মন্তব্য কলাম
এক সাগরে দুই চিত্র দেশের জেলেদের উপর পুলিশি সাড়াশী অভিযান আর ভারতীয় জেলেদের ক্ষেত্রে চোখ কান বন্ধ রেখে মাছ লুটের অবাধ সুযোগ করে দেয়া নিষেধাজ্ঞার সুফল পায়- ভারতীয় জেলে আর ঠকে এদেশীয় জেলে ও গণমানুষ।
, ০৮ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৭ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ১৪ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
সরকার ঘোষিত মৎস্য আহরণ নিষেধাজ্ঞায় মরার উপর খাড়ার ঘা অবস্থা হয় দেশের জেলেদের।
বৈষম্যবিরোধী দল বলে দাবীদার, এন.সি.পির এমপিও জেলের আহাজারিতে কান দেয়নি।
নিভৃতেই চলছে জেলেদের নীরব কান্না।
‘সবার আগে বাংলাদেশ’- দাবীদার সরকারের কাছে এমনটা কি করে আশা করা যায়?
(১)
নোয়াখালীর হাতিয়ায় অসুস্থ এক জেলের চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। মিরাজ উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি গত ২০ শে এপ্রিল ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা (এন.সি.পি) এবং নোয়াখালী-৬ আসনের এমপি আবদুল হান্নান মাসউদের কাছে সহায়তা চেয়েও যথাসময়ে সাড়া পাননি ওই জেলে।
এই অভিযোগের জবাবে নিজের ফেসবুক পোস্টে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেছে এম.পি. হান্নান মাসউদ।
কিন্তু শুধু দুঃখ প্রকাশই সার। স্বাধীনতার ৫৫ বৎসরেও জেলেদের দুঃখগাথা কমেনি। বরং জমছে বছরের পর পর বছর।
প্রসঙ্গত, বঙ্গোপসাগরে ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের অবাধ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে ৫৮ দিনের মৎস্য আহরণ নিষেধাজ্ঞা। সরকারের এই আদেশ অনুযায়ী আগামী ১১ জুন পর্যন্ত সাগরে সব ধরণের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্রগামী জেলেকে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে ৫৮ দিনের জন্য খাদ্যসহায়তার চাল দেওয়ার কথা।
তবে অভিযোগ রয়েছে, অধিকাংশ জেলে পরিবারে এখনো পৌঁছায়নি এই সরকারি সহায়তা। মো. বাবুল নামে এক জেলে বলেন, ‘আমরা সাগরে অনেক কষ্ট করে মাছ ধরি। এখন সরকার সাগরে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আমরা শুধু সাগরে জাল ফেলা আর টানা শিখেছি, অন্য কোনো কাজ জানি না। সরকারি চালও পাচ্ছি না। এখন বাড়িতে বসে থাকা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই। আমরা চলব কী দিয়ে?’
(২)
এদিকে চালের গুণগতমান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেক জেলে। পাশাপাশি ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হতে গিয়ে বিভিন্ন ধরণের অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।
সরকারিভাবে নিবন্ধিত হতে বিভিন্ন পর্যায়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করে দ্বীন ইসলাম। সে বলে, ‘সরকার অনুদান দেয়, কিন্তু আমরা পাই না। মেম্বার-চেয়ারম্যানরা যাদের পছন্দ করেন, শুধু তাদেরই অনুদান দেন। আমার পরিবারে বারো জন সদস্য। আমরা সমুদ্রে যাই তিনজন, কিন্তু শুধু আমাকে কার্ড দেওয়া হয়েছে। তাও কার্ড পেতে পাঁচ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। মেম্বার-চেয়ারম্যানরা সিগনেচার আর কাগজপত্রের জন্য হাজার হাজার টাকা নেয়।’
আরেক জেলে নিজাম শেখ বলেন, ‘৫৮ দিনে ৮০ কেজি চাল দিয়ে জেলেদের সংসার জীবন চলে না। প্রজনন মৌসুম ও জাটকা মৌসুমের জন্য রেশন কার্ড চালু করা দরকার। সাগরে ঝুঁকি নিয়ে মাছ শিকার করতে হয়। অথচ জেলেরা ঝড় কিংবা পানিচ্ছ্বাসে যদি মারা যান, তবে তাদের পরিবারকে খাবারের জন্য রাস্তায় নামতে হয়।’ তাই নিবন্ধনকৃত জেলেদের জন্য ঝুঁকি ভাতা চালুর দাবি জানান তিনি।
কমলনগরের জেলে নুরুল ইসলাম বলেন, “ছোটবেলা থেকে নদীতে নৌকা চালিয়ে সংসার চালাই। ২০-২৫ বছর ধরে মাছ ধরি। কিন্তু এখনো জেলে কার্ড পাইনি।” তিনি জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় কোনো আয় থাকে না, তখন অন্যের জমিতে কাজ করে কোনোমতে সংসার চালাতে হয়।
জেলেরা জানান, বছরে তিনবার মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। প্রতিবারই বিকল্প কোনো না কোনো কাজ খোঁজে নিতে হয়। একদিকে নদী ও সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ, অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধিতে কষ্টে দিন পার করতে হয়। সংসারের ব্যয়ভার বহনের জন্য মহাজনের কাছ থেকে এবং এনজিওর থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি শোধ নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলে পরিবারগুলো।
মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে বছরের নির্দিষ্ট সময়ে নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা এলেই লক্ষ¥ীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলার মেঘনাপাড়ের জেলেদের জীবনে নেমে আসে অনিশ্চয়তা। বছরে প্রায় চার মাস নদীতে মাছ ধরতে না পারায় আয়হীন হয়ে পড়ছেন তাঁরা। সরকারি সহায়তা থাকলেও তা সবার কাছে পৌঁছায় না।
(৩)
‘এটা দুঃখজনক হলেও সত্য যে বড় ট্রলারগুলোর অধিকাংশ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ ধরেছে। এটা এই উদ্যোগের কার্যকারিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।’
জেলেদের অভিযোগ, বাংলাদেশের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার মধ্যে প্রায় ৩৯ দিন ভারতীয় জেলেরা দেদারে বাংলাদেশের পানিসীমায় প্রবেশ করে মাছ ধরে নিয়ে যায়। এতে দেশের লাখ লাখ জেলেকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়। সেই সঙ্গে সরকার যে উদ্দেশে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করত, তা শুধু ব্যাহতই হয় না; বরং দেশের সমুদ্র ও অভ্যন্তরীণ উৎসে মাছের মজুতও হুমকিতে পড়ে।
জেলেরা বলেছেন, ‘দেশের ভালোর জন্য আমরা কষ্ট করতে রাজি। কিন্তু ইন্ডিয়ার ট্রলারগুলো বিনা বাধায় নিষিদ্ধ সময়ে ডিমভরা মাছ শিকার করলে তাতে ক্ষতি ছাড়া কোনো লাভ হচ্ছে না।’
একই সাগরে দুই নিয়ম। বাংলাদেশীরা ঘাটে নোঙর করে থাকলেও বঙ্গোপসাগরে বীরদর্পে মাছ শিকার করছে ভারতীয়রা। তাই সামুদ্রিক মাছের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারের দেয়া নিষেধাজ্ঞা কাজে আসছে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ দিকে একের পর এক নিষেধাজ্ঞায় নাকাল জেলেরা। কর্মহীন জেলে পরিবারগুলোতে চলছে চাপা কান্না। নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা কমিয়ে আনার দাবি তাদের।
বাংলাদেশের পানিসীমায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে ভারতীয় জেলেদের মাছ শিকারের অভিযোগ বেশ পুরনো। এসব জেলে প্রতি বছরই বাংলাদেশের বিপুল টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। নানা সীমাবদ্ধতার কারণে বাংলাদেশের পানিসীমার পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় গভীর সমুদ্রে ভারতীয় জেলেদের অবাধ বিচরণ চলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। চলতি ইলিশ মৌসুমেও ভারতীয় জেলেরা বেপরোয়াভাবে মাছ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশী জেলেরা বলছেন, ভারতীয় জেলেদের কারণে দেশী জেলেদের মাছ শিকার ব্যাহত হচ্ছে। জেলেদের দাবির সত্যতাও মিলছে ভারতীয় জেলে আটক হওয়ার খবরে।
বাংলাদেশের পানিসীমা শেষে ভারতের কাকদ্বীপ এলাকা কাছে। সেখানকার শত শত জেলে এ দেশের পানিসীমায় মাছ ধরতে আসে। মাছ ধরার অত্যাধুনিক সরঞ্জাম থাকায় তারা অনেক বেশি মাছ আহরণ করতে পারে। সাগরে অধিকাংশ সময়ই ভারতীয় জেলেদের উৎপাত বেশি থাকে উল্লেখ করে জেলে খালেক হাওলাদার বলেন, ভারতীয় জেলেরা কারেন্ট জালসহ পাঁচ ধরণের অত্যাধুনিক জাল ব্যবহার করে। তাদের কাছে রয়েছে জিপিএস (বিশেষ সঙ্কেত) নামক বিশেষ ধরণের যন্ত্র। এ যন্ত্রের মাধ্যমে তারা যে পথ দিয়ে আসে, আবার সে পথ দিয়েই ফিরে যায়।
অভিযোগ আছে, ভারতীয় জেলেরা ইচ্ছে করেই বাংলাদেশের পানিসীমায় ঢুকে প্রতিনিয়ত মাছ শিকার করে। তারা এ সময় উন্নতমানের ফিশিং বোট নিয়ে মাছ শিকারের সময় উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বাইনোকুলার দিয়ে ট্রলারে বসে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের তৎপরতায় নজর রাখে। এসব বাহিনীর তৎপরতা দেখলেই দ্রুত নিজেদের পানিসীমায় পালিয়ে যায়। কিন্তু সরকার দেশীয় জেলেদের বিষয়ে যত বজ্র আটুনি দেয়, ভারতীয় ডাকাত তারচেয়েও বেশী ফসকো গেরো পায়।
(৪)
দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে কিছু পেশা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। জেলে, কামার ও কুমার- এই তিনটি পেশা কেবল জীবিকার উৎস নয়; এগুলো বাংলাদেশের উৎপাদন ব্যবস্থা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারক।
অথচ এসব পেশাজীবী আজ প্রান্তিক, অবহেলিত ও বঞ্চিত।
সঙ্গতকারণে প্রশ্ন জাগে- জেলে, কামার, কুমারদের সরকারিভাবে পেশা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া যায় কি না? আর রাষ্ট্রের কাছে তাঁদের অধিকারই বা কী?
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদে নাগরিকের মৌলিক চাহিদা খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
এই প্রেক্ষাপটে জেলে, কামার ও কুমারদের পেশা হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেওয়া কেবল নীতিগত বিষয় নয়; এটি সংবিধান প্রদত্ত রাষ্ট্রের একটি মৌলিক দায়িত্ব।
বাস্তবে এসব পেশা যুগ যুগ ধরে বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় নথি, পরিকল্পনা ও বাজেট কাঠামোতে তারা অনেকাংশেই অনুপস্থিত।
পেশা টিকিয়ে রাখতে সহজ শর্তে ঋণ, প্রশিক্ষণ, বাজারে প্রবেশাধিকার, ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দেশে বিভিন্ন পেশাজীবী গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় সুবিধা পেলেও ঐতিহ্যবাহী এই পেশাগুলো উপেক্ষিত।
এটি কার্যত বড় ধরনের কাঠামোগত বৈষম্য।
পেশার স্বীকৃতি না থাকায় তারা শ্রমিক হিসেবেও পূর্ণ মর্যাদা পায় না, উদ্যোক্তা হিসেবেও নয়।
এই অবস্থা সংবিধানের সমতার নীতির পরিপন্থী।
বাংলাদেশে উপকূলীয় জেলা মোট ২৪টি। বাংলাদেশে জেলে জনসংখ্যা প্রায় দুই কোটি।
মার্চ-এপ্রিল দুই মাস জাটকার জন্য মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এরপর আসে সমুদ্রে ৫৮ দিনের বন্ধ। এরপর অক্টোবরে বন্ধ শুরু হয়। সব মিলে নদী, সমুদ্রে ১৪৮ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকে।
২০১৫ সালে জেলেদের মাছ ধরায় শেষ নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়। বর্তমান ২০২৬ সাল। এই দীর্ঘ সময়টা এভাবে জুলুম আর জেহালতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
জেলে সম্প্রদায় খুবই প্রান্তিক। তারা নানা ধরণের দুঃখ, কষ্ট, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আছে। নদী, সমুদ্রে মাছ ধরা এত সহজ নয়। তারা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরতে যায়।
সঙ্গতকারণেই তীর্যক প্রশ্ন- কৃষক বান্ধব দাবীদার কৃষক কার্ডের হর্তাকর্তারা জেলেদের বিষয়ে উদাাসীন কেনো? যথাযথ জেলে কার্ড হতে আর কত দেরী?
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক কৌশল বাড়ানো উচিত
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিএনপির নেতা কর্মী বর্তমান উপদেষ্টা মন্ত্রীরা-এমপিরাও, সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১২৬ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আম্রিকা, চীন, ভারত, রাশিয়া সবার নজর বাংলাদেশের দিকে।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে চলছে শোষণ প্রকল্প।
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর দ্বীনদার ব্যক্তির জন্য দ্বীন ইসলামই সবচেয়ে বড়
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইহুদীরাই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট বানায়, নামায় তথা আমেরিকা চালায়।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
‘ছবি’ ও ‘বেপর্দা’- বর্তমানে সমস্ত পাপ কাজের মূল উৎস
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
তেল আমদানিতে আমাদের যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয়, এতে আমাদের রিজার্ভে চাপ পড়ে। সমস্যা কৃষকের সক্ষমতায় নয়, বরং নীতিগত অগ্রাধিকার ও বিনিয়োগের ঘাটতিতে।
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে ভারতীয় খপ্পরে বাংলাদেশ!
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












