শিশুদের ছোট থেকে বড় হওয়ার সঙ্গে উচ্চতা ও ওজনের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কেননা শিশুর উচ্চতা ও ওজন বলে দেয় তার শরীর সুস্থ আছে কি না। যদিও ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ উচ্চতা জেনেটিক্স দ্বারা নির্ধারিত হয়। ২০ শতাংশ নির্ভর করে পুষ্টি এবং জীবনযাত্রার অভ্যাসের উপর।
তাই শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশ সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা, তা নিয়মিত জানতে হবে। শিশু ভূমিষ্ঠের পর ১ম সপ্তাহে ওজন কমে এবং ২-৩ সপ্তাহে ওজন স্থির থাকে। এটা স্বাভাবিক। এরপর থেকে ধীরে ধীরে ওজন বাড়তে থাকে। প্রথম ৩ মাসে দৈনিক গড়ে ওজন বাড়ে ২৫-৩০ গ্রাম এবং পরবর্তী মাসগুলোতে কিছুটা ধীরে ওজন বাড়তে থাকে। ৩-১২ বাকি অংশ পড়ুন...
হৃৎস্পন্দনের হার হলো প্রতি মিনিটে হৃৎস্পন্দনের সংকোচন সংখ্যা যা বিট/মিনিট এককে প্রকাশ করা হয়। একজন সুস্থ মানুষের হার্ট সাধারণত প্রতি মিনিটে ৬০ থেকে একশর মধ্যে বিট করে। এটা নাড়ির গতি দেখে বোঝা যায়। কোনো কারণে হৃৎস্পন্দন ষাটের নিচে নেমে যেতে পারে অথবা একশর ওপরে চলে যেতে পারে। এই ষাঠের নিচে নেমে যাওয়া এবং একশর ওপরে চলে যাওয়া, এটি নিয়মিতভাবে হতে পারে, আবার অনিয়মিতভাবে হতে পারে। একে বলা হয় অনিয়মিত হৃদস্পন্দন। অনেক অনিয়মিত হৃদস্পন্দন কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না, কিন্তু বেশকিছু অনিয়মিত হৃদস্পন্দন থেকে মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি হতে প বাকি অংশ পড়ুন...
শীতে শ্বাসকষ্ট অনেক বেড়ে যায়। শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে ইনহেলার ব্যবহার করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ইনহেলার ব্যবহার নিয়ে অনেকের ভেতর ভীতি কাজ করে। ইনহেলার মূলত হলো সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ। কারণ, আপনি যদি ওষুধ খান, তাহলে সেটি রক্তে যাবে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে। ইনহেলার একমাত্র ওষুধ, যেটি রক্তে যাবে না। তাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। তাই ইনহেলার সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ। নানা রকমের ইনহেলারের মধ্যে একেকটির ব্যবহারবিধি একেক রকম। সঠিক নিয়মে ব্যবহার না করলে ইনহেলারের ওষুধ ঠিকমতো ফুসফুসে পৌঁছায় না এবং কাজও হয় না। জেনে বাকি অংশ পড়ুন...
হিমোগ্লোবিন একটি প্রোটিন, যা লোহিত রক্তকণিকায় পাওয়া যায়। রক্তকণিকার কাজ হলো শরীরে অক্সিজেন বহন করা। যদি সবসময় ক্লান্তি, দুর্বলতা বা মাথা ব্যথার মতো সমস্যা থাকে, তবে হতে পারে রক্তে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি রয়েছে বা আপনি রক্তশূন্যতায় ভুগছেন।
হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। হিমোগ্লোবিনের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি আয়রন লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতেও সাহায্য করে। জেনে নিন রক্তশূন্যতা দূর করতে চাইলে খাদ্য তালিকায় কোন কোন খাবার রাখবেন।
খেজুর:
খেজুর আয়রনের ভালো উৎস, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায়। প্রতিদিন ক বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আরামদায়ক ঘুম আমাদেরকে সক্রিয় ও সতেজ করে তোলে। একটি ভালো ঘুমের জন্য এর পরিমাণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হলো গুণগত মান। নিয়মিত আরামদায়ক ও সামঞ্জস্যপূর্ণ ঘুম আমাদের সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন।
ঘুমের পরিমাণ বলতে বোঝায় আপনি প্রতি রাতে কত ঘণ্টা ঘুমান। বয়সভেদে মানুষের ঘুমের সময় তারতম্য হয়।
এটি একটি সাধারণ নির্দেশিকা করা হয়েছে। এমন অনেক লোক রয়েছে যাদের তাদের বয়সের জন্য প্রস্তাবিত পরিমাণের চেয়ে বেশি বা কম ঘুমের প্রয়োজন। এমনকি কিছু নিয়মের ব্যতিক্রমগুলো বিবেচনা করেও এমন অনেক লোক বাকি অংশ পড়ুন...
শরীরের অভ্যন্তরে সবচেয়ে বড় অঙ্গটির নাম লিভার বা যকৃত। এটা শরীরের অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গ। আমরা যেসব খাবার খাই, সেগুলোর হজমের জন্য বিপাকক্রিয়া ঘটে যকৃতে। যকৃৎ হজমে সহায়ক পিত্তরস তৈরি করে। শরীরের বিভিন্ন বর্জ্য নিষ্কাশনে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। শরীরের অতিরিক্ত চিনিকে যকৃৎ গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা রাখে। বিভিন্ন কারনে এই লিভার বড় হতে পারে। পুষ্টির ভারসাম্যহীনতা সেটা অপুষ্টি বা অতিপুষ্টি যাই হোক না কেন তা লিভার বড় হবার অন্যতম কারন। অনেক সময় পেটের আলট্রাসনোগ্রাম করলে দেখা যায়, যকৃতের আকার বৃদ্ধি পেয়েছে।
কারণ
১. একিউট হেপাটা বাকি অংশ পড়ুন...
মানবদেহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো কিডনি। কিডনি মূলত একটি ছাঁকনযন্ত্র। কিডনি রক্তে উপস্থিত দূষিত পদার্থগুলো পরিশোধন করে এবং মূত্র তৈরি করে সেগুলো দেহ থেকে বের করে দেয়। একটি অসুস্থ বা অকার্যকর কিডনির কারণে একজন মানুষ দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হন। এজন্য কিডনি সুস্থ রাখার জন্য সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।
কিডনির প্রধান কাজগুলো হলো-
রক্তের পরিশোধন
কিডনি দেহের বিপাকের ফলে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থগুলো মূত্র সৃষ্টির মাধ্যমে দেহ থেকে বের করে দেয়, ফলে রক্ত বর্জ্যমুক্ত হয়ে পরিশোধিত হয়।
দেহে পানির সমতা বজা বাকি অংশ পড়ুন...
আলঝেইমার হলো ডিমেনশিয়ার একটি রূপ। এটি একধরনের মস্তিষ্কের ক্ষয়জনিত রোগ। মনে রাখা দরকার, এতে আক্রান্ত রোগী অসংলগ্ন আচরণ করলেও এটি মানসিক রোগ নয়। এ রোগে মস্তিষ্কের কোষগুলো ধীরে ধীরে ক্ষয় হয় বা মারা যায়। সাধারণত ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের আলঝেইমার হতে দেখা যায়। আবার কখনো কখনো অপেক্ষাকৃত কম বয়সীদের মধ্যেও এ সমস্যা দেখা যায়। আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রথমে বিভ্রান্ত হন এবং অনেক কিছু ভুলে যেতে শুরু করেন। দিন দিন এটি বাড়তে থাকে।
কারণ
আলঝেইমার রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনো অজানা। তবে ধারণা করা হয়, আক্রান্ত বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের প্রতিদিনের খাবারে পরিচিত একটি নাম হলো বাদাম। এর মধ্যে রয়েছে আখরোট, কাজুবাদাম, চিনাবাদাম ইত্যাদি। বাদামে থাকে প্রোটিন, ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। বেশিরভাগ বাদামে কার্বোহাইড্রেট কম থাকে। সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যকর চর্বি, ফাইবার এবং প্রোটিন বেশি থাকে। প্রতিদিন পরিমিত বাদাম খেলে তা রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। বাদাম ম্যাগনেসিয়াম, সেলেনিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন ই সমৃদ্ধ যা আমাদের শরীরের জন্য একাধিক উপকার করে। বাদাম দুইভাবে খাওয়া হয়- কাঁচা ও ভাজা। কোনটি বেশি স্বাস্থ্যকর? জানুন-
ভাজা বা বাকি অংশ পড়ুন...
পানির অপর নাম জীবন, কারণ পানি ছাড়া কোনো প্রাণিই বাঁচতে পারে না। পানির কোন রং বা স্বাদ নেই, কিন্তু অন্য যে খাবারই খাওয়া হোক না কেন, পানি পান না করলে তৃপ্তি পাওয়া যায় না। আর পানি পানের উপকারিতাও অন্য অনেক খাবারের থেকে বেশি। তবে পানি পানেরও নিয়ম রয়েছে। তাই পানি কখন, কীভাবে ও কতটুকু পান করা হলো, সে হিসার রাখলেই পাওয়া যাবে পানির পরিপূর্ণ উপকার। শরীরের প্রতিটি কোষের জন্য দরকার হয় পানির। এ ছাড়া সতেজ থাকতেও প্রয়োজন পানি। ত্বক ও চুলের ভাল রাখার জন্য পানি পানে দিতে হবে সব থেকে বেশী গুরুত্ব। দিনের যে সময়েই পানি পান করা হোক না কেন, ক বাকি অংশ পড়ুন...
মুখগহ্বরের নানা রোগের মধ্যে আলসার বা ক্ষত অন্যতম। প্রায়ই জিহ্বা, ঠোঁট, মাড়ি, চোয়ালের ভেতরের অংশ বা তালুতে নানা ধরনের ঘাঁ বা ক্ষত হয় অনেকের। মুখের নানাবিধ আলসারের সঠিক কারণ জানা না গেলেও কয়েকটি বিষয় এর জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়। এর মধ্যে ধূমপান, জর্দা, গুল ও মদ্যপান অন্যতম। এ ছাড়া আরও কিছু কারণ রয়েছে:
১। জিহ্বা বা মুখ গহ্বরের ভেতরে কামড় বা ব্রাশের আঘাত।
২। ভাঙা দাঁত বা কৃত্রিম দাঁতের অমসৃণ অংশের ঘর্ষণে কেটে যাওয়া।
৩। মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা।
৪। গর্ভাবস্থায়, বয়ঃসন্ধিকালে হরমোনের পরিবর্তন।
৫। কিছু ওষুধ যেম বাকি অংশ পড়ুন...
ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অন্যান্য জটিলতার সম্ভাবনা কমানো। ইনসুলিন অনির্ভর ডায়াবেটিস রোগে খাদ্যনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে চিকিৎসাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। অন্যদিকে ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিস রোগেও পথ্য একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই কারণে ডায়বেটিস রোগীদের খাবার হতে হবে পুষ্টিকর ও সুষম।
মাঝারি বা ভারী শ্রমে নিয়োজিত ব্যক্তিরা প্রতি কেজি ওজনের জন্য ৩০ ক্যালরি খাদ্যশক্তির খাবার গ্রহণ করবেন। মোট ক্যালরির ৪০-৫০ শতাংশ শর্করা জাতীয় খাবার থেকে গ্রহণ করতে হবে। জটিল শর্করা য বাকি অংশ পড়ুন...












