মন্তব্য কলাম
পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও সার্বভৌমত্বের দুশমনদের অপতৎপরতা-উগ্র হিন্দুত্ববাদী ‘রবীন্দ্র ঘোষ’ ও ‘চিন্ময়’ চক্রের রাষ্ট্রদ্রোহী আঁতাত এবং প্রশাসনের জগৎশেঠদের মুখোশ উম্মোচন
, ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় ভূখ-ে আজ বিজাতীয় অপশক্তির কালো ছায়া ঘনীভূত হচ্ছে, যা আমাদের ঈমানি ও জাতীয় অস্তিত্বকে এক চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।যে জমিন ওলী-আল্লাহ উনাদের পদধূলিতে ধন্য, যেখানে রিসালাত উনার ঝা-া চিরকাল সমুন্নত; আজ সেখানে বিজাতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসীদের আস্ফালন ও রাষ্ট্রদ্রোহী চক্রান্ত এক ভয়াবহ রূপ পরিগ্রহ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের উগ্রবাদী ও বাংলাদেশ বিরোধী বিষবাষ্প ছড়ানোর প্রধান কারিগর ‘রবীন্দ্র ঘোষ’ কীভাবে বাংলাদেশের নিñিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে অতি অনায়াসে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করল, তা কেবল উদ্বেগের বিষয় নয় বরং এটি এক গভীর ‘জাতীয় নিরাপত্তা বিপর্যয়’ ও দেশপ্রেমিক মহলের জন্য এক চরম অশনিসংকেত।
তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই রবীন্দ্র ঘোষ কেবল একজন তথাকথিত আইনজীবী নয়, বরং সে বিজাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (জঅড) এবং আন্তর্জাতিক উগ্র হিন্দুত্ববাদী ইহুদী চক্রের এক বিশেষ ‘ঘুঁটি। নির্ভরযোগ্য তথ্য বলছে, বাংলাদেশের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘ঘঝও’ এবং প্রশাসনের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা বিজাতীয় মদদপুষ্ট ও বিশেষ রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি করা কিছু অসাধু কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ সহায়তায় সে এদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। এটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক যে, যে ব্যক্তি বিদেশের মাটিতে বসে বাংলাদেশের মানচিত্রকে মুছে দেওয়ার স্বপ্নে বিভোর থাকে, তাকেই রাষ্ট্রীয় মেহমানদারিতে এদেশে নিরাপদ বিচরণের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে বিস্ময়কর ও পৈশাচিক বিষয় হলো, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কতিপয় হিন্দু কর্মকর্তা ও দলবাজ কর্মকর্তাদের সরাসরি যোগসাজশে আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষ আলিফ হত্যার মূল হোতা কারান্তরীণ কুখ্যাত রাষ্ট্রদ্রোহী মেথর চন্দন ধর’ ওরফে ‘চিন্ময় কৃষ্ণ দাস -এর সাথে সাক্ষাৎ করেছে। প্রচলিত জেল কোড ও আইনকে তুচ্ছজ্ঞান করে এই ধরণের গোপন ও বিশেষ সুবিধা সম্বলিত সাক্ষাৎ প্রমাণ করে যে, কারাগারের লোহার শিকের ভেতরেও উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের এক ‘প্যারালাল স্টেট’ বা সমান্তরাল প্রশাসনব্যবস্থা কায়েম করার অপচেষ্টা চলছে।
বিশেষজ্ঞরা হুশিয়ারি দিচ্ছেন যে, এই ষড়যন্ত্রের জাল আরও গভীরে প্রোথিত। চট্টগ্রামের বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) জাহিদুল ইসলাম-যে ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতির কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ছিল এবং মানসিকভাবে হিন্দুত্ববাদী দর্শনের একনিষ্ঠ সেবক বলে পরিচিত-সে সরাসরি এই রবীন্দ্র ঘোষের সাথে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে। অভিযোগের সত্যতা বলছে, ডিসি জাহিদুল তার প্রশাসনিক ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করে রবীন্দ্র ঘোষের নির্দেশে স্থানীয় মুসলমানদের ওপর ‘হিন্দু আগ্রাসন’ ও নির্যাতনের ইহুদীবাদি নীল নকশা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। একজন জেলা প্রশাসকের মতো গুরুদায়িত্বে বসে এমন দেশদ্রোহী আচরণ কেবল অগ্রহণযোগ্য নয়, বরং এটি সরাসরি রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল।
পবিত্র কুরআন শরীফ উনাতে ইরশাদ মুবারক হয়েছে: “হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদের ছাড়া অন্য কাউকে বন্ধু বা পরামর্শদাতা হিসেবে গ্রহণ করো না; তারা তোমাদের ক্ষতি সাধনে কোনো ত্রুটি করে না।” (পবিত্র সূরা আল-ইমরান : ১১৮)। এই আয়াত মুবারক-উনার হাক্বীকত আজ বাংলার প্রশাসনিক রন্ধ্রে রন্ধ্রে দৃশ্যমান। প্রশাসনের উচ্চপদে আসীন হয়ে যারা বিজাতীয় উগ্রবাদীদের সাথে গোপন আঁতাত করে মুসলিম জনতাকে শহীদ করার নীল নকশা তৈরি করছে, তারা মূলত রায় বল্লভ-জগৎ শেঠদের আধুনিক প্রতিচ্ছবি।
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যে, রবীন্দ্র ঘোষ ও চিন্ময় চক্রের এই গোপন আঁতাতের মূল লক্ষ্য হলো- আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ন্যায়বিচারকে নস্যাৎ করা এবং দেশে একটি কৃত্রিম দাঙ্গা লাগিয়ে বিজাতীয় সামরিক আগ্রাসনের পথ প্রশস্ত করা। আমরা অত্যন্ত কঠোরভাবে হুঁশিয়ার করছি- ৯৮ ভাগ মুসলিমের এই দেশে কোনো ‘গেরুয়াধারী’ বা ‘বাম-ঘেঁষা’ দেশদ্রোহী চক্রান্ত সহ্য করা হবে না। প্রশাসনের ভেতরে থাকা প্রতিটি দালাল ও ইহুদীবাদি এজেন্টকে চিহ্নিত করে তাদের অবিলম্বে বহিষ্কার করা এবং রবীন্দ্র ঘোষের মতো বিজাতীয় চরদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি।
এ থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হচ্ছে-অবিলম্বে চট্টগ্রামের ডিসি জাহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কারকর্মকর্তাদের বরখাস্ত করা, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতর ‘রূঢ় শুদ্ধি অভিযান’ চালানো এবং ওলীআল্লাহগ উনাদের এই পবিত্র জমিনকে বিজাতীয় মুশরিকবাদী শক্তির করাল গ্রাস থেকে মুক্ত করা। রিসালাতী জনতাকে নূরী শক্তিতে বলীয়ান হয়ে এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে অতন্দ্র প্রহরী হতে হবে।
-মুহম্মদ শামসিত তাবরিজ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না।
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না।
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশের পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা অর্জন: একবিংশ শতাব্দীর কৌশলগত অপরিহার্যতা
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ইরান-সন্ত্রাসী আমেরিকা সন্ত্রাসী ইসরাইল যুদ্ধ: রহস্যময় ড্রোন, ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন ও যুদ্ধ অর্থনীতির বাস্তবতা
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জুলাই সনদের ওপর গণভোট আদৌ সংবিধান সম্মততো নয়ই; শুধু এতটুকুই নয় বরং তা আদৌ বাস্তবসম্মতও নয়। অভিজ্ঞমহল বলেন, নির্বাচন কমিশন জাতির সঙ্গে তামাশা করছে। এত জটিল হিসাব-নিকাশে কি গণভোট হয়?
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা: ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে বাঁচার একমাত্র পথ
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জ্বালানি সংকট ব্যবস্থাপনায় স্বনির্ভরতায় জোর দেয়ার বিকল্প নেই
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে দেশে গ্যাস সংকট : টেকসই সমাধান দেশের গ্যাস কূপগুলো খনন করা
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সার্বভৌমত্বের হিফাযতে বাংলাদেশের ‘আকাশ প্রতিরক্ষা’ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এখন সময়ের দাবি ও সরকারের জন্য ফরয
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঈমান ও ইজ্জত হরণে হিন্দুত্ববাদী নীল নকশা ‘ভগওয়া লাভ ট্র্যাপ’-সরকার ও জনতাকে সতর্ক হওয়া এখন সময়ের দাবি ও ফরয
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের বন্দর বিদেশিদের হাতে নয়, জাতির হাতেই থাক
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নতুন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ; একটি দেশ ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী অধ্যাদেশ। অধ্যাদেশে বাঙ্গালীদের বাদ দিয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য চালু হয়েছে কোটাপ্রথা, উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে সশস্ত্রবাহিনীও বিচারের আওতায়, পশ্চিমা অমানবিকতাকে প্রাধান্য।
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












