সীমান্ত কেবল একটি দেশের ভৌগোলিক সীমারেখাই নয়, এটি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের আত্মমর্যাদার প্রতীক। গত শুক্রবার লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারত-বাংলাদেশ শূন্যরেখার মাত্র ১০ থেকে ২০ গজের মধ্যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও শ্রমিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং খুঁটি স্থাপনের আগ্রাসী প্রচেষ্টা যেভাবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর অনমনীয় ও বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধের মুখে থমকে গেছে তা বাংলাদেশের সীমান্ত প্রতিরক্ষার ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। শেষ পর্যন্ত গত ২৩ মে পতাকা বৈঠকে বিএসএফের পিছু হটা এবং বিজিবির অনুমতি বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদ বা দ্বীনি মারকায উনারা বাংলাদেশ তথা সারাবিশে^র অস্তিত্ব রক্ষাকারী স্তম্ভ। কিন্তু অত্যন্ত উদ্বেগ ও ক্ষোভের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কিছু স্বার্থান্বেষী ও উগ্র মানসিকতার মুশরেক ব্যক্তি এই দেশে অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। অতি সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার ৮ নম্বর মাগুরা ইউনিয়নের মাগুরা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের কথিত প্রধান শিক্ষক দুলালের বিরুদ্ধে স্থানীয় একটি মসজিদ ভেঙে ফেলার যে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, তা কেবল নিন্দনীয়ই নয়, বরং দ্বীনি অনুভূতি ও আইনের শাসনের ওপর এক চরম আঘাত।
মাগুরা উচ্চ বালিকা বিদ্য বাকি অংশ পড়ুন...
তথাকথিত বৈশি^ক নিরাপত্তা' ও অস্ত্র বিক্রিয়' মনভোলানো ও চটকদার ওজুহাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে চাইছে ইহুদী-নাসারাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এবং সাম্রাজ্যবাদী মোড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি কথিত মার্কিন পলিটিক্যাল আন্ডার সেক্রেটারি ন্যূল্যান্ডের ঢাকা সফর এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কুখ্যাত সামারক চুক্তি জিসোমিয়া' (এঝঙগওঅ) ও 'আকসা' (অঈঝঅ)-এর খসড়া হস্তান্তর মূলত সেই গভীর ও অশুভ নীল-নকশারই অংশ। কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের চুলচেরা বিশ্লেষণ এবং সচেতন উম্মাহর আশঙ্কা বলছে- এই দুটি মরণঘাতী সোলামীর চুক্তিতে সই করলে স্বা বাকি অংশ পড়ুন...
সারাদেশ থেকে ঢাকায় আগত অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং ঢাকামূখী জনস্রোত ঢাকায় যানজট সহ বিবিধ সমস্যা তৈরী করেছে। মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ওভারপাস ইত্যাদি নির্মাণের মাধ্যমে এসব সমস্যা নিরসন সম্ভব নয়। যতক্ষণ পর্যন্ত ঢাকায় আগত অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং ঢাকামূখী জনস্রোত বন্ধ করা না যাবে ততক্ষণ পর্যন্ত এর স্থায়ী সমাধান হবেনা। আর তা সম্ভব কেবল ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং সারাদেশে জেলা, থানা থেকে শুরু করে গ্রামীণ পর্যায়ে সুষম উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃস্টির মাধ্যমে।
এ বিষয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন না বাকি অংশ পড়ুন...
(GSOMIA - General Security of Military Information Agreement) এবং আকসা (ACSA - Acquisition and Cross-Servicing Agreement) চুক্তি দুটি নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে একটি বড় ফিৎনা ইঙ্গিত দেয়। ওয়াশিংটন একে সামরিক প্রযুক্তি আধুনিকায়নের সাধারণ আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে দেখালেও, দেশীয় সমালোচক ও আঞ্চলিক কৌশলবিদরা এর পেছনে কিছু দীর্ঘমেয়াদী ষড়যন্ত্র দেখতে পাচ্ছে।
বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকা-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক চূক্তি (ART Agreement on Reciprocal Trade)-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তির সাথে এই সামরিক চুক্তিগুলোর সংযোগ দেশের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ঝুঁকিসমূহ: এক নজরে জিসোমিয়া বনাম আকসা :
চু বাকি অংশ পড়ুন...
কুকুরকে পানি পান করানোর কারণে বনি ইসরাঈলের এক মহিলা জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছিলেন -এ ঘটনা অনেকেই জানেন। তাই অনেকে কুকুরের প্রতি আদর-যতœ প্রদর্শন করতে চান। ভালো কথা। তবে একজন মুসলিম হিসেবে কুকুর সম্পর্কে দ্বীন ইসলাম কী শিক্ষা দিয়েছে, তা জানা ও মানা প্রয়োজন।
প্রথমে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রাধান্যক্রম সম্পর্কে জানা দরকার। একটি মৌলিক উসূল (মূলনীতি) হলো- “মহান আল্লাহ পাক তিনি দুনিয়ার সবকিছু মানুষের খিদমতের জন্য সৃষ্টি করেছেন।” (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ : ২৯) এ কারণে দ্বীন ইসলামে মানুষের কল্যাণ ও নিরাপত্তাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দে বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানের ভূ-রাজনৈতিক মানচিত্রে ৫১ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা চিরাচরিত সামরিক কৌশল দিয়ে অসম্ভব। এই বিপুল জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ৫০ লক্ষ সৈন্যের এক বিশাল বাহিনী গঠন করতে হবে, তবে তাদের শুধু সংখ্যার দিক থেকে নয়, বরং গুণগত দিক থেকে 'সুপার সোলজার' বা অতি-মানবীয় শক্তিসম্পন্ন করে তুলতে হবে। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এত বড় বাহিনীর গতিশীলতা ও আত্মরক্ষা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হলো- 'মিলিটারি এক্সোস্কেলিটন' প্রযুক্তির সংযোজন। আর এই ব্যয়বহুল ও উচ্চপ্রযুক্তিগত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে প্রতিরক্ষা শিল্পে উদীয়মান বাকি অংশ পড়ুন...
ভূমিকা : ভূরাজনীতি এবং সমরবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নিয়ম হলো, একটি রাষ্ট্রের জনসংখ্যা, ভৌগোলিক গুরুত্ব এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যত বাড়বে তার বাহ্যিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বলয়কেও এত বেশি শক্তিশালী করতে হবে। বর্তমান বৈশি^ক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ যখন তার ভূ-কৌশলগত অবস্থানকে কেন্দ্র করে পরাশক্তিগুলোর আকর্ষণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে তখন জনসংখ্যার সমীকরণ মাথায় রেখে সুদূরপ্রসারী প্রতিরক্ষা নীতি ঢেলে গাজানো আবশাক। ৫১ কোটি জনসংখ্যার জন্য এই ভূখ- এবং অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বঙ্গোপসাগরের একচেটিয়া নৌসীমা সুরক্ষায় নূন্যতম ৫ বাকি অংশ পড়ুন...
যে ধরনের রাডার প্রয়োজন :
১. লং-রেঞ্জ আর্লি ওয়ার্নিং রাডার :
প্রস্তাবিত স্থান: উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত (রাজশাহী/চাঁপাইনবাবগঞ্জ) ও সিলেট।
- ধরণ: এস-ব্যান্ড, এক্টিভ ইলেট্রোনিকেলি স্ক্যান্ড অ্যারে (এইএসএ).
- শনাক্তকরণ সীমা : ৪৫০ কিমি (অপারেশনাল), ৮০০ কিমি (সর্বোচ্চ)।
- টার্গেট ট্র্যাকিং: এক সাথে ১০০০+ লক্ষ্যবস্তু (যুদ্ধবিমান, ব্যালিস্টিক মিসাইল, ড্রোন)।
- প্রযুক্তি: ডিজিটাল বিমফর্মিং এবং গ্যালিয়াম নাইট্রাইড (গা-এন) ভিত্তিক ট্রান্সমিট-রিসিভ মডিউল।
- সুরক্ষা: উন্নত ইলেকট্রনিক কাউন্টার-কাউন্টার মেজারস (ইসিসিএম) যা শত্রুর জ্যামিং প্রতিরোধে স বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে সাম্প্রতিক জ্বালানি সহযোগিতা চুক্তিটি দেশের সচেতন নাগরিকদের মনে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে একে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বা উন্নয়নের অংশীদারিত্ব বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও, ভেতরের রূপটি অত্যন্ত কুৎসিত এবং জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী। এই অসম চুক্তির মাধ্যমে কার্যত বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে একচেটিয়াভাবে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ওপর এক বড় আঘাত।
একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জ্বা বাকি অংশ পড়ুন...
একটি দেশে সিজারের স্বাভাবিক হার কম হওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক স্থানে এই হার ৮০ শতাংশেরও বেশি ছড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে শহরকেন্দ্রিক হাসপাতাল ব্যবস্থার কারণে গত দশকে সিজারের হার প্রায় ৫০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি শুধু চিকিৎসা পরিবর্তন নয়, বরং একটি সামাজিক ও কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রতিচ্ছবি। এই পরিবর্তনের প্রভাব শুধু সংখ্যা নয়, এটি শরীর ও ভবিষ্যৎ মাতৃত্বের সাথে সম্পর্কিত। অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় সিজার অনেক ক্ষেত্রে মায়ের স্বাভাবিক শারীরিক সক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে শরীরের স্বাভাবিক পুনরুদ্ধার প বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কেবল তার সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীদের ওপর নির্ভর করে না, বরং নির্ভর করে তার অভ্যন্তরীণ সংহতি ও শত্রুচক্রের গোপন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার সক্ষমতার ওপর। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশ আজ এমন এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার আড়ালে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভাড়াটে গুপ্তচররা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের মোসাদ, আমেরিকার সিআইএ এবং ভারতের ‘র’-এর মতো সংস্থাসমূহ এদেশের কিছু উচ্চাভিলাষী ও দেশদ্রোহী ব্যক্তিকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় কাঠামো বাকি অংশ পড়ুন...












