পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَمَن يُوقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ
অর্থ: যারা নিজেদেরকে বখিলতা থেকে বাঁচাতে পারলো, তারা বিরাট সফলতা লাভ করলো। (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ: আয়াত শরীফ ৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণনাকারী বলেন, আমরা হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কাছাকাছি গিয়ে সামান্য কিছু দূরে দাঁড়ালাম এবং উনাকে সালাম দিলাম। তিনি আমাদের সালামের জবাব দিলেন। হযরত জা’ফর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত উবাইদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তখন এমনভাবে পাগড়ি-রুমাল পরিহিত অবস্থায় ছিলেন যে, হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার দু’ চোখ এবং দু’ পা ব্যতীত আর কিছুই দেখতে পাচ্ছিলেন না। এ অবস্থায় হযরত উবাইদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হে হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি কি আমাকে চিনেছেন?
বর্ণনা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিছালী শান মুবারক গ্রহণ:
কুরাইশ গোত্রের হিববান ইবনু আরেকা নামক এক ব্যক্তি হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার উভয় বাহুর মধ্যবর্তী রগে তীর বিদ্ধ করেছিলো। নিকট থেকে উনার খোঁজ-খবর রাখার জন্য সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মসজিদে নববী শরীফে একটি তাঁবু তৈরি করেছিলেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খন্দকের জিহাদ থেকে ফিরে এসে যখন হাতিয়ার রেখে গোসল মুবারক শেষ করলেন তখন হযরত জিবরাঈল বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি পবিত্র মক্কা শরীফে অবস্থানরত ছিলাম, কিন্তু যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় করলেন, তখন আমি চুপিচুপি তায়েফ চলে গেলাম এবং সেখানেই অবস্থান করতে লাগলাম। যখন তায়েফের প্রতিনিধিদল সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট গেলেন, তখন আমি হতবুদ্ধি ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লাম। একবার ভাবলাম সিরিয়া, ইয়ামান কিংবা অন্য কোন দেশে চলে যাবো। মহান আল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত উহুদের জিহাদে অংশগ্রহণ:
উহুদের জিহাদে হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবস্থানস্থল মুবারক পাহারার দায়িত্ব পালন করেন। উহুদের যুদ্ধে মুসলমানদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে ১৫ জন ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পাশেই অবস্থান করেছিলেন, উনাদের মধ্যে হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন। এই উহুদের জিহাদে উনার ভাই হযরত আমর ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমাইয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
قَالَ فَجَلَسْنَا إلَيْهِ فَقُلْنَا لَهُ جِئْنَاك لِتُحَدّثَنَا عَنْ قَتْلِك حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ كَيْفَ قَتَلْته؟ فَقَالَ أَمَا إنّي سَأُحَدّثُكُمَا كَمَا حَدّثْت رَسُولَ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ حِينَ سَأَلَنِي عَنْ ذَلِكَ كُنْت غُلَامًا لِجُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ وَكَانَ عَمّهُ طُعَيْمَة بْنُ عَدِيّ قَدْ أُصِيبَ يَوْمَ بَدْرٍ فَلَمّا سَارَتْ قُرَيْشٌ إلَى أُحُدٍ، قَالَ لِي جُبَيْرٌ إنْ قَتَلْت حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ عَمّ حَضْرَتْ مُحَمّدٍ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ بِعَمّي فَأَنْتَ عَتِيقٌ. قَالَ فَخَرَجْت مَعَ النّاسِ وَكُنْت رَجُلًا حَبَشِيّا أَقْذِفُ بِالْحَرْبَةِ قَذْفَ الْحَبَشَةِ، قَلّمَا أ বাকি অংশ পড়ুন...
বনু কুরায়জাকে শাস্তিদানের ব্যাপারে রায় দানকারী ছাহাবী হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক:
হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একজন অন্যতম ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন। যিনি সম্মানিত বদর, উহুদ ও খন্দকের জিহাদে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সম্মানিত হিজরতের পূর্বে মদীনা শরীফে তিনি নিজ গোত্র আওসের আমীর ছিলেন। পবিত্র মদীনাবাসীদেরকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম শিক্ষা দেয়ার জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
شَرِيقُ بْنُ الْأَخْنَسِ بْنِ شَرِيقٍ. وَكَانَتْ خَتّانَةً بِمَكّةَ فَلَمّا الْتَقَيَا ضَرَبَهُ حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ فَقَتَلَهُ. قَالَ حَضْرَتْ وَحْشِيّ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، غُلَامُ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ: وَاَللّهِ إنّي لَأَنْظُرُ إلَى حَضْرَتْ حَمْزَةَ عَلَيْهِ السَّلَامِ يَهُدّ النّاسَ بِسَيْفِهِ مَا يَلِيقُ بِهِ شَيْئًا، مِثْلَ الْجَمَلِ الْأَوْرَقِ إذْ تَقَدّمَنِي إلَيْهِ سِبَاعُ بْنُ عَبْدِ الْعُزّى، فَقَالَ لَهُ حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ هَلُمّ إلَيّ يَا ابْنَ مُقَطّعَةِ الْبُظُورِ فَضَرَبَهُ ضَرْبَةً فَكَأَنّ مَا أَخْطَأَ رَأْسَهُ وَهَزَزْت حَرْبَتِي حَتّى إذَا رَضِيت مِنْهَا دَفَعْتهَا عَلَيْهِ فَوَقَعَتْ فِي ثُنّتِهِ حَتّى خَ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কা’ব ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
وَإِذَا رَجُلٌ مِنْ الْمُشْرِكِينَ جَامِعُ اللّأْمَةِ يَصِيحُ اسْتَوْسِقُوا كَمَا يُسْتَوْسَقُ جُرْبُ الْغَنَمِ. وَإِذَا رَجُلٌ مِنْ الْمُسْلِمِينَ عَلَيْهِ لَأْمَتُهُ فَمَشَيْت حَتّى كُنْت مِنْ وَرَائِهِ ثُمّ قُمْت أُقَدّرُ الْمُسْلِمَ وَالْكَافِرَ بِبَصَرِي، فَإِذَا الْكَافِرُ أَكْثَرُهُمَا عُدّةً وَأُهْبَةً فَلَمْ أَزَلْ أَنْظُرُهُمَا حَتّى الْتَقَيَا، فَضَرَبَ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ عَلَى حَبْلِ عَاتِقِهِ بِالسّيْفِ فَمَضَى السّيْفُ حَتّى بَلَغَ وَرِكَيْهِ وَتَفَرّقَ الْمُشْرِكُ فِرْقَتَيْنِ. وَكَشَفَ الْمُسْلِمُ عَنْ وَجْهِهِ فَقَالَ كَيْفَ تَرَى يَا حَضْرَتْ كَعْبُ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ؟ أَنَا حَضْرَتْ أَبُو دُجَانَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক খন্দকের জিহাদে খন্দক খননের পরামর্শদানকারী হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের ওয়াকিয়া:
হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যমীনে প্রেরণ করলেন। তিনি পবিত্র মক্কা শরীফে যতদিন থাকার থাকলেন। আমি গোলামী জীবনে ব্যস্ত থাকায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কোন খবর প বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “একাধিক আলিম আমাকে জানিয়েছেন যে, হযরত যুবাইর ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট তরবারি চেয়েছিলাম। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে উনার সম্মানিত তরবারি মুবারক না দিয়ে হযরত আবূ দুজানা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দিয়েছিলেন।
হযরত যুবাইর ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি এই সম্মানিত উহুদ জিহাদের দিন হযরত আব বাকি অংশ পড়ুন...












