মন্তব্য কলাম
অভিযোগ উঠেছে নতুন করে দলীয় চাদাবাজির আওতায় আনতেই হকার উচ্ছেদ। বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা ও অন্যায়ের কারণে হকারের সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ পূণর্বাসন না করে এদের উচ্ছেদ অমানবিক, সংবিধানের ১২টিরও বেশী অনুচ্ছেদের সাথে চরম সাংঘর্ষিক এবং ভয়াবহ অনৈসলামিক ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ড এর কথা শোনা গেলেও হকার কার্ডের আওয়াজ নেই কেন?
, ২৫ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৪ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ০১ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ১ এপ্রিল থেকে রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। ডিএমপির পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, হকারদের আর কোনোভাবেই ফুটপাতে বসতে দেওয়া হবে না।
রাজধানীর ব্যস্ততম সড়ক ও ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং দুই সিটি করপোরেশন ৬ই এপ্রিল পর্যন্ত সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে।
বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে, বিশেষ করে ঢাকা শহরে, হকাররা আজ অপ্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতির এক অবিচ্ছেদ্য ও শক্তিশালী বাস্তবতা। ফুটপাতের এই ব্যবসায় বড় মূলধন লাগে না, উচ্চতর দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। শুধু ঢাকা শহরেই প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ হকার প্রতিদিন তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে। মতিঝিল, গুলিস্তান, সদরঘাট, শাহবাগ, ফার্মগেট, মিরপুর, বাড্ডা, খিলগাঁও, যাত্রাবাড়ি, জুরাইন ও নিউ মার্কেটের মতো ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তাদের উপস্থিতি চোখে পড়ে সবচেয়ে বেশি। আর সারাদেশ মিলিয়ে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ, যা একটি বিশাল সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতা।
ফুটপাতে হকার বসার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে কিছুটা বিঘœ ঘটে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু এই বাস্তবতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে, যা আমরা প্রায়ই এড়িয়ে যাই। নিম্নবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য জামা-কাপড়, জুতা, ফলমূল, খাবারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সবচেয়ে সুলভে এবং সহজলভ্যভাবে পাওয়া যায় এই ফুটপাতের দোকানগুলোতেই। অর্থাৎ, হকাররা শহরের নিত্যদিনের অর্থনৈতিক প্রবাহকে সচল রাখে এবং প্রান্তিক মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে বাজারের একটি বাস্তব সংযোগ তৈরি করে। ঢাকার নগরবাসীর একটি ক্ষুদ্র অংশ ধনী ও উচ্চবিত্ত। যারা সংখ্যায় ১৫ শতাংশেরও কম। বাকি ৮৫ শতাংশই মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, চাহিদা ও বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটার প্রধান প্রধান স্থান ফুটপাতের বাজার। কম দামে, হাতের নাগালে পণ্য পাওয়ার কারণে হকারদের ওপর নির্ভরশীল এই বিপুল জনগোষ্ঠী যাদের সংখ্যা দেড় থেকে পৌনে দুই কোটির কম নয়।
লক্ষ লক্ষ হকার বাধ্য হয়ে জীবিকার তাগিদে ফুটপাতে বসে। নিজের শ্রম, ঘাম ও সততার মাধ্যমে একটি সম্মানজনক উপার্জনের পথ তৈরি করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, হকারের মাসিক গড় আয় প্রায় ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। তবে এ আয় পণ্যের ধরণ, অবস্থান ও সময়ের ওপর নির্ভর করে। যারা প্রতিদিন ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা কাজ করেন, তাদের আয় তুলনামূলক বেশি।
আবার উৎসবের মৌসুমে বিক্রি বাড়ে, এতে আয়ও বৃদ্ধি পায়। মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলে এই আয় মাসে গড়ে ৯ থেকে ১৫ হাজার টাকা।
এই হকাররা উপার্জনের একটি অংশ নিয়মিত গ্রামে মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তানদের কাছেও পাঠান। ফলে তাদের এই ক্ষুদ্র আয় গ্রামীণ অর্থনীতিকেও সচল রাখতে ভূমিকা রাখে।
একইসঙ্গে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের পণ্য, যা বড় শপিংমলে জায়গা পায় না, সেগুলোর বাজার তৈরি করে হকাররা। অর্থাৎ, তারা একটি বিকল্প অর্থনৈতিক চক্রের ধারক ও বাহক।
নদীভাঙন, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে সহায়-সম্বল হারিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ রাজধানী ঢাকায় আশ্রয় নেয়।
নিজেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিজেরাই করে। ফলে ফুটপাতে দোকানদারিই হয়ে ওঠে তাদের জীবনধারণের একমাত্র অবলম্বন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতীতে তার বিভিন্ন বক্তব্যে হকারদের বিষয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও কাঠামোগত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন, দখলকৃত সরকারি জায়গাগুলো দখলমুক্ত করে সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে পরিকল্পিত হকার মার্কেট নির্মাণ করা হবে, যেখানে হকাররা নির্বিঘেœ ব্যবসা করতে পারবেন। একই সঙ্গে হকারদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের কথাও বলা হয়েছে।
হকার পুনর্বাসনের জন্য ৫ বছর মেয়াদি একটি মহাপরিকল্পনা গ্রহণের প্রস্তাব রয়েছে, যাতে এই খাতকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে আনা যায়। এছাড়া শহরের বিভিন্ন মার্কেটে হকারদের জন্য বিশেষ কর্ণার স্থাপন, তরুণ হকারদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার বিষয়টিও এই পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত।
২০১৭ সালের ১৫ মার্চ হাইকোর্ট পুনর্বাসন ছাড়া ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ কার্যক্রম কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে নাÑ তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। শুনানিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল সরকার হকার উচ্ছেদ ও পুনর্বাসন বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছিল, যেখানে অস্থায়ী বাজার চালু ও স্থায়ীভাবে বহুতল মার্কেটে পুনর্বাসনের কথা বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২০-এ ‘কর্মই শক্তি’ নীতির মাধ্যমে কাজের মর্যাদা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, হকারদের শ্রমনির্ভর জীবিকা কোনোভাবেই অবৈধ নয়, বরং তা সম্মান ও সুরক্ষার দাবিদার।
অনুচ্ছেদ ৩১ নাগরিকের আইনের দৃষ্টিতে সমতা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করে। কিন্তু বাস্তবে হকাররা উচ্ছেদ, হয়রানি ও মালামাল নষ্ট হওয়ার মতো ঘটনায় এই সুরক্ষা থেকে প্রাায়ই বঞ্চিত হন, যা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঘোষণা দিয়ে আমাদের উচ্ছেদ করেছে সরকার। সরিয়ে দিয়েছে দোকানপাট। কিন্তু আমাদের পুনর্বাসনে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রক্রিয়া শুরু করেনি। ফলে বাধ্য হয়ে আমরা দোকান খুলেছি।
ব্যবসায়ীরা মনে করেন বিগত সময়ের মতো রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতা ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় তারা আবার পুরোদমে ফুটপাতের চাদা ব্যবসায় ফিরতে চায়। ইতোমধ্যেই তাদের এমন সিগন্যালও দেওয়া হচ্ছে উচ্চমহল থেকে। সে কারণে পুলিশের নির্দেশনা উপেক্ষা করে রাস্তায় ফিরতে শুরু করেছেন তারা।
বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী জানান, যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তারাই হকারদের উচ্ছেদের অভিযান চালায়। এভাবে উচ্ছেদের মাধ্যমে তারা বাণিজ্যের পরিবেশ তৈরি করে।
টাকার মাধ্যমে নতুন নতুন হকারদের বসিয়ে দেয়।
এই কার্যক্রম করার জন্য বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল সক্রিয় রয়েছে। তারা সবকিছু নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়।
এজন্য উচ্ছেদ অভিযান করা হচ্ছে।
ডিএমপির উচ্ছেদ অভিযানে জরিমানা সাড়ে তিন লাখ, ১৩ জনের সাজা : এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক ও ফুটপাতের অবৈধ দোকানপাট গতকাল শনিবারও সমন্বিত অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।
রাজধানী ঢাকার ফুটপাতের হকারদের উচ্ছেদ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন।
হকার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াত বলেন, একদিকে ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি প্রশাসকরা হকারদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দিচ্ছেন, অন্যদিকে ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশে চলছে উচ্ছেদ অভিযান- যা স্পষ্টতই পরস্পরবিরোধী অবস্থান তৈরি করেছে।
এই ‘দ্বৈত নীতি’ হকারদের জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি এও অভিযোগ করেন, প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণে সাধারণ হকারদের ওপরই চাপ পড়ছে।
উল্লেখ্য, দেশের সংবিধানের পঞ্চদশ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে “রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে...যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায় ঃ... (খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসংগত মজুরির বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;...”। অর্থাৎ প্রতিটি কর্মক্ষম নাগরিকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হলো রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সরকারের দায়িত্ব। তাই ‘হকার উচ্ছেদ অভিযানকে’ শুধু অমানবিক ও অনৈসলামিক নয়।
পাশাপাশি এ অমানবিক কাজ সংবিধানের প্রায় ১২টি অনুচ্ছেদের সাথে চরম সাংঘর্ষিক।
পর্যবেক্ষকমহল মনে করছেন সরকার যেখানে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড ইত্যাদি অনেক মুখরোচক কার্ড বিতরণ করছেন, সেখানে হকাররা বাদ পড়লো কেনো? সরকার কী তবে মনে করে হকাররা অনেক অতি সুখে আছে? তবে হকাররা অত সুখ চায় না। তারা শুধু তাদের বেচে থাকার ব্যবসা করার অধিকারই চায়। তাও যদি না পায় তবে বৈষম্য বিরোধী সংশ্লিষ্ট বিরোধি আন্দোলনের সুফল কার ঘরে যায়.?
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আকাশের অতন্দ্র প্রহরী: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও আবহাওয়া রাডার অবকাঠামোর মহাপরিকল্পনা কেন জরুরি? (১ম পর্ব)
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর ২০২৫) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কিন্তু গতকাল গুগল, ফেইসবুকে অসংখ্য আইডি থেকে প্রচারিত- ‘তারেক রমমান নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ) আমেরিকাকে দিয়ে দিয়েছেন নারিকেল দ্বীপ এখন মার্কিন ঘাটি হবে’- ইত্যকার প্রচারণা দেশবাসীকে হতভম্ব করছে। সর্বপোরি সরকারের দলীয় বা প্রশাসনের তরফ থেকে এটাকে গুজব না বলায়- হতাশা চরম আকার ধারণ করেছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বর্বর আম্রিকা আর সন্ত্রাসী ইসরাইলের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কিন্তু মুসলিম দেশ ইয়েমেন থেকে শুরু করে সোমালিয়া-লিবিয়া হতে সুদানে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ চালিয়ে রাখছে আরব-আমিরাত ভয়াবহ মানবেতর সংকটে সুদান, সহিংসতা-রোগ-দুর্ভিক্ষে দিশাহারা মানুষ সুদানের রক্তপাত বন্ধে মুসলিম বিশ্বকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে এক্ষুনি
২১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে এক শতাংশ ছাড়! এ কেমন কালোচুক্তি? প্রকৃতপক্ষে গোলামীর চুক্তি
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












