সাবএরাকনয়েড রক্তক্ষরণ হলো মস্তিষ্কের অভ্যন্তরীণ একধরনের রক্তক্ষরণ, যা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মাথার আঘাতের কারণে হয়ে থাকে। আঘাত ছাড়াও মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজমের কারণেও হয়। অ্যানিউরিজম হলো মস্তিষ্কের ধমনির একটি বেলুনিং বা ফোলা অংশ, যা আকস্মিক ফেটে গিয়ে রক্তপাত ঘটায়। সাবএরাকনয়েড হেমোরেজ একটি জরুরি অবস্থা। এ রকম অবস্থা হঠাৎ ঘটলে অতি দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।
উপসর্গ
যখন এ রকম কোনো রক্তপাতের ঘটনা ঘটে, তখন সাধারণত যেসব উপসর্গ দেখা দেয়, তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো হঠাৎ মারাত্মক মাথাব্যথা শুরু হওয়া। এটিকে রোগী বাকি অংশ পড়ুন...
ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে বাঁচতে সতর্ক থাকা জরুরী। ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো সবারই জেনে রাখা উচিত। কোনো ধরনের উপসর্গ দেখা দিলেই যাতে সতর্ক হওয়া যায়। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে জ্বর, র্যাশ, গায়ে ও হাত-পায়ে ব্যথা ইত্যাদি হলো প্রাথমিক লক্ষণ। এই রোগে আক্রান্ত হলে শরীর অনেকটাই দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ দেখা দিলে বা ডেঙ্গু ধরা পড়লে খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রেও গুরুত্ব দিতে হবে। এমনভাবে খাবার নির্বাচন করতে হবে, যা অল্প খেলেও ক্যালরির চাহিদা পূরণ করতে পারে অর্থাৎ অধিক ক্যালরিযুক্ত খাবার যেমন নরম পাতলা মুগ ডালের খিচুড়ি, স্যুপ, বাকি অংশ পড়ুন...
অটিজম বা অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার একটি স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যা, যেখানে সামাজিক সম্পর্ক স্থাপনে এবং চারপাশের পরিবেশ ও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগে সমস্যা হয় আর বারবার একই ধরনের সীমাবদ্ধ আচরণ করতে দেখা যায়।
অটিজমের সাধারণ বৈশিষ্ট্য
জন্মের পর শিশুর ১২ মাস বয়সের মধ্যে আধো আধো কোন কথা না বলা কিংবা পছন্দের বস্তুর দিকে ইশারা না করা। ১৬ মাসের মধ্যে কোনো একটি শব্দ বলতে না পারা। শিশুর বয়স বেড়ে যখন ২৪ মাস, তখনো দুই বা ততোধিক শব্দ দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করতে না পারা কিংবা ভাষার ব্যবহার রপ্ত করতে পারার পর আবার ভুলে যাওয়া। এমন শিশুদের বাকি অংশ পড়ুন...
দেশে প্রতিনিয়ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। মশাবাহিত এই ভাইরাস জ্বর সাধারণত সপ্তাহখানেকের ভেতর সেরে যায়। তবে জটিল পরিস্থিতিতে দ্বিতীয়, এমনকি তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ভুগতে হতে পারে। ডেঙ্গু জ্বর হলে তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে রোগীকে বাসায় রাখাটা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই প্রয়োজনে অবশ্যই রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।
ডেঙ্গুর সাধারণ উপসর্গ
১। জ্বর (১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে)
২। মাথাব্যথা
৩। বমি ভাব
৪। পেটব্যথা
৫। পেশি এবং জয়েন্টে ব্যথা
৬। চোখের পিছনে ব্যথার অনুভূতি
৭। মাথাঘোরা
৮। গ্রন্থি ফুলে যাওয়া
৯। বাকি অংশ পড়ুন...
বাইরের কোনো কোলাহল বা শব্দের উৎস ছাড়াই অনেকে কানে বিভিন্ন ধরনের আওয়াজ শোনেন। কেউ অস্বাভাবিক আঘাতের মতো শব্দ শোনেন, কারও কানে বাতাসের প্রবাহের মতো শোঁ শোঁ শব্দ হয়, কেউবা ভোঁ ভোঁ, ঝিঁ ঝি , টিকটিক, এমনকি সমুদ্রের গর্জনের মতো তীব্র বা মৃদু শব্দ শোনেন। এ সমস্যাকে টিনিটাস নামে অভিহিত করা হয়। এটি আসলে কানের বা শরীরের অন্য কোনো রোগের উপসর্গ।
কারণ
বয়সের কারণ, শ্রবণশক্তি কমে গেলে, কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বসবাস, উচ্চমাত্রার পটকার শব্দ, অতিরিক্ত হেডফোন ব্যবহার, কানে ময়লা জমা, কানের সংক্রমণ বা পর্দা ফেটে গেলে কিংবা কানে পানি গেলে, আঘাত পে বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই বড় চ্যালেঞ্জ। খাদ্যে ভেজাল, খাবারে অনিয়ম, সঠিক পুষ্টি না পাওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এই চ্যালেঞ্জের পথে বড় বাধা। বর্ষাকালে তার সঙ্গে যোগ হয় আরও অনেক রোগ। অথচ নিজেকে ভালো রাখা সবার আগে জরুরি।
ঘন ঘন অসুখ হওয়ার বড় কারণ দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সুস্থ সবল থাকতে হলে এজন্য খেয়াল রাখতে হবে কিছু বিষয়।
প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার:
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। শরীরের জন্য কোন ভিটামিনগুলো বেশি জরুরি সেদিকে খেয়াল করুন। রোগ প্রতিরো বাকি অংশ পড়ুন...
হঠাৎ মাথা ঘোরালে করণীয়
হঠাৎ মাথা ঘোরার কারণে কেউ পড়ে যেতে পারে, দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে, তাই এটিকে অবহেলা করা উচিত নয়। অনেক কারণেই মাথা ঘুরতে পারে। তবে কানের ভেতর ভেস্টিবুলোককলিয়ার নামক স্নায়ুতে সমস্যার কারণে বেশি মাথা ঘোরে।
কারণ
অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অন্তঃকর্ণের রক্তনালির অস্বাভাবিকতা, অন্তঃকর্ণের প্রদাহ, মেনিয়ারস রোগ, অস্বাভাবিক দৃষ্টিগত সমস্যা, অনেক উঁচুতে উঠে নিচের দিকে তাকালে এবং চলন্ত ট্রেন বা গাড়ি থেকে প্ল্যাটফর্মের দিকে তাকালে মাথা ঘোরে। এ ছাড়া অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচা বাকি অংশ পড়ুন...
খাবার চিবানো, মুখ খোলা–বন্ধ বা নড়ানোর জন্য মুখের একমাত্র যে অস্থিসন্ধি আমরা ব্যবহার করি, তাকে টেম্পোরোম্যান্ডিবুলার জয়েন্ট (টিএমজে) বলে। কানের সামনে মুখের দুই পাশে নিচের চোয়াল ও ওপরের চোয়ালের হাড় সংযুক্ত হয় পেশি, লিগামেন্টস ও ডিস্কের সাহায্যে বল ও সকেট তৈরির মাধ্যমে। এই অস্থিসন্ধিতে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।
টেম্পোরোম্যান্ডিবুলার জয়েন্টে সমস্যা হলে খাবার চিবোতে, মুখ খোলা–বন্ধ বা নাড়াতে, হাই তুলতে, কথা বলতে টিকটিক বা অস্বাভাবিক শব্দ হতে পারে, কানের সামনে মুখের দুই পাশে ব্যথা অনুভূত হতে পারে। চিকিৎসা না করালে একপর্ বাকি অংশ পড়ুন...
বয়স একই। তবু শরীরে নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যথায় পুরুষদের চেয়ে নারীরাই বেশি জর্জরিত হচ্ছেন। বহু বছর ধরে চলা বিভিন্ন গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে বার বার।
• দেশে ২৭.৬ শতাংশ মানুষ বাতের ব্যথায় আক্রান্ত।
• ৬০ বছরের উপরে ১৮% মহিলা ও ৯.৬% পুরুষ বাতের ব্যথায় আক্রান্ত।
এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহিলা এবং পুরুষদের মধ্যে এমন ফারাকের কারণ সম্ভবত হরমোন। অনেকেই মনে করেন, বাতের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে কেউ কেউ মনে করেন, এই ধরনের ব্যথার ক্ষেত্রে পারিবারিক ইতিহাস বা জিন অনে বাকি অংশ পড়ুন...
ছোটদের দুধ দাঁত নির্দিষ্ট সময় পর নড়ে গিয়ে পড়ে যায়, সেখানে স্থায়ী দাঁত ওঠার প্রক্রিয়াটি স্বাভাবিক হলেও যে কোন স্থায়ী দাঁত নড়ার বিষয়টি স্বাভাবিক নয়। কোনো না কোনো অস্বাভাবিক কারণে স্থায়ী দাঁত নড়ে বা পড়ে যায়। কারও ৮০ বছর বয়সেও দাঁত মজবুত, কারও কম বয়সেই দাঁত নড়ে যায়। তাই দাঁতের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখার জন্য মুখের সঠিক পরিচর্যার নিয়মিত অনুশীলন অবশ্যক। সুস্থ দাঁত শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষার অন্যতম একটি শর্ত। অনেক কারণেই দাঁত নড়তে পারে।
কারণ
● সঠিক নিয়মে দাঁত পরিষ্কার না করলে অথবা দাঁতের ফাঁকে খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
কোরবানির ঈদ মানেই ভারি খাবারের আয়োজন। পোলাও, বিরিয়ানি, তেহারি থেকে শুরু করে গোশতের বাহারি সব পদ তো থাকেই। এ সময় হঠাৎ বেশি খাবার খেয়ে অসুস্থও হতে পারেন। তাই খাবার সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা থাকা দরকার। সেইসাথে বেশি খাবার দাবারের বিষয়ে সতর্কও থাকা দরকার।
খাবারের পরিমাণ
সকল বয়সীদেরই খাবারের পরিমাণের দিকে নজর রাখতে হবে। অনেকেই একসঙ্গে বেশি তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে হজম করতে পারেন না। পর্যাপ্ত পানি পান না করায় অনেকে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। এ ক্ষেত্রে শুরু থেকেই পরিকল্পনা থাকা দরকার। দিনের মূল খা বাকি অংশ পড়ুন...












