নারীদের জন্য হাড়ক্ষয় খুব কমন সমস্যা। বয়স ত্রিশ পার হতেই এ দেশের নারীদের গিটে গিটে ব্যথা শুরু হয়ে যায়।
এ হাড় ক্ষয়ের পেছনে অনেক কারণই থাকে।
তবে জানেন কি? টুথপেস্টের জন্যও হতে পারে হাড়ক্ষয়।
দাঁত পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি আরও কত কাজে আমরা টুথপেস্ট ব্যবহার করি। কিন্তু সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, টুথপেস্টে থাকা এক ধরনের রাসায়নিক নারীদের হাড় ক্ষয়ের জন্য দায়ি।
ক্লিনিক্যাল অ্যান্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজিম জার্নালে প্রকাশিত হওয়া এক গবেষণায় দেখানো হয়েছে, ট্রাইক্লোসানের সঙ্গে অস্টিওপোরোসিসের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। এ যৌগ বাকি অংশ পড়ুন...
মূলত খাবার যেমন মহান আল্লাহ পাক উনার অসীম নেয়ামত, তেমনি এই খাবার আমাদের শরীরে যেভাবে শক্তির যোগানে কাজ করে এটি মহান আল্লাহ পাক উনার মহান কুদরত। মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরতী এ বিষয় সম্পর্কে মানুষ যতটুকু জানে, তার চেয়েও লক্ষকোটি বিষয় রয়ে গেছে অজানা। যা মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা জানেন। আর উনারা যাদেরকে জানিয়ে থাকেন উনারা জানেন। সুবহানাল্লাহ!
খাদ্য থেকে প্রাপ্ত পুষ্টি উপাদানগুলো আমাদের দেহে বিভিন্ন কাজ করে থাকে। আমাদের শরীরে খাদ্য গ্রহণের ফলে যে কাজগু বাকি অংশ পড়ুন...
একসময় মনে করা হতো, কেবল বয়স্ক ব্যক্তিরা এতে আক্রান্ত হন। কিন্তু বর্তমানে অল্পবয়সীদেরও এ রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। তবে তুলনামূলকভাবে শহরের মানুষ উচ্চ রক্তচাপে বেশি ভোগেন।
উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই। বরং রোগটি নিয়ে নানা রকম ভুল ধারণা রয়েছে। সচেতনতাও কম।
১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ এটি হচ্ছে একজনের রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা। বয়স কিংবা পরিবেশভেদে একটু এদিক-ওদিক হলেও মোটামুটি এটিই হচ্ছে আদর্শ মান। কিন্তু যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি বেড়ে যায়। সাধারণত টানা দুই দিন যদি কারও রক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
আয়রন: আয়রনের ঘাটতি লোহিত রক্ত কণিকা কমে যাওয়ার বড় কারণ। একজন মহিলার শরীরে প্রতিদিন ১৮ এমজি আয়রন প্রয়োজন। একজন ফলিক অ্যাসিড ফলিক অ্যাসিডও লোহিত রক্ত কণিকা উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। যেসব খাবারে ফলিক অ্যাসিড পাওয়া যায় সেগুলি হল - খাদ্যশস্য, সবুজ শাকসবজি, বিনস, কড়াইশুঁটি, বাদাম।
ভিটামিন বি-১২: ভিটামিন ১২ সমৃদ্ধ খাবার লোহিত রক্ত কণিকা উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। ভিটামিন বি-১২ আছে এমন খাবারগুলি হল - মাছ, খাসি বা গরুর মাংস, ডিম, দুগ্ধ জাতীয় খাবার।
ভিটামিন এ: লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি করতে সাহায্য করে ভিটামিন এ। ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার হল - সবুজ বাকি অংশ পড়ুন...
সুস্থতা মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে খাছ নিয়ামত মুবারক। তাই সুস্থতার সময় বেশি বেশি নেক কাজে মশগুল থেকে শুকরিয়া আদায় করতে হবে।
সুস্থ থাকতে দৈনন্দিন জীবনে খুব বেশি পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটার অভ্যাস করতে পারলেও অনেক রোগব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। দৈনন্দিন শারীরিক পরিশ্রম না করা বা কম হওয়ার কারণে এখন শরীরে বাসা বাঁধছে নানান অসুখ। এর মধ্যে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, আর্থ্রাইটিস (বাত), ওবেসিটি বা স্থূলতা, পেশির শক্তি কমে যাওয়া, অস্টিওপোরোসিস অন্যতম। অথচ শুধু হাঁটার মাধ্যমে এর অনেকগুলো থেকে বেঁচে থাকা সম্ বাকি অংশ পড়ুন...
গরমে ঘামের সঙ্গে শরীরের প্রয়োজনীয় পানি অনেকটাই বের হয়ে যায়। সেই ঘাটতি পূরণ না হলে দেখা দিতে পারে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিলে পানির পাশাপাশি খনিজ পদার্থেরও ঘাটতি হয়। এসময় ফলের রস, আখের রস ইত্যাদি পানীয় পানে এ ঘাটতি অনেকখানি পূরণ হতে পারে। পটাশিয়ামের অভাব পূরণের জন্য নিয়মিত পাকা কলাও খেতে পারেন। শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ করতে যেসব ফল উপকারী।
লেবু : ভিটামিন সি যুক্ত এই ফলের রস আপনাকে সতেজ অনুভূতি দেবে সারাদিন। তবে লেবুর শরবতে খুব বেশি চিনি মেশাবেন না। লেবুতে থাকা পটাশিয়াম শরীর সুস বাকি অংশ পড়ুন...
তীব্র দাবদাহ আর হাঁসফাঁস গরমে জনজীবন নানাভাবে বিপর্যস্ত আর সেই সাথে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। তীব্র দাবদাহে হঠাৎ ক্লান্তি, অতিরিক্ত ঘাম আর জ্ঞানশূন্য হওয়ার মতো পরিস্থিতি হতে পারে। ঘামের সাথে শরীর থেকে বেরিয়ে যায় অনেকটা লবণ। কেবল পানি পান করে হয় না।
শরীর থেকে ইলেট্রলাইটও বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই কারও কারও পেশিতে পড়ে টান। কেউ হন খুব দুর্বল। খুব ক্লান্তি লাগে। তাই সেই সময় লবণ চিনির পানি বা ওরস্যালাইন খেলে অনেকটা সামাল দেওয়া যায়।
আবার প্রচ- গরমে কাজ করতে করতে অনেকে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ধরা যাক, কেউ তীব্র গরম থেকে এসেই ঢুকে পড়লেন শীতল বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
১. ওজন বেশি থাকলে কমিয়ে ফেলতে হবে তাহলে গ্যাস্ট্রিক প্রতিরোধ সহজ হবে।
২. যেসব খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিক হয় সেসব খাবার খাবেন না।
৩. একসঙ্গে অনেক খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে কিছুক্ষণ পর পর খেতে হবে।
৪. ঘুমানোর অন্তত তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন ।
৫. হারাম দ্রব্য তথা ধূমপান ও এলকোহল ছাড়াও কোমল পানীয় পরিত্যাগ করতে হবে।
৬. চা, কফি মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে।
৭. বেশি করে আঁশসমৃদ্ধ খাবার খান। এগুলো হজমে সাহায্য করে।
বাকি অংশ পড়ুন...
ডেঙ্গু আর ভাইরাল জ্বর এখন ঘরে ঘরে। জ্বর ও জ্বর পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন প্রচুর পরিমাণে পানি এবং পানিজাতীয় খাবার খাওয়ার। পুষ্টিগুণে ভরপুর ডাবের পানি খুবই উপকারী জ্বরের রোগীদের জন্য। ডাবের ফ্রেশ পানি পান করার পাশাপাশি স্বাদে বদল আনতে বানিয়ে ফেলতে পারেন শরবত ও পুডিং। জানুন ৩ রেসিপি।
ডাব-তোকমার শরবত:
ডাবের পানি গ্লাসে ঢেলে নিন। ডাবের ভেতরের অংশে থাকা শাঁস চামচ দিয়ে আঁচড়ে বের করে মিশিয়ে নিন পানির সঙ্গে। এক চিমটি লবণ ও ভিজিয়ে রাখা তোকমা মিশিয়ে পরিবেশন করুন।
ডাবের পুডিং:
৫ গ্রাম চায়না গ্রাস ১ কাপ গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন বাকি অংশ পড়ুন...
হঠাৎ পেট খারাপ হলেই ভেবে নেবেন না যে, ফুড পয়জনিং হয়েছে। আবার সব খাবার খেলেই ফুড পয়জনিং হয়না। কেবলমাত্র ব্যাকটেরিয়া বা টক্সিনযুক্ত খাবার খেলে ফুড পয়জনিংয়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ফুড পয়জনিং এর কারণগুলো :
দুধ ও দুধজাতীয় খাবার : সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু খাবার থেকে ফুড পয়জনিং হতে পারে। প্রথমত যেমন, দুধ ও অন্যান্য মিল্ক প্রডাক্ট। দুধ ভালো করে না ফুটালে তার মধ্যে ব্যাকটেরিয়া থেকে যায়। ফলে ফুড পয়জনিং হতে পারে ।
রান্না করা গোশত তুলনামূলকভাবে রান্না গোশতের থেকে কাঁচা গোশত বেশি নিরাপদ। যদি কাঁচা গোশত ভালো করে প্যাক করে ফ্রিজে রেখে দেন, বাকি অংশ পড়ুন...
উচ্চ রক্তচাপ খুব পরিচিত রোগ। বিভিন্ন অঙ্গ উচ্চ রক্তচাপের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চোখ এর মধ্যে অন্যতম। অনেক বছর ধরে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে চোখের রেটিনায় বিভিন্ন পরিবর্তন দেখা যায়। একে বলা হয় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি। হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথির প্রথমেই রেটিনার রক্তনালিগুলো সরু হতে থাকে। কোনো কোনো রক্তনালির রঙের পরিবর্তন হতে পারে। একে বলা হয় সিলভার অয়ারিং। রক্তনালি থেকে বিভিন্ন উপাদান চোখের ভেতরে রেটিনার সামনে চলে আসে। ডিস্ক ইডিমা তৈরি হয় শেষ পর্যায়ে। এসব অবস্থাকেই একত্রে বলা হয় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি।
গঠনশৈল বাকি অংশ পড়ুন...












