অনেকক্ষেত্রে ওহাবী-সালাফীসহ বিভিন্ন বাতিল আক্বীদার অন্তর্ভুক্তরা দাবি করে থাকে- “সুন্নতী পোশাক হচ্ছে আরবীয় পোশাক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে পোশাক পরেছেন, সেই একই পোশাক তো আবু জেহেল-আবু লাহাবও পরেছে।” নাউযুবিল্লাহ!
মূলত, বাতিল আক্বীদাভুক্তদের এ ধরনের বক্তব্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে করা হয়; যেন মুসলমান উনারা পবিত্র সুন্নত আমল থেকে দূরে সরে যায়।
এখানে জানার বিষয় হচ্ছে, হযরত আদম ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার থেকে শুরু করে প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুস সা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের একচ্ছত্র সার্বভৌমত্ব ও ভূ-খ-ের নিরাপত্তার প্রতীক বঙ্গোপসাগরের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ নারিকেল দ্বীপ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাফ নদী, টেকনাফ সীমান্ত এবং সংলগ্ন আন্তর্জাতিক নৌসীমায় যে অভূতপূর্ব ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা দেশের কৌশলগত নিরাপত্তায় নতুন সমীকরণ উন্মোচন করেছে। মিয়ানমারের ভেতরে চলমান গৃহযুদ্ধ, দেশটির সীমান্তরক্ষী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সশস্ত্র তৎপরতা, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সুদীর্ঘ সংকট এবং বঙ্গোপসাগরে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতাÑসব মিলিয়ে নারিকেল দ্বীপ। এই দ্বীপে বাংলাদেশ স বাকি অংশ পড়ুন...
দর্শক: আপনারা যারা চাঁদ নিয়ে কাজ করেন প্রায়শই বলে যাচ্ছেন, লিখে যাচ্ছেন- সউদী সরকার চাঁদ না দেখে মাস শুরু করে। এটা কি বিশ্বাসযোগ্য কথা? আরবী মাস শুরুর পদ্ধতিতো সহজ।
চাঁদ গবেষক: আমারোতো সেই কথা। সম্মানিত শরীয়ত এত সহজ পদ্ধতি দিতে কেন জটিলভাবে সউদী সরকার মাস গণনা করে যাচ্ছে? আরবী মাস উনার ২৯তম তারিখে চাঁদ খুঁজতে হবে। চাঁদ দেখা গেলে মাস শুরু হবে আর না দেখা গেলে মাস ৩০ দিনে গুনতে হবে। এইতো, এর চেয়ে বেশি কিছু নয়।
দর্শক: কিন্তু সউদী সরকার সঠিকভাবে মাস গণনা করছে না, এটা আপনারা কিভাবে বোঝেন?
চাঁদ গবেষক: বোঝার অনেক পদ্ধতি আছে। কয়েকটি পদ্ধতি ব বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষ বাহ্যিকভাবে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পোশাক দ্বারা নিজেকে সাজিয়ে নিজের সুন্দর ছুরত প্রকাশ করে থাকে। পোশাক অপরিষ্কার হলে তা টাকা পয়সা খরচ করে পরিচ্ছন্ন করে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মানুষ তার আভ্যন্তরীণ স্বভাব-চরিত্র সম্পর্কে উদাসীন। অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “সুন্দর ব্যবহার উত্তম আমল।”
মানুষ তার আভ্যন্তরীণ রূপসজ্জার বিষয়টি আমলে আনে না। অথচ ক্বলব যে মনের সৌন্দর্যই আসল সৌন্দর্য। একজন বেয়াদব, চোর বা গুন্ডা যদি অনেক দামি পোশাক পরে সমাজে চলাফেরা করে, তবুও কেউ তাকে সম্মান করে না। অথচ ছিন্ন বস্ত্র পরিহà বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের একচ্ছত্র সার্বভৌমত্ব ও ভূ-খন্ডের নিরাপত্তার প্রতীক বঙ্গোপসাগরের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ নারিকেল দ্বীপ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাফ নদী, টেকনাফ সীমান্ত এবং সংলগ্ন আন্তর্জাতিক নৌসীমায় যে অভূতপূর্ব ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি নতুন সমীকরণ উন্মোচন করেছে। মিয়ানমারের ভেতরে চলমান গৃহযুদ্ধ, দেশটির সীমান্তরক্ষী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সশস্ত্র তৎপরতা, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সুদীর্ঘ সংকট এবং বঙ্গোপসাগরে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা-সব মিলিয়ে নারিকেল দ্বীপ দ্বীপে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্থায়ী উপস্থিতি বা পূরà§ বাকি অংশ পড়ুন...
আপনার সন্তানকে আপনি পড়ালেখা শেখার জন্য স্কুল-কলেজে পাঠাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে তার পাঠ্যবইগুলোতে আপত্তিকর, ইসলামবিরোধী, বিধর্মী-বিজাতীয় লেখনী সর্বোপরি ইসলাম ও মুসলিম বিরুদ্ধ, সাংঘর্ষিক লেখা দিয়েই ঠেসে দেয়া হয়েছে স্কুল-কলেজের পাঠ্যবইগুলোকে।
পাঠক! এই লেখাটির শিরোনামটি এইভাবে দেয়ার কারণ হলো- আপনি হয়তো নিজে নিজে নামায, কালাম পড়ে সহজেই নাজাতের কথা ভাবছেন। কিন্তু আপনার জানা উচিত- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মুতাবিক, আপনার অধীনস্থ সন্তানের অপরাধের জন্য আপনিও দায়ী। অর্থাৎ আপনার অজ্ঞতা, গাফলতির কারণে যদি আপনার সন্তান পথভ্রষ্ট হয়, গুনাহঠবাকি অংশ পড়ুন...
কত বিনিয়োগ করবে: ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রথম ১০ বছরে টার্মিনালটির আধুনিকায়নে ১,০০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করবে।
আমাদের বক্তব্য: মাত্র ১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে, তাও ১০ বছরে। অথচ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এনসিটির নিট প্রফিট ছিলো প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ডিপি ওয়ার্ল্ড আগামী দশ বছরে যে পরিমান (১০০০ কোটি) বিনিয়োগ করবে, আমাদের এনসিটির এক বছরের আয় তার আড়াই গুণ। মানে সরকার চাইলে এক বছরের আয় বন্দরের আধুনিকায়নে বিনিয়োগ করলেও ডিপি ওয়ার্ল্ডের ১০ বছরের বিনিয়োগের পরিমাণের থেকে অনেক বেশি হতো। আর দশ বছরের নিট প্রফিট হিসাব করলে দাঁড়াবে ২৫ হাজ বাকি অংশ পড়ুন...
ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে এনসিটির চুক্তিটি নন ডিসক্লোজার বা গোপন চুক্তি হওয়ায় সব তথ্য আমাদের কাছে নেই। তবে চুক্তির যতটুকু নৌ মন্ত্রণালয় ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে সেগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- সব দিক থেকেই এই চুক্তিটি দেশের স্বার্থ সংরক্ষণে শতভাগ ব্যর্থ হয়েছে। বলা চলে, বিকিয়ে দেয়া হয়েছে দেশের স্বার্থ! চলুন প্রকাশিত ৬’টি তথ্য বিশ্লেষণ করি-
চুক্তির ধরণ: কনসেশন চুক্তি, নট টার্মিনাল অপারেটর;
আমাদের বক্তব্য: সরকার বলছে- ডিপি ওয়ার্ল্ডকে শুধু অপারেটর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এটি অপারেটর নয়, কনসেশনিয়ার। অà বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফসলের ক্ষতিকারক পোকা সাদা মাছি (ডযরঃব-ভষু) বা হোয়াইট ফ্লাইয়ের আক্রমণ একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি প্রধানত শাকসবজি এবং অর্থকরী ফসলের মারাত্মক ক্ষতি করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সাদা মাছির কারণে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি ও প্রভাব পড়েছে।
বাংলাদেশে সাদা মাছি মূলত বিদেশ থেকে আমদানি করা গাছের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করেছে বলে গবেষকরা ধারণা করেন, এটি কোনো স্থানীয় বা দেশীয় পোকা নয়, এটি একটি আক্রমণাত্মক বিদেশি পোকা (ওহাধংরাব ঝঢ়বপরবং) যা সেন্ট্রাল আমেরিকা বা মধ্য আমেরিকা অঞ্চলের আদি বাসিন্দা।
বাংলাদেশে ঠবাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানীসহ দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোর পথঘাট, রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল ও লঞ্চঘাটে প্রতিদিন যেসব নিস্পাপ মুখের সঙ্গে আমাদের দেখা হয়, তারা আমাদের সমাজেরই অংশ- পথশিশু। দারিদ্র্য, পারিবারিক ভাঙন, নিপীড়ন কিংবা ভাগ্যান্বেষণের তাড়নায় ঘর ছেড়ে রাস্তায় ঠাঁই নেওয়া এই শিশুদের মৌলিক মানবাধিকার ও শৈশব প্রতিদিন ধূলিসাৎ হচ্ছে। শিক্ষা, খাদ্য, নিরাপদ বাসস্থান ও চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে এরা প্রতিনিয়ত অনিশ্চিত এক ভবিষ্যৎ এবং অপরাধজগতের মারাত্মক ঝুঁকির দিকে ধাবিত হচ্ছে, যা একটি আধুনিক ও কল্যাণকামী রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের বà বাকি অংশ পড়ুন...
খাদ্যই মানুষের অস্তিত্বের শেষ সীমানা। অথচ আজ সেই অন্নকেই রূপ দেওয়া হয়েছে পরোক্ষ এক শিকলে। নতুন বিশ্বব্যবস্থায় একটি জাতিকে নিঃশব্দে নিয়ন্ত্রণ করার সবচেয়ে মোক্ষম হাতিয়ার হয়ে উঠেছে তার খাদ্যব্যবস্থা। যে মাটিতে শস্য ফলে, সেই মাটিকে বিষে বিষাক্ত করে আজ আমাদের প্লেটে তুলে দেওয়া হচ্ছে ব্যাধি আর অপুষ্টি। এই করাল বাস্তবতা কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা নয়, বরং এক পরিকল্পিত বাণিজ্যিক ও করপোরেট চক্রান্তের ফল।
আজ থেকে তিন দশক আগেও বাংলাদেশের রূপ ছিলো ভিন্ন। গ্রাম শুধু মানুষের থাকার জায়গা ছিলো না; তা ছিলো জীববৈচিত্রের এক পরম আশ্রয়স্থল। প্রাà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- ‘প্রত্যেকে যা আমল করবে সে হিসেবেই তার জন্য নির্দিষ্ট স্থান রয়েছে।’ (পবিত্র সূরা আনআম: আয়াত শরীফ-১৩২)
‘হে মু’মিনগণ, তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর; যেখানে নিয়োজিত আছেন দৃঢ় অন্তর ও শক্ত প্রকৃতির ফেরেশতাগণ। (পবিত্র সূরা আত-তাহরীম: আয়াত শরীফ-৬)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হেয়েছে- “জাহান্নামের সবচেয়ে কম ও সহজতর শাস্তি প্রাপ্ত ব্যক্তি পৃথিবী পরিমাণ সম্পদ থাকলেও তার বিনিময়ে এ আযাব থেকে মুক্তি পাওà§ বাকি অংশ পড়ুন...












