বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সংবিধান বিরোধী এবং উচ্চ আদালতে মৃত ঘোষিত কুখ্যাত “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০” পুণর্বহাল করতে আদালতের উপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিদেশী মদদপুস্ট দেশ বিরোধী কিছু উপজাতি কুচক্রী মহল। গত ২৩ এপ্রিল ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০’ সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রিভিউ পিটিশন শুনানির তারিখ ছিল। তবে আদালত শুনানিটি তিন সপ্তাহের জন্য মূলতবি করেছেন।
২০১৮ সালে বাতিল হওয়া এই মৃত আইনটি পুণর্বহাল করতে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা পাহাড়ে এবং উচ্চ আদালতে ব্যাপক তৎপর রয়েছে। দেশব বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাংলাদেশ যখন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল, তখন ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে থাকা এই জাতির পুনর্গঠনের জন্য প্রতিটি সম্পদ ছিল অমূল্য। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আমাদের সেই চরম দুঃসময়ে হিন্দুস্তানী সেনাবাহিনী যে লুণ্ঠনযজ্ঞ চালিয়েছিল, তা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় হয়ে আছে।
ঐতিহাসিক তথ্য, সমসাময়িক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ বিশ্লেষণ করলে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে ওঠে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের পর নিয়ম অনুযায়ী সেই ‘যুদ্ধলব্ধ মালামাল’ বাংলাদেশের প্রাপ্ বাকি অংশ পড়ুন...
একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাণ হলো তার শিক্ষার্থীরা, আর সেই শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশের আত্মিক ও দ্বীনি প্রশান্তির কেন্দ্রস্থল হলো প্রতিষ্ঠানের মসজিদ। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে অর্ধেক বেলা তালাবদ্ধ রাখার এক অদ্ভুত ও বৈষম্যমূলক নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত কেবল সাধারণ শিক্ষার্থীদের দ্বীনি আবেগেই আঘাত হানেনি, বরং এটি একজন মুমিনের ইবাদতের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।
মসজিদ কেবল নামাজের স্থান নয়; এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পবিত্র আশ্রয়স্থল, যেখানে যোহরে বাকি অংশ পড়ুন...
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নওমুসলিম সোহাগের নিথর দেহটি আজ আমাদের সমাজের বুক চিরে কিছু রূঢ় প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছে। বিশ বছর আগে যে মানুষটি সত্যের আলো চিনে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, দুই দশক পর সেই ‘অপরাধের’ প্রতিশোধ নিতে মায়ের মমতাকেও ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হলো-এ লজ্জা আমরা রাখব কোথায়?
তথ্যচিত্রে দেখা গিয়েছে, অসুস্থ মায়ের দোহাই দিয়ে সন্তানকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল। অথচ সেই মা আজ নির্বিকার, তার চোখে অশ্রু নেই। যে সন্তান সুস্থ অবস্থায় মায়ের মুখ দেখতে গেল, কয়েক ঘণ্টা পর তার নিথর দেহে মিলল অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন। কেন এই নির্মমতা? কেন তড়িঘড়ি করে প্রশাস বাকি অংশ পড়ুন...
বেদনাবাস্তব এক বিদীর্ণ আয়নায় তাকালে দেখা যায়, যখন রাজধানীর আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলো আলোর রোশনাইয়ে উৎসব করে, ঠিক তখনই তার পাদদেশে কংক্রিটের হিমশীতল অরণ্যে ক্ষুধার জ্বালায় কুঁকড়ে থাকে আগামীর ভবিষ্যৎ- আমাদের পথশিশুরা।
স্বাধীনতার সাড়ে পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও কেন এই স্বাধীন জমিনে লাখো মানুষকে খোলা আকাশের নিচে পশুর মতো জীবন যাপন করতে হবে? যে দেশে উন্নয়নের জোয়ারে বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, সে দেশে কেন এক টুকরো ছাদ আর দু’মুঠো ভাতের অভাবে শিশুদের শৈশব নর্দমার ড্রেনে বা রেললাইনের ধারে ধুঁকে ধুঁকে মরবে?
তাত্ত্বিক ও রূহানী বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “দুই প্রকার লোক যদি পরিশুদ্ধ হয়ে যায়, তবে সাধারণ লোকজনও পরিশুদ্ধ হয়ে যায়। আর তারা যদি অশুদ্ধ হয়, তবে সাধারণ জনগণও অশুদ্ধ হয় তা তাদের আমল-আখলাকও নষ্ট হয়ে যায়। আর তারা হলো, আলিম-উলামা এবং আমীর-উমরা।
এই সম্মানিত হাদীছ শরীফ থেকে আমরা সহজেই বুঝতে পারি যে, যারা রাজা, বাদশাহ, আমীর-উমরা এবং যারা আলিম রয়েছেন তারা যদি সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী আমল করেন, তাহলে সাধারণ জনগণের আমলও শুদ্ধ হয়ে যায়। আর তারা যদি সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ আমল করে, তবে জনগণের আমল আখলাকও শরীয়তের বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি ঢাকার একটি মসজিদে নামাযের জন্য যাওয়া হলো। মসজিদে প্রবেশ করতেই আমি অত্যন্ত বিস্মিত হয়ে থমকে দাঁড়ালাম। কিন্তু মসজিদে আসা যাওয়া করা বহু মানুষের কারো মধ্যেই সামান্যতম অস্বাভাবিকতা দেখলাম না। এমনকি মসজিদে দাঁড়ি টুপি এবং লম্বা জামা পরিধান করা লোকদেরও নির্বিঘেœ ও নিশ্চিন্ত মনে আসা-যাওয়া দেখলাম।
হ্যাঁ পাঠক! সবার স্বাভাবিক চলাচলের মাঝেও আমার থমকে যাওয়ার কারণ ছিলো- মসজিদের প্রবেশমুখেই বসানো সিসি ক্যামেরা। কিছুুদিন আগে সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানতে পেরেছিলাম- প্রশাসন কথিত সন্ত্রাসবাদ ঠেকানোর অজুহাতে মসজিদে মসজিদে সিসি ক্ বাকি অংশ পড়ুন...
আর কয়েকদিন পর দ্বীন ইসলামের অনত্যতম এক গুরুত্ববহ দিবস পবিত্র শবে মেরাজ। বাংলাদেশে অনেক উপলক্ষে বাধ্যতামূলক ছুটি থাকলেও শবে মিরাজ উপলক্ষে ছুটি বাধ্যতামূলক নয়, বরং ঐচ্ছিক। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দেশ বাংলাদেশে এটা সত্যিই একটি আশ্চর্যজনক বিষয়।
উল্লেখ্য বাংলাদেশে নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি দেয়া হয় শবে বরাত, শবে ক্বদর, আশুরা শরীফে। কিন্তু দিবস গুরুত্বের বিবেচনায় শবে মেরাজের গুরুত্ব শবে বরাত, শবে ক্বদর ও আশুরা শরীফ থেকে অনেক অনেক উপরে। শবে বরাতে দুয়া কবুল হয়, মানুষের ১ বছরের ভাগ্য গঠিত হয়। শবে ক্বদরে পবিত্র কুরআন শরীফ নাজিল হ বাকি অংশ পড়ুন...
সরল সঠিক পথ বা ছিরাতুল মুস্তাক্বীম সম্পর্কে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি সু-স্পষ্টভাবে ইরশাদ মুবারক করে জানিয়ে দিয়েছেন-
يٰسٓ. وَالْقُرْاٰنِ الْحَكِيْمِ. اِنَّكَ لَمِنَ الْمُرْسَلِيْنَ. عَلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ
অর্থ: “হুরুফে মুক্বত্ব‘আত, যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লক্বব মুবারক। হিকমতপূর্ণ কুরআন শরীফ উনার ক্বসম! নিশ্চয়ই আপনি মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আপনি যে পথে আছেন সেই পথই হচ্ছেন ছিরাতুল মুস্তাক্বীম বা সরল সঠিক পথ।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা ইয়াসীন শরীফ: ১-৪)
উক্ত পবিত্র আয়া বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حضرت أَبِي هُرَيْرَةَ رضى الله تعالى عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا خَلَا يَهُودِيٌّ قَطُّ بِمُسْلِمٍ إِلَّا هَمَّ بِقَتْلِهِ
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখনই কোনো ইহুদী কোনো মুসলমানকে একাকী পায়, তখনই সে উনাকে শহীদ করতে চায়। নাঊযুবিল্লাহ! (দায়লামী শরীফ, ইবনে কাছীর, আল ফাতহুল কাবীর ইত্যাদি)
ইহুদীরা সরাসরি মহান আল্লাহ পাক উনা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমার হাত ধরে বললেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইয়াওমুস সাবত পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল আহাদ পর্বত সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল ইছনাইন গাছ সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুছ ছুলাছা শরীয়ত কর্তৃক নিষিদ্ধ বিষয়গুলো সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল আরবিয়া আলো সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল খ¦মীস সব ধরনের প্রাণী সৃষ্টি করেছেন, ইয়াওমুল জুমু‘আ আছরের পর হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে স বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রমাদ্বান মাস হচ্ছেন- শাহরুল্লাহ শরীফ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মাস। এই মহান মাস উনাকে সম্মান করা, তা’যীম-তাকরীম করা সমস্ত মুসলমান, জিন-ইনসান সকলের জন্য ফরয।
এই মাস উনাকে কেন্দ্র করে মুসলিম উম্মাহ’র মাঝে অন্যরকম একটা আমেজ তৈরী হয়। প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে যেন ইবাদত বন্দেগীর উৎসব শুরু হয়। বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে এই সম্মানিত মাহিনা উনাকে কেন্দ্র করে নিত্য-প্রয়োজনীয় পন্য সামগ্রী থেকে শুরু করে সব কিছুতে ব্যাপক ছাড় দেয়া হয়।
অথচ, এক্ষেত্রে আমাদের দেশের চিত্র পুরোপুরি উল্টা। রমাদ্বান মাস আসার কয়েকমাস আগ থেকে (অর্থাৎ এখন থেক বাকি অংশ পড়ুন...












