মন্তব্য কলাম
২০২৬ সালের ২০ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আদিবাসী বিষয়ক স্থায়ী ফোরামের (টঘচঋওও) ২৫তম অধিবেশনে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ রাষ্ট্র, অপাহাড়ি বাংলাদেশি নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে জঘন্য মিথ্যাচার করছে।
, ০৯ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৮ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ১৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
মূল লক্ষ্য হলো, পাহাড়কে ‘পূর্ব তিমুর’ বা ‘দক্ষিণ সুদান’-এর মতো পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়া।
সন্তু লারমা, প্রসীত, নাথান বম, কুখ্যাত দেবাশীষ রায়, ইয়েন ইয়েন, মাইকেল চাকমা এবং তাদের সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অবিলম্বে রাষ্ট্রদ্রোহীতার মামলায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
কুখ্যাত রাজাকার, মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী শীষ রায় এবং সন্তু লারমা ক্ষমতার ভাগ নেয়ার জন্য বাংলাদেশে আদিবাসী নেই বলে স্বীকার করলেও এখন আবার স্বাধীন জুমল্যান্ড গঠনের ষড়যন্ত্রে আদিবাসী প্রচারণা চালিয়ে
বাংলার বুকে নতুন ইসরাইল সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।
আলাদা জুম্মল্যান্ড বানানোর গভীর ষড়যন্ত্র করছে।
তৈরি করছে আলাদা মানচিত্র ও নিজস্ব মুদ্রা।
সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে গোটা দেশবাসীকে এবং সরকারকে। (পর্ব-২)
(১)
১৯৭১ সালে যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পরাজয় নিশ্চিত ভেবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে পাকিস্তানে আশ্রয় নেয় চাকমা সার্কেলের ৫০ তম চিফ ত্রিদিব রায়। তার অনুপস্থিতিতে তার পুত্র শীষ রায় ১৯৭৭ সালে নিজেকে চাকমা সার্কেলের চিফ বলে ঘোষণা দেয়।
ত্রিদিব মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত এক চাকমা নেতা। তার বুদ্ধি ও সহযোগিতায় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী রাঙ্গামাটিতে চুপিসারে অবস্থান নেয়। ওই অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে খুঁজে বের করে নির্মমভাবে হত্যা করে। ত্রিদিবের প্রত্যক্ষ ভূমিকায় হানাদার বাহিনীর আক্রমণে জীবন হারায় বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রবসহ আরও অসংখ্য উপজাতি ও বাঙালি মুক্তিযোদ্ধা।
বরাবরই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী ত্রিদিব রায় ও তার রাজাকার বাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে পাক বাহিনী একের পর এক হামলা পরিচালনা করে। কয়েকটি অপারেশনে ত্রিদিব রায় নিজেই নেতৃত্ব দিয়েছে।
১৯৭১ সালের নভেম্বরে ত্রিদিব রায় পাকিস্তানি সৈন্যদের সহায়তায় মিয়ানমার হয়ে পাকিস্তানে পালিয়ে যাওয়ার পর পাকিস্তান সরকার তাকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিশেষ দূত হিসেবে ওই বছরই ব্যাংকক পাঠায়। বিশেষ দূত নিযুক্ত হয়ে চতুর এই ব্যক্তি নিজের ধর্ম পরিচয় কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানের পক্ষে জনমত গঠনে এ অঞ্চলের বৌদ্ধপ্রধান রাষ্ট্রগুলো চষে বেড়ায়।
জাতিসংঘের ১৯৭২ সালে জেনারেল এ্যাসেম্বলিতে বাংলাদেশের সদস্য পদ প্রদানের প্রসঙ্গ উত্থাপিত হওয়ার পর তার বিরোধিতা করার জন্য পাকিস্তান সরকার ত্রিদিবকে প্রধান করে একটি প্রতিনিধিদল পাঠায়। তবে সেখানে তার ঘোর বিরোধিতা স্বত্বেও বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে।
বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর পাকিস্তান সরকার তাকে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বানায়। অতি আনুগত্যের কারণে পাকিস্তান সরকার তাকে সে দেশের আজীবন ফেডারেল মন্ত্রীর মর্যাদা দেয়। যা তাকে ‘উজিরে খামাখা’ হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
১৯৮১ সাল থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত ত্রিদিব পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত হিসেবে আর্জেন্টিনা, শ্রীলঙ্কা, চিলি, ইকুয়েডর, পেরু ও উরুগুয়ের কাজ করেছে। ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিদেশে অবস্থান করার পর সে চূড়ান্তভাবে পাকিস্তানেই ফিরে আসে। এরপর থেকে সে সেদেশের 'এম্বেসেডর এট লার্জ' ছিলো। ২০১২ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের এ বিরোধিতাকারীর মৃত্যু হয় এবং পাকিস্তানের মাটিতেই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো অনুতাপ স্বীকার করেনি। বরং মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ব্যঙ্গ করে গেছে।
(২)
কুখ্যাত রাজাকার ও মানবতা বিরোধী ও যুদ্ধ অপরাধী, পিতার মতো বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা নিয়ে একটি স্বতন্ত্র রাজ্য গঠনের স্বপ্ন দেখছে শীষ রায়। পাহাড়ের উগ্র গোষ্ঠীগুলোর কথিত 'জুম্মল্যান্ড' গঠনের সাথে সে একাত্মতা প্রকাশ করছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে সে। ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির সাথেও তার সখ্যতার খবর পাওয়া যায়। সে প্রকাশ্যেই পার্বত্য অঞ্চলে স্বায়ত্বশাসনের দাবি তুলেছে। ২০২১ সালের ৯ আগস্ট ভয়েস অব আমেরিকা পত্রিকার বাংলা ভার্সনের প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে সে বলে, 'সংবিধানকে সংস্কার করে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশেষ প্রশাসনিক মর্যাদার সংরক্ষণ এবং পার্বত্যালসহ দেশের সকল আদিবাসী জাতিসমূহের পরিচয়, স্বকীয়তা ও ঐতিহ্যের স্বীকৃতি' দিতে হবে। অর্থাৎ নিজের বাবার মতো সেও পাহাড়ে স্বায়ত্বশাসিত রাজ্য গঠনের নামে নিজের আধিপত্য ধরে রাখতে চায়। সুযোগ বুঝে অস্থিরতা সৃষ্টির মাধ্যমে দীর্ঘদিনের লালিত কাল্পনিক 'জুম্মল্যান্ড' গঠনের বাস্তব রূপ দিতে চায়। এ সাক্ষাৎকারে সে তার এই স্বপ্নের বাঁধা সেনাবাহিনীকে পাহাড় থেকে অপসারণের দাবি জানায়।
(৩)
২০১১ সালে সিলেটে এক অনুষ্ঠানে সরকারদলীয় এক সাংসদ বলেছিলো, “আমি তো জানি উপজাতি। সারা জীবন তো এভাবেই বলে আসছি। এখন উপজাতিরা অনুষ্ঠান আয়োজন করে আদিবাসী স্বীকৃতির নামে সরকারের সমালোচনা করবে, আর আমি তো বসে থাকতে পারব না”। (সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ১০ আগস্ট ২০১১).
কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষ নেয়া তৎকালীন চাকমা সার্কেল চীফ ত্রিদিব রায়ের পুত্র বর্তমান চাকমা সার্কেল চিফ শীষ রায় বলে, “আমরা চাপিয়ে দেয়া কোনো পরিচয় মানি না। আমরা উপজাতি নই, আদিবাসী। এ দাবি বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাবো” (সূত্র- ংড়সবযিবৎবরহনষড়ম, ৩০ মে, ২০১১)।
শীষ রায়ের এই কথার স্ববিরোধী বক্তব্য পাওয়া যায়। কারণ, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিশেষ উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনকালে চাকমা সার্কেল চিফ শিষ রায় রাষ্ট্রীয়ভাবে অফিসিয়ালি লিখেছিলো যে, “বাংলাদেশে কোন আদিবাসী নাই। কিছু জনগোষ্ঠী আছে”।
এ প্রসংগে, জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধি ইকবাল আহমেদ ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সাথে সরকার যে চুক্তি করেছে সে প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেছিলো, চুক্তির সবখানে তারা নিজেদের উপজাতি হিসেবে স্বীকার করে নিয়ে সই করেছে। সে সময় এ নিয়ে কোনো কথা তোলেনি। তাদের উপর এ পরিচয় চাপিয়ে দেয়া হয়নি। এমনকি তাদের কেউ এ নিয়ে আপত্তিও করেনি। কারণ ওখানে কোনো আদিবাসী নেই। (সূত্র- ংড়সবযিবৎবরহনষড়ম, ৩০ মে, ২০১১).
জাতিসংঘের আদিবাসী দশক ঘোষণার পর ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশে যখন প্রথম আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন করা হয়েছিল, তখন সন্তু লারমা বলেছিলো “এই দেশে কোন আদিবাসী নাই। এখানে আমরা সবাই উপজাতি। জুম্ম জনগনের আন্দোলন ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য আদিবাসী দিবস পালন করা হচ্ছে”।
এ প্রসংগে সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার বলেছিলো, “১৯৯৭ সালে পার্বত্য চুক্তি সম্পাদনের সময়ে আমি সন্তু লারমাকে বলেছিলাম এসময়ে উপজাতির পরিবর্তে আদিবাসী বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে ফেলি, তখনও সন্তু লারমা রাজি হয়নি। তখনও সন্তু লারমা বলেছিলো আমরা আদিবাসী নই, আমরা উপজাতি। ফলে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তিতে প্রচলিত ‘উপজাতি’ শব্দটি বহাল রাখা হয়”।
এখানে আরো উল্লেখ্য যে, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে যে শান্তিচূক্তি স্বাক্ষরিত হয় সেই শান্তিচূক্তির অনুচ্ছেদ ঘ(১০) এ উল্লেখ আছে যে,
“কোটা সংরক্ষণ ও বৃত্তি প্রদান: চাকুরী ও উচ্চ শিক্ষার জন্য দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সমপর্যায়ে না পৌঁছা পর্যন্ত সরকার উপজাতীয়দের জন্য সরকারী চাকুরী ও উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোটা ব্যবস্থা বহাল রাখিবেন”।
সেই ধারাবাহিকতায় সরকারী চাকুরীর ক্ষেত্রে ৫% উপজাতি কোটা চলমান ছিলো। কিন্তু সম্প্রতি সংঘটিত কোটা আন্দোলনের পর বাংলাদেশ সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর চাকরিতে সকল প্রকার কোটা তুলে দিয়েছে। ফলে এ শ্রেণীতে উপজাতি কোটাও বাতিল হয়ে গেছে।
(৪)
‘পাহাড়ের ৫০৯৩ বর্গমাইল ভূমির নাম বাংলাদেশ। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের কোনো অংশেরই ভূমিতে বসবাসের অধিকার কেবল ওই এলাকার উপজাতীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকেরা হতে পারে না। ব্রিটিশরা তাদের শাসনের সুবিধা ও খাজনা আদায়ের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামকে তিনটি সার্কেলে বিভক্ত করে তিনজন উপজাতীয় নেতাকে সার্কেল চীফ বানিয়ে খাজনা আদায় করতো। সেসব সার্কেল চীফরাই স্থানীয়ভাবে অশিক্ষিত লোকদের কাছে নিজেদেরকে ‘রাজা’ বানিয়ে (চাকমা রাজা, বোমাং রাজা, মং রাজা) হেডম্যান, কারবারী, খীসা, লারমা পদবী সৃষ্টি করে; যারা মূলত খাজনা আদায়ের কাজে নিযুক্ত ছিলো। প্রকৃতপক্ষে পাহাড়ের হেডম্যান, কারবারী, পাড়াপ্রধান, সার্কেল চীফ বা রাজা বলে যাদেরকে ভূমির মালিক সাজানো হচ্ছে; তারা আদৌ পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমির মালিক নয়, তারা খাজনা আদায়কারী ব্রিটিশ প্রতিনিধি অর্থাৎ আর্দালী বা কেরানী মাত্র।
পাকিস্তান বা ব্রিটিশ আমলের অজুহাত দেখিয়ে উপজাতীয় নেতারা যা বলছে, তা মেনে নিলে আমাদের ১৯৪৭ সালের পাক-ভারত বিভক্তি এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অবমাননা করা হবে। বিভিন্ন রকম ছলাকলা ও যুক্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়ে বিগত কয়েক বছর যাবৎ উপজাতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী নেতারা তথাকথিত ‘জুম্মল্যান্ড’ নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় নতুন মেরুকরণের জন্ম দিয়েছে। তারা এখন বলছে, তারাই পাহাড়ের ‘আদিবাসী’ জুম্মজাতি। তাদের সংবাদপত্র (মুখপত্র) জুম্ম নিউজ বুলেটিন, জুম্মকণ্ঠ, তাদের নতুন রাষ্ট্রের নাম ‘জুম্মল্যান্ড’ তাদের সেনাবাহিনীর নাম হবে জুম্ম লিবারেশন আর্মি।
অন্যদিকে পাহাড়ে সুদীর্ঘকাল যাবৎ বসবাসরত বাঙালিদেরকে তারা বলছে, মুসলিম অনুপ্রবেশকারী, সেটেলার, রিফিউজী কিংবা মোগদা বাঙাল নামে। তাদের লেখনীতে আমাদের যেসব বীর সৈনিকেরা পাহাড়ের সন্ত্রাস-যুদ্ধ মোকাবিলা করে জীবন দিচ্ছে ও জনগণের নিরাপত্তা দিচ্ছে, তারা হলো- ‘দখলদার, বাংলাদেশী সামরিক জান্তা, পানিপাই স্বৈরাচার।’ ‘ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ো, জুম্মল্যান্ড কায়েম করো; কাটো কাটো বাঙালি কাটো’ বলেও শ্লোগান দিচ্ছে উপজাতি সন্ত্রাসীরা। অথচ সরকার এসব জেনেও রহস্যজনকভাবে নীরব। ভাবলেশহীন।
আর দেশের নাগরিকও নির্বোধের মত নিস্ক্রিয় হয়ে আছে। নাউযুবিল্লাহ।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












