পবিত্র মদীনা শরীফ উনার সুপরিচিত উহুদ পাহাড়ের নামে সম্মানিত উহুদ জিহাদের নামকরণ করা হয়। পাহাড়টি অন্য পাহাড়ের সাথে যুক্ত না থেকে একক হওয়ায় এর নাম করণ হয়েছে। এই পাহাড়ের পর ত্বায়েফের পাহাড় শুরু হয়েছে। এই সম্মানিত পাহাড়ের কতগুলো চূড়া রয়েছে। এর সরাসরি দক্ষিণে ছোট পাহাড়টির নাম আয়নায়েন। যা পরবর্তীতে জাবালুর রুমাত বা তীরন্দাযদের পাহাড় বলে পরিচিত হয়। এ দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী বৃহৎ উপত্যকার নাম ওয়াদে কুনাত। যেখানে সম্মানিত উহুদ জিহাদ সংঘটিত হয়।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَالَ النَّبِي صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُحُدٌ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে যে সমস্ত জিহাদ বা যুদ্ধ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে প্রসিদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে আছে তন্মধ্যে ঐতিহাসিক গাযওয়াতুল হুদায়বিয়া বা হুদায়বিয়ার জিহাদ অন্যতম। একে صُلْحُ الْهُدَيْبِيَةِ বা হুদায়বিয়ার সন্ধিও বলা হয়।
হুদায়বিয়ার সন্ধিকে ‘গাযওয়া’ বা যুদ্ধ এ কারণে বলা হয় যে, কেননা কুরাঈশরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এখানে উমরাহ করার জন্য মক্কা শরীফে প্রবেশে বাধা দিয়েছিল’ এবং ছোট খাট বাদ প্রতিবাদও হয়েছিল। (সীরাতুছ ছহীহাহ ২/৪৩৪)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুয বাকি অংশ পড়ুন...
‘খন্দক’ অর্থ পরিখা। এই জিহাদে পবিত্র মদীনা শরীফ উনার প্রবেশপথে দীর্ঘ পরিখা খনন করা হয়েছিলো বলে একে খন্দকের যুদ্ধ বলা হয়। ‘আহযাব’ অর্থ দলসমূহ। পবিত্র পবিত্র মদীনা শরীফসহ মুসলমানদের সমূলে ধ্বংস করার জন্য কুরায়েশদের মিত্র দলসমূহ এক হয়েছিলো বিধায় একে ‘আহযাবের যুদ্ধ’ বলা হয়।
পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে বনু নাযীর ইহুদী গোত্রটিকে খায়বরে নির্বাসনের মাত্র ৭ মাসের মাথায় খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। খন্দকের এই জিহাদ ছিলো পবিত্র মদীনা শরীফ উনার উপরে পুরা আরবের শত্রু দলগুলির এক সর্বব্যাপী হামলা। যা ছিলো প্রায় মাসব্যাপী কষ্টকর অবরোধের এক দু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ حَرِّضِ الْمُؤْمِنِينَ عَلَى الْقِتَالِ إِنْ يَكُنْ مِنْكُمْ عِشْرُونَ صَابِرُونَ يَغْلِبُوا مِائَتَيْنِ وَإِنْ يَكُنْ مِنْكُمْ مِائَةٌ يَغْلِبُوا أَلْفًا مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَا يَفْقَهُونَ.
অর্থ: আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি মু’মিনদেরকে জিহাদ করার জন্য উৎসাহিত করুন। আপনাদের মধ্যে যদি ২০ জন ধৈর্য্যশীল, দৃঢ়চিত্ত ব্যক্তি থাকেন, তাহলে আপনারা ২০০ কাফিরের মোকাবেলায় বিজয়ী হবেন। আর যদি আপনাদের মধ্যে ১০০ লোক থাকেন, তাহলে আপনারা ১০০০ কাফিরদের উপর বিজয়ী হবেন। কারণ তারা জ্ঞানহীন। (পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বনূ কুরাইজা উনার জিহাদ মুবারক:
হযরত আবূ লুবাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু নিজেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদুন নববী শরীফ উনার খুঁটির সাথে বাঁধা প্রসঙ্গে:
হযরত ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কাতাদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত যে, হযরত আবূ লুবাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্পর্কে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَخُونُوا اللَّهَ وَالرَّسُولَ وَتَخُونُوا أَمَانَاتِكُمْ وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ
অর্থ: বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বনূ কুরাইজা উনার জিহাদ মুবারক:
হযরত আবূ লুবাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু নিজেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদুন নববী শরীফ উনার খুঁটির সাথে বাঁধা প্রসঙ্গে:
বনূ কুরাইজা জিহাদের স্মরণীয় একটা ঘটনা হচ্ছে হযরত আবূ লুবাবা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্পর্কে। যখন ইহুদীরা বাঁচার কোন পথ খুঁজে পেলো না তখন তারা রহমাতুল্লিল আ’লামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে অনুরোধ জানিয়ে সংবাদ পাঠালো যে, বনূ আমর ইবনে আওফ গোত্রের হযরত আবূ লুবাবা ইবনে আব্দুল মুনযির রদ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বনূ কুরাইজা উনার জিহাদ মুবারক:
উল্লেখ্য যে, ইহুদী হুয়াই ইবনে আখতাব সে কা’ব ইবনে আসাদের প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছিলো। কুরাইশ কাফির মুশরিক ও গাতফানরা চলে যাওয়ার পর কা’ব ইবনে আসাদ সে বনূ কুরাইজার সাথে তাদের দুর্গে ঠাঁই নেয়। বনূ কুরাইজা যখন বুঝে ফেললো যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাদেরকে ধ্বংস না করে ফিরবেন না। তখন কা’ব ইবনে আসাদ তাদের লক্ষ্য করে বললো, “হে ইহুদী সম্প্রদায়! আজ তোমরা যে অবস্থার সম্মুখীন হয়েছো, তাতো তোমরা দেখতেই পাচ্ছো। আমি তোমাদের সামনে বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
প্রথমে তিনি পবিত্র মদীনা শরীফের ইয়াহুদী বনু কায়নুকা বংশোদ্ভূত একজন ইয়াহুদী আলিম ছিলেন। উনার বংশধারা উপরের দিকে হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম উনার মধ্যে গিয়ে মিলিত হয়েছে। উনার পূর্ব নাম ছিলো আল-হুসাইন, পিতার নাম সালাম ইবনুল হারিছ। দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার নাম মুবারক রাখলেন ‘আবদুল্লাহ’, উনার উপনাম আবু ইউসুফ ও আবুল হারিছ। ইসলাম গ্রহণের পর হযরত আবদুল্লাহ ইবনে সালাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবয়াদ্ব ইবনে হাম্মাল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ইয়ামান দেশের অধিবাসী। বিলাদত শরীফ ও বিছাল শরীফের সন-তারিখ পাওয়া যায়নি। তিনি পবিত্র মদীনা শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পাক দরবারে আগমন করেন এবং মাআরিবের একটি লবণের খনি জায়গীর হিসাবে চান। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে উহা প্রদানে স্বীকৃত হন। কিন্তু এক ব্যক্তির আপত্তিতে উক্ত মজলিসেই আবার উহা প্রত্যাহার করে নেন। উহার পরিবর্তে উনাকে অন্য জায়গায় খেজুর বাগান প্রদান করে বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিকরা নিজেরা তো মহান আল্লাহ
পাক উনার রাস্তায়, এই জিহাদ মুবারকে কিছুই
দান করেনি; বরং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু
তায়ালা আনহুম উনাদের মধ্যে যাঁরা সাধ্য-সামর্থ্য অনুযায়ী দান করতেন- উনাদেরকে নিয়ে
তারা কটাক্ষ করতো, ঠাট্টা-বিদ্রƒপ করতো। নাঊযুবিল্লাহ! তারা বিদ্রƒপ করে বলতো যে, ‘উনারা কি এই দু’চারটি খেজুর দান করে তথাকথিত বিশ্ব
শক্তি রোম সাম্রাজ্যকে পরাজিত করবেন! এমন অল্প কিছু দিয়েই কি উনারা বিশাল সাম্রাজ্য
জয়ের দিবাস্বপ্ন দেখছেন! নাঊযুবিল্লাহ!’
‘বুখারী শরীফ’-এ রয়েছে- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বনূ কুরাইজা উনার জিহাদ মুবারক:
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنِ حضرت ابْنِ عُمَرَ رضى الله تعالى عنه، قَالَ قَالَ رسول الله صلى الله عليه وسلم لَنَا لَمَّا رَجَعَ مِنَ الأَحْزَابِ "لاَ يُصَلِّيَنَّ أَحَدٌ الْعَصْرَ إِلاَّ فِي بَنِي قُرَيْظَةَ".فَأَدْرَكَ بَعْضُهُمُ الْعَصْرَ فِي الطَّرِيقِ فَقَالَ بَعْضُهُمْ لاَ نُصَلِّي حَتَّى نَأْتِيَهَا، وَقَالَ بَعْضُهُمْ بَلْ نُصَلِّي لَمْ يُرَدْ مِنَّا ذَلِكَ. فَذُكِرَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يُعَنِّفْ وَاحِدًا مِنْهُمْ.
অর্থ: “হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...












