মন্তব্য কলাম
সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধ: বিদ্যুৎ বাঁচানোর নামে অর্থনীতি ধ্বংস এবং দারিদ্রতা বৃদ্ধি করে দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা
, ০৮ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৭ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ১৪ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা বলে দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুনতে ভালো লাগে-সংকট, সাশ্রয়, দায়িত্বশীলতা। কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই উল্টো। এই সিদ্ধান্ত সরাসরি অর্থনীতির ওপর আঘাত। এবং অথনৈতিক মন্দার মাধ্যমে ঈমানহারা করা। পবিত্র হাদিছ শরীফে রয়েছেন, অভাব-অনটন মানুষেল কুফরী বৃদ্ধি করে।
বাংলাদেশে খুচরা ব্যবসার আসল সময় কখন? সকাল না, দুপুর না- সন্ধ্যা ৭টার পর। অফিস শেষ করে মানুষ বাসায় ফিরে, তারপরই বের হয় কেনাকাটায়। রাত ৭টা থেকে ১০টা -এই তিন ঘণ্টাই ব্যবসার প্রাণ। ঠিক এই সময়টাকেই বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
এখন সহজ হিসাব করি। একটি দোকান দিনে কয়েক হাজার থেকে কয়েক দশ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করে। এই আয়ে চলে দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতন, মালিকের সংসার। আর বিদ্যুৎ খরচ? ১০০, ২০০, ৫০০ টাকা। অর্থাৎ কয়েকশ টাকা বাঁচাতে হাজার হাজার টাকার অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এটাকে কি সাশ্রয় বলা যায়, নাকি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত? প্রকৃতপক্ষে এটা হলো দারিদ্রতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করা।
একটি দোকান মানে শুধু একটি দোকান নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পুরো “উৎপাদন-সরবরাহ শৃঙ্খল” -গার্মেন্টস, কারখানা, প্যাকেজিং, পরিবহন, এমনকি ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারক পর্যন্ত। খুচরা বিক্রি কমে গেলে এই পুরো চেইন ধাক্কা খায়। ফলাফল- উৎপাদন কমে, আয় কমে, কর্মসংস্থান কমে।
তাহলে প্রশ্ন- সমস্যার সমাধান কি ব্যবসা বন্ধ করা? বিদ্যুৎ সংকট থাকতেই পারে। কিন্তু সমাধান কি অর্থনীতির চাকা থামিয়ে দেওয়া?
কখনই না।
তাহলে বিকল্প কী ?
বিকল্প হিসেবে- মার্কেটগুলোতে সোলার প্যানেল বাধ্যতামূলক করা যায়। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় অপচয় কমানো যায়। জ্বালানি সরবরাহের নতুন উৎস খোঁজা যায়। বিশেষ করে দেশী উৎস থেকে তেল, গ্যাস, কয়লা সংগ্রহ করে সেখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা।
কিন্তু সে দিকে না এগিয়ে, সংকটের নামে নীতি নির্ধারক মহলের প্রথম প্রতিক্রিয়া হচ্ছে “বন্ধ করে দাও”। যা অর্থনীতির জন্য বিধ্বংসীকর।
সবচেয়ে সহজ- ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধ করা, বিদ্যুৎ সাশ্রয় নয়, এটি অর্থনৈতিক কার্যক্রম সংকুচিত করার সিদ্ধান্ত। এতে বিদ্যুৎ কিছুটা বাঁচতে পারে, কিন্তু ক্ষতি হবে বহুগুণ বেশি।
অবশ্যই, সংকটের সময় সাহসী সিদ্ধান্ত দরকার। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত যদি বাস্তবতা উপেক্ষা করে নেওয়া হয়, তাহলে সেটি সমাধান নয়- সমস্যাকেই আরও বড় করে তোলে।
-আমিমুল ইসলাম।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সরকারের ঋণের পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ কোটি টাকা
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












