মন্তব্য কলাম
বাংলাদেশের বন্দর বিদেশিদের হাতে নয়, জাতির হাতেই থাক
, ১১ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ৩১ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ৩১ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ১৭ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
একটি রাষ্ট্রের বন্দর কেবল জাহাজ ভিড়ার স্থান নয়; এটি সেই রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্পন্দন, কৌশলগত সুরক্ষা, বাণিজ্যিক প্রবাহ এবং সার্বভৌম সিদ্ধান্তক্ষমতার এক কেন্দ্রীয় ভিত্তি। যে দেশ তার বন্দর নিয়ন্ত্রণ করে, সে দেশ তার আমদানি-রপ্তানি, আঞ্চলিক সংযোগ, শিল্পোন্নয়ন এবং জাতীয় নিরাপত্তাসহ অর্থনীতির ওপর নিজস্ব কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পারে। আর যে দেশ তার বন্দর ব্যবস্থাপনা বিদেশি শক্তি, বিদেশি করপোরেশন বা বহুজাতিক গোষ্ঠীর হাতে সমর্পণ করে, সে মূলত নিজের ঘরের দরজার চাবিই অন্যের হাতে তুলে দেয়।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই প্রশ্ন আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমাদের ভৌগোলিক অবস্থান এমন এক জায়গায়, যেখানে সমুদ্রপথ, আঞ্চলিক বাণিজ্য, কৌশলগত যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক শক্তির হিসাব একে অন্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। বঙ্গোপসাগরকে কেন্দ্র করে বিশে^র বহু প্রভাবশালী শক্তি অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে সক্রিয়। এমন বাস্তবতায় বাংলাদেশের কোনো সমুদ্রবন্দর, নদীবন্দর বা স্থলবন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া নিছক ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নয়; এটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা, স্বাধীনতা এবং অর্থনৈতিক দিকনির্দেশনার সঙ্গে সম্পর্কিত এক গভীর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।
অনেকেই যুক্তি দেন, বিদেশি অপারেটর এলে বন্দর হবে আধুনিক, সেবা হবে দ্রুত, দুর্নীতি কমবে এবং সরকারি অদক্ষতার বদলে পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে। এই যুক্তির বাহ্যিক আকর্ষণ আছে, সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হলো- দুর্নীতি ও অদক্ষতার সমাধান কি জাতীয় সম্পদ বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া? রাষ্ট্র যদি নিজের সম্পদ সৎভাবে পরিচালনা করতে না পারে, তাহলে সমাধান কি নিজের সক্ষমতা গড়ে তোলা, নাকি সেই সম্পদ স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদে বাইরের হাতে ছেড়ে দেওয়া? বাস্তবতা হলো, বিদেশি পরিচালনা কখনোই জাদুকরী সমাধান নয়; বরং এটি বহু ক্ষেত্রে এক ধরণের আরামপ্রিয় রাজনৈতিক শর্টকাট, যার ফলে কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজনীয়তাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়।
বন্দর হচ্ছে অর্থনীতির গলদ্বার। দেশের আমদানি-রপ্তানি, শিল্প কারখানার কাঁচামাল, খাদ্যশস্য, জ্বালানি, যন্ত্রপাতি, এমনকি রাষ্ট্রীয় জরুরি সরবরাহের সিংহভাগ এই বন্দরনির্ভর। অর্থাৎ বন্দর নিয়ন্ত্রণ মানে কেবল ক্রেন, জেটি ও কন্টেইনার নিয়ন্ত্রণ নয়; এর অর্থ পুরো অর্থনৈতিক প্রবাহের ওপর প্রভাব বিস্তার। একটি বিদেশি সংস্থা যখন বন্দরের ব্যবস্থাপনা হাতে পায়, তখন সে শুধু অপারেশন চালায় না- সে কার্যত বাণিজ্যিক অগ্রাধিকার, শুল্ক-সংশ্লিষ্ট প্রভাব, সেবার গতি, পণ্য চলাচলের ছন্দ এবং নানা আনুষঙ্গিক সিদ্ধান্তে গভীর ভূমিকা রাখতে শুরু করে। আন্তর্জাতিক কোনো উত্তেজনা, কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব বা অর্থনৈতিক চাপের মুহূর্তে এই বাস্তবতা একটি দেশের বিরুদ্ধে নীরব চাপের যন্ত্রে পরিণত হতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য এই ঝুঁকি অবহেলা করার মতো নয়। কারণ এখানে প্রশ্ন কেবল “কে ভালো ম্যানেজ করবে” -এই সরল রেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। প্রশ্ন হলো- কে কাকে জবাবদিহি করবে? একটি জাতীয় বন্দর কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত দেশের জনগণ, আইন, সংসদ, আদালত, নিরীক্ষা ব্যবস্থা ও গণমাধ্যমের কাছে কমবেশি জবাবদিহির আওতায় থাকে। কিন্তু একটি বিদেশি অপারেটরের মূল জবাবদিহি থাকে তার করপোরেট বোর্ড, বিনিয়োগকারী এবং মুনাফার প্রতি। তারা বাংলাদেশকে ভালোবেসে বন্দর নেবে না; তারা নেবে ব্যবসায়িক লাভ তথা ভূকৌশলগত দখলদারিত্বের জন্য। এটাই স্বাভাবিক। ফলে জাতীয় নিরাপত্তা, স্থানীয় কর্মসংস্থান, শ্রমিক অধিকার, স্থানীয় অর্থনীতির ভারসাম্য বা দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থ তাদের প্রথম অগ্রাধিকার হবে- এটা সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং কাল্পনিকও বটে।
অর্থনৈতিক যুক্তিতেও বিদেশি বন্দরের দীর্ঘমেয়াদি লিজ বা ব্যবস্থাপনা প্রশ্নবিদ্ধ। সাধারণত এ ধরণের চুক্তি ৩০ বছর, ৫০ বছর, এমনকি ৯৯ বছর পর্যন্ত গড়ায়। এই দীর্ঘ সময়জুড়ে বন্দরের বিশাল আয়, সেবা মাশুল, অপারেশনাল লাভ এবং লজিস্টিক সুবিধার বড় অংশ বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। যে অর্থ দিয়ে দেশ নিজস্ব অবকাঠামো উন্নত করতে পারত, স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় বাড়াতে পারত, শিক্ষা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে পারত, শ্রমিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারত-সেই সম্ভাব্য জাতীয় আয় বহু বছর ধরে বাইরের দিকে প্রবাহিত হয়। শুরুতে কিছু বিনিয়োগ, কিছু যন্ত্রপাতি, কিছু প্রযুক্তিগত সুবিধা দেখিয়ে যে চুক্তি আকর্ষণীয় মনে হয়, তা দীর্ঘমেয়াদে প্রায়ই জাতীয় স্বার্থের তুলনায় তথা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিপরীতে করপোরেট মুনাফাকেই বেশি সুরক্ষিত করে।
আরও বড় সমস্যা হলো, বিদেশি অপারেটর এলেই দুর্নীতি দূর হয়- এমন ধারণার কোনো অব্যর্থ ভিত্তি নেই। দুর্নীতি তখন কেবল রূপ বদলায়। আগে যদি অপারেশনে অনিয়ম হতো, পরে তা সরে যেতে পারে চুক্তি প্রণয়ন, কমিশন বাণিজ্য, নিয়ন্ত্রক দুর্বলতা, তথ্যগোপন, প্রভাববিস্তার এবং নীতিগত পক্ষপাতের দিকে। অর্থাৎ বিদেশি কোম্পানি এনে সমস্যার সমাধান না করে, অনেক সময় সমস্যাকে আরও অদৃশ্য ও জটিল এবং ব্যাপক করে তোলা হয়। জনগণ তখন অপারেশনের ভেতরের বাস্তবতা জানারও সুযোগ হারায়, কারণ বাণিজ্যিক গোপনীয়তার আড়ালে অনেক কিছু ঢাকা পড়ে যায়।
তাই মূল প্রশ্নটি বিদেশি বনাম দেশি নয়; মূল প্রশ্ন হলো- সুশাসন বনাম কুশাসন। একটি জাতীয় বন্দর যদি স্বচ্ছতা, দক্ষতা, মেধাভিত্তিক নিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তি, স্বাধীন নিরীক্ষা ও দুর্নীতিবিরোধী কড়া ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়, তবে সেটি আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিতে সম্পূর্ণ সক্ষম। পৃথিবীর বহু দেশে রাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত বা জাতীয় মালিকানাধীন বন্দর অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। কাজেই “বিদেশি মানেই দক্ষ, দেশি মানেই ব্যর্থ” -এই ধারণা আত্মবিশ^াসহীনতার পরিচয়, এবং অনেক সময় ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি করা একটি মানসিক ফাঁদ।
বাংলাদেশের উচিত হবে, নিজস্ব বন্দর ব্যবস্থাপনাকে একটি বিশেষায়িত পেশাগত খাত হিসেবে গড়ে তোলা। দলীয় অনুগতদের পুরস্কার হিসেবে বন্দর প্রশাসনে বসানো যাবে না। দরকার উন্নত মানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পোর্ট ম্যানেজার, দক্ষ প্রকৌশলী, ডিজিটাল অপারেশন সিস্টেম, উন্মুক্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া, আর্থিক বিবরণীর বাধ্যতামূলক প্রকাশ, স্বাধীন নিরীক্ষা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান শাস্তিমূলক ব্যবস্থা। অর্থাৎ বন্দরের সমস্যা থাকলে বন্দরকে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া নয়, বরং প্রতিষ্ঠানকে সুপরিকল্পিত মেরামত ও পরিচালনাই হবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
প্রয়োজনে আধুনিক প্রযুক্তি নেওয়া যেতে পারে, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ, মালিকানা, নিরাপত্তা তদারকি এবং নীতিগত কর্তৃত্ব অবশ্যই বাংলাদেশের হাতেই থাকতে হবে। কারণ বন্দর কোনো সাধারণ ব্যবসায়িক খাত নয়; এটি জাতীয় নিরাপত্তার অবকাঠামো, অর্থনৈতিক প্রবেশদ্বার এবং সার্বভৌম মর্যাদার প্রতীক।
আজ যদি আমরা উন্নয়নের নামে, দক্ষতার নামে, কিংবা সংস্কারের অক্ষমতাকে ঢাকার অজুহাতে দেশের বন্দর বিদেশিদের হাতে সমর্পণ করি, তবে কাল সেই সিদ্ধান্তের মূল্য জাতিকে বহন করতে হবে অর্থনৈতিক নির্ভরতা, কৌশলগত দুর্বলতা এবং নীতিগত সীমাবদ্ধতার মাধ্যমে, সর্বোপরি সার্বভৌমত্বের পতনের চড়া মূল্যে। যে জাতি নিজের বন্দর নিজে চালাতে পারে না, সে জাতি ধীরে ধীরে নিজের অর্থণীতি ও নিরাপত্তার চাবিও হাতছাড়া করে ফেলে। স্মর্তব্য, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কিন্তু প্রথমে বন্দরেরই দখল নিয়েছিলো, তারপর সমগ্র জাতির গলদেশে প্রায় দুইশত বছরের শোষণের শৃঙ্খল পড়িয়ে দিয়েছিলো জগৎশেঠদের কারসাজিতে।
বাংলাদেশের সামনে তাই পথ একটাই- নিজেদের দুর্বলতা দূর করে নিজেদের প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা। বিদেশি আধিপত্য নয়, দরকার দেশীয় সক্ষমতা; বাইরের নিয়ন্ত্রণ নয়, দরকার নিজের ওপর আস্থা; দীর্ঘমেয়াদি ইজারা নয়, দরকার জাতীয় স্বার্থের সুরক্ষা। বাংলাদেশের যেকোনো বন্দর বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার চিন্তা তাই শুধু ভুল নীতি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রাপ্য কৌশলগত সম্পদকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়ার শামিল।
জাতীয় সম্পদ রক্ষা করার প্রশ্নে আপস চলে না। বন্দর বাংলাদেশের, এর নিয়ন্ত্রণও বাংলাদেশকেই রাখতে হবে। উন্নয়নের প্রকৃত অর্থ নিজের শক্তি তৈরি করা-নিজের প্রবেশদ্বার অন্যের হাতে তুলে দেওয়া নয়।
-মুহম্মদ কুররাতুল আইন হায়দার।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক কৌশল বাড়ানো উচিত
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিএনপির নেতা কর্মী বর্তমান উপদেষ্টা মন্ত্রীরা-এমপিরাও, সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১২৬ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আম্রিকা, চীন, ভারত, রাশিয়া সবার নজর বাংলাদেশের দিকে।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে চলছে শোষণ প্রকল্প।
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর দ্বীনদার ব্যক্তির জন্য দ্বীন ইসলামই সবচেয়ে বড়
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইহুদীরাই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট বানায়, নামায় তথা আমেরিকা চালায়।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ছবি’ ও ‘বেপর্দা’- বর্তমানে সমস্ত পাপ কাজের মূল উৎস
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তেল আমদানিতে আমাদের যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয়, এতে আমাদের রিজার্ভে চাপ পড়ে। সমস্যা কৃষকের সক্ষমতায় নয়, বরং নীতিগত অগ্রাধিকার ও বিনিয়োগের ঘাটতিতে।
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে ভারতীয় খপ্পরে বাংলাদেশ!
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












