মন্তব্য কলাম
জুলাই সনদের ওপর গণভোট আদৌ সংবিধান সম্মততো নয়ই; শুধু এতটুকুই নয় বরং তা আদৌ বাস্তবসম্মতও নয়। অভিজ্ঞমহল বলেন, নির্বাচন কমিশন জাতির সঙ্গে তামাশা করছে। এত জটিল হিসাব-নিকাশে কি গণভোট হয়?
, ০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মন্তব্য কলাম
বস্তুত অতীতের তিনটি গণভোটের ফলাফলই নিরঙ্কুশভাবে সরকারের পক্ষে গেছে। বলা হয়, সরকার যে ফলাফল চেয়েছে, গণভোটের ফলাফলে তার কোনো ব্যতিক্রম হয়নি।
এবারের গণভোট নিয়ে যা হয়েছে তা গণ প্রতারণা ও গণ প্রহসন।
কাজেই গণভোটের প্রেক্ষিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন মূলতঃ জনরায়কে প্রত্যাখান করা। সংবিধান অস্বীকার করা।
যা সরকারকে অবৈধ করার শামিল।
জনমত অনুযায়ী জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধন এবং গণভোটের মূল্যায়ন; সরকারকে প্রত্যাখান করতেই হবে ইনশাআল্লাহ।
সরকার এখন পর্যন্ত জুলাই সনদের বাইরে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি দাবি করেছে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। জুলাই সনদে বলা আছে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হলে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওটা জুলাই সনদের পরিপন্থী। তাহলে আপনারা কোনটিকে প্রাধান্য দেবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা সংবিধান ও জুলাই সনদকে প্রাধান্য দিচ্ছি।’
প্রসঙ্গত রাজনৈতিক বিশ্লেষক, পর্যবেক্ষক, অভিজ্ঞমহল এবং সর্বস্তরের জনগণ মনে করেন প্রচারিত গণভোট আসলে একটি গণ প্রতারণা। এর আলোকে সংবিধান সংশোধন আসলে বড় প্রহসন।
বাংলাদেশে এর আগে হওয়া গণভোটগুলোতে ভোটারেরা ভোটদানের পদ্ধতি হিসেবে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ এই দুটি শব্দকে বাছাই করেছেন। ‘রাজনীতির তিন কাল’ নামে মিজানুর রহমান চৌধুরীর লেখা বইয়ে উল্লেখ আছে, ‘হ্যাঁ-না’ ভোটের গোড়াপত্তনকারী ছিলেন পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খান।
জাতিসংঘ বলছে, ১৯৮৯ সালের পর রাজনৈতিক রূপান্তর ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় বিশ্বব্যাপী গণভোট ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পায়। এর ফলে সংবিধান সংশোধন বা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে গণভোটের সংখ্যা বেড়ে যায় এবং বিশ্বের বহু সংবিধানে এ সংক্রান্ত বিধান যুক্ত হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানে গণভোটের বিধান যুক্ত হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। পরে সেটি পঞ্চদশ সংশোধনীতে বাতিল করা হয়। চলতি বছরের জুলাইয়ে হাইকোর্ট এক রায়ে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করেছে।
বাংলাদেশের আদি অর্থাৎ বাহাত্তরের সংবিধানে গণভোটের বিধান ছিল না। ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান প্রথম গণভোটের আয়োজন করেন। এজন্য ওই বছরের ২ মে তিনি সামরিক আইন আদেশ জারি করেন - যা সাংবিধানিক বৈধতা পায় ১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর সময়। ওই সংশোধনীতে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোট সম্পর্কিত (১খ), (১গ) এবং (১ঘ) বিধান যুক্ত করা হয়। ১৯৯১ সালে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী গৃহীত হয়, যার মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদের (১ক) সংশোধন করে ৫৮, ৮০ ও ৯০ক অনুচ্ছেদ সংশোধনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১১ সালের ৩০ জুন তারিখে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া পঞ্চদশ সংশোধনীতে ১৪২ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে গণভোটের বিধান পুরোপুরি বাতিল করা হয়। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগের পতনের পরে গত ১৭ ডিসেম্বর সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী মামলায় ১৪২ ধারা বাতিল ঘোষণা করে আদালত গণভোটের বিধান ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত দিয়েছে।
যদিও আদালতের রায়ে গণভোটের বিধানটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনর্বহাল হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। কেননা, জেনারেল ক্লজ অ্যাক্ট ১৮৯৭-এর ৬ ধারা অনুযায়ী কোনো আইনকে পুনরুজ্জীবিত করতে হলে সংসদে বিলটি পাস করাতে হয়। (নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন, ফেব্রুয়ারি ২০২৫)।
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত তিনটি গণভোট হয়েছে। ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের আমলে। ১৯৮৫ সালের এরশাদের আমলে এবং সবশেষ ১৯৯১ সালে।
জুলাই সনদে গণভোট কি যৌক্তিক? : প্রশ্ন হলো, জুলাই সনদের ওপর গণভোট কতটা বাস্তবসম্মত? যে সনদের ওপর গণভোট হবে, সে সম্পর্কে সাধারণ মানুষ কতটা জানে? ৮৪টি প্রস্তাব এবং ৭টি অঙ্গীকারসম্বলিত এই সনদের ওপর সাধারণ মানুষ কী করে ভোট দেবে? ভোটের পদ্ধতি কী হবে? বলা হচ্ছে, জুলাই সনদে যে ৮৪টি প্রস্তাব রয়েছে, সেগুলো গণভোটে যাবে না। বরং ব্যালটে উল্লেখ থাকবে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কিনা? সেক্ষেত্রে ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ - এই সিদ্ধান্তে জনগণ তাদের রায় দেবে। প্রশ্ন হলো, জনগণ কীসের ভিত্তিতে হ্যাঁ না বলবে? শুধু একটি প্রশ্নের ওপর হ্যাঁ না ভোট দিলে আদৌ গ্রহণযোগ্য ও যৌক্তিক হবে? তাছাড়া বাংলাদেশে বিগত তিনটি গণভোটের যে অভিজ্ঞতা, এবারের গণভোটেও যদি একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।
অভিজ্ঞমহল বলেন, "অন্তর্বর্তী সরকারও নির্বাচন কর্মকান্ড জাতির সঙ্গে তামাশা করছে। এত জটিল হিসাব-নিকাশে কি গণভোট হয়? সর্বশেষ গণভোট হয়েছে ১৯৯১ সালে। তখন প্রশ্ন কী ছিল? ৪৮টি বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যমতে পৌঁছেছে। এগুলো সাধারণ মানুষকে জানাবে কে? আর যখন বিদ্যমান সংবিধানের আলোকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা হয়, সেখানে কি গণভোটের বিধান আছে? নেই। তাহলে কেউ যদি চ্যালেঞ্জ করে এই গণভোট অবৈধ, আপনার কী হবে? কারণ, সংবিধানে তো এটা নেই।
এবারের গণভোটে নারী ভোটার গড়ে সময় পেয়েছে ৫৭ সেকেন্ড আর পুরুষ ভোটার পেয়েছে ৪৮ সেকেন্ড। একটি নারী বুথে ৫০০ আর পুরুষ বুথে ৬০০ এবং সব মিলিয়ে একটি কেন্দ্রে তিন হাজার ভোটার ভোট দেবেন - এমন হিসাব কষে এবার কেন্দ্র ও বুথবিন্যাস করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সাধারণত সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা আট ঘণ্টা ভোট গ্রহণ হয়। সে হিসাবে ৪৮০ মিনিটের মধ্যে একটি নারী বুথে ৫০০ জন এবং পুরুষ বুথে ৬০০ জনকে ভোট দিতে হবে। বিশ্লেষকরা অবশ্য ইসির এই সিদ্ধান্তকে প্রতারণা ও প্রহসন বলে মনে করছেন। নির্বাচন কমিশনের একাধিক জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানান, সম্ভাব্য কেন্দ্রের যে তালিকা তারা ইসি সচিবালয়ে পাঠিয়েছিলেন, সেখানে একটি ভোট, অর্থাৎ সংসদ নির্বাচনকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে গণভোট হবে - এমন তথ্য তাদের কাছে ছিল না।
নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, ইসির মাঠ কর্মকর্তাদের প্রস্তাব আমলে নিয়েই কেন্দ্র নির্বাচনের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ৩০০ সংসদীয় আসনে কেন্দ্র ৪২ হাজার ৭৬১টি। পুরুষদের জন্য এক লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি এবং নারীদের জন্য এক লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি বুথ রাখা হয়েছে, অর্থাৎ, মোট বুথ দাঁড়াচ্ছে দুই লাখ ৪৪ হাজার ৭৩৯টি। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে কেন্দ্র ছিল ৪২ হাজার ১৫০টি। বুথ ছিল দুই লাখ ৬১ হাজার ৪৭২টি। ভোটের অন্তত ২৫ দিন আগে ইসি কেন্দ্রের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, "আমরা তো ধারণা করেছিলাম গণভোট হওয়ার পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে, যাতে গণভোটের একটা আইনী ভিত্তি তৈরি হয়। কিন্তু এখন যেটা হচ্ছে, সেটা তো ৭২-এর সংবিধান অনুযায়ী ভোট হচ্ছে। ফলে যে উদ্দেশ্যে গণভোটের আয়োজন, সেই উদ্দেশ্য ভন্ডুল হয়ে গেছে। আর প্রার্থীরা কি আলাদাভাবে গণভোটের জন্য প্রচারণা চালাবেন? তা না করলে সাধারণ ভোটাররা কিভাবে বুঝবে এই গণভোটের প্রয়োজনীয়তা? আমার মনে হয়েছে এটা প্রহসনমূলক।”
চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্নে হয়েছে গণভোট। গণভোটের দিন এই চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্নে ‘হ্যাঁ' বা ‘না' ভোট দিয়ে জনগণ মতামত জানাবেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ' জয়ী হলে আগামী সংসদ হবে দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট। সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে (পিআর পদ্ধতি) ১০০ সদস্য নিয়ে উচ্চকক্ষ গঠিত হবে। চারটি বিষয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া গণভোটের ব্যালটে কোন ধরনের প্রশ্ন থাকছে- এ নিয়ে প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে।
‘জুলাই সনদের আলোকে গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনীয় প্রশ্নে' উল্লেখ করে বলা হয়, আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?
ক. নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও অন্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
খ. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।
গ. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধীদল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।
ঘ. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।
সবগুলো প্রশ্নের একটি উত্তর দিতে হবে ‘হ্যাঁ বা না'। ফলে প্রায় সব ভোটারই বিভ্রান্ত হয়েছে। এবং হার পক্ষে ভীষণ কারচুপি করে ভোট সংখ্যা অনেক বাড়ানো হয়েছে।
বাস্তবে জুলাই সনদে কী আছে, কী পরিবর্তন ভাবা হয়েছে-এসব বিষয় আলাদা আলাদাভাবে মানুষকে জানানো হয়নি। সরকারের প্রচারণায় বলা হচ্ছে দেশের চাবি জনগণের হাতে, কিন্তু একইসঙ্গে বলা হচ্ছে ভোট দিতে হবে ‘হ্যাঁ’-তে।
অর্থাৎ গণভোট নিয়ে যা হয়েছে তা গণ প্রতারণা ও গণ প্রহসন। কাজেই গণভোটের প্রেক্ষিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলো- জনরায়কে প্রত্যাখান করা। সংবিধান অস্বীকার করা। সরকারকে অবৈধ করার পায়তারা।
সরকারের পক্ষে আদৌ সঠিক হবে না জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান সংশোধন। তথা গণভোটের মূল্যায়ন।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
৭০০ কিলোমিটারের মরণব্যাধি ও আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা : বেগম পাড়ার বিলাসিতা কি সার্বভৌমত্বের কফিনে শেষ পেরেক?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আমেরিকা থেকে উচ্চমূল্যে বিষাক্ত গম আমদানি বন্ধ করতে হবে
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আইনি লেবাসে সন্ত্রাসী ইহুদিদের পৈশাচিক রাষ্ট্রীয় হত্যাকা-: ইসরায়েলের বর্বরতা, আন্তর্জাতিক নীরবতা এবং আমাদের করণীয়
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না।
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও সার্বভৌমত্বের দুশমনদের অপতৎপরতা-উগ্র হিন্দুত্ববাদী ‘রবীন্দ্র ঘোষ’ ও ‘চিন্ময়’ চক্রের রাষ্ট্রদ্রোহী আঁতাত এবং প্রশাসনের জগৎশেঠদের মুখোশ উম্মোচন
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না।
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশের পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা অর্জন: একবিংশ শতাব্দীর কৌশলগত অপরিহার্যতা
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ইরান-সন্ত্রাসী আমেরিকা সন্ত্রাসী ইসরাইল যুদ্ধ: রহস্যময় ড্রোন, ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন ও যুদ্ধ অর্থনীতির বাস্তবতা
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা: ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে বাঁচার একমাত্র পথ
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জ্বালানি সংকট ব্যবস্থাপনায় স্বনির্ভরতায় জোর দেয়ার বিকল্প নেই
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে দেশে গ্যাস সংকট : টেকসই সমাধান দেশের গ্যাস কূপগুলো খনন করা
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সার্বভৌমত্বের হিফাযতে বাংলাদেশের ‘আকাশ প্রতিরক্ষা’ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এখন সময়ের দাবি ও সরকারের জন্য ফরয
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












