এলার্জি সর্দি নাকের একটি সমস্যা যা নাসিকা ঝিল্লীর প্রদাহের ফলে হয়ে থাকে। যেহেতু এর ব্যাপ্তি চারদিকে তাই বলা যায় এটি বিশ্বময় স্বাস্থ্য সমস্যা। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার শতকরা ১০-২৫ ভাগ জনসমষ্টি নাকের এ রোগের শিকার। যদিও নাকের এলার্জি সর্দি কোন মারাত্মক রোগ নয়, তবে এ রোগের কারণে দৈনন্দিন জীবন প্রবাহ ব্যাহত হয়।
কারণ
যদিও অতিসংবেদনশীলতা এলার্জীর মূল কারণ তবে ব্যক্তি বিশেষে তা আলাদা হতে পারে। মাইট (এক ধরনের কীট) যা পুরাতন বইপত্র বা পত্রিকায় থাকে, বাসার পুরাতন ধুলা (ঘুনে ধরা); কসমেটিকস, ফুলের রেনু ও পশু পাখির লোমে এলার্জেন (যা এল বাকি অংশ পড়ুন...
৮. বন্ধ্যত্ব : ধূমপায়ীণী নারীর বন্ধ্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ধূমপান ডিম্বাশয়ের জন্য ক্ষতিকর। সিগারেটের নিকোটিনসহ অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান ইস্ট্রোজেন হরমোন তৈরিতে বিঘ্নঘটায়। এই হরমোনটি ডিম্বাশয়ে ফলিকল উৎপাদন ও ডিম্বপাত নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া ধূমপান জরায়ু ও ভ্রূণের আরো অনেক ক্ষতি করে।
১২. মানসিক চাপ : ধূমপায়ীরা অপেক্ষাকৃত বেশি মানসিক চাপে ভুগেন। কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে ধূমপায়ীর মানসিক চাপ আস্তে আস্তে বাড়ে এবং ধূমপান পরিত্যাগ করার পর তা ক্রমশ হ্রাস পায়।
১৩. মস্তিষ্কের উপর প্রভাব: তামাক মানুষের মস্তিষ্কের উপর বিরূপ প্রভাব বাকি অংশ পড়ুন...
ডায়াবেটিস কি এবং ইহার ধরণ ?
আমরা শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় কিছু খেলে সেটা আমাদের শরীরে গিয়ে ভেঙে গ্লুকোজ হয়। রক্তে এই গ্লুকোজ বেড়ে গেলেই আমরা বলি ব্লাড সুগার বেড়ে গেছে। আমরা যে রক্ত দিয়ে ডায়াবেটিস মাপি, সেটা এই রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণই মাপি।
আমরা শর্করা খেলে আমাদের বডি ইনসুলিন রিলিজ করে। ইনসুলিনের কাজ হল রক্তের গ্লুকোজ শরীরের কোষে ঢুকিয়ে দেয়া। কিন্তু এই ইনসুলিন অনেক সময় শরীরে থাকার পরও কাজ করতে পারে না। কিংবা ইনসুলিন একেবারেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ইনসুলিনের এই অকার্যকারিতার ফলাফলই হলো ডায়াবেটিকস।
আমরা সাধারণত চার ধরন বাকি অংশ পড়ুন...
নরমাল ডেলিভারি: নরমাল ডেলিভারি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মধ্যে কোনও অস্ত্রোপচারের কোনো প্রক্রিয়া নেই। নরমাল ডেলিভারি মা ও শিশু উভয়ের জন্যই ভালো। একজন গর্ভবর্তী মহিলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মানসিক এবং শারীরিকভাবে নিজেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত করা যেন নরমল ডেলিভারির মাধ্যমে সন্তান ভূমিষ্ট করতে পারে। মানসিক এবং শারীরিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করার কিছু টিপস নিম্নে তুলে ধরা হলো :
১. মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলা : এই সময়ে নিজেকে যতটা মানসিক চাপ থেকে বিরত রাখতে পারবেন তাহলে গর্ভকালীন এবং প্রসবের সময় ভালো ফলাফল পাবেন। এমন নেতিবাচ বাকি অংশ পড়ুন...
মা শব্দটি যতটা বলতে সহজ এবং ছোট দেখায় কিন্তু বাস্তবে মা হওয়ার সোভাগ্য যাদের হয়েছে তারাই জানেন মা হওয়ার মতো জান্নাতি সুখ পৃথিবীতে দ্বিতীয় আর নেই। একজন নারী নিজ সন্তানের অস্তিত্বধারণ করা থেকে শুরু করে সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত একটি কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে যায় যা ভাষা কিংবা শব্দমালা দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব না।
বর্তমানে কথিত আধুনিকতার ছোয়ায় সিজারের মাধ্যমে সন্তান ডেলিভারি করিয়ে তারা পরিপূর্ণ মাতৃত্বের স্বাদ নিতে পারছে না, যা নিঃস্বন্দেহে বলা যায়। সিজারের মাধ্যমে সন্তান ভুমিষ্ট করে অজান্তেই নিজের এবং সন্তানের বড় ধরণের বাকি অংশ পড়ুন...
দীর্ঘসময় কর্মক্ষম থাকতে প্রাপ্তবয়স্কদের সপ্তাহে অন্তত দুবার পেশির ও অ্যারোবিক ব্যায়াম করা উচিত। ৩০ বছর বয়সের পর থেকে প্রতি ১০ বছরে একজন পুরুষের পেশি ৩ থেকে ৫ শতাংশ কমে যায়। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। একে বলা হয় সারকোপেনিয়া। বর্তমানে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে হাড়ক্ষয় বা অস্টিওপোরোসিসের সঙ্গে এই সারকোপেনিয়াকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের পেশিক্ষয় হয়, তাদের বয়োবৃদ্ধির সাথে সাথে পড়ে যাওয়া ও হাড় ভাঙা বা ফ্রাকচারের ঝুঁকি প্রায় আড়াই গুণ বেশি। কেননা, পেশিক্ষয়ের কারণে তাদের হাত-পা দুর্বল হয়ে যায় ও ভারসাম্য ন বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে হাড়ের সমস্যা অনেকেরই দেখা যায়। বিশেষ করে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমস্যাটা আরও বেড়ে যায়। হাড়ের প্রধান উপাদান হল আমিষ, কোলাজেন এবং ক্যালসিয়াম। স্বাভাবিকভাবেই, ৩০ বছর পরে হাড়ের ঘনত্ব এবং পরিমাণ হ্রাস পায়। ৫০ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যে হাড় অনেক দুর্বল হয়ে যায়।
একজন নারীর বয়স বাড়ার সাথে সাথে অস্টিওপরোসিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। হাড়ের স্বাস্থ্য এবং অস্টিওপোরোসিস ফাউন্ডেশনের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অস্টিওপরোসিসে আক্রান্ত ৮০ শতাংশ নারী। একজন নারীর বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার অস্টিওপরোসিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। হাড়ের স্বাস্থ্য বাকি অংশ পড়ুন...
কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত হতে পারে সব বয়সের মানুষ। সাধারণত গরমে বা বর্ষার সময় চোখ ওঠার প্রকোপ বাড়ে। চিকিৎসা পরিভাষায় একে বলা হয় কনজাংটিভাইটিস বা চোখের আবরণ কনজাংটিভার প্রদাহ। এটি হচ্ছে চোখের ভাইরাসজনিত ইনফেকশন। এটি চোখ ওঠা নামেই বেশী পরিচিত। সাধারণত এ রোগে বড় বা দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমস্যা না হলেও লক্ষণগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখলে রোগীর কষ্ট লাঘব হতে পারে।
লক্ষণ
১। কনজাংটিভাইটিসের লক্ষণ চোখের নিচের অংশ লাল হয়ে যাওয়া।
২। চোখে ব্যথা, খচখচ করা বা অস্বস্তি লাগা।
৩। প্রথমে সাধারণত এক চোখ আক্রান্ত হয়, তারপর অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
বায়ুদূষণ থেকে হতে পারে হাঁপানি, সিওপিডি বা ফুসফুসের অন্যান্য নানা সমস্যা। বায়ুদূষণ বর্তমান নগরজীবনের যেন একটি স্থায়ী সমস্যার নাম। তার প্রভাব সদ্যোজাত থেকে প্রাপ্তবয়স্ক প্রত্যেকের ওপরই পড়ছে। বিশ্বে বায়ুদূষণে রাজধানী শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ঢাকা। বায়ুতে সাধারণত ২১ শতাংশ অক্সিজেন, ৭৮ শতাংশ নাইট্রোজেন, দশমিক ৩১ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং নির্দিষ্ট অনুপাতে ওজোন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি থাকে। যদি কোনো কারণে বাতাসে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়ে অন্যান্য গ্যাসের ঘনত্ব বেড়ে যায় কিংবা বালুকণার হার বেড়ে যায়, তবে সেটি দূষিত হয়ে যায়। মারাত্ বাকি অংশ পড়ুন...
শিশুদের কিংবা বড়দেরও অনেক সময় ঠোঁটের কোনায় ঘা হতে দেখা যায়। মুখে এধরণের ঘা নানা কারণে হতে পারে। ভিটামিনশূন্যতার কারণে যেমন দেখা দিতে পারে, তেমনি মুখ ও ঠোঁটে বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণেও হতে পারে। যদিও এমন ঘা সাধারণত গুরুতর কিছু নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ রোগের নাম বলা হয় এঙ্গুলার চিলাইটিস। আবার জ্বর, সর্দিকাশির পর মুখে একধরনের ঘা হতে পারে। অনেকে এ ধরনের ঘায়ের সঙ্গে এঙ্গুলার চিলাইটিস মিলিয়ে ফেলেন। কিন্তু দুটি রোগের কারণ, লক্ষণ, অবস্থা ভিন্ন।
কারণ
যেকোনো বয়সের নারী-পুরুষ এঙ্গুলার চিলাইটিস রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। পান, স বাকি অংশ পড়ুন...
বয়স বাড়লে হাঁটুতে ব্যথাসহ নানা সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। তবে ইদানিং কম বয়সী মানুষও এই সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আঘাত, আর্থ্রাইটিস বা অন্য যে কোনো কারণে হাঁটু ব্যথা হতে পারে। হাঁটু ব্যথা দীর্ঘদিন ধরে অনুভূত হলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে হাঁটুব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করা গেলে ৭০-৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে ব্যথা ভালো হয়ে যায়।
হাঁটুব্যথার কারণ
• কাজকর্ম করতে গিয়ে কিংবা অন্য যেকোনোভাবে আঘাত লেগে হাঁটুতে ব্যথা হতে পারে। এই ধরনের হাঁটুব্যথার কোনো বয়সভেদ নেই। বাতের ব্যথার ক্ষেত্রেও একই বাকি অংশ পড়ুন...












