অতীতের মত উচ্চাভিলাসী বাজেট দিয়ে রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্যে ভ্যাট-ট্যাক্স বাড়ালে জনজীবন আরো বিপর্যস্থ হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাজেটের পরিবর্তে মানব সম্পদ উন্নয়ন ও জনসেবায় ব্যায় বাড়াতে হবে।
, ১৮ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৭ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৭ মে, ২০২৬ খ্রি:, ২৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সম্পাদকীয়
আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন হবে। আগামী বাজেটের আকার বাড়িয়ে ৯ লাখ কোটি টাকার বেশি করার চিন্তা করা হচ্ছে-এমন তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
দৈনিক আল ইহসানের অনুসন্ধানে জানা গেছে, অর্থমন্ত্রণালয়ের বৈশ্বিক সংকট ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকার পরও অর্থমন্ত্রীর কাছে এই উচ্চাভিলাষী বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে।
অতীত এবং নিকট অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, বাজেটের একটি ধারাবাহিক ব্যর্থতা হলো এটি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না। বড় সংখ্যার বাজেট দেখানোর একটা প্রবণতা বরাবরই কাজ করে, যেন সেটা না করলে জনগণকে আশ্বস্ত করা যাবে না। অথচ সাধারণ মানুষের কাছে বাজেটের আকার কোনো বিষয় নয়। তারা দেখতে চায় আয় বাড়ছে কিনা, মজুরি বাড়ছে কিনা, মূল্যস্ফীতির চাপ কতটুকু কমছে, বিভিন্ন খাতে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আছে কিনা ইত্যাদি।
চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরের বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। যেখানে চলতি অর্থবছরে সরকারের মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আদায়ের লক্ষ্য ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা। যা ইতিমধ্যে লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হয়নি।
আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আয় এক লাখ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়েছে। বাড়তি এই রাজস্বের বড় অংশ ভ্যাট থেকে আদায় করা হবে। সুতরাং দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি পাবে। ঘাটতি বাজেটের বড় অংশ দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে পূরণ করা হবে।
ঋণ পরিশোধ, সরকার পরিচালন ব্যয় এবং উন্নয়ন খাত-এ তিনটিই আমাদের বাজেট ব্যয়ের বড় অংশ দখল করে থাকে। ঋণ পরিশোধের বোঝা প্রতি বছরই ভারী হচ্ছে।
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি, কোথায় আসলে ব্যয় করা দরকার, সেটা বোঝা সবচেয়ে জরুরি। উদাহরণত- প্রাথমিক স্বাস্থ্য খাতে ৫০ শতাংশ পদ এখনো শূন্য।
সরকারি চাকরিতে পাঁচ লাখ পর্যন্ত পদ খালি বলে জানিয়েছে জণ প্রশাসনমন্ত্রী। দেশে উচ্চ বেকারত্বের মধ্যেও খালি পদ থাকে কিভাবে? এখানে বাজেট বরাদ্দ অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ।
রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন পরিচালনার নিয়মকানুন এতটাই জটিল যে নিয়ম মেনে চলতে গেলে কাজ এগোয় না। পুরো প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হয়ে পড়ে। ধামরাইয়ে হেলথ সেন্টার ভবন দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু জনবল সংকটে সেটি সম্পূর্ণ অব্যবহৃত। একই চিত্র সারা দেশের অনেক স্থাপনার ক্ষেত্রে সত্য।
তৃণমূলে জনবল নেই, শূন্যপদ পূরণ করা হচ্ছে না অথচ এসব জায়গায় যথাযথ ব্যয় নেই। কিন্তু অবকাঠামো নির্মাণের প্রস্তাব এলেই টাকা বরাদ্দ হয়।
পরিচালন ব্যয় কমানো মুখ্য বিষয় নয়, মুখ্য হলো জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যয়। অনেক ব্যয় আছে যা একেবারেই অপ্রয়োজনীয়, আবার অনেক অপরিহার্য ব্যয় হচ্ছেই না। এ বৈপরীত্য থেকে বেরিয়ে আসাটাই এখন সবচেয়ে জরুরি।
অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ভয়াবহতা মাথায় রেখে আগামী বাজেট হওয়া উচিত অস্তিত্ব রক্ষার বাজেট। যদি যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা তৈরি হতে পারে। সমগ্র বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে পারে। বাংলাদেশও এ থেকে রেহাই পাবে বলে মনে হয় না। বাজেট প্রণয়নের সময় এসব বিষয় বিবেচনায় রেখেই পরিকল্পনা করা উচিত বলে আমরা মনে করি।
রাজনৈতিক বাহবা কুড়ানোর বিলাসী লক্ষ্য থাকা উচিত হবে না। উচ্চাভিলাষী থাকলে কখনই ভালো ফল পাওয়া যায় না। এ কারণে আগামী বাজেট হতে হবে জনগণের প্রয়োজন পূরণের বাজেট। সবার মৌলিক চাহিদা পূরণের বাজেট। যাতে জনসাধারণ স্বস্তিতে থাকে ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাধারণ প্রসব প্রক্রিয়ায় সরকারের শুভবুদ্ধি তখন শুদ্ধ হবে যখন সিজার সিন্ডিকেটকে সরকার শক্ত হাতে নির্মূল করতে পারবে
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৬০ হাজার কোটিতেও ঢুকছে বন্যার পানি বছরে ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের রফতানির সম্ভাবনার সব বাধা দূর করে সোনালী সমৃদ্ধি এনে সর্বনাশা ঋণের খপ্পর থেকে দেশকে বাচাতে সরকারকে সক্রিয় হতে হবে।
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সব সরকারের আমলেই নেয়া পানিবদ্ধতা নিরসনের সব টাকা পানিতেই যায়।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার হালাল পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ সাড়া দিতে হবে
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চায়ের কাঙ্খিত উৎপাদন বৃদ্ধিতে অন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সমতলেও চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের মালিকানা থেকে অন্যায্যভাবে সেবককে বাড়তি অর্থ দিচ্ছে। বেতন-ভাতা বাড়াচ্ছে ১৪০%। এই বৈষম্য ও অন্যায় সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বিরোধী।
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু শাবাবী আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক তথা পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং মুজাদ্দিদে যামান সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যর্থ ও.আই.সির বিপরীতে মুসলিম দেশগুলো নিয়ে সামরিক জোট গঠনের জন্য ইরানের আহবানকে গুরুত্বের সাথে সাড়া দিতে হবে।
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মসজিদুল আকসাকে পুরো মুসলমান শূন্য করতে চাচ্ছে ইহুদী-খ্রীষ্টানরা
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নীরব এই মহামারী নিরসনে সরকারের নিস্ক্রিয় ভূমিকা বরদাশতযোগ্য নয়।
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












