মন্তব্য কলাম
চিনিকল খোলার দাবীতে আন্দোলন করছে শ্রমিকরা। বিদেশিরা চিনিকল চালু, বিনিয়োগ ও লাভের সম্ভাবনা দেখতে পেলেও সরকার তা দেখতে পাচ্ছে না কেন চিনিকল বন্ধ থাকলে রাষ্ট্র হারায় সম্পদ, লুণ্ঠনকারীদের হয় পোয়াবারো।
, ০৫ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৪ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৪ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
যার সুফল ভোগ করছে মুষ্টিমেয় কয়েকজন আর দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ২৫ হাজার শ্রমিক, পাঁচ লাখ কৃষক পরিবার আর পরোক্ষভাবে এর সঙ্গে যুক্ত ৫০ লাখের ও অধিক মানুষ।
চিনিকলের জায়গা দখলের সঙ্গে সঙ্গে পরিশোধিত চিনির উপর নির্ভরশীল করে
একচেটিয়া ব্যবসা করার স্বার্থে চিনিকল বন্ধ রাখার তৎপরতা চলছে।
তিন দাবিতে ফটক সভা ও বিক্ষোভ করেছেন জয়পুরহাট চিনিকল শ্রমিকরা। চিনিকলের অস্থায়ী ইউনিয়ন ভবন কার্যালয়ে শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের উদ্যোগে গত সপ্তাহে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিক নেতারা।
রংপুর চিনিকল প্রায় ছয় বছর ধরে বন্ধ। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় অযতœ-অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে মিলের কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পদ। শুধু জয়পুরহাট আর গাইবান্ধা নয় সারা দেশের সব চিনিকলেই একই অবস্থা। অন্যদিকে চিনিকল চালু না হওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন মিল সংশ্লিষ্ট হাজার হাজার শ্রমিক-কর্মচারী।
২০২০ সালের ৪ ডিসেম্বর ২১টি চিনিকলের মধ্যে ছয়টি বন্ধ করে দেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। সেগুলো ছিল-শ্যামপুর, সেতাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, পাবনা, পঞ্চগড় ও রংপুর চিনিকল। এরপর থেকে প্রতিবছর সেগুলো চালু করতে নানান দাবি ও কর্মসূচি দিয়ে আসছে বন্ধ মিলগুলোর শ্রমিক-কর্মচারীসহ দেশীয় চিনিশিল্প রক্ষার সঙ্গে সহমত পোষণ করা সংগঠনগুলো।
বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে নিয়ে দেশের রুগ্ন ও বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সরকার বিএডিসি, বিমান, রেলসহ বিভিন্ন সংস্থায় হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে আসছে। সে তুলনায় চিনিশিল্পের ভর্তুকির পরিমাণ অত্যন্ত কম। অথচ এই শিল্পে মূল্যসংযোজন এক শ ভাগ। টেকসই উন্নয়নের সরকারি নীতির সঙ্গে চিনিশিল্পের উন্নয়ন সামঞ্জস্যপূর্ণ।
স্বাধীনতার পর আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের মতো ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সুগার মিলস করপোরেশন গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ সুগার মিলস করপোরেশন ও বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশন গঠন করা হয়। এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। চিনিকল এবং বিভিন্ন ধরণের খাদ্যশিল্প প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৭২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন গড়ে তোলা হয়েছিল।
প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের এক সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি চিনিকলগুলোর লোকসানে থাকার মূল কারণ পাঁচটি।
প্রথমত, কোনো কারণ ছাড়াই এই কারখানাগুলোয় উৎপাদিত চিনির ব্যয় বেশি।
দ্বিতীয়ত, এসব কারখানার চিনির দাম বেশি হওয়ায় বাজারে বিক্রি হয় না। বিক্রি না হওয়ায় মূলধন আটকে যাচ্ছে, আর এর ফলে বাড়ছে ব্যাংক ঋণের সুদের পরিমাণ।
তৃতীয়ত, সরকারি চিনিকলগুলোয় ব্যবহৃত প্রধান কাঁচামাল আখ পাওয়া যায় না। আখের অভাবে চিনিকলগুলো বন্ধ থাকে মাসের পর মাস। তবে বন্ধ থাকলেও শ্রমিকদের বসিয়ে বসিয়ে সারা বছরের বেতনভাতা দিতে হয়। ফলে লোকসানের পরিমাণও বাড়ছে।
চতুর্থ কারণ, উৎপাদিত চিনি বিক্রি না হওয়ায় যথাসময়ে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করা যাচ্ছে না। যে কারণে প্রতিদিন ব্যাংকগুলোর কাছে চিনিকলগুলোর দায় বাড়ছে।
পঞ্চমত, আখ চাষে কৃষকের আগ্রহ কমে গেছে। কারখানাগুলোয় আখ সরবরাহ করতে সরকারি দলের আধিপত্য বিস্তার, সরকারি কর্মকর্তাদের নানা রকম ঝামেলা এবং সরবরাহ করা আখের মূল্য সময়মতো না পাওয়ায় চাষিরা আখ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। সারা বছর কারখানা চালু রাখার মতো আখ পাওয়া যায় না। বছরের প্রায় নয় মাসই কারখানা বন্ধ রাখার ফলে লোকসান বাড়ছে।
অনুসন্ধানে আর একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে, আখ উৎপাদনের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে আখ চাষিদের কারখানার মাধ্যমে যে ঋণ দেওয়া হয়, চাষিরা সেই ঋণের টাকা যথাসময়ে পরিশোধ করলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ পুরো টাকা ব্যাংকে পরিশোধ করে না। তাতে শুধু ঋণের পরিমাণ বাড়ে তাই নয়, ঋণের সুদ জমতে থাকে। এর দায় এসে পরে চিনিকলের উপর। এটাকে কোন ধরনের দুর্নীতি বলা যাবে?
প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের শনাক্ত করা এসব কারণ ছাড়াও অন্যান্য কারণে সরকারি চিনিকলগুলো লোকসান দেয়। রাজনৈতিক প্রভাবে অধিক জনবল নিয়োগ, কাঁচামাল বা উৎপাদিত পণ্য পরিবহনের যানবাহন কারখানার কর্মকর্তা বা সিবিএ নেতাদের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার, জ্বালানি তেলের অতিরিক্ত বিল আদায়, উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণের জন্য বিপণন ব্যবস্থা না থাকা, পণ্যের প্রচারণার অভাব সরকারি চিনিকলগুলোর লোকসানের কারণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
এর সব কারণের সঙ্গে যুক্ত আছে রাষ্ট্র ক্ষমতা আর দুর্নীতি। যার সুফল ভোগ করছে মুষ্টিমেয় কয়েকজন আর দুর্ভোগ পোহাবে ২৫ হাজার শ্রমিক, পাঁচ লাখ কৃষক পরিবার আর পরোক্ষভাবে এর সঙ্গে যুক্ত ৫০ লাখের ও অধিক মানুষ। চিনিকল বন্ধ হলে রাষ্ট্র হারাবে সম্পদ, লুণ্ঠনকারীদের হবে পোয়াবারো। চিনিকলের জায়গা দখলের সঙ্গে সঙ্গে পরিশোধিত চিনির উপর নির্ভরশীল করে একচেটিয়া ব্যবসা করার স্বার্থে চিনিকল বন্ধ রাখার তৎপরতা চলছে।
চিনিকলগুলো শুধু মুনাফার লক্ষ্যে উৎপাদন করত না। অনেক ধরনের সামাজিক দায়িত্ব তারা পালন করত। যেমন ছাত্র বৃত্তি দিয়ে দরিদ্র মেধাবী ছাত্রদের শিক্ষা অব্যাহত রাখা, স্কুল, রাস্তা ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণসহ অনেক কাজ করা হয় চিনিকলের টাকায়। সে সব কিছু বিবেচনায় না নিয়ে লোকসান কমানোর প্রথম ধাপ হিসেবে ছয়টি চিনিকল বন্ধ করা হয়েছে।
লোকসানের হাতি পুষবেন না একথা বলার পাশাপাশি আবার কর্তৃপক্ষ বলছে, জাপান ও থাইল্যান্ড নাকি আমাদের চিনিকলগুলোতে পাঁচ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চায়। বিদেশিরা চিনিকল চালু, বিনিয়োগ ও লাভের সম্ভাবনা দেখতে পেলেও সরকার তা দেখতে পাচ্ছে না কেন বিষয়টি বুঝতে খুব একটা অসুবিধা হচ্ছে না।
দেশের ৬টি চিনিকল বন্ধ করেছে সরকার। বন্ধের কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে - দীর্ঘদিন ধরে এ খাতে সরকার লোকসান গুনছে। কিন্তু লোকসানের প্রকৃত কারণ কী, লোকসানের জন্য কারা দায়ী - এই বিষয়গুলো সরকার বরাবরের মতো জনগণকে জানতে দেয় না।
একটু খতিয়ে দেখলেই স্পষ্ট বোঝা যায়, লোকসানের পেছনের দায় করপোরেশনের কর্তাদের দুর্নীতি-লুটপাট, অব্যবস্থাপনা ও সরকারের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু চিনি নীতির অভাব।
এর আগে সরকার বন্ধ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকল। এর মধ্য দিয়ে বেকার হয়েছে স্থায়ী-অস্থায়ী প্রায় লক্ষাধিক শ্রমিক। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাট চাষ, বিপণন ও ব্যবসার সাথে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জড়িত প্রায় ৫০ লাখের ও অধিক মানুষ।
চিনিকলগুলোতে সরাসরি কর্মসংস্থান রয়েছে ১৬ হাজার লোকের। আর বন্ধ হওয়া ৬টি কলে কর্মরত আছেন ২ হাজার ৮৮৪ জন শ্রমিক-কর্মচারী-কর্মকর্তা। আখচাষে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত আছেন ৫ লাখ কৃষক।
সব মিলিয়ে এ খাতে ৫০ লাখের ও অধিক মানুষের জীবন-জীবিকা নির্বাহ হয়। বহু চিনিকলে ৩-৪ মাসের মজুরি ও বেতন বকেয়া পড়েছে। পাওনার দাবিতে শ্রমিকরা প্রায়ই রাস্তায় নামছেন, আন্দোলনে সামিল হচ্ছেন।
বাজারে গিয়ে দেশি লাল চিনি খুঁজলে পাওয়া যায় না। অথচ একটা সরকারি বিজ্ঞাপনে গ্রাহককে লাল চিনি কিনতে বলা হচ্ছে, নতুবা চিনিকলের কর্মচারীদের বেতন দিতে না পারায় তা বন্ধ হয়ে যাবে। এখন কথা হলো, সাদা চিনিতে যে রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া হয় তা এড়ানোর জন্য হলেও এ দেশের ৫০ শতাংশ মানুষ লাল চিনি কিনতে চান, যার জোগান দেওয়ার মতো সক্ষমতা চিনিকলগুলোর নেই। একটা দোকানেও সরকারি কোম্পানির এই লাল চিনি পাওয়া যায় না। এখন ভোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা না করেই যদি বলে, মানুষ কেনে না বলে চিনিকল বন্ধ করে দিতে হবে- এর চেয়ে প্রহসন আর কিছু হয় না। পাটের মতো সরকারি চিনিও যাতে বেসরকারি খাতে বা আমদানিনির্ভর পণ্য হয়ে উঠতে পারে, সেই ব্যবস্থা করার পাঁয়তারা চলছে না তো! অথচ একটা সঠিক মার্কেটিং পলিসি প্রয়োগ করলেই সব চিনি বিক্রি হয়ে যায়। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো সফল মার্কেটিং কনসেপ্ট প্রয়োগ করে তাদের সব প্রোডাক্ট বিক্রি করে দিতে পারছে, আর দেশের সরকারি কর্মকর্তারা তাদের কর্মদক্ষতা প্রয়োগ করে সামান্য চিনি বিক্রি করতে পারছেন না, এ কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়।
এর আগে আমরা দেখেছি সরকারি পাটকলগুলো কীভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের নামে, অথচ দেশ হয়ে পড়ছে গুটিকয় স্বার্থান্বেষী মানুষের জন্য আমদানিনির্ভর এবং ঋণে জর্জরিত। আমদাানিনির্ভরতা উন্নয়নের বিপরীত।
প্রত্যন্ত অঞ্চলের আর্থসামাজিক ও অবকাঠামো উন্নয়নে এই চিনিকলগুলোর ব্যাপক অবদান রয়েছে। তাই বন্ধ না করে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চিনিকলগুলো আধুনিকায়ন ও বহুমুখী পণ্য উৎপাদন করার জন্য দক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত বিনিয়োগ করা প্রয়োজন।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
উৎপাদনহীন অর্থনীতি: সংকটের মূল কোথায়?
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
“স্কুলে সংস্কৃতি চর্চা হলে দেশে উগ্রবাদ থাকবে না” নতুন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর এ বক্তব্য ফ্যাসিস্ট গত সরকার, তার ইসলাম বিরোধী সংস্কৃতি নীতি ও কুখ্যাত আওয়ামী সংস্কৃতিমন্ত্রীর হুবহু কণ্ঠস্বর। সংস্কৃতির নামে ঠগ সঙ্গীত, ঠগ বন্দনা, নাচ-গান তথা হিন্দুয়ানী সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা ছিল আওয়ামী রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। দ্বীনদার মুসলমান ও সন্ত্রাসবাদের নাটক ছিলো তাদের, ইসলাম দমনের হাতিয়ার।
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার অনবদ্য তাজদীদ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসী’ সম্পর্কে জানা ও পালন করা এবং শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের জন্য ফরয। মুসলমান আর কতকাল গাফিল ও জাহিল থাকবে?
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
লালদিয়া: উন্নয়নের স্বপ্ন, নাকি সার্বভৌমত্বের সওদা?
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার দোয়ার বরকতে প্রতি বছরই বাড়ছে বাংলাদেশের ভূখ-। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিভিন্ন নদীর মোহনায় যে চর পড়েছে তা সুপরিকল্পিতভাবে সুরক্ষা ও উদ্ধার করা হলে অন্তত ১ লাখ বর্গকিলোমিটার ভূমি উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আইনের খাঁচায় বন্দি বিচার, আর কতকাল নিখোঁজ থাকবেন নওমুসলিম ’জারা’?
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না। যানজট নিরসনের মূল কারণ চিহ্নিত ও পদক্ষেপ নিতে না পারাই ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ। (৫)
২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সিলেটের সবুজ অরণ্যে পাপাচারের কালো ছায়া-চা বাগানের পৌত্তলিক শ্রমিকদের মদ্যপতা ও অনৈতিকতা: উম্মাহর জন্য এক সতর্কসংকেত
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ডলারের শিকল ভাঙা: গোল্ড রিজার্ভ, ডলার বর্জন এবং মুসলিম বিশে^র অভিন্ন মুদ্রার দাবি
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
৯৮ শতাংশ মুসলমানের দেশে এ কেমন ধৃষ্টতা? কুড়িগ্রামে মুসলমান যখন নিজ ভূমে পরবাসী!
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মাদক পাচারের কলঙ্কিত ইতিহাস নিয়ে মেডলগ-এর হাতে পানগাঁও বন্দর তুলে দেয়া কি সঠিক?
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সৌদি জনগণের চরম বিরোধীতা এবং আতঙ্ক প্রকাশের পরও মার্কিন ঘাটি স্থাপন হয়। ৬০০ বিলিয়ন সামরিক চুক্তি এবং ১ ট্রিলিয়ন বিনিয়োগ চুক্তির পরও ড্রাম্প সৌদি যুবরাজকে অপমান করেছে। আর ভ্রাতৃপ্রতীম পাকিস্তান ঠিকই চুক্তি অনুযায়ী সৌদিকে সহায়তায় এগিয়ে আসছে।
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












