খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنْ تُقْرِضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا يُضَاعِفْهُ لَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ وَاللَّهُ شَكُورٌ حَلِيمٌ
অর্থ: “তোমরা যদি মহান আল্লাহ পাক উনাকে উত্তম ঋণ দাও তথা উনার পথে দান- ছদক্বা করো, খয়রাত করো তা হলে তিনি তোমাদেরকে তা বহু গুণে বাড়িয়ে দিবেন এবং তোমাদেরকে ক্ষমা করবেন। সুবহানাল্লাহ! মূলত খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহা গুণগ্রাহী ও অত্যন্ত সহনশীল”। (পবিত্র সূরা তাগাবুন শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল তার ৩০০ সহচর নিয়ে পলায়ন:
হযরত ইবনে ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
حَتّى إذَا كَانُوا بِالشّوْطِ بَيْنَ الْمَدِينَةِ وَأُحُدٍ ، انْخَزَلَ عَنْهُ أُبَيّ بْنُ سَلُولَ بِثُلُثِ النّاسِ وَقَالَ أَطَاعَهُمْ وَعَصَانِي.
অর্থ: “যখন মুসলিম বাহিনী উনারা পবিত্র মদীনা শরীফ ও সম্মানিত উহুদের মধ্যবর্তী শাওত্ব নামক স্থানে পৌঁছলেন, তখন মুনাফিক সরদার উবাই বিন সুলূল সে এক-তৃতীয়াংশ লোক নিয়ে পবিত্র মদীনা শরীফে প্রত্যাবর্তন করলো এবং সে রটাতে লাগলো যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয় বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদের মূল চিত্র:
রাতের বেলায়ও আক্রমণকারী কাফিররা পরিখা অতিক্রমের জন্য কয়েক দফা চেষ্টা চালিয়েছিলো। কিন্তু এসকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়। মুসলমানগণ পরিখার অপর পাশ থেকে তীর নিক্ষেপ করে তাদের বাধা প্রদান করেন। পরিখার পুরো দৈর্ঘ্য বরাবর পদাতিকদের মোতায়েন করা সম্ভব ছিলো কিন্তু সম্মুখ যুদ্ধে মুসলমানদের সুবিধাজনক অবস্থানের কারণে তারা সে পদক্ষেপ নেয়নি। পরিখা খননের সময় তোলা মাটি দিয়ে তৈরি বাধের পেছনের সুরক্ষিত অবস্থান থেকে মুসলমানগণ তীর ও পাথর ছুড়ে আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। ফলে কোন প্রকার আক্রমণ হলে ব্যাপক হতাহতের সম্ভাবনা ছ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে প্রেরণ:
অন্যদিকে হযরত সাঈদ বিন আছ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উঠে এসে ‘মারহাবা’ বলে উনাকে খোশ আমদেদ জানালেন। অতঃপর তিনি নিজ ঘোড়ার উপর জিন চাপিয়ে তাতে আরোহণ করলেন এবং সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে সঙ্গে বসিয়ে নিয়ে পবিত্র মক্কা শরীফে নিজ বাসস্থানে নিয়ে গেলেন। সেখানে গিয়ে সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে নেতৃস্থানীয় কুরাইশদের নিকট নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত বার্তা মুবারক শোনালেন। ব বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
এতে অবশিষ্ট তৃতীয়াংশ পড়ে গেলো। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বের হয়ে আসলেন, এবং উনার মহাপবিত্র চাদরখানা নিয়ে বসে পড়লেন। হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বললেন, ‘ইয়া সাইয়্যিদুল মুরসালীন ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ঐ সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন সহকারে প্রেরণ করেছেন। আপনি যখন আঘাত করছিলেন, আমি আপনার প্রতি লক্ষ্য করছিলাম, দেখলাম আপনি যখনই তাতে আঘাত করছিলে বাকি অংশ পড়ুন...
তারপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে একত্রিত হওয়ার নির্দেশ মুবারক প্রদান করলেন। এতে করে পবিত্র মদীনা শরীফের বাইরে গিয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সকলেই খুশি প্রকাশ করলেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র আছর নামায বাদ সম্মানিত হুজরা শরীফে প্রবেশ করলেন। হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম ও হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনারাও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الْكَافِرِيْنَ كَانُوْا لَكُمْ عَدُوًّا مُّبِيْنًا
অর্থ: হে ঈমানদাররা! নিশ্চয়ই কাফিররা তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। (পবিত্র সূরা নিসা: আয়াত শরীফ ১০১)
বাকি অংশ পড়ুন...
কুরাইশগণের মধ্যস্ততাকারী প্রেরণ:
এরপর উরওয়া নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সম্পর্ক সৌকর্যের ক্ষেত্রে আন্তরিকতার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে থাকে। অতঃপর স্বগোত্রীয় লোকজনদের নিকট ফিরে এসে বলে, ‘হে গোত্রীয় ভ্রাতৃবর্গ! মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! আমি কায়সার ও কিসরা এবং নাজ্জাসীদের শাসকের দরবারে গিয়েছি, আমি কোন শাসককে দেখিনি যে, তার অনুসারী বা সঙ্গী সাথীগণ সেই শাসককে এতটুকু সম্মান প্রদর্শন করছে, যতটুকু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হু বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কা শরীফ-এ প্রবেশ:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৮ম হিজরী সনের ১০ই রমাদ্বানুল মুবারক আছরের নামাযের পর দশ হাজার মুসলমানের এক বিশাল বাহিনী নিয়ে পবিত্র মক্কা শরীফ উনার উদ্দেশ্যে পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে রওয়ানা দিলেন। পথে আরো দুই হাজার মুসলমান এই মুসলিম বাহিনীর সাথে একত্রিত হলেন।
‘কাদীদ’ নামক স্থানে পৌঁছার পর মাগরিবের সময় হলে সকলেই সেখানে বসে ইফতার করলেন। অতঃপর মুসলিম বাহিনী মনজিলের পর মনজিল অতিক্রম করে সামনে অগ্রসর হতে লাগলেন।
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে ম বাকি অংশ পড়ুন...












