ফারাক্কা মরণ বাধ, তিস্তার পানি বন্ধের পর, ভারত এখন মেঘালয়ে মিন্টডু ও কিনশি নদীতে ৭টি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প করতে যাচ্ছে। এতে বাধাগ্রস্থ হবে বাংলাদেশের সারি- গোয়াইন নদী, যাদুকাটা নদী ও সুরমা নদীর প্রবাহ। হবে বহুমাত্রিক ও অনেক বড় ক্ষতি সরকারকে এর শক্ত প্রতিবাদ জানাতে হবে। কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে ইনশাআল্লাহ। (২য় পর্ব)
, ১৭ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৬ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৬ মে, ২০২৬ খ্রি:, ২৪ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
বাংলাদেশের নৃতাত্ত্বিক গবেষকরা জানিয়েছে, “এই আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর যেকোনোটিতে ধারাবাহিক বাঁধ নির্মাণ বাংলাদেশের সমভূমির সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে প্রভাব ফেলে, যেখানে পানি ও ধ্বংসাবশেষ উভয়ই চাষের জমি ও বাড়িঘরের ক্ষতি করে।”
এই প্রকল্পের কারণে নদীতে থাকা সব মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। খনি-সংক্রান্ত দূষণের কারণে নদীর পানির অমøতা বেড়ে যাওয়ায় মাছের উপস্থিতি ইতিমধ্যেই কমে গিয়েছিল। একটি সরকারি প্রতিবেদনে সুত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পের জন্য নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে অবশিষ্ট পরিযায়ী মাছ, বিশেষ করে ইলিশ বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’কে বলা হয়েছে যে, প্রথম পর্যায়ের প্রকল্পের পানি ছাড়ার ফলে সৃষ্ট প্রবল স্রোতের কারণে, বিশেষ করে বর্ষাকালে, গ্রামবাসীদের ইতিমধ্যেই ক্ষতি হয়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন যে নতুন প্রকল্পটি কৃষি কার্যক্রম, বিশেষ করে সুপারি চাষকেও প্রভাবিত করবে।
পাহাড়ি এলাকাগুলো এমনিতেই খরাপ্রবণ, অথচ নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলো উর্বর এবং চাষাবাদের জন্য উপযুক্ত। প্রকল্পটির কারণে যদি নদী শুকিয়ে যায়, তবে স্থানীয় মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নদীর তীরের গ্রামগুলোতে বসবাসকারী মানুষ বালু উত্তোলন ও মাছ ধরা থেকে তাদের জীবিকা হারাবে। সাউথ এশিয়া নেটওয়ার্ক অব ড্যামস, রিভার্স সমন্বয়ক বলেছে, একাধিক রান-অব-দ্য-রিভার প্রকল্প এই অঞ্চলে ভাঙন, ভূমিধস, ভূমিকম্প এবং আকস্মিক বন্যার মতো দুরে্যাগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে।
পানিবণ্টন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি প্রধান বিরোধের বিষয়। তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি আটকে থাকার পরিপ্রেক্ষিতে মিন্টডু ও কিনশি নদীতে ভারতের একতরফা প্রকল্প বাংলাদেশের জন্য নূতন করে ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হবে। নূতন সরকারকে সঙ্গতকারণে এর বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ জানাতে হবে। কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে। তবেই তাদের প্রচারিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগান সত্য হবে ইনশাআল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সরকারের এক মূর্খ মন্ত্রী বলেছে তেলের দাম বৃদ্ধিতে মূল্যস্ফীতি হবে না। অথচ তেলের দাম বৃদ্ধিতে প্রথম দাম বাড়বে খাদ্যের।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে কথিত ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারত এবং পতিত আওয়ামীলীগ চাচ্ছে বাংলাদেশে তথাকথিত জঙ্গী তৎপরতা প্রমাণ করতে।
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমানকে ‘মুসলমানিত্ব’ বুঝতে হবে। ‘আশহাদু আন্না মুহম্মাদার রসূলুল্লাহ’ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাক্বীক্বীভাবে বলতে হবে ও আমলে আনতে হবে।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রতি বছর শুধু অসুস্থতার কারণে প্রায় ৬৪ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের শিকার হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রধানমন্ত্রী নিজেই ‘মাননীয়’ শব্দ বাদ দেয়া শুরু করেছেন। বাতিল হয়েছে ‘রাষ্ট্রপতির’ সাথে ‘মহামান্য’ শব্দ ব্যবহারও।
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক ব্যয় গত দশকগুলোতে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি মূলত বেতন, স্থায়ী খরচ এবং চলমান পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়েছে। তবে সামরিক আধুনিকায়ন, সমরাস্ত্র ক্রয় এবং নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের জন্য মোট বাজেটের মাত্র ২-৪ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাম্প্রতিক ঐতিহাসিক বৈদ্যুতিক সংকটকে আরো ঘণীভূত করেছে, দেশকে টাল-মাটাল করেছে আমেরিকান কোম্পানী এক্সিলারেট এনার্জি। তাদের ২০৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ এবং বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা লুটতরাজের টেকসই পরিকল্পনা।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!!!!
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর ড্রোন সক্ষমতা বাড়াতে বাজেট মাত্র ৫৭০ কোটি টাকা!!!!!!!!!!!
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












