এক দশক আগেও ঘড়ি পরা হতো কেবল সময় দেখার জন্য। কিন্তু প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তন সেই চেনা ঘড়িকে রূপান্তর করেছে এক মিনি-মেডিক্যাল ল্যাবে, যা এখন সার্বক্ষণিক জড়িয়ে থাকে আমাদের কবজিতে। বিশ্বজুড়ে এবং বিশেষ করে বাংলাদেশে যখন হৃদরোগের (কারডিওভাসকুলার ডিজিজ) ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে, তখন ‘স্মার্টওয়াচ’ বা পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি অনেকের জন্য আক্ষরিক অর্থেই ‘লাইফ সেভার’ বা জীবনরক্ষাকারী অন্যতম সরঞ্জাম হিসেবে বাজারে আসছে।
কবজিতেই যখন ২৪ ঘণ্টার ডাক্তার:
হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো ঘটনাগুলো সাধারণত হুট করে ঘটে না; শরীর আগে থেকেই কি বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে কম বয়সীদের মধ্যে চোখে লেন্স পরার প্রবণতা বাড়ছে। বর্তমান যুগের নতুন প্রজন্মের মনে এমন একটা ভাব বিরাজ করছে যে, ফ্যাশন শো করা। বেপর্দা হওয়া। নগ্নতা প্রকাশ করা। বর্তমান প্রজন্মের দামাল ছেলেদের মাধ্যমে এটাই প্রকাশ পায়, বেহায়াপনা, বেলেল্লাপনা করাই যেন ফ্যাশন। এখন নানা রঙের চোখের লেন্স না হলে যেন সাজ অসম্পূর্ণ থেকে যায় এরকম একটি ধারণা বদ্ধমূল হয়ে গিয়েছে জাতির অন্তরে। আবার অনেকেই প্রয়োজন ব্যতিরেকেই চোখের চশমার পরিবর্তে লেন্স পরতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে থাকে।
তবে সত্যিকার চোখের সমস্যা হলে লেন্স পরার ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু বাকি অংশ পড়ুন...
ছোটখাটো থেকে বড়সড় বিষয় ক্রমেই মাথা থেকে ছুটে যাচ্ছে। এ সমস্যার পেছনে কাজ করে অতিরিক্ত ক্লান্তি, মানসিক চাপ, কর্মক্ষেত্রের চাপ, ঘুম ও পুষ্টির অভাব, বা থাইরয়েড সমস্যা- এমনই নানা কারণেই দৈনন্দিন জীবনে কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন। এসব কারণে সাময়িকভাবে স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমতে পারে, যা নতুন প্রজন্মের মধ্যে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
* কী কারণে মস্তিষ্ক কর্মক্ষমতা হারাচ্ছে?
এ সমস্যার পেছনে মূল কারণ নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান না করা, যা মানবদেহে পানিশূন্যতা তৈরি করে, ফলে শরীরের নানা অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তার মধ্যে মস্ত বাকি অংশ পড়ুন...
সুস্থতা মহান আল্লাহপাক উনার তরফ থেকে অনেক বড় একটি নিয়ামত। সুস্থতা রক্ষায় আমাদেরকে যত্মশীল হতে হবে। অনেক সময় অনেকেই নিজের বয়স বা দৈহিক অবস্থা বিবেচনা না করে যে কোনো কিছু ভরপুর খাওয়া-দাওয়া করে থাকেন। তবে তা তা দেহের জন্য ভালো নাও হতে পারে। বেশি খাওয়ার ফলে বুক জ্বালাপোড়াসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর থেকে বাঁচতে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে পারেন-
>> অনেক বেশি পরিমাণে চর্বি বা চিনিযুক্ত খাবার থেকে বিরত থাকুন। কারণ তা বুকজ্বালা পোড়ার অন্যতম কারণ। দুগ্ধজাত খাবার, মিষ্টান্ন, মসলাদার এবং তৈলাক্ত খাবারগুলো পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার চ বাকি অংশ পড়ুন...
যদি দেখা যায় যে, প্রতি সপ্তাহে ধারাবাহিকভাবে আপনার বাচ্চার ওজন ৪ আউন্সের চেয়ে কম বাড়ছে, তবে আপনাকে ওজন সম্পর্কিত সমস্যা খুঁজে বের করে তা সমাধানের উপায় নির্ণয় করতে হবে। এই ধরনের সমস্যার জন্য সাধারণত কিছু কারণ দায়ী হতে পারে। যেমন-
হয়তো আপনার শিশু পর্যাপ্ত পরিমাণে দুধ পাচ্ছে না। ওজন বাড়াতে হলে ২৪ ঘন্টায় কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ বার দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। কখনো দিনের বেলা তিন ঘণ্টার বেশি বা রাতে চার ঘন্টার বেশি না খাইয়ে রাখা যাবেনা।
খেয়াল রাখবেন বাচ্চা যেন বুকের দুধ একটা পুরোপুরি খাওয়া শেষে অন্যটা খায়, কারণ সর্বোচ্চ পুষ্টি সমৃদ্ধ হ বাকি অংশ পড়ুন...
যদিও আপনার শিশু তার তিন চার দিন বয়স থেকেই আপনাকে চিনতে পারে, কিন্তু এ মাসে সে তা প্রকাশ করতে শুরু করবে। হয়তো সে অপরিচিত কারো সাথে হাসবে যারা তার সাথে হাসে বা শব্দ করে কিন্তু সে তার প্রিয় মানুষদের ক্ষেত্রে অন্য ধরণের অনুভূতি প্রকাশ করবে। প্রায় অর্ধেক শিশুই এ সময় মাকে দেখলে বা তাদের গলা শুনলে প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে।
আপনার শিশু আপনার সাথে শান্ত থাকবে এবং চোখে চোখ রাখবে বা রুমে আপনাকে খুঁজে বেড়াবে। যখনই খুঁজে পাবে সে হয়তো হেঁসে উঠবে বা আনন্দে হাত পা ছুড়তে থাকবে। এ মাসে আপনার শিশুর মস্তিষ্কের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হচ্ছে যার ফলে ত বাকি অংশ পড়ুন...
২ মাস বয়সে শিশুর ঘুম:
জন্মের পর থেকে শুরু করে এক মাস অতিক্রম হবার পর, বাচ্চার ঘুমের তেমন কোন বড় পরিবর্তন আসে না হয়তো, বেশ করেক ঘন্টা একটানা ঘুমানো এই বয়সী শিশুর কাছ থেকে আশা না করাই ভালো। এরা অল্প সময় ঘুমাবে, এবং ঘন ঘন খাবে, আবার ঘুমিয়ে পড়বে।
রাতে কোন কোন বাচ্চা অনেকটুকু সময় ঘুমিয়েও কাটাতে পারে, সেক্ষেত্রে, আপনি হবেন গুটি-কয়েক সৌভাগ্যবান বাবা-মায়ের মধ্যে একজন। এ সময়ের পর থেকে আস্তে আস্তে জেগে থাকা এবং ঘুম-উভয়টির সময়ই আস্তে আস্তে প্রলম্বিত হতে থাকবে। বাচ্চার নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর কোলে নেয়া না নেয়া, কিংবা নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ানো ই বাকি অংশ পড়ুন...
শীতে ছোট-বড় সবার শরীরের জন্যই প্রয়োজন হয় বাড়তি যতেœর। কারণ এসময় আবহাওয়া শুস্ক থাকায় সর্দি, কাশি, গলাব্যথা সহ ত্বকের নানা সমস্যাও দেখা দেয়। বিশেষ করে এ সময় শিশুদের সুস্থ রাখতে প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা ও বাড়তি যতেœর। তাই এক্ষেত্রে শিশু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মানাটাই নিরাপদ।
শীতে শিশুরা সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বর, নিউমোনিয়ায় বেশি আক্রান্ত হয়। সঙ্গে ত্বকের নানা সমস্যাও দেখা দিতে পারে। আবহাওয়া শুষ্ক ও ধুলাবালু থাকার কারণেই মূলত শিশুরা এসব রোগে আক্রান্ত হয়। তাই এ সময়টায় অভিভাবকদের কিছুটা সচেতন থাকতে হবে।
শিশুদের ঠান্ডা বাতাস এবং বাকি অংশ পড়ুন...
শীতে সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হলো সর্দি লাগা। শীত এলেই এই সমস্যা প্রকট আকারে দেখা দেয়। শীতের বাতাসে তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা দুটোই কমে যায় বলে দেহে রোগ প্রতিরোধের সার্মথ্য লোপ পায়। শীতে বাতাসে ধুলাবালির পরিমাণ বেড়ে যায়। হাঁপানি অথবা শ্বাসকষ্ট রোগীদের শ্বাসনালি চিকন হয়ে যায় বলে রোগীর হাঁপানির টান অনেক বেড়ে যায়।
সর্তকতা:
১. প্রয়োজনমতো গরম কাপড় পরিধান করা। কান ও গলা ঢেকে রাখা। প্রয়োজনে অতিরিক্ত কাপড় ব্যবহার করা।
২. খাবারের ব্যপারেও সতর্ক থাকা উচিত। বাসি ও ঠান্ডা খাবার না খাওয়া ভালো।
৩. ধুলাবালি এড়িয়ে চলা এবং বাইরে থেকে এসে ভাল বাকি অংশ পড়ুন...
পাইলস বা হেমরয়েড কি?
সাধারণত মানুষের মলদ্বার এর দৈর্ঘ্য হচ্ছে ২-৩ ইঞ্চি, এই ২-৩ ইঞ্চির উপরের অংশকে বলা হয় রেক্টাম, রেক্টামের নিচের অংশে তথা মলদ্বারের আশেপাশে কিছু রক্তনালী থাকে, যাকে রেক্টাল ভেইন বলা হয়, এই রেক্টাল ভেইন গুলি যদি কোনো কারণে ফুলে যায়, কিংবা এখাকে যদি কোনো প্রদাহ হয়, যদি ইস্তিঞ্জার সময় (মলত্যাগ) সময় তা থেকে ব্লিডিং হয় তথা রক্ত যায়, এই অবস্থাকে পাইলস বা হেমোরয়েড বলা হয়।
পাইলস বা হেমরয়েড এর প্রকার :
১। এক্সটারনাল হেমোরয়েড: এক্ষেত্রে মলদ্বারের বাহিরের রক্তনালীগুলিতে প্রদাহ হয়, এবং মলত্যাগের সময় ব্যাথা হয়, রক্তও যেতে বাকি অংশ পড়ুন...












