ইন্টারনেটের বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, চীন, ফ্রান্স, ইতালী, জাপানসহ অন্যান্য দেশে উড়াল সেতু (ফ্লাইওভার) ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে। এর কারণ উল্লেখ করা হয়, উড়াল সেতু থেকে নেমে আবার কঠিন যানজটের সম্মুখীন হয়। যেমন পাঁচ মিনিটের রাস্তা এক মিনিটে এসে উড়াল সেতু থেকে নেমে যানজটে পড়ে আবার চার মিনিট পোহাতে হয়। ইত্যাদি কারণে উড়াল সেতুগুলো ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে।
যাইহোক, এ থেকে বাংলাদেশের সরকারকে নছীহত গ্রহণ করা উচিত এবং জনগণের কষ্টে অর্জিত হাজার কোটি টাকা খরচে উড়াল সেতু (ফ্লাইওভার) তৈরি থেকে বিরত থাকা উচিত। এই টাকা দিয়ে সরকার দেশের প্রত্যেক জেলাকে উর্বঠবাকি অংশ পড়ুন...
কৃষিজাত পণ্য, ফল ও ফসলের যাকাতকে ইসলামী পরিভাষায় উশর বলে। উশর প্রদান করা যাকাত-এর মতোই ফরয। ইমামে আ’যম হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে যদি বিনা পরিশ্রমে প্রাকৃতিক উপায়ে কোন কৃষিজাত পণ্য, ফল ও ফসল উৎপাদিত হয় তবে ঐ ঊৎপাদিত কৃষিজাত পণ্য, ফল ও ফসল এর দশ ভাগের এক ভাগ উশর হিসেবে দিতে হবে। আর যদি পরিশ্রম করে কোন কৃষিজাত পণ্য, ফল ও ফসল ফলানো হয়, তবে নিছফে উশর অর্থাৎ বিশ ভাগের এক ভাগ দিতে তবে। উশর আদায় না করে নিজে সে ফসল ভোগ করা হারাম হবে, গুনাহ হবে। উশর দিতেই হবে। যাকাত প্রদান করলে যেমন মাল সম্পদ বৃদ্ধি পায় এবং পবিত্রতা হাসিঠবাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সাইয়্যিদুল আ'ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নূরদ দারাজাত মুবারকে জীবনের সমস্ত ভুল ত্রুটি ও গোস্তাখী ক্ষমা চেয়ে মহান আল্লাহ যেন উনার অশেষ রহমতে পরিবারবর্গ তথা আহলিয়া ও দুই কন্যা সন্তানকে সমস্ত প্রকার রোগবালাই থেকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখেন এবং সমস্ত প্রকার বালা-মুছিবত থেকে কুদরতিভাবে রক্ষা করেন এই আরজু করছি।
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম (সাংবাদিক), তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়।
বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক ও অবশ্য পাঠ্য হিসেবে সমস্ত শ্রেণীর মূল বই হিসেবে সিলেবাস প্রণয়ন করে। সেখানে কোনো শিক্ষার্থী সব বিষয়ে ভালোভাবে পাস করলেও কমুনিজমে ফেল করলে তাকে অনুত্তীর্ণ করা হতো।
পাঠক! কট্টর যুলুমবাজ নাস্তিক সমাজতান্ত্রিক কà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “যার সাথে মহব্বত, পরকালে তার হাশর-নশর তার সাথেই হবে।” (সহীহ বুখারী, হাদীছ নং- ৬১৬৯)
পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে কোনো হারাম বা অন্যায় কাজ সমর্থন করার অর্থ হলো সেই পাপের অংশীদার হওয়া। ইসলামে কোনো অপরাধের প্রতি অন্তরের সন্তুষ্টি বা আসক্তিকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং- ৪৩৪৫)
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে খেলাধুলা হারাম। সুতরাং এখন হারাম বিশ্বকাপের যে উন্মাদনা (পাগলামি) চলছে এবং তার স্রোতে মুসলমান নামধারীরা ভেসে বেড়াচ্ছে, তা সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী কাট্টা হারাম ও কবীরা গুণাহ। যা বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতে গোশত রফতানির সব ধরনের ছাড়পত্র দিয়ে থাকে দেশটির বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রফতানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এপিইডিএ)। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারত থেকে প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের কৃষিজাত পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ব্যয়ের হিসাবে সর্বোচ্চ আমদানি হয়েছে মহিষের গোশত, প্রায় ৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলারের।
অথচ বাংলাদেশ সরকারের ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২৪’-এ বলা হয়েছে-গরু, ছাগল, মুরগির গোশত ও মানুষের খাওয়ার উপযোগী অন্যান্য পশুর গোশত আমদানির ক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তঠবাকি অংশ পড়ুন...
পলাশী বিপর্যয়ের পর এই উপমহাদেশে মুসলিম উম্মাহ যখন তাদের সিয়াসতি ও অর্থনৈতিক গৌরব হারিয়ে এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল, তখন জালিম আরদালি ব্রিটিশ ফিরিঙ্গি এবং তাদের দোসরদের মূল লক্ষ্য ছিল মুসলমানদের ঈমান ও সংস্কৃতিকে চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়া। সেই ক্রান্তিকালে, যখন খ্রিষ্টান মিশনারিরা দলে দলে এসে সরল-সোজা মুসলমানদের ধর্মান্তরিত করার এক সর্বগ্রাসী হিড়িক তুলেছিল, তখন বাংলার বুকে এক অসামান্য মুজাহিদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন মুনশী মুহম্মদ মেহেরুল্লাহ সাহেব। আজ ইতিহাস থেকে প্রায় হারিয়ে যাওয়া এই মহান মুজাহিদের জীবন ও কর্ম বাকি অংশ পড়ুন...
কি পরিমান প্রয়োজন :
৫০ লক্ষ (৫ মিলিয়ন) সৈন্যের একটি বিশাল বাহিনীর জন্য অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল ও লঞ্চারের প্রয়োজনীয়তা হিসাব করতে হবে আন্তর্জাতিক সামরিক মতবাদ (মিলিটারী ডকট্রিন) এবং পদাতিক ব্যাটালিয়নের স্ট্যান্ডার্ড কাঠামো অনুযায়ী।
সাধারণত, আধুনিক সামরিক বাহিনীতে প্রতি ৮০০ থেকে ১,০০০ জন সৈন্য নিয়ে একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়। সেই হিসাবে, ৫০ লক্ষ বাহিনীর মধ্যে যদি আনুমানিক ৬০% সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের পদাতিক বা কমব্যাট ফোর্স হয়, তবে মোট ব্যাটালিয়নের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৩,০০০ থেকে ৩,৫০০টি।
একটি স্ট্যান্ডার্ড থার্ড-জেঠবাকি অংশ পড়ুন...
খ. অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ করিডোর ও সাপ্লাই রুট :
সীমান্ত সড়ক সংলগ্ন এলাকা: নির্মাণাধীন সীমান্ত সড়কের প্রতি ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার অন্তর অন্তর ছোট ও মাঝারি আকারের ক্যাম্প স্থাপন করতে হবে, যাতে প্রকৌশল ব্যাটালিয়ন ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
নদী ও নৌপথ ভিত্তিক চৌকি:
কাপ্তাই হ্রদ এবং সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও ফেনী নদীর অববাহিকাগুলোতে ফ্লোটিং বা ওয়াটার-বেসড সেনাক্যাম্প স্থাপন করা জরুরি, কারণ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা প্রায়শই যাতায়াতের জন্য নৌপথ ব্যবহার করে।
গ. উপজাতীয় গোষ্ঠীদের অভয়ারণ্য ও পাহাড়ি জঙ্গল :
থানচির গহীন অরণ্য খাগড়াছড়ির পানছà§ বাকি অংশ পড়ুন...
৪) আন্তঃজেলা বাস ও ট্রাক টার্মিনাল স্থানান্তর:
মহাখালী, সায়দাবাদ, গাবতলী বা তেজগাঁওয়ের মতো শহরের ভেতরের টার্মিনালগুলো ঐসব এলাকায় স্থায়ী যানজট তৈরি করে রেখেছে। টার্মিনালগুলোর ধারণক্ষমতার চেয়ে গাড়ীর সংখ্যা অনেক বেশি। ফলে প্রধান সড়কের ওপরই মাইলের পর মাইল দূরপাল্লার বাস লাইন ধরে পার্কিং করে রাখা হয়। ৩-৪ লেনের রাস্তা সংকুচিত হয়ে যখন ১ লেনে নেমে আসে, তখন পুরো এলাকার ট্রাফিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। তাই আন্তঃজেলা বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোকে ঢাকা শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। যাতে দূরপাল্লার যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি শহরের ভেতর ঢুকতà§ বাকি অংশ পড়ুন...
(একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম প্রতিরক্ষা ব্যূহ হলো তার সীমান্ত। অসমাপ্ত অংশ)
৩. অ্যান্টি-ম্যাটেরিয়াল রাইফেল ও অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল :
সীমান্ত সংঘাত অনেক সময় কেবল হালকা অস্ত্রের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ থাকে না। শত্রুপক্ষের সাঁজোয়া যান বা লজিস্টিকস সাপোর্টকে দূর থেকেই অচল করে দেওয়ার সক্ষমতা থাকা জরুরি।
কৌশল: বিজিবি-র প্রতিটি স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্টে ¯œাইপার টিমের পাশাপাশি ‘অ্যান্টি-ম্যাটেরিয়াল রাইফেল’ টিম মোতায়েন করা দরকার, যা সীমান্ত সংঘাতের সময় শত্রুপক্ষের টহল যান বা হালকা সাঁজোয়া গাড়িগুলোকে বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম প্রতিরক্ষা ব্যূহ হলো তার সীমান্ত। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণের পরিবর্তনের কারণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে কেবল একটি গতানুগতিক সীমান্ত পাহারা দেওয়া আধা-সামরিক বাহিনী হিসেবে রেখে দেওয়ার আর সুযোগ নেই। সীমান্ত অপরাধ দমন, অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং যেকোনো ধরণের বাহ্যিক উস্কানি বা আগ্রাসনের মুখে তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব দিতে বিজিবি-কে একটি ক্ষিপ্র, আধুনিক এবং উচ্চ-প্রযুক্তিগত ক্ষমতা সম্পন্ন ‘স্ট্রাইকফোর্সে’ রূপান্তর করা এখন সময়ের দাব বাকি অংশ পড়ুন...












