(গত ৫ই রবীউল আউওয়াল শরীফের পর)
জিহাদ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
অসংখ্য হাদীছ শরীফ, তাফসীর ও কিতাব মুবারক উনাদের মাঝে উল্লেখ রয়েছেন-
عَن حضرت جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ، قَالَ: إنَّا كُنَّا يَوْمَ الْخَنْدَقِ نَحْفِرُ، فَعَرَضَتْ كُدْيَةٌ شَدِيدَةٌ، فَجَاؤُوا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَوا: هَذِهِ كُدْيَةٌ عَرَضَتْ في الخَنْدَقِ . فَقَالَ: ্রأنَا نَازِلٌ গ্ধ ثُمَّ قَامَ، وَبَطْنُهُ مَعْصُوبٌ بِحَجَرٍ، وَلَبِثْنَا ثَلاَثَة أيّامٍ لاَ نَذُوقُ ذَوَاقاً فَأخَذَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ المِعْوَلَ، فَضَرَبَ فَعَادَ كَثِيباً أهْيَلَ أَو أهْيَمَ، فَقُلتُ: يَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْه বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আরো বলেন, মুসলিম বাহিনী যখন ইয়ামামার অধিপতি মিথ্যা নবী দাবিদার মুসায়লামাতুল কায্যাবকে হত্যা করার জন্য রওয়ানা হন, তখন আমি উনাদের সঙ্গে বের হই এবং বর্শাও সাথে নিয়ে নেই। ইহা সেই বর্শা, যেই বর্শা দ্বারা হযরত সাইয়্যিদুশ শুহাদা হামযা আলাইহিস সালাম উনাকে আমি শহীদ করেছিলাম। যখন উভয় দলের মাঝে জিহাদ শুরু হলো, তখন আমি মিথ্যা নবী দাবিদার মুসাইলামাতুল কায্যাবকে দেখলাম, সে তরবারি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি তাকে চিনতাম না, তাই কাউকে জিজ্ঞাসা করে তার সম্পর্কে জেনে নিশ্চিত হয়ে নিলাম এবং তাকে হত্যা বাকি অংশ পড়ুন...
لَّقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِّمَن كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ وَذَكَرَ اللَّهَ كَثِيرًا ﴿٢١﴾
তোমাদের মধ্যে যারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও আখিরাতকে ভয় করো এবং মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিক স্মরণ করো তাদের জন্য তো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছে মহাসম্মানিত উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ২১)
وَلَمَّا رَأَى الْمُؤْمِنُونَ الْأَحْزَابَ قَالُوا هَٰذَا مَا وَعَدَنَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَصَدَقَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ ۚ وَمَا زَادَهُمْ إِلَّا إِيمَانًا وَتَسْلِيمًا ﴿٢٢﴾
মু’মিনগ বাকি অংশ পড়ুন...
قَالَ فَخَرَجْتُ مَعَهُمْ حَتَّى قَدِمْتُ عَلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلَمَّا رَآنِي قَالَ آنْتَ حَضْرَتْ وَحْشِيٌّ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قُلْتُ نَعَمْ قَالَ أَنْتَ قَتَلْتَ حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ قُلْتُ قَدْ كَانَ مِنَ الأَمْرِ مَا بَلَغَكَ، قَالَ فَهَلْ تَسْتَطِيعُ أَنْ تُغَيِّبَ وَجْهَكَ عَنِّي قَالَ فَخَرَجْتُ فَلَمَّا قُبِضَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخَرَجَ مُسَيْلِمَةُ الْكَذَّابُ قُلْتُ لأَخْرُجَنَّ إِلَى مُسَيْلِمَةَ لَعَلِّي أَقْتُلُهُ فَأُكَافِئَ بِهِ حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ قَالَ فَخَرَجْتُ مَعَ النَّاسِ فَكَانَ مِنْ أَمْرِهِ مَا كَانَ قَالَ فَإِذَا رَجُلٌ قَائِمٌ فِي ثَلْمَةِ جِدَارٍ كَأَنَّهُ جَمَلٌ أَوْرَقُ ثَائِرُ الرَّأْسِ قَالَ فَرَمَيْتُ বাকি অংশ পড়ুন...
وَإِذْ يَقُولُ الْمُنَافِقُونَ وَالَّذِينَ فِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ مَّا وَعَدَنَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ إِلَّا غُرُورًا ﴿١٢﴾
আর স্মরণ করুন সেই সময়ের কথা, যখন মুনাফিকরা ও যাদের অন্তরে ব্যাধি ছিলো, তারা বলেছিলো, ‘মহান আল্লাহ পাক এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা প্রতারণা ব্যতীত কিছুই নয়।’ নাউযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ১২)
وَإِذْ قَالَت طَّائِفَةٌ مِّنْهُمْ يَا أَهْلَ يَثْرِبَ لَا مُقَامَ لَكُمْ فَارْجِعُوا ۚ وَيَسْتَأْذِنُ فَرِيقٌ مِّنْهُمُ النَّبِيَّ يَقُولُونَ إِنَّ بُيُوتَنَا عَوْرَةٌ وَمَا ه বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَمَن يُوقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ
অর্থ: যারা নিজেদেরকে বখিলতা থেকে বাঁচাতে পারলো, তারা বিরাট সফলতা লাভ করলো। (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ: আয়াত শরীফ ৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণনাকারী বলেন, আমরা হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কাছাকাছি গিয়ে সামান্য কিছু দূরে দাঁড়ালাম এবং উনাকে সালাম দিলাম। তিনি আমাদের সালামের জবাব দিলেন। হযরত জা’ফর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত উবাইদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তখন এমনভাবে পাগড়ি-রুমাল পরিহিত অবস্থায় ছিলেন যে, হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার দু’ চোখ এবং দু’ পা ব্যতীত আর কিছুই দেখতে পাচ্ছিলেন না। এ অবস্থায় হযরত উবাইদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হে হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি কি আমাকে চিনেছেন?
বর্ণনা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিছালী শান মুবারক গ্রহণ:
কুরাইশ গোত্রের হিববান ইবনু আরেকা নামক এক ব্যক্তি হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার উভয় বাহুর মধ্যবর্তী রগে তীর বিদ্ধ করেছিলো। নিকট থেকে উনার খোঁজ-খবর রাখার জন্য সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মসজিদে নববী শরীফে একটি তাঁবু তৈরি করেছিলেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খন্দকের জিহাদ থেকে ফিরে এসে যখন হাতিয়ার রেখে গোসল মুবারক শেষ করলেন তখন হযরত জিবরাঈল বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি পবিত্র মক্কা শরীফে অবস্থানরত ছিলাম, কিন্তু যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় করলেন, তখন আমি চুপিচুপি তায়েফ চলে গেলাম এবং সেখানেই অবস্থান করতে লাগলাম। যখন তায়েফের প্রতিনিধিদল সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট গেলেন, তখন আমি হতবুদ্ধি ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লাম। একবার ভাবলাম সিরিয়া, ইয়ামান কিংবা অন্য কোন দেশে চলে যাবো। মহান আল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত উহুদের জিহাদে অংশগ্রহণ:
উহুদের জিহাদে হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবস্থানস্থল মুবারক পাহারার দায়িত্ব পালন করেন। উহুদের যুদ্ধে মুসলমানদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে ১৫ জন ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পাশেই অবস্থান করেছিলেন, উনাদের মধ্যে হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন। এই উহুদের জিহাদে উনার ভাই হযরত আমর ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমাইয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
قَالَ فَجَلَسْنَا إلَيْهِ فَقُلْنَا لَهُ جِئْنَاك لِتُحَدّثَنَا عَنْ قَتْلِك حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ كَيْفَ قَتَلْته؟ فَقَالَ أَمَا إنّي سَأُحَدّثُكُمَا كَمَا حَدّثْت رَسُولَ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ حِينَ سَأَلَنِي عَنْ ذَلِكَ كُنْت غُلَامًا لِجُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ وَكَانَ عَمّهُ طُعَيْمَة بْنُ عَدِيّ قَدْ أُصِيبَ يَوْمَ بَدْرٍ فَلَمّا سَارَتْ قُرَيْشٌ إلَى أُحُدٍ، قَالَ لِي جُبَيْرٌ إنْ قَتَلْت حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ عَمّ حَضْرَتْ مُحَمّدٍ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ بِعَمّي فَأَنْتَ عَتِيقٌ. قَالَ فَخَرَجْت مَعَ النّاسِ وَكُنْت رَجُلًا حَبَشِيّا أَقْذِفُ بِالْحَرْبَةِ قَذْفَ الْحَبَشَةِ، قَلّمَا أ বাকি অংশ পড়ুন...
বনু কুরায়জাকে শাস্তিদানের ব্যাপারে রায় দানকারী ছাহাবী হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক:
হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একজন অন্যতম ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন। যিনি সম্মানিত বদর, উহুদ ও খন্দকের জিহাদে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সম্মানিত হিজরতের পূর্বে মদীনা শরীফে তিনি নিজ গোত্র আওসের আমীর ছিলেন। পবিত্র মদীনাবাসীদেরকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম শিক্ষা দেয়ার জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল বাকি অংশ পড়ুন...












