আর ইরাক, লিবিয়া সহ আফগানিস্তানে বারবার পরাজয়ের পর এবার তারা
ইরানের কাছে মহা লজ্জাজনকভাবে পর্যুদস্ত হচ্ছে
অথচ ইহুদী নিয়ন্ত্রিত বিশ্ব মিডিয়ায় এসবের প্রচারণা নেই
আম্রিকা যে পরাজিত নেড়ি কুত্তা-
এটা বিশ্বে জোরদার প্রচারণা চালাতে হবে ইনশাআল্লাহ
সম্প্রতি ইরানের ও আম্রিকার মধ্যকার যুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছে পুরো বিশ্ব। আম্রিকা সব দেশেই নাক গলাতে আসে। ফলে সেসব দেশের সঙ্গে সংঘাত অনিবার্য হয়ে পড়ে।
অনেক আম্রিকান মনে করে তাদের দেশ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং তাই তারা যুদ্ধে জেতে। তবে ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। যুক্তরাষ্ট্র যতটা যুদ্ধে বাকি অংশ পড়ুন...
ফলে ইরান যুদ্ধে কার্যত কৌশলের দিক দিয়ে ইরান এগিয়ে রয়েছে।
ইরানের রণকৌশল মূলত বহুমুখী এবং আধুনিক 'প্রতিরক্ষামূলক' (Defensive) কৌশলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
যা সরাসরি যুদ্ধের চেয়ে শত্রুকে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয় ও চাপের মুখে রাখাকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়ে এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত করে কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে কঠিন শিক্ষা দিচ্ছে।
পেট্রো-ডলারের আধিপত্য ক্ষুন্ন হলে ভূ-রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যও ক্ষুন্ন হবে। আর ইরান ঠিক এই জায়গাটির গুরুত্ব ভেবেই তাদের যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছে।
মা বাকি অংশ পড়ুন...
নাটক-সিনেমার মাধ্যমে মুসলিম প্রজন্মকে দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
সিনেমার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিস্তার ঘটছে ইসলামোফোবিয়ার।
পরকালের কথা স্মরণ করে মুসলিম উম্মাহকে বিধর্মীদের এসব ষড়যন্ত্র থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জন ফষ্টার ডালেস বলেছিলো, ‘কোন জাতিকে ধ্বংস করতে হ’লে, আগে সে জাতির সংষ্কৃতিকে ধ্বংস করে দাও’। বর্তমানে বাংলাদেশে যেভাবে অপসংষ্কৃতির চর্চা শুরু
হয়েছে, তাতে মার্কিনীদের সে এজেন্ডাই বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এইডস (অওউঝ) রোগে আক্রান্ত হলে যেমন কোন রোগীর বাঁচার আশা থাকে না, তেমনি অপস বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে বছরে প্রায় ৭০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করতে হচ্ছে। এতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৬০-৬৫ হাজার কোটি টাকা।
দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে জোর দেওয়া বিশেষ জরুরী
(২য় পর্ব)
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সঙ্গে অর্থনীতির নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। এ খাতকে সেবা খাত হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে দেশের সাধারণ মানুষ লাভবান হয়, তাদের জীবনমান বাড়ে, অর্থনীতিও সচল থাকে। কিন্তু বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে জনবিমুখ ও আমদানিনির্ভর জ্বালানি নীতির কারণে এখন ঝুঁকিতে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত। জ্বালানি নিশ্চিত না করেই একের পর এক বিদ্যুৎ কেন্দ্ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে বছরে প্রায় ৭০ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করতে হচ্ছে। এতে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৬০-৬৫ হাজার কোটি টাকা।
দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে জোর দেওয়া বিশেষ জরুরী
(১ম পর্ব)
ইরান-মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধে এই তিন দেশ যুদ্ধ করলেও আক্রান্ত হয়েছে কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, লেবাননও। এসব দেশের তেল শোধনাগারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোতে একের পর এক হামলা হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জ্বালানি তেল-গ্যাসের উৎস।
বন্ধ রয়েছে দেশগুলোর স্বাভাবিক কাজকর্ম। ব্যাহত হচ্ছে দেশে দেশে বিমান চলাচল। প্রবাসীরা কাজ বাকি অংশ পড়ুন...
ন্যাটোর ধারা ৫ এ বলা হয়েছে-
যদি ন্যাটোভুক্ত কোনো সদস্য দেশের উপর সশস্ত্র হামলা হয়, তবে সকল সদস্য দেশ এটিকে নিজেদের উপর হামলা হিসেবে গণ্য করবে এবং আক্রান্ত দেশকে সাহায্য করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, যার মধ্যে সশস্ত্র শক্তি প্রয়োগও অন্তর্ভুক্ত।
অথচ শক্তিশালী মুসলিম দেশগুলো ন্যাটোর বিপরীতে মহা অধিকতর সামরিক জোট কঠিন করে কাফির বিশ্বে নিজেদের শক্তিমত্তা সর্ম্পকে জানান দেয়না। নাউযুবিল্লাহ!
প্রসঙ্গত অধিকাংশ মুসলিম শাসকগুলো প্রবৃত্তির দাস সাম্রাজ্যবাদীদের ক্রীড়ানক।
কিছু মুসলিম শাসক মুসলিম বিশ্বের সামরিক জোটের কথা বলা শুরু বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইরানের জনগণকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আপনাদের মধ্যে যে নজিরবিহীন ঐক্য ও সংহতি তৈরি হয়েছে তা ধরে রাখুন এবং মার্কিন স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।
ইসনার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি পবিত্র কুরআনের এক মাহফিলে বক্তব্য দেয়ার সময় ইরানের জনগণের প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করে বলেন, মার্কিন নেতৃত্বে বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের জনগণের বিজয় অবশ্যম্ভাবী।
তিনি বলেন, আপনারা ইরানিরা মার্কিন স্বেচ্ছাচারিতার বিরু বাকি অংশ পড়ুন...
আতর ভেষজ উৎস থেকে উৎপাদিত সুগন্ধী। আতর শব্দটি ফারসি শব্দ ‘ইতির’ থেকে এসেছে যার অর্থ সুগন্ধী। বিভিন্ন গাছপালা এবং ফুলের নির্যাস থেকে বিভিন্ন তেলের সাথে মিশিয়ে আতর তৈরী করা হত। বর্তমানে আতর শিল্পেও এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
আতর শিল্পের মূল নিয়ামক হচ্ছে আগর। আগর গাছ থেকে তৈরি হয় মূল্যবান আতর। এক কেজি আগর তেলের মূল্য কয়েক লাখ টাকা। আতর শিল্পেও বাংলাদেশে সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। সিলেটের মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে আতর শিল্প। সেখানে আগর চাষের পাশাপাশি ২০০টির মতো ছোট-বড় কারখানা রয়েছে। ভারত, সিঙ্গ বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থাৎ গড়ে প্রতি দেড় দিনের কম সময়ে একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল।
২০২৫ সালে জারি হয়েছিল ৮০টি অধ্যাদেশ; অর্থাৎ গড়ে প্রতিটি অধ্যাদেশের জন্য সময় লেগেছিল সাড়ে ৪ দিনের মতো।
সঙ্গতকারণেই অন্তর্বর্তী সরকারের সব গরল অধ্যাদেশের মৃত্যুই কামনা করছে সচেতন মহল
প্রসঙ্গত এগুলো নতুন সংসদে পাস না হলে এমনিতেই মরে যাবে
জুলাই গণ-অভ্যত্থানে ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট আওয়ামী লীগের শাসনের পতনের তিনদিন পর গঠিত হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার।
এই সরকারের প্রতি সমর্থন দিয়েছিল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সে সময় সক্রিয় সব রাজনৈতিক দল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকের বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের স্যাম্পল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (এসআরএস) রিপোর্টে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে ভারতের জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান অনুপাতের মধ্যে কর্মক্ষম গোষ্ঠীর সংখ্যা হ্রাস পেয়ে বাড়ছে বয়স্কদের সংখ্যা। ০-১৪ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীদের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল ভারতীয় নারীদের মধ্যে প্রজননের হার কমেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, ০-১৪ বছর বয়সীদের হার ১৯৭১ সালে মোট জনসংখ্যার ৪১.২ শতাংশ ছিল। ১৯৮১ সালে ২০ বছরের মধ্যে সেটি কমে ৩৮.১ শতাংশে দাঁড়ায়। একইভাবে ১৯৯১-২০২৩ সালের বাকি অংশ পড়ুন...
ইরাক, লিবিয়ার মতই আমেরিকান লুটতরাজের আরেক ভূমি হতে চলছে নাইজেরিয়া।
খ্রিস্টান নিধনের নামে একের পর এক মুসলিম দেশ দখল হলে
কোটি কোটি মুসলিম শহীদের জন্য তো সবার আগে আমেরিকা দখলে
বিশ্ব মুসলিমের উদ্যমী হওয়া উচিত ইনশাআল্লাহ।
নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। এর পূর্ণ সরকারি নাম নাইজেরিয়া যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র। এর পশ্চিম সীমান্তে বেনিন, উত্তরে নাইজার বা নিজে, উত্তর-পূর্বে চাদ, পূর্বে ক্যামেরুন এবং দক্ষিণে আটলান্টিক মহাসাগর তথা গিনি উপসাগর।
এর আয়তন ৯,২৩,৭৬৮ বর্গকিলোমিট বাকি অংশ পড়ুন...
(৩য় পর্ব)
আমেরিকা (ইউ এস) এমন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে, যেটিকে রাশিয়া এবং চিনের বিরুদ্ধে এক নতুন ঠান্ডা লড়াই বলা যেতে পারে। এটিকে গণতন্ত্র এবং স্বৈরতন্ত্রের মধ্যে লড়াই বলে তুলে ধরার চেষ্টা বলে চালানো হলেও সাধারণ মানুষ এ কথা মানতে নারাজ। আমেরিকার এহেন অবস্থান গ্রহণের নেপথ্যে রয়েছে চিনা চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে নিজের বিশ্বব্যাপী প্রাধান্য বজায় রাখার আকাক্সক্ষা।
বর্তমান বিশ্বের নজরে মার্কিন বিপত্তিগুলি- প্রথমে ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং পরবর্তী কালে ইরাক এবং আফগানিস্তানে বিপর্যয়কর হস্তক্ষেপ- তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের অগ্রসর হওয়ার জায়গা বাকি অংশ পড়ুন...












