ডায়াবেটিক রোগীরা একটু সমন্বয় করে ওষুধ সেবন করলে সুস্থভাবেই রোজা রাখতে পারেন। রোজা না রাখলে রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে রাতের খাবার এবং থেকে সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে নাস্তা করলে প্রায় ১২ ঘণ্টা না খেয়েই থাকা হয়। বলা যায় এটাও প্রায় রোজা রাখার সমান সময়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কিছু নিয়ম মেনে ও সময় মতো খাবার খেতে হয়। তাই খাবারের সাথে একটু সমন্বয় করে ওষুধ সেবন করলে সুস্থভাবেই রোজা রাখতে পারবেন ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা।
রোজার আগেই ডায়াবেটিক পরীক্ষা
রোজা শুরুর আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ ঠিক করে নিতে হবে ডায়াব বাকি অংশ পড়ুন...
কাঁধের জোড়ার নিজস্ব সমস্যার বাইরেও শরীরের বিভিন্ন স্থানের সমস্যার কারণে কাঁধে ব্যথা হতে পারে। ঘাড়ের সমস্যায়, পিত্তথলির প্রদাহ বা প্রদাহের ক্ষেত্রে কিংবা ফুসফুসের সমস্যাতেও কাঁধে ব্যথা হয়। কাঁধে ব্যথার অন্যতম একটি কারণ হলো আঘাত। সাধারণত যে কারণে ভুক্তভোগী মারাত্মক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হন তার মধ্যে ফ্রোজেন শোল্ডার’ অন্যতম। প্রাথমিকভাবে এটা হলো কাঁধের নরম কলাগুলোর প্রদাহজনিত অবস্থা। পেরি আর্থ্রাইটিস, অসটিও আর্থ্রাইটিস, হাড় ভেঙে গেলে কিংবা স্থানচ্যুত হলে ফ্রোজেন শোল্ডার হয়। পেশি, টেনডন, লিগামেন্ট- সবকিছুই আক্রান বাকি অংশ পড়ুন...
রোজায় সুস্বাস্থ্য ও খাবার-দাবার
সাহ্রি
সারা দিন রোজা রেখে সুস্থ ও সতেজ থাকার জন্য সাহ্রি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই সাহ্রি খেতে চান না অথবা খুব তাড়াতাড়ি খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে যান। এটা স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। সাহ্রি সারা দিনের কাজ করার শক্তি জোগায়। তাই সাহ্রিতে একটু সময় নিয়ে পরিমিত পরিমাণে সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা উচিত। ভাতের সঙ্গে সবজি, মাছ অথবা গোশত খাওয়া যেতে পারে। ভাত, সবজি ও মাছ খাওয়ার পর এক কাপ দুধ ও খেজুর খেলে সারা দিন সুন্দরভাবে রোজা রাখা যায়। অনেকেরই কফি পান করার অভ্যাস থাকে। তাই অ বাকি অংশ পড়ুন...
হঠাৎ মাথা ঘোরার কারণে কেউ পড়ে যেতে পারে, দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে, তাই এটিকে অবহেলা করা উচিত নয়। অনেক কারণেই মাথা ঘুরতে পারে। তবে কানের ভেতর ভেস্টিবুলোককলিয়ার নামক স্নায়ুতে সমস্যার কারণে বেশি মাথা ঘোরে।
কারণ
অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অন্তঃকর্ণের রক্তনালির অস্বাভাবিকতা, অন্তঃকর্ণের প্রদাহ, মেনিয়ারস রোগ, অস্বাভাবিক দৃষ্টিগত সমস্যা, অনেক উঁচুতে উঠে নিচের দিকে তাকালে এবং চলন্ত ট্রেন বা গাড়ি থেকে প্ল্যাটফর্মের দিকে তাকালে মাথা ঘোরে। এ ছাড়া অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, মাথার পেছন দিকে ও ঘাড় বাকি অংশ পড়ুন...
হাইড্রোকেফালাস বা মাথা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বড় এমন রোগী প্রায়ই দেখা যায়, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে। এই রোগ হয় মাথার ভেতর রক্তপ্রবাহ ছাড়াও গহ্বর বা ভেন্ট্রিকলগুলো থেকে নিঃসৃত সিএসএফ যদি বেশি বের হয় এবং তা যদি সঠিকভাবে আত্তীকরণ না হয় সিএসএফ জমে জমে মাথার ভেতরের গহ্বরের আকার বড় করে দেয়, যা বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় মাথা বড় হয়ে যাচ্ছে। হাইড্রোকেফালাস দুই প্রকারের। অবস্ট্রাকটিভ হাইড্রোকেফালাস ও কমিনিডেটিং হাইড্রোকেফালাস। সচেতন হলে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।
কারণ
মানবদেহের মস্তিষ্কে ভেন্ট্রিকল নামের খালি জায় বাকি অংশ পড়ুন...
ডায়াবেটিস নিয়ে আমরা সবাই কম-বেশী জানি। তবে, প্রি-ডায়াবেটিস নিয়ে আমাদের জানাশোনা অনেকটাই কম। একটু সতর্ক থাকলে কিন্তু এই প্রি-ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিস পূর্ব অবস্থা যেন ডায়াবেটিসের দিকে না চলে যায় তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। প্রি-ডায়াবেটিস আছে এমন রোগীদের পরবর্তী ৮ বছরের মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচাইতে বেশি থাকে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কিন্তু ডায়াবেটিসের নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে কম থাকলে তাকে প্রি-ডায়াবেটিস বা বর্ডার লাইন ডায়াবেটিস বলে। ৮৪ শতাংশের বেশি মানুষ জানেন না যে তাঁরা প্রি-ডায়াবেট বাকি অংশ পড়ুন...
ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং অন্যান্য জটিলতার সম্ভাবনা কমানো। ইনসুলিন অনির্ভর ডায়াবেটিস রোগে খাদ্যনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে চিকিৎসাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। অন্যদিকে ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিস রোগেও পথ্য একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই কারণে ডায়বেটিস রোগীদের খাবার হতে হবে পুষ্টিকর ও সুষম।
মাঝারি বা ভারী শ্রমে নিয়োজিত ব্যক্তিরা প্রতি কেজি ওজনের জন্য ৩০ ক্যালরি খাদ্যশক্তির খাবার গ্রহণ করবেন। মোট ক্যালরির ৪০-৫০ শতাংশ শর্করা জাতীয় খাবার থেকে গ্রহণ করতে হবে। জটিল শর্করা বাকি অংশ পড়ুন...
গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, ৭০ শতাংশ ডায়াবেটিসের রোগী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই অকালে মৃত্যুবরণ করে থাকেন। ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ—এ দুটো পরস্পরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। যে বিষয়গুলো ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে, যেমন: ঘন ঘন পিপাসা লাগা, ঘন ঘন প্রস্রাব লাগা, অতি ওজন, ধূমপান, মন্দ খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা বা বংশগতি। এগুলো হৃদরোগেরও ঝুঁকি। তাই এ দুটো সমস্যা পরস্পরের হাত ধরেই চলে। একটির ঝুঁকি কমালে অপরটির ঝুঁকিও কমে আসে।
অক্সিজেন না পেলে হৃৎপিণ্ডে টিস্যু নষ্ট হতে থাকে। এভাবে হার্টের রক্তনালীতে রক্ত জমাট কিং বাকি অংশ পড়ুন...
ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা খুবই সাধারণ ঘটনা। ঘাড়ব্যথার রোগী দিন দিন অনেক বাড়ছে। সাধারণত
বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই রোগের ঝুঁকি বাড়ে। ৪০ বছর বয়সের পর থেকে স্পন্ডাইলোসিসের পরিবর্তন শুরু হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর আগেও হাড়ের ক্ষয় শুরু হয়ে যায়। সামনে ঘাড় ঝুঁকিয়ে কাজ করতে হয়, এমন সব পেশার মানুষদের এ রোগ বেশি দেখা যায়। দীর্ঘসময় একভাবে বসে কাজ করেন, কম্পিউটারে একনাগাড়ে কাজ, ঘাড়ে ঝাঁকুনি লাগে, এমন পেশা, যেমন মোটরসাইকেল বা সাইকেলচালকদেরও এ রোগ হতে পারে। এক সপ্তাহের বেশি ঘাড়ে ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ফিজিওথেরাপি: ঘাড় ব্যথা বিশ বাকি অংশ পড়ুন...
ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত চিকিৎসা নেয়া, রক্তের গ্লুকোজ বা শর্করা মনিটরিং আর স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা প্রয়োজন। এটি এমন এক রোগ, যা অবহেলা করলে জটিলতা বাড়তে থাকে। তাই সতর্ক থাকলে রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখা সম্ভব হয়। ডায়াবেটিস হলে জীবনে শৃঙ্খলা আনতে হয়। ডায়াবেটিসকে বলা হয় নীরব ঘাতক। এটি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরের প্রায় প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং নানা রকম জটিলতার সৃষ্টি হয়।
দীর্ঘমেয়াদি ও অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থেকে হৃদ্রোগ, স্ট্রোক, অন্ধত্ব, স্নায়বিক জটিলতা, কিডনি অকার্যকারিতাসহ নানা জটিল রো বাকি অংশ পড়ুন...
শরীরের সবচেয়ে বড় সলিড অঙ্গের নাম লিভার বা যকৃৎ, যেটি বুকের পাঁজরের ডান দিকে পেটের উপরিভাগে অবস্থান করে। লিভার আমাদের শরীরের একটি অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গ, যেটি প্রতিদিন প্রায় ৫০০ রকমের কাজ সম্পন্ন করে। এর মধ্যে অন্যতম একটি কাজ হলো প্রতিদিন প্রায় এক লিটারের মতো পিত্তরস তৈরি করা, যেটি আমাদের গৃহীত খাবারের পরিপাকে সহযোগিতা করে। লিভারের একেবারেই নিচে যুক্ত থাকে পিত্তথলি।
পিত্তথলিতে পাথর জমা হওয়াকে পিত্ত পাথর বলে। ৩০-এর ওপরে বয়স—এমন প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ১৫ জনের পিত্তথলিতে পাথর থাকে। এই ১৫ জনের মধ্য থেকে দু-তিনজনের পিত্তথলিতে বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা উচিত পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট ও ভিটামিন। কিন্তু এসব পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি শরীরের দরকার সঠিক পরিমাণে কিছু মিনারেল বা খনিজ পদার্থ। শরীর গঠন, বৃদ্ধি ও সার্বিক সুস্থতার জন্য এসব খাদ্য উপাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খনিজ উপাদান দাঁত ও হাড় মজবুত রাখে, মস্তিষ্কের স্নায়বিক সংকেত সঞ্চালনা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
যে খনিজ উপাদান দেহের কম পরিমাণে প্রয়োজন, সেগুলোকেই মাইক্রোমিনারেল বলে। যেমন-আয়রন, জিঙ্ক, আয়োডিন, সেলেনিয়াম, কপার, কোবাল্ট, ম্যাংগানিজ, ক্রোমিয়াম, ফ্লোরিন বাকি অংশ পড়ুন...












