এখন ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বাড়ছে। ডেঙ্গু জ্বর একটি মশাবাহিত ভাইরাল রোগ। এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু রোগ হয়ে থাকে। ডেঙ্গু সনাক্ত হলে মোটেই অবহেলা করা ঠিক নয়, কারণ হল এটি গুরুতর পর্যায়ে চলে গেলে মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে।
লক্ষণ
ডেঙ্গুর প্রধান লক্ষণ —জ্বর। ৯৯ থেকে ১০৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠতে পারে। জ্বর টানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেওয়ার পর আবারও আসতে পারে। এর সঙ্গে শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা যায়।
গুরুতর ক্ষেত্রে তীব্র পেট ব্যথা, পেট ফুলে যাওয়া, রক্তবমি, মাড়ি বাকি অংশ পড়ুন...
কিডনি সম্পূর্ণ অকেজো বা বিকল হবার পর বৈজ্ঞানিক উপায়ে রক্ত পরিশোধিত করাকে ডায়ালাইসিস বলে। শরীরের দুটি কিডনিই যখন বিকল হয়ে যায়, তখন ডায়ালাইসিসের প্রয়োজন হয়। আমাদের শরীরে প্রতি মুহূর্তে বিপাক কার্যক্রম চলমান। এতে তৈরি হয় প্রচুর বর্জ্য পদার্থ। প্রতিদিন এসব বর্জ্য শরীর থেকে বের করে থাকে কিডনি। এর সঙ্গে মূত্র তৈরির মাধ্যমে শরীরে লবণ-পানির ভারসাম্য রক্ষায় ও রক্ত প্রস্তুতেও কিডনির রয়েছে ভূমিকা। রক্তকণিকা তৈরির জন্য অতি আবশ্যক ইরাইথ্রোপয়েটিন ও কোলসিট্রায়াল হরমোনও উৎপাদন করে। ডায়ালাইসিস পদ্ধতিতে রক্ত পরিষ্কার হ বাকি অংশ পড়ুন...
কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত হতে পারে সব বয়সের মানুষ। সাধারণত গরমে বা বর্ষার সময় চোখ ওঠার প্রকোপ বাড়ে। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় কনজাংটিভাইটিস বা চোখের আবরণ কনজাংটিভার প্রদাহ। এটি হচ্ছে চোখের ভাইরাসজনিত ইনফেকশন। এটি চোখ ওঠা নামেই বেশী পরিচিত। সাধারণত এ রোগে বড় বা দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমস্যা না হলেও লক্ষণগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখলে রোগীর কষ্ট লাঘব হতে পারে।
লক্ষণ
১। কনজাংটিভাইটিসের লক্ষণ চোখের নিচের অংশ লাল হয়ে যাওয়া।
২। চোখে ব্যথা, খচখচ করা বা অস্বস্তি লাগা।
৩। প্রথমে সাধারণত এক চোখ আক্রান্ত হয়, তারপর অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
২. স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া: সন্তান জন্মদানের জন্য আপনাকে আপনার সেরা চেষ্টা করে যেতে হবে। সন্তান সম্ভবা অবস্থায় স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে আপনি এবং আপনার সন্তান উভয়ে সুস্থ থাকবেন। এই সময় নিজেকে সুষ্ঠ রাখাটাই মুখ্য।
-চিনি/শর্করা খাওয়া কমাতে হবে।
-ফল, শাকসবজি, গোস্ত এবং দুগ্ধজাত খাবার খাদ্য তালিকায় রাখা বাঞ্চনীয়।
-এই সময়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। রঙ্গিন শাক-সবজি, বিশেষ করে সবুজ শাক, পাতাকপি, পালং শাক এবং ব্রকলি। পেঁপে এবং সাইট্রাস আপনার খাবারের ম্যানুতে রাখতে পারেন।
-ডাক্তার দ্বারা সুপারিশকৃত বাকি অংশ পড়ুন...
এলার্জি সর্দি নাকের একটি সমস্যা যা নাসিকা ঝিল্লীর প্রদাহের ফলে হয়ে থাকে। যেহেতু এর ব্যাপ্তি চারদিকে তাই বলা যায় এটি বিশ্বময় স্বাস্থ্য সমস্যা। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার শতকরা ১০-২৫ ভাগ জনসমষ্টি নাকের এ রোগের শিকার। যদিও নাকের এলার্জি সর্দি কোন মারাত্মক রোগ নয়, তবে এ রোগের কারণে দৈনন্দিন জীবন প্রবাহ ব্যাহত হয়।
কারণ
যদিও অতিসংবেদনশীলতা এলার্জীর মূল কারণ তবে ব্যক্তি বিশেষে তা আলাদা হতে পারে। মাইট (এক ধরনের কীট) যা পুরাতন বইপত্র বা পত্রিকায় থাকে, বাসার পুরাতন ধুলা (ঘুনে ধরা); কসমেটিকস, ফুলের রেনু ও পশু পাখির লোমে এলার্জেন (যা এল বাকি অংশ পড়ুন...
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার
ওমেগা-৩' হল এক ধরনের অসম্পৃক্ত চর্বি। সম্পৃক্ত চর্বি হল হৃদযন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খেতে বাঁধা নেই, বরং এটি রক্তে উপকারী চর্বির পরিমাণ বাড়ায় এবং দেহের নানা উপকার করে। প্রকৃতিতে কয়েক ধরনের ‘ওমেগা-৩' চর্বি আছে। এর মধ্যে 'আলফা লিনোলেইক' এসিড পাওয়া যায় কিছু উদ্ভিজ্জ্ব খাবার বা তেলে। অন্যদিকে সামুদ্রিক খাবারে পাওয়া যায় 'ইকোসা পেন্টানোয়িক অ্যাসিড' এবং 'ডোকোসা হেক্সানোয়িক অ্যাসিড'। দুধ, ঘি, মাখন, গোশত, ক্রিম, ডিম, চকোলেট ইত্যাদি সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের উৎস বাকি অংশ পড়ুন...
অন্তঃস্বত্তা অবস্থায় প্রথম তিন মাস রক্তচাপ স্বাভাবিকভাবে কিছুটা কমের দিকে থাকে। পাঁচ মাসের পর থেকে কারও কারও উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা দেখা যায়। গর্ভকালীন রক্তচাপ বেড়ে গেলে নানা জটিলতার আশঙ্কা থাকে। প্রি-একলাম্পসিয়া এদের মধ্যে অন্যতম।
প্রথম পাঁচ মাসের মধ্যেই যদি উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে, তবে তাকে ক্রনিক উচ্চ রক্তচাপের রোগী বলা হয়। অর্থাৎ আগে থেকেই তাঁর উচ্চ রক্তচাপ আছে বলে ধরতে হবে। আর গর্ভধারণের পাঁচ মাস অতিক্রম করার পর যদি প্রথম কারও উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে, তবেই তাকে গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়।
রক্তচাপ ১৪০ মিলিমিটা বাকি অংশ পড়ুন...
স্টেরয়েড হল হর্মোনের মতো একটি পদার্থ, যা বানানো হয় কৃত্রিম উপায়ে। স্টেরয়েড এক ধরনের ওষুধ যার শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব রয়েছে। শ্বাসকষ্ট, মারাত্মক অ্যালার্জি ও অন্যান্য রোগে সংকটাপন্ন ব্যক্তির জীবন বাঁচাতে ওষুধ হিসেবে অনেক সময় স্টেরয়েড দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন চর্মরোগ, আর্থ্রাইটিস, হাঁপানি ও ফুসফুসের কিছু রোগ, পরিপাকতন্ত্র ও কিডনির কিছু সমস্যায় প্রভৃতি রোগে নির্দিষ্ট সময় ও মাত্রা অনুযায়ী চিকিৎসকেরা স্টেরয়েড দিয়ে চিকিৎসা করে থাকেন। কিন্তু এই ওষুধের অপব্যবহার আমাদের দেশে অনেক। ব্যথা, চুলকা বাকি অংশ পড়ুন...
নেক রোগের কারণেই চোখ ব্যথা হতে পারে। যেমন- চোখ উঠা, চোখের মণির কোনো রোগ, আঘাতজনিত কোনো রোগ, চোখের ভেতরের রোগ ইত্যাদি। শরীরের রোগের মধ্যে মাইগ্রেন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি কারণে চোখ ব্যথা হতে পারে। শুধু যে চোখ ব্যথা হলেই চোখের অসুখ তা নয়, চোখ ব্যথা চোখের রোগ থেকেও হতে পারে আবার শারীরিক অন্য রোগ থেকেও হতে পারে। কোনো রোগ ছাড়াও ব্যথা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে যদি চশমার প্রয়োজন হয়, তা হলে চোখ পরীক্ষা করে প্রয়োজনমতো চশমা ব্যবহার করা উচিত।
কারণ
চোখ ব্যথার সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে আছে-
১। কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠলে চোখ লালচে হয়, চুলকায়, জ বাকি অংশ পড়ুন...
ওজন বাড়াতে চান, কী করবেন, এমন প্রশ্ন অনেকেই করেন। আসলে ওজন বেড়ে গেলে যেমন কষ্ট, ঠিক ওজন কম থাকলেও কষ্ট। যাদের ওজন কম, তাদের নানা চেষ্টা থাকে কি করে ওজন বাড়ানো যায় সে বিষয়ে। তাই বলে অনেক বেশি বেশি খেয়ে ওজন বাড়ানোই সমাধান নয়, ওজন কী কারণে কম তা প্রথমে জানা জরুরি। ওজন বাড়ানোর সঠিক নিয়ম হলো, কারণ বের করার পর সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া। জীবনযাত্রা যদি কারণ হয়, তবে ওজন বাড়াতে অবশ্যই সেটি পরির্বতন করতে হবে।
ওজন বাড়াতে করণীয়
আপনার বর্তমান ওজনের সঙ্গে কমপক্ষে ৩০ থেকে ৩৫ কিলোক্যালরি হিসাব করে ডায়েট শুরু করতে হবে। যেমন কারো ওজন যদি ৪৫ কেজি হয়, তবে ওজন বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেকটি অপারেশনের পর সাধারণ কিছু সমস্যা দেখা যায়। যার সমাধানও খুব সহজ আবার কিছু হতে পারে কঠিন। সেগুলো রোগীর এবং রোগীর লোকদের জানা থাকলে তা সহজভাবে ম্যানেজ করা যায়। বড় কোনো অস্ত্রোপচারের পর সেই ক্ষতস্থান বা সেলাইয়ের জায়গাটা বেশ কিছুদিন পর্যন্ত দুর্বল থাকে। যদি এই দুর্বল ফাঁক দিয়ে কোনো কিছু বেরিয়ে আসে, তাকে বলা হয় ইনসিশনাল হার্নিয়া। শরীরের কোনো গঠনগত দুর্বল অংশ দিয়ে যদি ভেতরের কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অংশ বেরিয়ে আসে, তাকে বলা হয় হার্নিয়া।
অস্ত্রোপচারের ধকলের সঙ্গে যদি হার্নিয়া হয়, তাহলে তা অনেক ভোগান্তির বাকি অংশ পড়ুন...
এই গরমে শরীর সুস্থ রাখাটাই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অতিরিক্ত গরমে ছোট—বড় সবাই এরই মধ্যে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, যেমন পানিস্বল্পতা, হিট স্ট্রোক, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, মূত্র সংক্রমণ, আমাশয়, গরমজনিত সর্দি–কাশি, জ্বর, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও জন্ডিস। এ জন্য গরমে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। গরমে খাদ্যাভ্যাসসহ পোশাক পরার বিষয়েও বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। এই গরমে সুস্থ থাকতে—
১। দৈনিক দু—তিন লিটার বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি ডাবের পানি, স্যালাইন, লেবুপানি, কাঁচা আমের জুস, বেলের শরবত, মাঠা, চিনি ছাড়া তাজা ফলের রস ইত্যাদি স্বাস্থ্যকর পানীয় বাকি অংশ পড়ুন...












