পূর্ববর্তী পর্বে নারীর জীবনে ৪টি রোগের প্রবণতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। এই পর্বে পরবর্তী ৪টি সিরিয়াস রোগ নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইনশাআল্লাহ!
ইউরোলজিক্যাল সমস্যা :
এক্ষেত্রে নারীদের অ্যানাটমি (দৈহিক গঠনতন্ত্র) অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। নারী ও পুরুষের মূল দৈহিক গঠনতন্ত্রের পার্থক্যের জন্যেই নারীদের মাঝে ইউরিনারি ট্র্যাকশন ইনফেকশন, ইনকন্টিনেন্স, ব্লাডার লিকিংয়ের মতো সমস্যাগুলো বেশি হয়। এছাড়া সন্তান জন্মদানের প্রক্রিয়ার ফলেও ইউরোলজিক্যাল সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায় অনেকখানি।
বিষন্নতা :
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্য বাকি অংশ পড়ুন...
বেশ কিছু গুরুতর ও বড় ধরনের রোগ দেখা দেওয়ার উপর ব্যক্তি পুরুষ নাকি নারী সেটি অনেকাংশে প্রভাব বিস্তারকারী একটি বিষয়। বেশ কিছু সিরিয়াস রোগ পুরুষদের তুলনায় নারীদের মাঝে দেখা দেয় কয়েক গুণ বেশি। এমন ৮টি বড় ধরনের রোগ সম্পর্কে জানতে পারবেন এই নিবন্ধে।
হৃদরোগ :
বাংলাদেশে প্রতি বছর মোট মৃত্যুর ৩৯% হৃদরোগের কারণে হয়ে থাকে। যি দও জনসাধারণ হৃদরোগকে পুরুষদের মধ্যে একটি সাধারণ সমস্যা বলে মনে করে, তবে এই অবস্থাটি পুরুষ এবং মহিলাদের প্রায় সমানভাবে প্রভাবিত করে। তবুও, মাত্র ২৪ শতাংশ মহিলা বুঝতে পারেন যে হৃদরোগে তারা আক্রান্ত। বেশ কিছু চিকিৎ বাকি অংশ পড়ুন...
পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তা বিবেচনা করে যদি কোন খাবারের তালিকা করা হয়, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে মধুর নাম। এটি শরীরের জন্য উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায় এটি বিজ্ঞান সম্মত ভাবেই প্রমাণিত।
উপাদান
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশ ম্যাল্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশ এনজাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই বললেই চলে। ১০০ গ্রা বাকি অংশ পড়ুন...
ছোটদের দুধ দাঁত নির্দিষ্ট সময় পর নড়ে গিয়ে পড়ে যায়, সেখানে স্থায়ী দাঁত ওঠার প্রক্রিয়াটি স্বাভাবিক হলেও যে কোন স্থায়ী দাঁত নড়ার বিষয়টি স্বাভাবিক নয়। কোনো না কোনো অস্বাভাবিক কারণে স্থায়ী দাঁত নড়ে বা পড়ে যায়। কারও ৮০ বছর বয়সেও দাঁত মজবুত, কারও কম বয়সেই দাঁত নড়ে যায়। তাই দাঁতের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখার জন্য মুখের সঠিক পরিচর্যার নিয়মিত অনুশীলন অবশ্যক। সুস্থ দাঁত শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষার অন্যতম একটি শর্ত। অনেক কারণেই দাঁত নড়তে পারে।
কারণ
● সঠিক নিয়মে দাঁত পরিষ্কার না করলে অথবা দাঁতের ফাঁকে খাবার আট বাকি অংশ পড়ুন...
"জন্মগত হৃদ্রোগ" বলতে বুঝায় জন্মের সময়/পূর্বে কারো হার্টে কোনো একটি সমস্যা ছিল। সমস্যা বলতে হৃৎপিণ্ডে ছোট ছিদ্র থাকতে পারে বা আরও গুরুতর কিছু থাকতে পারে। যদিও এইগুলি গুরুতর সমস্যা তবে বেশিরভাগ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসা করা যায়। অনেকেরই জানা নেই জন্মগত হৃদরোগ হলেও অনেক শিশু জন্মের সময় স্বাভাবিক থাকে। জন্মের ৩ মাস পর শিশুর গুরুতর হৃদরোগ ধরা পড়তে পারে। প্রথম সন্তানের জন্মগত হৃদরোগ হলে দ্বিতীয় সন্তানের জন্য কখন পরিকল্পনা করা উচিত। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, ডাক্তাররা শিশুর জন্মের আগে এই সমস্যাগুলি নির্ণয় করতে পারেন। কখনও ক বাকি অংশ পড়ুন...
অস্টিওপরোসিস বা হাড়ক্ষয় বর্তমান সময়ের একটি পরিচিত রোগ। এই রোগে অনেকেই ভোগছেন। বিশেষ করে বয়স্করা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন। হাড়ক্ষয় রোগ একটি নীরব ঘাতক। হাড়ের ক্ষয়রোগ মানবদেহের বিভিন্ন হাড়ের ঘনত্ব কমিয়ে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর করে। শরীরে সবসময় ব্যথার অনুভূতি বাড়িয়ে স্বাভাবিক হাঁটাচলা, কাজকর্মে বিঘ্ন ঘটায়।
হাড় গঠন একটি চলমান প্রক্রিয়া। ৪০ বছর বয়সের আগে হাড়ের বৃদ্ধি বেশি হয় আর ক্ষয় কম হয়। এর পর থেকে হাড়ের ক্ষয় বেশি হয়, বৃদ্ধি কম হয়। হাড়ক্ষয় নির্ভর করে ১৫ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে হাড়ের ঘনত্বের সঙ্গে সঙ্গে ক্যালসিয়াম, ফসফেট, কোলাজেন ফাইবারে বাকি অংশ পড়ুন...
জীবনে একবারও কোমরে ব্যথায় ভোগেননি এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। মেরুদণ্ডের নিচের হাড়ের মধ্যবর্তী তরুণাস্থি বা ডিস্কের পরিবর্তনের ফলে এ ব্যথার সূত্রপাত হয়। তরুণাস্থির এই পরিবর্তনের সাথে সাথে মেরুদণ্ডের নিচের দিকে সংবেদনশীলতারও পরিবর্তন হয়।
কোমরব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ কর্মস্থলে সঠিকভাবে বসে কাজ না করা। আরেকটি কারণ বসার চেয়ারের কাঠামোগত ত্রুটি। দীর্ঘ সময় টানা বসে কাজ করলে আমাদের মেরুদণ্ডের সামনের দিকের পেশি সংকুচিত এবং পেছনের দিকের পেশি প্রসারিত হয়। এ কারণে দেহে পেশির ভারসাম্যহীনতা (মাসকুলার ইমব্যালেন্স) তৈরি বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে বহুল আলোচিত রোগের নাম ডায়াবেটিস। আমাদের দেশে অনেকেই এই রোগে ভুগছেন। ডায়াবেটিসের নানা জটিলতা আছে। ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি তার মধ্যে অন্যতম। শরীরের প্রায় সব অঙ্গই ডায়াবেটিসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নার্ভাস সিস্টেম বা স্নায়ুতন্ত্রও ডায়াবেটিস এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেকেরই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকেনা। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের কারণে ধীরে ধীরে ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি দেখা দেয়। ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি কিন্তু একদিনে বা একমাসে দেখা যাবেনা। দীর্ঘদিন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকলে সেখান থেকে ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি দেখা দেয়। বাকি অংশ পড়ুন...
অন্তঃস্বত্তা অবস্থায় প্রথম তিন মাস রক্তচাপ স্বাভাবিকভাবে কিছুটা কমের দিকে থাকে। পাঁচ মাসের পর থেকে কারও কারও উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা দেখা যায়। গর্ভকালীন রক্তচাপ বেড়ে গেলে নানা জটিলতার আশঙ্কা থাকে। প্রি-একলাম্পসিয়া এদের মধ্যে অন্যতম।
প্রথম পাঁচ মাসের মধ্যেই যদি উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে, তবে তাকে ক্রনিক উচ্চ রক্তচাপের রোগী বলা হয়। অর্থাৎ আগে থেকেই তাঁর উচ্চ রক্তচাপ আছে বলে ধরতে হবে। আর গর্ভধারণের পাঁচ মাস অতিক্রম করার পর যদি প্রথম কারও উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে, তবেই তাকে গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়।
রক্তচাপ ১৪০ মিলিমিটার বা তার বাকি অংশ পড়ুন...
স্টেরয়েড হল হর্মোনের মতো একটি পদার্থ, যা বানানো হয় কৃত্রিম উপায়ে। স্টেরয়েড এক ধরনের ওষুধ যার শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব রয়েছে। শ্বাসকষ্ট, মারাত্মক অ্যালার্জি ও অন্যান্য রোগে সংকটাপন্ন ব্যক্তির জীবন বাঁচাতে ওষুধ হিসেবে অনেক সময় স্টেরয়েড দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন চর্মরোগ, আর্থ্রাইটিস, হাঁপানি ও ফুসফুসের কিছু রোগ, পরিপাকতন্ত্র ও কিডনির কিছু সমস্যায় প্রভৃতি রোগে নির্দিষ্ট সময় ও মাত্রা অনুযায়ী চিকিৎসকেরা স্টেরয়েড দিয়ে চিকিৎসা করে থাকেন। কিন্তু এই ওষুধের অপব্যবহার আমাদের দেশে অনেক। ব্যথা, চুলকানি, শ্বাসকষ্ বাকি অংশ পড়ুন...
ত্বকের অ্যালার্জি হলে মৃদু চুলকানি থেকে শুরু করে প্রাণসংহারী অ্যানাফাইলেক্সিস পর্যন্ত হতে পারে। ত্বকের সাধারণ অ্যালার্জিক রোগগুলো হচ্ছে-
কন্ট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস
ধুলাবালু, নিকেলের গয়না, উল বা কৃত্রিম তন্তুর পোশাক, প্রাণীর লোম, কোনো উদ্ভিদ, বিশেষ রাসায়নিকযুক্ত ক্রিম, লোশন, সাবান ইত্যাদির সংস্পর্শে এলে কারও ত্বক লাল হয়ে যায়, চুলকাতে থাকে, জ্বালা করে, জায়গায় জায়গায় ফুলে যায়। ত্বকের সরাসরি সংস্পর্শে এলে এটি হয় বলে নাম কন্ট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস। অনেক সময় সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিক্রিয়া না হয়ে ১২ ঘণ্টা থেকে তিন দিনের মধ্ বাকি অংশ পড়ুন...
সুস্থ থাকতে দৈনন্দিন জীবনে খুব বেশি পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটার অভ্যাস করলে অনেক রোগব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন। এতে যেমন সর্বদা ফিট থাকবেন এবং সেই সঙ্গে ওজনও কমবে। নিয়মিত হাঁটলে অনেক সুফল পাওয়া যায়। দৈনন্দিন শারীরিক পরিশ্রম না করা বা কম হওয়ার কারণে এখন শরীরে বাসা বাঁধছে নানান অসুখ। এর মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, আর্থ্রাইটিস (বাত), ওবেসিটি বা স্থূলতা, পেশির শক্তি কমে যাওয়া, অস্টিওপোরোসিস অন্যতম। অথচ শুধু হাঁটার মাধ্যমে এর অনেকগুলো থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব।
১। প্রতিদিন খ বাকি অংশ পড়ুন...












