এমন মনোভাব গড়ে ওঠার ফলে ভয় পেয়ে যায়। তারা আশঙ্কা করতে থাকে, এত বেশি যুদ্ধবিরোধী মনোভাব অব্যাহত থাকলে হয়তো একসময় আম্রিকা কোনো যুদ্ধে জড়াতে পারবে না। আম্রিকার অনেক নামকরা রাজনীতিবিদও যুদ্ধবিরোধী মনোভাব দ্বারা প্রভাবিত হন। এই অবস্থাকে ‘দ্য ভিয়েতনাম সিনড্রোম’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। স্নায়ুযুদ্ধের সেই সময়ে সোভিয়েত সমর্থনপুষ্ট কমিউনিজম ঠেকাতে আম্রিকার স্বার্থে সামরিক হস্তক্ষেপ করার প্রয়োজনীয়তা ছিল। কিন্তু মার্কিন সমাজের এহেন মনোভাবে তারা বেকায়দায় পড়ে যায়।
ভিয়েতনাম যুদ্ধের রক্তাক্ত ছায়া এখনও আম্রিকার জাতীয় মননে জ্বলজ্বল করে। সেটি এতটাই গভীর যে, পরে যখন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে নামে তালেবানের বিরুদ্ধে, তখন বহু গবেষক সেটিকে “আরেকটি ভিয়েতনাম” বলে আখ্যায়িত করেছিলো।
আফগানিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২০০১ সালে, ৯/১১ হামলার পর। যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয়, তালেবান সরকারকে সরিয়ে আল-কায়েদাকে ধ্বংস করা হবে। শুরুতে তারা কাবুল দখল করলেও, পরে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হতে থাকে। ২০ বছর ধরে যুদ্ধ চলার পর ২০২১ সালে আম্রিকান সেনারা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যায়। তার কিছুদিন পরেই তালেবান আবারও ক্ষমতা দখল করে।
লন্ডনের কিংস কলেজের যুদ্ধবিশ্লেষক হুইটম্যান বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল যুদ্ধ করেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেশটি তালেবানের হাতেই ফিরেছে। এটা একটা পরিপূর্ণ কৌশলগত ও রাজনৈতিক পরাজয়।”
আফগানিস্তান যুদ্ধের আর্থিক খরচ হয়েছিল প্রায় ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং তাতে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ২৪০০ আম্রিকান সৈন্য। এই পরাজয় এতটাই প্রভাব ফেলেছিল যে, জো বাইডেন নিজেই বলেছে, “আমরা যদি আরও বিশ বছর থাকতাম, ফলাফল একই থাকত।”
ইরাক যুদ্ধও অনেকটা প্রশ্নবিদ্ধ জয় বা পরাজয়ের মাঝামাঝি পড়ে। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইরাক আক্রমণ করে, দাবি করে যে সাদ্দাম হোসেনের হাতে রয়েছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র (WMD)। কিন্তু পরে প্রমাণ মেলে, এমন কোনো অস্ত্র ছিল না। যুদ্ধ চলাকালীন সাদ্দাম সরকার উৎখাত হলেও দেশটিতে বিদ্রোহ, গৃহযুদ্ধ, এবং ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর উত্থান ঘটে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা নীতির বিশ্লেষক হোয়াইট বলে, “যদি একটি যুদ্ধের ফলাফল হয় আরও বিশৃঙ্খলা, আরও সন্ত্রাস, তাহলে আপনি বলতে পারবেন না যে তা একটি সফল সামরিক অভিযান।” তিনি আরও বলেন, “ইরাক যুদ্ধ মূলত এক প্রচ- ব্যয়বহুল ভুল সিদ্ধান্ত, যার মূল্য এখনো দিচ্ছে আম্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্য।”
এর বাইরেও আম্রিকা সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করেছে অনেক দেশে-লিবিয়া, সোমালিয়া, হাইতি, সিরিয়া, ইয়েমেন ইত্যাদি। কিন্তু এসব জায়গায় তারা খুব একটা সাফল্য পায়নি। বরং কোথাও অস্থিরতা বেড়েছে, কোথাও বিদ্রোহ বেড়েছে।
একটি যুদ্ধ সরাসরি হারলেই কেবল সেটিকে পরাজয় বলা যায় না। আজকের দিনে ‘পরাজয়’ শব্দটি বিশ্লেষণ করতে হয় রাজনৈতিক ও কৌশলগত ফলাফলের আলোকে। যুদ্ধ শেষে যদি দেশটি তার মূল লক্ষ্য অর্জন করতে না পারে, যদি সেখানে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা না আসে, তাহলে সেটি নিঃসন্দেহে ব্যর্থতা।
ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক “সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ”-এর গবেষক জেমস লিন্ডসে বলে, “আম্রিকার একমাত্র সমস্যা তার সামরিক শক্তি নয়, বরং কীভাবে সেই শক্তিকে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়-এটাই মূল প্রশ্ন। ভুল সময়ে ভুল জায়গায় যাওয়া এবং বাস্তবতা বিবেচনা না করে রাজনৈতিক হঠকারিতা-এগুলোই সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা ডেকে এনেছে।”
আজকে দাঁড়িয়ে দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রায় এক ডজন বড় বা মাঝারি যুদ্ধ বা সামরিক অভিযানে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পরাজয় স্বীকার করেছে। ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান, ইরাক-এই তিনটি যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতার প্রতীক। এসব যুদ্ধ শুধু প্রাণহানি নয়, কোটি কোটি ডলার ক্ষতি করেছে, বিশ্বজুড়ে আম্রিকার ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করেছে এবং ভবিষ্যতের যুদ্ধনীতি নির্ধারণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি। ইরানের (Iran) উপর হামলা শুরু করেছিল সন্ত্রাসী আম্রিকা ও সন্ত্রাসী ইজরায়েল। পাল্টা জবাব দিচ্ছে তেহরানও। এই সংঘর্ষের প্রায় এক মাস হতে চলেছে। তার পরেও শান্ত হয়নি পরিস্থিতি। এসবের মাঝে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormyu) নিয়ে ৪৮ ঘণ্টার আলিমেটাম দিয়েছিলো ড্রাম। কিন্তু হঠাৎ করেই নিজের সিদ্ধান্ত বদল করলো সে। আপাতত সে পাঁচ দিনের জন্য এই যুদ্ধ বন্ধ করার কথা ঘোষণা করেছে। মূলত: পরাজয়ের পথে হাটলো সে। যেমনটা ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানে (Afganistan) হয়েছিল আম্রিকার সঙ্গে।
এবার ইরানের বিরুদ্ধে আপাতত যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা প্রসঙ্গে অনেকেই মনে করছেন, মূলত এই যুদ্ধ পুরোই হেরে গিয়েছে আম্রিকা। ড্রাম সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়ায় বলেছে, “আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গত দুদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের চূড়ান্ত সমাধানের লক্ষ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনা গোটা সপ্তাহ জুড়ে অব্যাহত থাকবে। এই আলোচনার পরেই যুদ্ধ বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছি, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং জ্বালানি পরিকাঠামোর উপর কোনও ধরনের সামরিক হামলা আগামী পাঁচ দিন করা হবে না। এই স্থগিতাদেশ নির্ভর করছে আগামীদিনের আলোচনার উপরে।” এখানে আলোচনার কথা বললেও, ড্রাম যে বর্তমান পরিস্থিতিতে চাপে পড়েই পিছু হটেছে তা পুরো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
তবে কি সাবেক সরকারের অসমাপ্ত ষড়যন্ত্রের সমাপনীর পথেই হাঁটতে চাইছে বর্তমান সরকার?
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুসলিম দেশগুলোর উচিৎ মক্কা চুক্তিকে আরো বিশুদ্ধ ও বিস্তৃত করা যাতে ভারতের গোস্বা এত বাড়ে যে তাদের গোস্বার অনলেই তারা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












