পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার ০৯ থেকে ২৭ পর্যন্ত আয়াত শরীফ উনাদের সংক্ষিপ্ত তাফসীর:
তাদের এমন কথার পরিপ্রেক্ষিতেই অবতীর্ণ হলো-
وَاِذۡ یَقُوۡلُ الۡمُنٰفِقُوۡنَ وَالَّذِیۡنَ فِیۡ قُلُوۡبِهِمۡ مَّرَضٌ مَّا وَعَدَنَا اللّٰهُ وَ رَسُوۡلُهٗۤ اِلَّا غُرُوۡرًا-
‘আর স্মরণ করুন, মুনাফিকরা ও যাদের অন্তরে ব্যাধি ছিলো, তারা বলছিলো, মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা প্রতারণা ব্যতীত কিছুই নয়’ (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ১২)
তাদের এমন অপবচনের প্রেক্ষিতà বাকি অংশ পড়ুন...
ইবনে ইসহাক তিনি বলেন, সম্মানিত উহুদ জিহাদের দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনের মহাসম্মানিত নূরুল্লাহ মুবারক তথা দাঁত মুবারক শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। উনার নূরুর রহমত তথা মহাসম্মানিত চেহারা মুবারকও যখমী শান মুবারক প্রকাশ করেন, উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল হুদা বা মাথা মুবারকের যখমী শান মুবারক হতে নূরুন নাজাত তথা রক্ত মুবারক প্রবাহিত হতে থাকেন এবং তিনি এই বলে নূরুন নাজাত তথা মহাসম্মানিত রক্ত মুবারক মুছতে থাকেন
كَيْفَ يُفْلِحُ قَوْمٌ خَضَّبُوا وَجْهَ نَبِيِّهِمْ بِالدَّمِ، وَهُوَ ي বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের ময়দান থেকে কাফির মুশরিকদের পলায়ন ও মুসলমানদের বিজয়:
بِأَنَّ جِلَادَنَا يَوْمَ الْتَقَيْنَا ... بِمَكَّةَ بَيْعُكُمْ حُمْرَ الْعِيَابِ
নিশ্চয়ই যেদিন আমরা এবং তোমরা (সম্মানিত উহুদ জিহাদে) মুখোমুখী হয়েছিলাম, সেদিন তোমাদের ধারণা ছিলো যে) তোমরা আমাদের চামড়া পবিত্র মক্কা শরীফে (বানিজ্যিক পণ্য রাখার) লাল থলে বানিয়ে বিক্রি করবে। নাউযুবিল্লাহ!
أَقَرَّ الْعَيْنَ أَنْ عُصِبَتْ يَدَاهُ ... وَمَا إنْ تُعْصَبَانِ عَلَى خِضَابِ
তার দু’হাত রক্তাক্ত হওয়ার দৃশ্যে আমি চোখ জুড়িয়েছি। রক্তের খিযাবতো তাকে লাগাতেই হবে। (সীরাতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ইবনে হিশাম ঠবাকি অংশ পড়ুন...
৫ম হিজরী উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহরুল আ’যম তথা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জানানো হলো, ‘দুমাতুল জান্দাল’ এলাকার লোকেরা পবিত্র মদীনা শরীফে আক্রমণের উদ্যোগ নিচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! দুমাতুল জান্দাল হচ্ছে, পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে ১৫ দিনের দূরত্বে অবস্থিত একটি স্থান, যেখান থেকে দামেশক ৫ দিনের পথ।
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত à বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের ময়দান থেকে কাফির মুশরিকদের পলায়ন ও মুসলমানদের বিজয়:
عَن حَضْرَتْ الْبَرَاءِ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ فَلمَّا لَقِينَاهُمْ هَرَبُوا حتَّى رَأيْتُ النِّسَاءَ يَشْتَدِدْنَ في الْجَبَلِ، رَفَعْنَ عَنْ سُوقِهِنَّ، قد بَدَتْ خلاخِلُهُنَّ،
অর্থ: “হযরত বারা’ ইবনে আযীব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কাফির মুশরিকদের সাথে আমাদের মোকাবেলা হলে তাদের মধ্যে পলায়নের হিড়িক পরে যায়, এমনকি আমি নারীদের দেখি যে, তারা পায়ের গোছা হতে কাপড় উঠিয়ে নিয়ে দ্রুত বেগে পালিয়ে যাচ্ছে। তাদের পায়ের অলংকার দেখা যাচ্ছিলো।” (মানারুল কারী শরহে মুখতাছারে ছহীহ বুখাà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার ০৯ থেকে ২৭ পর্যন্ত আয়াত শরীফ উনাদের সংক্ষিপ্ত তাফসীর:
হযরত বাগবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেছেন, হযরত মুহম্মদ ইবনে ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন, আমাকে পরিখা যুদ্ধের ঘটনা বর্ণনা করেছেন, হযরত ওরওয়া ইবনে যুবায়ের রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। উনার থেকে ইয়াযিদ ইবনে রূমান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। এরকম আরো বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে কা’ব ইবনে মালেক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, জুহুরী এবং আছেম ইবনে আমর ইবনে কাতাদা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি, অধিকন্তু আবদুল্লাহ ইবনে আবী বকর ইবনে মুহম্মদ ইবনে আমর ইবনে বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আরো বলেন, তারপর সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের ডেকচির নিকট গিয়ে তাতেও উনার মহাসম্মানিত নূরুল বারাকাত মুবারক (থুথু মুবারক) বর্ষণ করলেন এবং বরকতের জন্য দোয়া মুবারক করলেন। আর তিনি (আমার আহলিয়াকে) বললেন, একজন মহিলা ডাকুন; সে আপনার সাথে রুটি মুবারক তৈরী করুক এবং আপনার ডেকচি থেকে (গোশত মুবারক) পাত্রে দিতে থাকুন, কিন্তু চুলা থেকে তা নামাবেন না।
হà বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইউনূস তিনি হযরত ইবনে ইসহাক উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, মুশরিকদের পতাকা বহনকারী কাট্টা কাফির তালহা ইবনে আবূ তালহা আবদারী সেদিন যুদ্ধ করার জন্য ময়দানে হাজির হয়ে দ্বন্দ্ব যুদ্ধের আহবান জানাচ্ছিলো। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা তার নিকট থেকে একটু দূরে সরে অবস্থান করছিলেন। সর্বপ্রথম সাইয়্যিদুনা হযরত যুবায়ের ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তার মোকাবিলায় এগিয়ে গেলেন এবং তাকে আক্রমণ করলেন।
এক সময় হযরত যুবায়ের ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তার উটের উপর চড়ে বসলেন আর তাকে à বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার আহলিয়া বললেন, ‘হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কী আপনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন?’ আমি বললাম, ‘হ্যাঁ।’ (আমার আহলিয়া বললেন, তাহলে মহান আল্লাহ পাক ও উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা অধিক জানেন। আমাদের কাছে যা আছে তা তো আপনি উনাকে জানিয়ে দিয়েছেন।’ হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, তখন আমার কিংকর্তব্যবিমূঢ়তা দূর হলো। আমি বললাম, আপনি যথার্থই বলেছেন।’)
তারপর নূরে মুজাসসাম হà বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বিতীয় মুবারিয: এরপর পবিত্র মক্কা শরীফের কাফির মুশরিকদের পতাকাবাহী তালহা ইবনে আবূ তালহা সে ময়দানে এসে চিৎকার দিয়ে বললো, হে হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম! আপনাদের ধারণা হলো আপনাদের তরবারির আঘাতে মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তাড়াতাড়িই জাহান্নামে পাঠিয়ে দিবেন। আর আমাদের তরবারির আক্রমণে আপনাদের যথাশীঘ্রই জান্নাতে পাঠিয়ে দিবেন। তাহলে আপনাদের মধ্যে কেউ কী আছেন যাকে আমার তরবারি জান্নাতে পাঠিয়ে দিবে অথবা আপনাদের কারো তরবারি আমাকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিবে?
তার এ ঘোষণা শুনে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাà বাকি অংশ পড়ুন...












