১৯৪৬ সালের ১১ ডিসেম্বরUnited Nations International Children's Emergency Fund বা ‘জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক শিশু জরুরি তহবিল’ বা ইউনিসেফ তৈরী প্রতিষ্ঠা করে জাতিসংঘ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ এবং চীনের ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জরুরি খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা এবং পোশাক সরবরাহের উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠা করা হলেও পরবর্তীতে শিশুদের অধিকারের নামে বিভিন্ন দেশে পশ্চিমা অনৈতিকতা, অপসংস্কৃতি চালুর প্রকল্প বাস্তবায়নের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।
এটি শিশুদের মধ্যে দ্বীনি মূল্যবোধ-রীতিনীতি মেনে না চলা, সামাজিক কাঠামো ও পারিবারিক শৃঙ্খলা উপেক্ষা করা, দেশীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ বাকি অংশ পড়ুন...
"পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০" পুনর্বহাল হলে কি হবে?
আদালত রায়টি বলবৎ করলে এর মারাত্মক প্রভাব পড়বে। পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রীয় সংকট তৈরী হবে।
১) পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০ পুণঃবহাল হলে এ অঞ্চলে সরকার ও বাঙালিদের ভূমি অধিকার খর্ব হবে।
২) পার্বত্য অঞ্চলের নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যক্রমের উপর প্রভাব ফেলবে। এছাড়াও উপজাতিরা সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের দাবি আরো জোড়ালো করবে।
৩) ১৯০০ সালের শাসনবিধির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব ধরনের ভূমির মালিক হবে উপজাতিরা। এই আইনের ক্ষমতাবলে হেডম্যান, কার্বারী ও সার্কেল চীফরা বাকি অংশ পড়ুন...
ভারত বাংলাদেশ চুক্তিকে তারা গোলামীর চুক্তি বলে কঠিন আওয়াজ তুলেছিলো?
আজ আমেরিকার প্রকাশ্য গোলামী বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে তারা নীরব কেনো?
দেশ বিরোধী বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধীরাও বৈষম্য করছে। (১ম পর্ব)
জামাত সাধারণ সমর্থকও যে আয়াত শরীফের নামে প্রথমেই সম্পৃক্ত হয় তা হলো: “তোমার সৎ কাজের আদেশ করবে ও অসৎ কাজের নিষেধ করবে”। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩/১১০)
তথাকথিত জামাতের শিবিরের কর্মী, রোকন, সদস্য থেকে নেতা এই আয়াত শরীফ কতবার আওড়িয়েছে, আওড়ায়। তথাকথিত জামাতের আমীর নিজেও কতবার উচ্চারণ করেছে সে সংখ বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের ভেতরে যখন ভিন্ন কোনো প্রশাসনিক বিধিমালা বা সমান্তরাল শাসনব্যবস্থা চালু থাকে, তখন সেই রাষ্ট্রের অখ-তা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া স্বাভাবিক। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই অসংগতির নাম ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি-১৯০০’ বা ‘সিএইচটি ম্যানুয়াল’। ব্রিটিশ শাসনামলে নিজেদের ডিভাইড অ্যান্ড রুল (ভাগ করো এবং শাসন করো) নীতি বাস্তবায়ন করতে তারা এই দুর্গম পাহাড়কে মূল ভূখ- থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার যে অবৈধ আইনি প্রাচীর তৈরি করেছিল, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও সেই ঔপনিবেশিক বোঝা বয়ে বেড়ানো কেবল আত্মঘাতীই নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার জ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের গভীর ও অগভীর সমুদ্রের তলদেশে রয়েছে মহামূল্যবান বিভিন্ন খনিজ সম্পদ। যার মধ্যে রয়েছে ইউরোনিয়াম ও থোরিয়াম। আর অগভীর সমুদ্রের তলদেশে রয়েছে, বিপুল পরিমাণ ‘ক্লে’; যা সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল। এছাড়া বঙ্গোপসাগরের ১৩টি স্থানে ভারী খনিজ বালু পাওয়া গেছে। এ বালু ইলমেনাইট, গার্নেট, সিলিমানাইট, জিরকন, রুটাইল ও ম্যাগনেটাইট সমৃদ্ধ। বাংলাদেশ ও জার্মানির যৌথ জরিপে সাগরের ৮০ থেকে ১১০ মিটার গভীরতায় এই মূল্যবান সম্পদের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গভীর ও অগভীর সমুদ্রের তলদেশের এইসব খনিজ সম্পদের সন্ধান বাংলাদেশের জন্য অত বাকি অংশ পড়ুন...
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টার অনাধিকার চর্চার
গভীর রহস্যের সমাধান সরকার প্রধানকেই করতে হবে ইনশাআল্লাহ
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
নতুন সরকারের কাছে অনেকের অনেক প্রত্যাশা ছিল। উচ্ছৃঙ্খল চাদাবাজ মুক্ত করার পাশাপাশি, রাজনীতিতে, বাকি অংশ পড়ুন...
৩০ এপ্রিল ২০২৬-এর তথ্যানুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমানে ৩০ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দেশ পরিচালিত হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের তিন মাস বাকি থাকতেই পুরো অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে সরকার। এবার ব্যাংক থেকে এক লাখ চার হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। তবে গত ৩০ মার্চ পর্যন্ত সরকার নিয়েছে এক লাখ ছয় হাজার ৫১ কোটি টাকা। এতেই সরকারের চাহিদা পূরণ না হওয়ায় বিশেষ নিলাম ডেকে নেওয়া হয়েছে আরও ১০ হাজার কোটি টাকা।
সম্ বাকি অংশ পড়ুন...
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র পূর্ব তিমুর।
পূর্ব তিমুরে ইসলামের আগমন হয়েছিল আরব বণিকদের মাধ্যমে। খ্রিস্টীয় ১৩ থেকে ১৫ শতকে মুসলিম আরব ব্যবসায়ীরা ভারত সাগর পাড়ি দিয়ে জাভা হয়ে এই অঞ্চলে আগমন করেছিলেন।
ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সুফি আলেম ও প্রতিবেশী মুসলমানরাও এখানে ইসলাম প্রচারে অবদান রাখেন।
পূর্ব তিমুর ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী খ্রিস্টশক্তির ষড়যন্ত্র ও মুনাফিকির নিকটতম উদাহরণ। মিশনারীরা সেখানের স্থানীয় মুসলমান ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করে এবং পরবর্তীতে পশ্চিমা বাকি অংশ পড়ুন...
একই লক্ষ্যে তারা পশ্চিমা আর্থিক সহযোগিতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে স্টারলিংক সংযোগ চালু করার উদ্যোগ নেয়। এর বিরুদ্ধে আমি প্রবলভাবে লিখেছি। কিন্তু অন্যান্য অনেক ইস্যুগুলোর মত এখানে প্রকাশ্যে সমর্থন পাশে পাইনি। তারা কৌশলে ই লার্নিং এর নামে ইউএনডিপির অর্থে পার্বত্য চট্টগ্রামের ১০০ স্কুলে স্টারলিংক সংযোগ চালু করে দেয়।
আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, এই ১০০ স্কুলের একটিও পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্ধেক জনগোষ্ঠী বাঙ্গালী অধ্যুষিত এলাকায় অধিষ্ঠিত নয়। আমি বলছি না বাঙালি অধ্যুষিত এলাকায় চালু করলে এটা বৈধ হতো। মূলত এ দ্বারা তাদের উদ্দেশ্য বাকি অংশ পড়ুন...
৫৫ বছরেও উত্তোলনের উদ্যোগ নেই মৌলভীবাজারের ইউরেনিয়াম
মৌলভীবাজারের জুড়ি উপজেলার হারাগাছা ও সিলেটের জৈন্তাপুরে মাটির নিচে অব্যবহৃতভাবেই পড়ে আছে মূল্যবান খনিজ সম্পদ ইউরেনিয়াম। দেশে ৫০ বছর আগে মূল্যবান ইউরেনিয়ামের সন্ধান মিললেও নেই উত্তোলনের কোনো উদ্যোগ।
বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে আমাদের দেশেপ্রাপ্ত ইউরেনিয়ামের মানও ভালো।
হারাগাছা ও জৈন্তাপুর থেকে সংগৃহিত মাটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, এখানে ইউরেনিয়াম প্রাপ্তির হার ৫০০-১৩০০ পার্টস পার মিলিয়ন (পিপিএম)। বিশ্বের যেসব খনি থেকে ইউরেনিয়াম সংগ্রহ করা হয়। সেগুলোতে ৩শ থেকে এক হাজার বাকি অংশ পড়ুন...
বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতের এমন প্রকল্প বাংলাদেশের নদীমাতৃক পরিবেশে বিরূপ প্রভাব রাখবে বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানি আটকে রাখার কারণে নদীর পানি কমে যেতে পারে। এতে জৈন্তাপুর ও তাহিরপুরের মতো বিস্তীর্ণ কৃষি এলাকার সেচব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়বে। এছাড়াও উজানে বাঁধ নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের নদীতে ইলিশসহ বিভিন্ন পরিযায়ী মাছের (সরমৎধঃড়ৎু ভরংয) যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। শুধু তাই নয় বর্ষাকালে যখন অতিরিক্ত পানি বাঁধের পানিধারের ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে যায়, তখন তা হঠাৎ করে ছেড়ে দিতে হয়। এর ফলে বাংলাদেশের সমতলে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হ বাকি অংশ পড়ুন...
আন্তর্জাতিক নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ভারত একতরফাভাবে নদীশাসন করছে। ফারাক্কার ভয়াবহ প্রভাবের কথা আমরা জানি। তিস্তা বা ফেনী নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা বাংলাদেশের মানুষ এখনও পাননি। বরাক নদী উজানে টিপাই বাঁধ সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনার প্রবাহকে শুকিয়ে দিচ্ছে। ভারত থেকে প্রায় ৫৪টি নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এ সকল নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট করে ভারত বাংলাদেশের সমূহ ক্ষতি করছে। পানির প্রবাহ কমে যাওয়ায় নদীতে সাগর থেকে নোনা পানি প্রবেশ করছে। স্বাভাবিকভাবেই নোনা পানিতে স্বাদু পানির মাছ, পানিজ উদ্ভিদ কিছুই বাঁচতে পারে না। ফলে কমছে বাকি অংশ পড়ুন...












