উল্লেখ্য, মুনাফিক সর্দার উবাই বিন সুলূল সে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বললো, পবিত্র মদীনা শরীফে থেকেই আমাদের জিহাদ করা হবে উত্তম। মুনাফিক সর্দার জোরালোভাবে পবিত্র মদীনা শরীফে অবস্থান করা ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনার বাইরে বেরিয়ে জিহাদ না করার প্রতি জোর দিতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
কিন্তু পরবর্তীতে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার বাইরে গিয়ে জিহাদ করার জন্য বললেন। এতে উবাই বিন সুলূল সে জিহাদে না যাওয়ার বিষয়ে নানান চূ-চেরা কিল-কাল করতে লাগলো। নাউযুবিল্লাহ! মূলত নূরে মুজাসসাম বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত বুদাইল বিন ওয়ারাক্বা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মধ্যস্থতা:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন-
إِنَّا لَمْ نَجِئ لِقِتَالِ أَحَدٍ، وَلٰكِنَّا جِئْنَا مُعْتَمِرِيْنَ، وَإِنَّ قُرَيْشاً قَدْ نَهَكَتْهُمُ الْحَرْبُ وَأَضَرَّتْ بِهِمْ، فَإِنْ شَاءُوْا مَادَدْتُّهُمْ، وَيَخْلُوْا بَيْنِيْ وَبَيْنَ النَّاسِ، وَإِنْ شَاءُوْا أَنْ يَّدْخُلُوْا فِيْمَا دَخَلَ فِيْهِ النَّاسُ فَعَلُوْا، وِإِلَّا فَقَدْ جَمُّوْا، وَإِنْ هُمْ أَبَوْا إِلَّا الْقِتَالَ فَوَالَّذِيْ نَفْسِيْ بِيَدِهِ لَأُقَاتِلَنَّهُمْ عَلٰى أَمْرِيْ هٰذَا حَتّٰى تَنْفَرِدَ سَالفتي، أَوْ لَيَنْفِذَنَّ اللهُ أَمْرَهُ
‘কারো সঙ্গে যুদ্ধ করার উদ্দেশ্য বাকি অংশ পড়ুন...
খন্দক খননকালে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَفِي رِوَايَةٍ قَالَ جَابِرٍ رضي الله تعالى عنه: لَمَّا حُفِرَ الخَنْدَقُ رَأيْتُ بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم خَمَصاً، فَانْكَفَأْتُ إِلَى امْرَأتِي، فَقُلتُ: هَلْ عِنْدَكِ شَيْءٌ؟ فَإنّي رَأيْتُ بِرَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم خَمَصاً شَديداً، فَأخْرَجَتْ إلَيَّ جِرَاباً فِيه صَاعٌ مِنْ شَعِيرٍ، وَلَنَا بَهِيمَةٌ دَاجِنٌ فَذَبَحْتُهَا، وَطَحَنتِ الشَّعِيرَ، فَفَرَغَتْ إِلَى فَرَاغي، وَقَطَعْتُهَا فِي بُرْمَتِهَا، ثُمَّ وَلَّيْتُ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم ، فَقَالَت: لاَ تَفْضَحْنِي بِرَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ مَعَهُ، فَجِئتُهُ فَسَارَرْتُهُ، فَقُلْتُ: يَا বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ওহী মুবারক অবতীর্ণ ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সাথে পরামর্শ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا يَنطِقُ عَنِ الْهَوَىٰ. إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَىٰ.
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজ থেকে কোন কথা মুবারক বলেন না বা কোন কাজ মুবারক করেন না, যে পর্যন্ত উনার প্রতি সম্মানিত ওহী মুবারক প্রেরণ করা হয়।” (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩-৪)
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রত্যেকটি কথা কাজ ও সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কাবাসীদের সাথে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়ানোর প্রচেষ্টায় পথ পরিবর্তন:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কুরাউল গামীমের প্রধান পথ পরিহার করে আঁকাবাঁকা অন্য এক পথ ধরে অগ্রসর হতে থাকলেন। এ পথটি ছিলো একটি পাহাড়ী পথ, প্রধান সড়কটি বাম পাশে রেখে ডান দিকে ঘুরে হিমসের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়ে এমন পথ ধরলেন, যে পথ সানিয়াতুল মারারের উপর দিয়ে চলে গেছে। সানিয়াতুল মারার হতে হুদায়বিয়াতে নেমেছে। হুদায়বিয়াহ পবিত্র মক্কা শরীফ উনার নিম্ন অঞ্চলে অবস্থিত। পরিবর্তিত পথ ধরে অগ্রসর হওয়ার সুবিধা হলো, কুরাউল গ বাকি অংশ পড়ুন...
খন্দক খননকালে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
অসংখ্য হাদীছ শরীফ, তাফসীর শরীফ ও কিতাব মুবারক উনাদের মাঝে উল্লেখ রয়েছে-
عَن حضرت جَابِرٍ رضي الله تعالى عنه، قَالَ: إنَّا كُنَّا يَوْمَ الْخَنْدَقِ نَحْفِرُ، فَعَرَضَتْ كُدْيَةٌ شَدِيدَةٌ، فَجَاؤُوا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَوا: هَذِهِ كُدْيَةٌ عَرَضَتْ في الخَنْدَقِ. فَقَالَ: ্রأنَا نَازِلٌগ্ধ ثُمَّ قَامَ، وَبَطْنُهُ مَعْصُوبٌ بِحَجَرٍ، وَلَبِثْنَا ثَلاَثَة أيّامٍ لاَ نَذُوقُ ذَوَاقاً فَأخَذَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم المِعْوَلَ، فَضَرَبَ فَعَادَ كَثِيباً أهْيَلَ أَو أهْيَمَ، فَقُلتُ: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، ائْذَنْ لِي إِلَى البَيْتِ، فَقُلتُ لامْرَأتِي: رَأيْتُ بالنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم ش বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কা শরীফের কাফির মুশরিকদের সংঘবদ্ধ ও যুদ্ধের প্রস্তুতি:
এছাড়া কুরাইশ কাফির মুশরিকদের থেকে আবূ ত্বলহা হলো আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল উয্যা ইবনে উছমান ইবনে আব্দুদদার এর কুনিয়াত আর সুলাফা হলো ত্বলহার ছেলে মুসাফি’, জুল্লাস ও কিলাবের মা। তাদের পিতাসহ তারা সকলে উহুদ যুদ্ধে নিহত হয়। বনূ মালিক ইবনে হিসল গোত্রের খুন্নাস বিনতে মালিক ইবনে মাযরাব নামক জনৈক মহিলা তার ছেলে আবূ আযীয ইবনে উমায়েরসহ যুদ্ধে বেরিয়েছিলো। সে হযরত মুসয়াব ইবনে উমাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মা ছিলো। অনুরূপভাবে আমরাহ বিনতে আলক্বামা বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদের প্রেক্ষাপট:
খ্বালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَقَدۡ صَدَقَ اللّٰهُ رَسُوۡلَهُ الرُّءۡیَا بِالۡحَقِّ ۚ لَتَدۡخُلُنَّ الۡمَسۡجِدَ الۡحَرَامَ اِنۡ شَآءَ اللّٰهُ اٰمِنِیۡنَ ۙ مُحَلِّقِیۡنَ رُءُوۡسَکُمۡ وَ مُقَصِّرِیۡنَ ۙ لَا تَخَافُوۡنَ فَعَلِمَ مَا لَمۡ تَعۡلَمُوۡا فَجَعَلَ مِنۡ دُوۡنِ ذٰلِکَ فَتۡحًا قَرِیۡبًا ﴿۲۷﴾
অর্থ: ‘মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সত্য স্বপ্ন মুবারক দেখিয়েছেন অর্থাৎ সম্মানিত ওহী মুবারক করেছেন। খ্বালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চাহেন তো আপনারা অবশ্যই মসজিদুল হারাম শরীফে নি বাকি অংশ পড়ুন...












