ফারাক্কা মরণ বাঁধ, তিস্তার পানি বন্ধের পর, ভারত এখন মেঘালয়ে মিন্টডু ও কিনশি নদীতে ৭টি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প করতে যাচ্ছে।
এতে বাধাগ্রস্ত হবে বাংলাদেশের সারি- গোয়াইন নদী, যাদুকাটা নদী ও সুরমা নদীর প্রবাহ। হবে বহুমাত্রিক ও অনেক বড় ক্ষতি সরকারকে এর শক্ত প্রতিবাদ জানাতে হবে। কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে ইনশাআল্লাহ। (১ম পর্ব)
, ১৬ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৫ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৫ মে, ২০২৬ খ্রি:, ২৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
ভারত গত ৫৫ বছরেও বাংলাদেশকে তিস্তার পানি বন্টনের ন্যায্য হিস্যা দেয়নি। বরং বর্ষার মৌসুমে তিস্তার পানি ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বন্যার পানিতে চুবায়া মারে আর গৃষ্মের সময়ে মরুভুমি বানিয়ে সমস্ত ফসলকে ধ্বংস করে ভারত নির্ভরশীল করে তুলতে চাচ্ছে। টিপাইমুখসহ উজানের নদীগুলোর পানি নিয়ে প্রভুত্ব কায়েম করছে ভারত অন্যায়ভাবে এবং এটি চলমান। পানি বন্টনের ক্ষেত্রে ক্রমাগত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেই চলছে ভারত।
১৩ এপ্রিল ২০২৬, প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অভিন্ন নদীতে অন্তত ৭টি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করবে ভারত। উত্তর-পূর্ব ভারতীয় রাজ্য মেঘালয়ের দু’টি আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থার উপর অন্তত সাতটি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে ভারত। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব কোনার ঠিক উত্তরে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর প্রায় ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি গভীর সবুজ এলাকা যা উত্তর-পূর্ব ভারতীয় রাজ্য মেঘালয়ের খাসি পাহাড়ের উপর অবস্থিত একটি ঘন জঙ্গলে আচ্ছাদিত পাহাড়ি এলাকা।
ওই গভীর সবুজ অংশের ডান দিক থেকে, মেঘালয়ের জয়ন্তিয়া পাহাড়ের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মিন্টডু নদী বাংলাদেশের সমভূমিতে প্রবেশ করার পর সারি-গোয়াইন নামে পরিচিত। বাম দিক থেকে কিনশি নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে যাদুকাটা নামে পরিচিত হয়। উভয় নদীই সুরমা নদী হয়ে মেঘনায় মিলেছে। সুরমাও একটি আন্তঃসীমান্ত নদী, যা ভারতে বরাক নামে পরিচিত।
যদি মেঘালয়ের পানিবিদ্যুৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা পরিকল্পিতভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে মিন্টডু ও কিনশি নদীর উপর অন্তত সাতটি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প থাকবে। ভারত এখনো তিস্তার পানি বণ্টনে রাজি নয়।
২০১৩ সালে ভারত প্রথম পর্যায়ের ভাটির দিকে মিন্টডু-লেশকা প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় নির্মাণের ঘোষণা দিলে সাবেক আওয়ামী সরকার নামমাত্র আপত্তি জানায়। তারপর বিষয়টি যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় স্থান পায়। এখন মিন্টডু-লেশকা দ্বিতীয় পর্যায় (২১০ মেগাওয়াট) প্রকল্পটি গতি পেয়েছে। রাজ্য সরকারের ‘জোরালোভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া’ মিন্টডু-লেশকা দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্পের বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (ডিপিআর) সম্পন্ন হয়েছে।
মিন্টডু-লেশকা প্রথম পর্যায় (১২৬ মেগাওয়াট)-এর উজানে অবস্থিত সেলিম (১৭০ মেগাওয়াট) পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পটিও পুনরুজ্জীবিত হয়েছে। এর বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন বর্তমানে প্রস্তুত করা হচ্ছে।
বর্তমানে মেঘালয়ের ১০টি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে মোট ৩৭৮.২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে। রাজ্যের সর্বশেষ বৃহৎ পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পটি ২০১৭ সালে চালু হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের নতুন বিদ্যুৎ নীতি প্রণয়নের পর থেকে অতিরিক্ত পানিবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নতুন করে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
স্বল্প দূরত্বের মধ্যে যেকোনো নদীর উপর তিনটি বাঁধের একটি ধারাবাহিক নির্মাণ, যার মধ্যে প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত, প্রবাহের পরিমাণ, ধরন এবং পানিধার এলাকার অবক্ষয়ের ক্ষেত্রে একাধিক প্রভাব ফেলবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১১)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বর্তমান জ্বালানী সংকটে অনেক দেশই এখন কয়লার দিকে ঝুকছে। কয়লার উপর নির্ভরতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। দেশে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুদ থাকার পরও রহস্যজনকভাবে তা উত্তোলনে আগ্রহ নেই সরকারের। ৭ হাজার ৮০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদের দেশে কয়লার ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ কেন?
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












