ইতিহাস ঘাটতে গেলে সংস্কৃতি বের হয়ে আসে। হযরত খাজা শরফুদ্দীন চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি এসেছিলেন হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে, গৌড় গোবিন্দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে করতে। গৌড় গোবিন্দ গরু কোরবানী জবাই নিষিদ্ধ করেছিলো, সেটাকে কেন্দ্র করে মুসলমানরা জিহাদ করে। অর্থাৎ খাজা শরফুদ্দীন চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি রহমতুল্লাহি ইতিহাস বিশ্লেষণ করে মুসলমানদের মধ্যে হিন্দুত্ববাদ বিরোধী সংস্কৃতি ও চিন্তাধারা লক্ষ্যুীয়।
একইভাবে আমরা যদি দিনাজপুরের দিকে তাকাই। আমরা দেখবে বর্তমানে দিনাজপুরকে পরিচিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে ক বাকি অংশ পড়ুন...
কোন জাতির সভ্যতার শেকড় খুজতে আদি স্থাপনা একটা বড় দলিল। এক্ষেত্রে বাংলাদেশে মুসলমানদের আদি স্থাপনার আধিক্য প্রমাণ করে বাংলাদেশ আবাদ হয়েছে মুসলিম সভ্যতার দ্বারাই। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, বর্তমানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেভাবে তাদের স্থাপত্যগুলো প্রচার-প্রসার করে, তাতে নতুন প্রজন্ম ভুল বুঝছে, ভাবছে বাংলাদেশীদের শেড়ক মনে হয় হিন্দু ধর্মের সাথে। অপরদিকে মুসলমানরা তাদের স্থাপত্য ও আদি নিদর্শনগুলো ঠিকমত প্রচার-প্রসার তো দূরের কথা, অনেকেই জানেই না।
যেমন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথাই ধরি। এখানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি মন্দির আছ বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের দেশে কেউ কেউ, বাঙালী সংস্কৃতির নাম করে মুশরিক হিন্দুত্ব সংস্কৃতি চাপিয়ে দিতে চায়। তারা আরো দাবী করে এ অঞ্চলের মানুষ আগে হিন্দু ছিলো। এ অঞ্চলের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, সভ্যতা, ভাষা সবকিছু হিন্দু ধর্মের সাথে মিলেছে। তাই বাঙালী হতে হলে আমাদেরকে হিন্দুত্ব ধারণ করতে হবে।
এ দাবীগুলো আসলে ভুল। এ অঞ্চলের পূর্ব পুরুষরা তো সবাই হিন্দুই ছিলো না। হিন্দু জনগোষ্ঠী যদি কিছু থেকেই থাকে তবে তারাও সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিলো না। এ অঞ্চলে হিন্দু শাসকদের আগমনের পূর্বে দ্বীন ইসলাম ছিলো। বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলায় হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্ব বাকি অংশ পড়ুন...
একসময় গ্রামাঞ্চলে প্রতি ঘরে ঘরে গরু-ছাগল পালন করা হত। যার কিছু নাই তার ঘরেও দুই-চার-পাঁচটি গরু স্বাভাবিক ছিল। গরুর গোশতের দামও ছিল সাধ্যের মধ্যেই। পরবর্তীতে ভারতীয় গরুর আমদানীর আধিক্যতা দেশীয় গরু উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে গ্রামাঞ্চলেও গরু উৎপাদন হ্রাস পেতে থাকে। তখনও দাম ছিল সহনীয় মাত্রায়। ২০১৪ সালে হঠাৎ ভারত বাংলাদেশে গরু রপ্তানী বন্ধ করে দেয়, দাম বাড়তে থাকে গরুর। একদিকে বাংলাদেশের লাভ হয়েছে। দেশে অভ্যন্তরীণ গরু উৎপাদনে খামারী ও ব্যক্তি উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসে। বাড়তে থাকে গরু উৎপাদন। এখন বাংলাদেশকে গরু উৎপাদনে স্ব বাকি অংশ পড়ুন...
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী: মুসলমান দেশের ভূখন্ডের হিফাযতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গুরুত্ব ও তাৎপর্র্য:
মুসলমানদের জানের নিরাপত্তা, মালের নিরাপত্তা, ঈমান-আমলের নিরাপত্তা ফরয, মুসলমান দেশের ভূখন্ডের নিরাপত্তা ফরয। দেশের আভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলায় নিয়োজিত একটি বাহিনী যার নাম আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। দেশের আভ্যন্তরীন অপরাধ দমনে এই বাহিনী কাজ করে থাকে। বিশ্বের সকল মুসলিম দেশেই এই বাহিনীর কার্যক্রম রয়েছে। এই বাহিনী মূলত দেশের আভ্যন্তরীণ চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, খুন-হত্যা, মারামারি, কাটাকাটি, রাহাজানি, ব্যভিচারী, অশ্লীলতা, মদ-গাঁজা, অর্থপাচার, মা বাকি অংশ পড়ুন...
নৌ বাহিনী: মুসলমান দেশের ভূখন্ডের হিফাযতে নৌ বাহিনীর গুরুত্ব ও তাৎপর্য:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার উম্মতের একদল লোককে আমার সামনে পেশ করা হলো, তারা সিংহাসন আরোহী শাসকের মত হয়ে সমুদ্রের পিঠে সাওয়ার হয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার পথে যুদ্ধ করছে। হযরত উম্মু হারাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা (হযরত উবায়দা ইবনু ছামিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার আহলিয়া) তিনি আরজ করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
সীমান্ত প্রহরী: মুসলমান দেশের ভূখন্ডের হিফাযতে সীমান্ত প্রহরীর গুরুত্ব ও তাৎপর্য:
আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় এক সকাল ও এক বিকাল সময় ব্যয় করা দুনিয়া ও এর মাঝে যা কিছু আছে সবকিছু থেকে উত্তম। সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ)
আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, জাহান্নাম স্পর্শ করবেনা দুইটি চোখ, যে চোখ মহান আল্লাহ পাক উনার পথে কাঁদে আর যে চোখ মহান আল্লাহ পাক উ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- হে ঈমানদারগণ! আমি তোমাদেরকে এমন একটি ব্যবসার কথা বলে দিবো না যা তোমাদেরকে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি হতে মুক্তি দিবে? তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান আনবে এবং তোমাদের জান ও মাল দ্বারা মহান আল্লাহ পাক উনার পথে জিহাদ করবে, এটাই তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা বুঝতে পারো। (পবিত্র সূরা ছফ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ, ১০-১১)
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিনের জান ও বাকি অংশ পড়ুন...
কারাগার, নার্সিং হোম বা বৃদ্ধ নিবাসকে এড়িয়ে জরিপ :
গ্যালাপের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সুখী দেশের এ তালিকা তৈরিতে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের জন্য তারা বেসামরিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার ওপর জরিপ চালায়। কিন্তু কারাগার, নার্সিং হোম, বৃদ্ধ নিবাসের মতো এ রকম আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের বাসিন্দার ওপর জরিপ চালানো হয় না। এমনকি ‘নিরাপদ’ নয়, এমন এলাকাগুলোতেও জরিপ চালানো হয় না। অথচ অনেক দেশের সমাজে বিভাজন অনেক গভীর। যেমন- যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের মতো যেসব দেশে একটা বড়সংখ্যক মানুষ কারাবন্দী। এই বন্দীর বেশির ভাগই আবার কৃষ্ণাঙ্গ। অর্ বাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক সুখ দিবস (২০ মার্চ) উপলক্ষে সুখী দেশের তালিকাটি প্রকাশ করে ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক বাজার গবেষণা ও জনমত জরিপ প্রতিষ্ঠান গ্যালাপ।
২০২৪ সালেও সুখী দেশের তালিকা প্রকাশ হয়েছে। টানা ৭ বারের মত এ বছরও শীর্ষ সুখী দেশ হয়েছে ফিনল্যান্ড। এরপর ডেনমার্ক ২য়, আইসল্যান্ড ৩য়, সুইডেন ৪র্থ, ইসরাইল ৫ম, নেদারল্যান্ড ৬ষ্ঠ, লুক্সেমবার্গ ৭ম, সুইজারল্যান্ড ৯ম এবং অস্ট্রেলিয়া ১০ম। সুখী দেশের অবস্থান নির্ধারণে কয়েকটি বিষয় বিশেষ আমলে নেয়া হয়। এর মধ্যে আছে ব্যক্তিগত সুস্থতার অনুভূতি, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, উদারতা, জিডি বাকি অংশ পড়ুন...
(৩) প্রশ্ন :
হল ক্যান্টিন বা কোন রেস্তোরায় যদি শুকরের গোশত রান্না হতো, তখন কি করতেন? তাহলে গরুর গোশত রান্না হলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কেমন লাগে একবার চিন্তা করুন?
উত্তর :
আসলে কেউ চাইলেই কোন হল ক্যান্টিন বা রেস্তোরা শুকরের গোশত রান্না করবে না। কেউ যদি শুকরের গোশত রান্না করতেই চায়, তবে সে জন্য পৃথক ক্যান্টিন, রেস্তোরা বা মেস লাগবে। বাংলাদেশে হিন্দু জনগোষ্ঠী প্রায়ই মুসলমানদের সাথে একসাথে কোন হোটেল, রেস্তোরা বা ক্যান্টিনে খেতে গিয়ে এ যুক্তিটি বলে। কিন্তু কোন হিন্দু ব্যক্তি যদি তাদের ধর্মীয় মতে রান্না করতেই চায়, তবে সে জন্য তাদের বাকি অংশ পড়ুন...
(২) প্রশ্ন:
কিছু কিছু রেস্টুরেন্টে নো বিফ লেখা থাকে। এর মানে তারা সব ধর্মের মানুষের জন্যই খাবারের আয়োজন করে। এই জিনিসটা কতটুকু দরকার, তা একজন মুসলিম একটা নন মুসলিম দেশে ভ্রমণ করতে গেলে বুঝতে পারে। বিদেশে গিয়ে মুসলমানরা ‘হালাল রেস্তোরা’ খুজে। যদি নো বিফ রেস্তোরার বিপক্ষে বলি, তবে হালাল রেস্তোরার বিপক্ষেও বলতে হবে।
উত্তর :
অমুসলিম দেশগুলোতে হালাল রেস্তোরা নামক অনেক রেস্টুরেন্ট বা কিচেন আছে, যেখানে মুসলমানরা খাবার খেতে পারেন। বাংলাদেশেও হিন্দুদের খাওয়ার জন্য অসংখ্য হিন্দু রেস্টুরেন্ট আছে। এই সব হোটেল বা তাদের মেন্যু নিয়ে বাকি অংশ পড়ুন...












