পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, “যার সাথে মহব্বত, পরকালে তার হাশর-নশর তার সাথেই হবে।” (সহীহ বুখারী, হাদীছ নং- ৬১৬৯)
পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে বসে কোনো হারাম বা অন্যায় কাজ সমর্থন করার অর্থ হলো সেই পাপের অংশীদার হওয়া। ইসলামে কোনো অপরাধের প্রতি অন্তরের সন্তুষ্টি বা আসক্তিকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং- ৪৩৪৫)
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে খেলাধুলা হারাম। সুতরাং এখন হারাম বিশ্বকাপের যে উন্মাদনা (পাগলামি) চলছে এবং তার স্রোতে মুসলমান নামধারীরা ভেসে বেড়াচ্ছে, তা সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী কাট্টা হারাম ও কবীরা গুণাহ। যা বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতে গোশত রফতানির সব ধরনের ছাড়পত্র দিয়ে থাকে দেশটির বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রফতানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এপিইডিএ)। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারত থেকে প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের কৃষিজাত পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ব্যয়ের হিসাবে সর্বোচ্চ আমদানি হয়েছে মহিষের গোশত, প্রায় ৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলারের।
অথচ বাংলাদেশ সরকারের ‘আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২৪’-এ বলা হয়েছে-গরু, ছাগল, মুরগির গোশত ও মানুষের খাওয়ার উপযোগী অন্যান্য পশুর গোশত আমদানির ক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্ত বাকি অংশ পড়ুন...
পলাশী বিপর্যয়ের পর এই উপমহাদেশে মুসলিম উম্মাহ যখন তাদের সিয়াসতি ও অর্থনৈতিক গৌরব হারিয়ে এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল, তখন জালিম আরদালি ব্রিটিশ ফিরিঙ্গি এবং তাদের দোসরদের মূল লক্ষ্য ছিল মুসলমানদের ঈমান ও সংস্কৃতিকে চিরতরে ধ্বংস করে দেওয়া। সেই ক্রান্তিকালে, যখন খ্রিষ্টান মিশনারিরা দলে দলে এসে সরল-সোজা মুসলমানদের ধর্মান্তরিত করার এক সর্বগ্রাসী হিড়িক তুলেছিল, তখন বাংলার বুকে এক অসামান্য মুজাহিদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন মুনশী মুহম্মদ মেহেরুল্লাহ সাহেব। আজ ইতিহাস থেকে প্রায় হারিয়ে যাওয়া এই মহান মুজাহিদের জীবন ও কর্ম বাকি অংশ পড়ুন...
কি পরিমান প্রয়োজন :
৫০ লক্ষ (৫ মিলিয়ন) সৈন্যের একটি বিশাল বাহিনীর জন্য অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল ও লঞ্চারের প্রয়োজনীয়তা হিসাব করতে হবে আন্তর্জাতিক সামরিক মতবাদ (মিলিটারী ডকট্রিন) এবং পদাতিক ব্যাটালিয়নের স্ট্যান্ডার্ড কাঠামো অনুযায়ী।
সাধারণত, আধুনিক সামরিক বাহিনীতে প্রতি ৮০০ থেকে ১,০০০ জন সৈন্য নিয়ে একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন গঠিত হয়। সেই হিসাবে, ৫০ লক্ষ বাহিনীর মধ্যে যদি আনুমানিক ৬০% সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের পদাতিক বা কমব্যাট ফোর্স হয়, তবে মোট ব্যাটালিয়নের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৩,০০০ থেকে ৩,৫০০টি।
একটি স্ট্যান্ডার্ড থার্ড-জে বাকি অংশ পড়ুন...
খ. অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ করিডোর ও সাপ্লাই রুট :
সীমান্ত সড়ক সংলগ্ন এলাকা: নির্মাণাধীন সীমান্ত সড়কের প্রতি ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার অন্তর অন্তর ছোট ও মাঝারি আকারের ক্যাম্প স্থাপন করতে হবে, যাতে প্রকৌশল ব্যাটালিয়ন ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
নদী ও নৌপথ ভিত্তিক চৌকি:
কাপ্তাই হ্রদ এবং সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও ফেনী নদীর অববাহিকাগুলোতে ফ্লোটিং বা ওয়াটার-বেসড সেনাক্যাম্প স্থাপন করা জরুরি, কারণ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা প্রায়শই যাতায়াতের জন্য নৌপথ ব্যবহার করে।
গ. উপজাতীয় গোষ্ঠীদের অভয়ারণ্য ও পাহাড়ি জঙ্গল :
থানচির গহীন অরণ্য খাগড়াছড়ির পানছ বাকি অংশ পড়ুন...
৪) আন্তঃজেলা বাস ও ট্রাক টার্মিনাল স্থানান্তর:
মহাখালী, সায়দাবাদ, গাবতলী বা তেজগাঁওয়ের মতো শহরের ভেতরের টার্মিনালগুলো ঐসব এলাকায় স্থায়ী যানজট তৈরি করে রেখেছে। টার্মিনালগুলোর ধারণক্ষমতার চেয়ে গাড়ীর সংখ্যা অনেক বেশি। ফলে প্রধান সড়কের ওপরই মাইলের পর মাইল দূরপাল্লার বাস লাইন ধরে পার্কিং করে রাখা হয়। ৩-৪ লেনের রাস্তা সংকুচিত হয়ে যখন ১ লেনে নেমে আসে, তখন পুরো এলাকার ট্রাফিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। তাই আন্তঃজেলা বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোকে ঢাকা শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। যাতে দূরপাল্লার যাত্রী ও পণ্যবাহী গাড়ি শহরের ভেতর ঢুকত বাকি অংশ পড়ুন...
(একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম প্রতিরক্ষা ব্যূহ হলো তার সীমান্ত। অসমাপ্ত অংশ)
৩. অ্যান্টি-ম্যাটেরিয়াল রাইফেল ও অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল :
সীমান্ত সংঘাত অনেক সময় কেবল হালকা অস্ত্রের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ থাকে না। শত্রুপক্ষের সাঁজোয়া যান বা লজিস্টিকস সাপোর্টকে দূর থেকেই অচল করে দেওয়ার সক্ষমতা থাকা জরুরি।
কৌশল: বিজিবি-র প্রতিটি স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্টে ¯œাইপার টিমের পাশাপাশি ‘অ্যান্টি-ম্যাটেরিয়াল রাইফেল’ টিম মোতায়েন করা দরকার, যা সীমান্ত সংঘাতের সময় শত্রুপক্ষের টহল যান বা হালকা সাঁজোয়া গাড়িগুলোকে বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম প্রতিরক্ষা ব্যূহ হলো তার সীমান্ত। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণের পরিবর্তনের কারণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে কেবল একটি গতানুগতিক সীমান্ত পাহারা দেওয়া আধা-সামরিক বাহিনী হিসেবে রেখে দেওয়ার আর সুযোগ নেই। সীমান্ত অপরাধ দমন, অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং যেকোনো ধরণের বাহ্যিক উস্কানি বা আগ্রাসনের মুখে তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব দিতে বিজিবি-কে একটি ক্ষিপ্র, আধুনিক এবং উচ্চ-প্রযুক্তিগত ক্ষমতা সম্পন্ন ‘স্ট্রাইকফোর্সে’ রূপান্তর করা এখন সময়ের দাব বাকি অংশ পড়ুন...
দেশে তৈরি মদের দাম এক লাফে অনেকটাই বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদিত মদের ওপর নতুন করে বড় অঙ্কের মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
নতুন এই প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে কার্যকর হলে কেরুর উৎপাদিত দেশি ও বিদেশি উভয় ব্র্যান্ডের মদের দাম প্রতি লিটারে সরাসরি ৫০০ টাকা কর বসবে। সরকারের এই নতুন রাজস্ব নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অর্থবিলে ভ্যাট আইনের তৃতীয় তফসিল সংশোধনের প বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ইতিহাস দীর্ঘ ও গৌরবময়। মুক্তিযুদ্ধের রক্তে অর্জিত এই স্বাধীনতাকে আমরা কোনো শর্তযুক্ত সামরিক চুক্তির বেড়িতে বন্দী করতে পারি না। অথচ আকসা (Acquisition and Cross-Servicing Agreement) এবং জিসোমিয়া (General Security of Military Information Agreement) চুক্তি নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা জাতির বিবেকবান মানুষদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলছে।
আকসা কী এবং এটি কেন বিপজ্জনক?
আকসা হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সামরিক সরঞ্জাম ও সেবা আদান-প্রদান চুক্তি। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের সামরিক ঘাঁটি, বন্দর ও বিমানক্ষেত্র মার্কিন বাহিনীর ব্যবহারের জন্য উন্মুক বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান সময় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হচ্ছে বাংলাদেশের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এবং লাভজনক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশীদের কাছে দিয়ে দেয়া। চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশী ইজারা দিলে বাংলাদেশ যেসব হুমকির মুখে পড়বে তা নিয়ে আলোচনা করা হলো-
১. কৌশলগত সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ হ্রাস : চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার। দেশের আমদানি-রপ্তানির সিংহভাগ এই বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই এটি শুধু একটি বাণিজ্যিক স্থাপনা নয়, বরং একটি কৌশলগত জাতীয় সম্পদ।
বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে দীর্ঘমেয় বাকি অংশ পড়ুন...
একাটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে যখন প্রকাশ্য দিবালোকে জাতীয় নিরাপত্তা ও দ্বীনি অনুভূতি নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়, তখন সচেতন মহলের নীরবতা কেবল বিস্ময়করই নয় বরং উদ্বেগজনক। সম্প্রতি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে কথিত পৃথিবীর বৃহত্তমা। রাম মূর্তি স্থাপনের আজলে জনৈক হরিদাস চন্দ্র (সাবেক তাওহীদ- যাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব সংকটের অভিযোগ উঠেছে তার কর্মকা- যে কোনো দেশপ্রেমিক নাগরিকের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতারণা ও ছদ্মবেশের ইতিহাস:
হরিদাস কেবল এক লুটেরা ব্যক্তি নয়, বরং তার অতীত অপরা বাকি অংশ পড়ুন...












