বিল গেটসের ল্যাবরেটরিতে প্রতি সপ্তাহে ৩ কোটি মশা উৎপাদন:
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
, ০৮ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৬ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৬ মে, ২০২৬ খ্রি:, ১২ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
জনসাধারণের চোখ কপালে ওঠার মতো খবর হলেও এটি কোনো বানানো গল্প বা রূপকথা নয়; বরং খোদ ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’ পত্রিকার বিগত ১৫ মে’র এক চাঞ্চল্যকর খবরের শিরোনাম! মার্কিন ইহুদী কথিত ধনকুবের বিল গেটসের অর্থায়নে পরিচালিত একটি বিশাল মশার কারখানা থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৩০ মিলিয়ন অর্থাৎ ৩ কোটি মশা উৎপাদন করে মুক্ত বাতাসে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। যদিও কর্পোরেট ও ইহুদী-নাসারাদের আন্তর্জাতিক মূলধারার মিডিয়াগুলো এই মরণঘাতী প্রজেক্টের সপক্ষে দিনরাত সাফাই গেয়ে যাচ্ছে এবং কলম্বিয়ার মেডেলিন শহরের ভেতরে এই মশার প্রজনন ঘটিয়ে তা পরিবেশে অবমুক্ত করার পক্ষে চরম ধোঁয়াশা তৈরি করছে।
প্রথমত: বিজ্ঞানের মোড়কে ইহুদী মিডিয়ার ‘ছুরতান সুন্দর সুন্দর বক্তব্য’
প্রথমেই পশ্চিমা তথাকথিত গবেষক ও সেকুলার বিজ্ঞানীদের তৈরি করা সেই মনভোলানো বক্তব্যগুলো শোনা যাক। তাদের দাবি- ডেঙ্গু, জিকা, চিকুনগুনিয়া এবং পীতজ্বরের (ণবষষড়ি ঋবাবৎ) মতো মারাত্মক রোগ ছড়ানো বন্ধ করতেই নাকি এই কোটি কোটি মশা প্রজনন করা হচ্ছে! ‘বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন’ এবং ‘ওয়ার্ল্ড মস্কিটো প্রোগ্রাম’ (ডগচ)-এর কোটি কোটি ডলারের কালো টাকায় লালিত এই প্রজেক্টের দাবি হলো, এই মশাগুলোর শরীরে নাকি ‘ওলবাচিয়া’ (ডড়ষনধপযরধ) নামক একটি তথাকথিত ‘ক্ষতিহীন’ ব্যাকটেরিয়া ঢ়ুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা মশা থেকে মানুষের শরীরে ডেঙ্গুর ভাইরাস ছড়ানো কঠিন করে তোলে।
তারা আরও প্রচার করছে যে, এই মশাগুলো সাধারণ মশার সাথে মিলিত হয়ে প্রাকৃতিকভাবে ওই ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে দেবে। এর জন্য নাকি তারা ঘরে ঘরে মশার ডিমে ভরা ছোট পাত্র পৌঁছে দিচ্ছে, আবার কোথাও কোথাও বিশেষ গাড়ি বা ড্রোন থেকে পূর্ণাঙ্গ মশা বাতাসে স্প্রে করে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এটি নাকি বিষাক্ত কীটনাশকের বিরুদ্ধে এক ‘মহৎ’ জৈবিক লড়াই!
দ্বিতীয়ত: আসল সত্য এবং ‘উড়ন্ত সিরিঞ্জ’ ও ভ্যাক্সিনের আড়ালে মানবতাবিরোধী অপরাধ!
দালিলিক প্রমাণ বলছে, বিজ্ঞানের এই চটকদারী কথার আড়ালে লুকিয়ে আছে মানবতাবিরোধী সব মরণঘাতী জীবাণু মানুষের দেহে জোরপূর্বক পুশ করার এক চরম মহড়া। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতোমধ্যে বিশ^জুড়ে সচেতন মহল সোচ্চার হয়েছেন যে, এগুলো মূলত ল্যাবরেটরিতে তৈরি জিনেটিক্যালি মডিফাইড বা "মিউট্যান্ট মশা" (গঁঃধহঃ গড়ংয়ঁরঃড়বং), যা কোনো গোপন এজেন্ডা এবং বৈশি^ক জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের (চড়ঢ়ঁষধঃরড়হ ঈড়হঃৎড়ষ) এক পৈশাচিক অপচেষ্টার অংশ।
শুধু সোশ্যাল মিডিয়া নয়, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম ‘স্পুটনিক’ (ঝঢ়ঁঃহরশ) অত্যন্ত কড়া শিরোনামে এই কুৎসিত সত্যটি ফাঁস করে দিয়েছে। তাদের খবরের শিরোনাম ছিল: “বিল গেটস মশাকে 'উড়ন্ত সিরিঞ্জে' পরিণত করেছেন, কিন্তু তারা যা ইনজেক্ট করছে তা কে নিয়ন্ত্রণ করে?
নথিপত্র অনুযায়ী, গেটস ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে নেদারল্যান্ডসের লাইডেন ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টার ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের ওজুহাতে এমন এক বিপজ্জনক মশা তৈরি করেছে, যা মানুষের শরীরে এক প্রকার মারাত্মক প্যারাসাইট (চষধংসড়ফরঁস ভধষপরঢ়ধৎঁস) সরাসরি প্রবেশ করাতে সক্ষম। স্পুটনিকের তথ্য অনুযায়ী, এই মশাগুলো মূলত মানুষের কোনো প্রকার সম্মতি (ঈড়হংবহঃ) ছাড়াই গোপনে ম্যালেরিয়ার উপাদান দেওয়ার জন্য ‘উড়ন্ত সিরিঞ্জ’ (ঋষুরহম ঝুৎরহমবং) বা ‘উড়ন্ত ভ্যাক্সিনেটর’ (ঋষুরহম ঠধপপরহধঃড়ৎং) হিসেবে কাজ করছে! যার ফলে যে কারো শরীরে বিষাক্ত কোনো উপাদান বা ড্রাগস প্রয়োগের এক একতরফা আন্তর্জাতিক পথ উন্মুক্ত হয়ে গেল।
উদ্যোগের শুরু ও অশুভ এজেন্ডার অগ্রগতি (টাইমলাইন):
* ২০০৮ সাল: বিল গেটস ম্যালেরিয়া ভ্যাক্সিন তৈরির নামে ১৬৮ মিলিয়ন ডলারের এক বিশাল ফা- ঘোষণা করে। জাপানের জিচি মেডিকেল ইউনিভার্সিটি এই তহবিল পেয়ে এমন এক জিনেটিক্যালি মডিফাইড (এগ) মশা তৈরি করে, যা কামড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে কৃত্রিম প্রোটিন ও ড্রাগস প্রবেশ করাতে পারে।
* ২০১৬ সাল: ম্যালেরিয়া দমনের নামে ব্রিটিশ সরকারের সাথে যৌথভাবে ৩.৭ বিলিয়ন ডলারের এক বিশাল প্রজেক্ট ঘোষণা করা হয়।
* ২০১৮ সাল: গেটস-অর্থায়নে পরিচালিত ‘অক্সিটেক’ (ঙীরঃবপ) নামক একটি বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান এমন এক ‘বন্ধ্যা পুরুষ মশা’ (ঝঃবৎরষব গড়ংয়ঁরঃড়বং) তৈরি করে, যাদের সাথে বন্য মশার মিলনের ফলে উৎপন্ন বংশধরেরা পূর্ণাঙ্গ রূপ পাওয়ার আগেই মারা যায়। পরিবেশগত ও নৈতিক ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও জোর করে এই মশা প্রকৃতিতে ছাড়া হয়।
প্যান্ডোরার বাক্স, নৈতিক বিপর্যয় ও জৈব অস্ত্রের ইতিহাস:
স্পুটনিক নিবন্ধে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, মানুষের দ্বীনি অনুভূতি ও নৈতিক অধিকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই ‘উড়ন্ত সিরিঞ্জ’গুলোর ভেতরে আসলে কী ঢ়ুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে-তা সাধারণ মানুষের পক্ষে ল্যাবে গিয়ে যাচাই করা অসম্ভব।
ইতিহাস সাক্ষী, কীটপতঙ্গকে কৃত্রিমভাবে ভাইরাসের বাহক বানিয়ে ‘জৈব অস্ত্র’ (ইরড়ষড়মরপধষ ডবধঢ়ড়হ) হিসেবে ব্যবহারের ইতিহাস পশ্চিমা অপশক্তির অনেক পুরোনো: ১. দ্বিতীয় বিশ^যুদ্ধের সময় কুখ্যাত নাৎসি জার্মানি তাদের দাখাউ (উধপযধঁ) কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে বন্দীদের ওপর ম্যালেরিয়াবাহী মশাকে জৈব অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের ভয়াবহ পরীক্ষা চালিয়েছিল। ২. রাশিয়ার বর্তমান সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর ‘পেন্টাগন’ খোদ ইউক্রেনসহ বিশে^র বিভিন্ন দেশের গোপন বায়ো-ল্যাবরেটরিতে মশাবাহী মারাত্মক ভাইরাস (যেমন কৃত্রিম ডেঙ্গু) নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা চালিয়ে আসছে। এমনকি ১৯৮১ সালে কিউবায় যখন ভয়াবহ ডেঙ্গু মহামারী ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, তখন এক মামলায় প্রমাণিত হয় যে, কিউবার একমাত্র মার্কিন নৌঘাঁটি ‘গুয়ান্তানামো বে’ এবং তার আশেপাশের মার্কিন এলাকাটি অলৌকিকভাবে ডেঙ্গু থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত ছিল! যা প্রমাণ করে মার্কিনীদের কাছে এর প্রতিষেধক আগে থেকেই ছিল।
শেষ কথা: ‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ এবং নমরুদী মশার প্রতিশোধ!
এবার আসা যাক এই পৈশাচিক প্রকল্পের সবচেয়ে বড় আধ্যাত্মিক ও গোপন সত্যের দিকে। সুদূর অতীতকাল থেকেই এই শয়তানের উপাসক ও খোদাদ্রোহী চক্রের মনে একটি চরম ক্ষোভ লুকায়িত আছে। ইতিহাসের পাতায় স্পষ্ট রয়েছে, প্রতাপশালী খোদাদ্রোহী নমরুদকে আল্লাহ পাক সামান্য একটি লেংড়া মশা দিয়ে ধ্বংস করেছিলেন এবং তার সেই নমরুদী অহংকার ধুলোয় মিশে গিয়েছিল।
আজকের যুগের আধুনিক নমরুদ ও তাদের দোসররা মূলত আল্লাহ পাক উনার সেই মহাশক্তির বিরুদ্ধে এক নীরব প্রতিশোধ নিতে চায়! তারা মানবজাতিকে জিম্মি করার জন্য প্রকৃতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। হযরত লূত আলাইহিস সালাম উনার সময় আল্লাহ পাক অবাধ্য গোমোরাহ নগরীকে আকাশ থেকে উল্কাপাত ও পাথর বৃষ্টি দিয়ে ধ্বংস করেছিলেন; আজ এই অপশক্তি কৃত্রিম উল্কাপাত ও স্পেস ওয়েপন তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে। হযরত নূহ আলাইহিস সালামের সময় পাপিষ্ঠদের মহাপ্লাবন ও পানি দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল; আজ এই চক্র কৃত্রিম আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণকারী প্রযুক্তির (যেমন ঐঅঅজচ) মাধ্যমে তার পাল্টা প্রতিশোধ নেওয়ার ছক কষছে।
আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে মানবজাতিকে সংশোধন করার জন্য যুগে যুগে যে ‘ঐশ^রিক রিসেট’ বা আজাব এসেছিল, তার পাল্টা চ্যালেঞ্জ হিসেবেই আজ এই ইহুদী-নাসারা চক্র ডিজাইন করেছে তাদের কুখ্যাত ‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ (ঞযব এৎবধঃ জবংবঃ) প্রকল্প! আর প্রতি সপ্তাহে বিশ^জুড়ে ৩ কোটি মশা ল্যাবরেটরি থেকে উন্মুক্ত বাতাসে ছেড়ে দেওয়ার এই প্রজেক্ট মূলত সেই ‘গ্রেট রিসেট’ নামক মানবতাবিরোধী মহাপরিকল্পনারই একটি ক্ষুদ্র ও চূড়ান্ত অংশ ছাড়া আর কিছুই নয়। সচেতন উম্মাহর এখনই সময় এই সুদূরপ্রসারী ফিতনার বিরুদ্ধে সজাগ ও সতর্ক হওয়ার!
-মুহম্মদ কুররাতুল আইন হায়দার।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আকাশের অতন্দ্র প্রহরী: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও আবহাওয়া রাডার অবকাঠামোর মহাপরিকল্পনা কেন জরুরি? (১ম পর্ব)
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর ২০২৫) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কিন্তু গতকাল গুগল, ফেইসবুকে অসংখ্য আইডি থেকে প্রচারিত- ‘তারেক রমমান নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ) আমেরিকাকে দিয়ে দিয়েছেন নারিকেল দ্বীপ এখন মার্কিন ঘাটি হবে’- ইত্যকার প্রচারণা দেশবাসীকে হতভম্ব করছে। সর্বপোরি সরকারের দলীয় বা প্রশাসনের তরফ থেকে এটাকে গুজব না বলায়- হতাশা চরম আকার ধারণ করেছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বর্বর আম্রিকা আর সন্ত্রাসী ইসরাইলের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কিন্তু মুসলিম দেশ ইয়েমেন থেকে শুরু করে সোমালিয়া-লিবিয়া হতে সুদানে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ চালিয়ে রাখছে আরব-আমিরাত ভয়াবহ মানবেতর সংকটে সুদান, সহিংসতা-রোগ-দুর্ভিক্ষে দিশাহারা মানুষ সুদানের রক্তপাত বন্ধে মুসলিম বিশ্বকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে এক্ষুনি
২১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে এক শতাংশ ছাড়! এ কেমন কালোচুক্তি? প্রকৃতপক্ষে গোলামীর চুক্তি
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












