(১) প্রশ্ন :
“গরুর গোশত খাওয়া হালাল, কিন্তু ঈমানের অঙ্গ নয়। সুতরাং অন্য ধর্মের লোকের কথা চিন্তা করে হোটেল, রেস্তোরা বা হল ক্যান্টিন/ডাইনিং এ মুরগী বা ছাগলের গোশত খাওয়া যায় কি না?”
উত্তর :
গরুর গোশত খাওয়া হালাল এবং মুস্তাহাব সুন্নত। তবে ক্ষেত্রে বিশেষে গরুর গোশত খাওয়া ঈমানের অঙ্গ। এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফের সূরা বাকারার ২০৮ নম্বর আয়াত শরীফের শানে নুযূল জানা প্রয়োজন।
সূরা বাকারা শরীফ : ২০৮ নং আয়াত শরীফ উনার শানে নুযূল:
বিশিষ্ট ছাহাবী আব্দুল্লাহ বিন সালাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহু। তিনি পূর্বে ইহুদী ধর্মের অনুসারী ছিলেন। ইহুদীদে বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি আত্মহত্যাকে ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’ শব্দ দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। স্বেচ্ছামৃত্যু শব্দটার মধ্যে এক ধরনের ‘শব্দ সন্ত্রাস’ আছে।
শব্দ সন্ত্রাস খুব ভয়ানক জিনিস, মুসলমানরা এখনও শব্দ সন্ত্রাস সম্পর্কে সচেতন নয়। শব্দ সন্ত্রাস দ্বীন ইসলামবিদ্বেষীদের ভয়ঙ্কর এক অস্ত্র। এই অস্ত্রের মাধ্যমে তারা পুরাতন শব্দের সংজ্ঞা পরিবর্তন করে কিংবা এক শব্দের বদলে সুবিধামত অন্য শব্দ নিয়ে আসে। এরপর সেই শব্দ বা সংজ্ঞার মাধ্যমে তারা তাদের মতবাদ সমাজে ছড়িয়ে দেয়। নতুন শব্দ বা সংজ্ঞা নিয়ে নতুন ন্যারেটিভ বা বয়ান তৈরী করে, আইনত অবৈধ জিনিসকে বৈধতা দে বাকি অংশ পড়ুন...
কোহিনুর কেমিক্যাল কোম্পানি সাবান ও প্রসাধন সামগ্রীর একটি ব্র্যান্ড নেম ‘তিব্বত’। তাদের সাবানের নাম তিব্বত ৫৭০। পাকিস্তানী আমলে তৈরী হওয়া একই কোম্পানির প্রথম দিকের পণ্য তিব্বত ৫৭০ সাবান। বঙ্গবন্ধুর লাশের গোসল হয়েছিলো এই তিব্বত ৫৭০ সাবান দিয়ে। পরবর্তী কালে কোহিনুর কেমিক্যাল কোম্পানি সরকারীকরণ, অতঃপর বেসরকারিকরণও হয়। আমার আলোচনার বিষয়, তিব্বত ৫৭০ সাবানের নামকরণ নিয়ে।
আগে মানুষ বরকতের জন্য কোন কিছু শুরু করলে তার সাথে মুবারক নিসবত সংযুক্ত করার কোশেষ করতো। যেমন- এই সাবনের ক্ষেত্রেই দেখুন, যেহেতু আখেরী নবী হাবীবুল্লাহ হু বাকি অংশ পড়ুন...
আমি মাঝে মাঝে নিজেকে প্রশ্ন করি, আমরা কেন রাষ্ট্রকে এত এত কর, আয়কর, শুল্ক দিয়ে থাকবো ?
উত্তর পাই-
রাষ্ট্র আমাকে নিরাপত্তা দেয়,
রাষ্ট্র আমাকে বিচার ব্যবস্থা দেয়,
রাষ্ট্র আমাকে যাতায়াত ব্যবস্থা দেয়,
রাষ্ট্র আমাকে পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ দেয়।
কিন্তু এই প্রতিটি জিনিস পেতে গেলে আমাকে আলাদা খরচ করতে হয় ঠিকই । কিছুক্ষেত্রে যদি স্বল্পমূল্যে পাইও, তবে সেই টাকা অন্যদিক থেকে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ট্যাক্সের মাধ্যমে কয়েকগুন নেয়া হয়। বর্তমানে যদি ঠিক মত হিসেব করা হয়, তবে দেখা যাবে, একজন মানুষের যদি মাসিক ইনকাম ৫০ হাজার টাকা হয়, তবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে রাষ্ট বাকি অংশ পড়ুন...
পেট হলো ৩টি।
প্রথম পেট হলো রাষ্ট্রের পেট। সেই পেট ট্যাক্স, ভ্যাট আর শুল্ক (ট্যারিফ) দিয়ে ভরে।
দ্বিতীয় পেট হলো ব্যবসায়ীর পেট। পণ্য বিক্রয়ের সময় লাভ করে। সেই লাভ দিয়ে ব্যবসায়ী পেট ভরায়।
তৃতীয় পেট হলো জনগণের পেট। সে নিজের আয় অনুসারে দ্রব্য ক্রয় করে পেট ভরায়।
কোন পণ্যের দাম বাড়লেই বলা হয়- ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছে। এরপর ব্যবসায়ীদের উপর ধরপাকড় করে প্রথম পেটের কর্তাব্যক্তিরা।
আবার কোন পণ্যের দাম বাড়লেই প্রথম পেটের কর্তাব্যক্তিরা তৃতীয় পেট, মানে জনগণকে বলে, “একটু কম খেতে পারেন না! আপনারা বেশি খান বলেই তো সব কিছু দাম বাড়ে। খেজুরের বাকি অংশ পড়ুন...
এজন্য আসলে নর-নারী উভয়কে একই রাস্তায় ক্যারিয়ার তৈরী করতে হবে এই চিন্তাটাই বোকাামি। পশ্চিমা ব্যবসায়ীদের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত নারীবাদ সেটাই প্রচার করেছে।
আসলে অর্থনীতিতে উৎপাদনের ক্ষেত্রে দুটি বিষয় আছে। একটি পণ্য, অন্যটি সেবা।
যেমন-
একটি পরিবারে বাবা বাইরে চাকুরী করবে এবং অর্থ কামাই করে বিভিন্ন পণ্য ক্রয় করে। যেমন- চাল, ডাল, আটা, তেল, নুন, ফ্ল্যাট ইত্যাদি।
অপরদিকে মা পরিবারকে সেবা দিবে। পরিবারকে দেখে শুনে রাখবে, সন্তান জন্মদান, লালন পালন করবে।
অর্থনীতিতে উৎপাদনে সেবা ও পণ্য দুটোরই মূল্য আছে।
অথচ-
নারীবাদ বলছে পণ্যের ম বাকি অংশ পড়ুন...
পশ্চিমা ব্যবসায়ীরা চিন্তা করলো অনেক ক্ষেত্রে তাদের সস্তা শ্রমের প্রয়োজন। কিন্তু সেই ক্ষেত্রগুলোতে পুরুষ ঠিক যুতসই না। পুরুষ একগুয়ে, বিদ্রোহী মনোভাব বেশি। কিন্তু নারীর মধ্যে বিদ্রোহী মনোভাব কম, এক মনে কাজ করতে পারে। আবার নারীকে ব্যবহার করে পুরুষের অর্থ, সময় ও ক্ষমতা খসানো সহজ।
এই দুই চিন্তা করে পশ্চিমা ব্যবসায়ীরা আবহমান সংস্কৃতি ধ্বংসকারী ‘কাউন্টার কালচার গ্রুপ’দের তৈরী করা ‘নারীবাদ’ কে পৃষ্ঠপোষকতা করে নারীকে ঘরের বাইরে বের করে আনলো।
আসলে নারীর জন্য ঘরের বাইরে কাজ করা সত্যিই কষ্টকর। দেখবেন- স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটি প বাকি অংশ পড়ুন...
আবার মুসলমানদের গরুর গোশত খাওয়ার বিপরীতে যদি হিন্দুদের শুকরের গোশত খাওয়ার প্রসঙ্গ আসে, তবে বলতে হয়- মুসলমানরা শুকরের গোশত খায় না, নাপাক হওয়ার কারণে, ঘৃণা থেকে। অপরদিকে হিন্দুরা গরুর গোশত খায় না, গরুকে দেবতা মনে করে, সম্মানের দিক থেকে। মুসলমানদের শুকর না খাওয়া এবং হিন্দুদের গরু না খাওয়া তাই এক মাপকাঠিতে কখনই মাপা যাবে না। দুটোর তুলনা করা এক ধরনের লজিকাল ফ্যালাসি বা কুযুক্তি। আবার মুসলমানরা যে কারণে শুকরের গোশত খায় না, সে একই কারণে কুকুরের গোশতও খায় না। কারণ উভয়টাই নাপাক। এখন মুসলমানদের বিরোধীতা করতে গিয়ে কি তবে হিন্দুরা কুকুরে বাকি অংশ পড়ুন...
শুধু ইফতার মাহফিল নয়, অনেক সুন্নতী ফলের মধ্যেও দ্বীনি সুবাস থাকলে তার বিরোধীতা করে ইসলামবিদ্বেষীরা। যেমন- রোযার মাস আসলেই বলে- “খেজুর খাওয়া লাগবে কেন? বরই খেলেই তো হয়। নবীজির যুগে আরব দেশে যদি বরই থাকতো, তবে বরই খাওয়াই সুন্নত হতো। ”
আশ্চর্য! ইসলামবিদ্বেষীরা জানেই না, আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে আরবে বরই গাছ ছিলো। এবং হাদীছ শরীফে বরই গাছের কথা পাওয়া যায়। কেউ মারা গেলে গোসল করানোর জন্য বরই পাতার পানি ব্যবহার করা হয়, এই নির্দেশনা হাদীছ শরীফ থেকেই পাওয়া যায়। আর যেহেতু ইফতারিতে আখেরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র দ্বীন ইসলাম পালনের জন্য দ্বীনি পরিবেশ থাকা অত্যাবশ্যক। পরিবেশের কারণে মানুষ অনেক সময় হালাল কাজের দিকে ধাবিত হয়, আবার পরিবেশের কারণেই মানুষ হারাম কাজের দিকে চলে যায়। যেমন-
কোন এলাকার মহিলারা পর্দা করে। ফলে ঐ এলাকায় কোন পুরুষ বাইরে বের হলে তার ইচ্ছাকৃত চোখের গুনাহ হবে না। আবার কোন এলাকায় মহিলারা বেপর্দা হয়ে রাস্তায় ঘুরে, ঐ এলাকায় কোন পুরুষ রাস্তায় বের হলে অনিচ্ছাকৃত চোখের গুনাহে লিপ্ত হয়ে যেতে পারে। নাউযুবিল্লাহ!
আবার কোন এলাকায় সব মানুষ নামাযের ওয়াক্ত হলে মসজিদে গিয়ে নামায পরে। ফলে ঐ এলাকায় কোন নতুন মানুষ আসলে অন্য বাকি অংশ পড়ুন...
আমি নিশ্চিত মশিউজ্জামানের কাছে রোযায় বাচ্চাদের স্কুল নিয়ে কোন তথ্য নেই। কোন জরিপ নেই। কত শতাংশ বাচ্চা রোযা রাখে, এই তথ্য থাকা আগে দরকার। এরপর রোযায় উপস্থিত হার কত থাকে, সেটাও একটা বড় বিষয়। এছাড়া রোযায় বাচ্চাদের মনোযোগ কতটুকু থাকে, সেটা নিয়ে তাদের কাছে কোন জরিপ নেই। যেহেতু শিক্ষকরা বাচ্চাদের পড়ায়, সেহেতু রোযায় শিক্ষকরা বাচ্চাদের পড়ানো নিয়ে কি চিন্তা করছেন, সেই তথ্যও একটা বিষয়। কিন্তু সেই সব জরিপ না নিয়ে কোন দেশে রোযায় স্কুল খোলা থাকে সেই যুক্তি দিয়ে সে বাংলাদেশের স্কুল খোলার বৈধতা চাচ্ছে। যদি অন্য মুসলিম দেশের উদাহরণ দেয়া বাকি অংশ পড়ুন...
প্রথমেই বলতে হয়, রোযায় কেন স্কুল বন্ধ রাখার প্রয়োজনীয়তা উঠলো ? রোযায় তো অনেক বেসরকারী মাদরাসা খোলা থাকে। ক্লাস হয়। সেটা নিয়ে তো কেউ কথা বলছে না, তাহলে স্কুল বন্ধ করার উঠছে কেন ?
আসলে অভিভাবকরা চান, সন্তানরা রমাদ্বান শরীফ মাসে দ্বীনি শিক্ষা লাভ করুক, এতে তাদের মধ্যে নৈতিকতা বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান যুগে হারাম-নাজায়েজের ভীড়ে সন্তানরা নৈতিক শিক্ষা অর্জনের খুব একটা সুযোগ পায় না। কিন্তু রমাদ্বান শরীফ মাস আল্লাহ পাক দিয়েছেন তাকওয়া হাসিলের জন্য এবং সে বিষয়টি সহজ হওয়ার জন্য ১ মাস ইবলিশ শয়তানকে বন্দি করে রাখা হয়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে ব বাকি অংশ পড়ুন...












