ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি আকাশে ঘটতে যাচ্ছে একটি বিরল মহাজাগতিক ঘটনা-বলয়াকার সূর্যগ্রহণ। অনেকেই একে বলেন ‘রিং অব ফায়ার’ বা আগুনের বলয়। তবে এই সূর্যগ্রহণ বাংলাদেশ ও ভারত থেকে দেখা যাবে না।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ভাষায়, বলয়াকার সূর্যগ্রহণ তখনই ঘটে, যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে আসে। কিন্তু সে সময় চাঁদ পৃথিবী থেকে তুলনামূলক দূরে থাকে। ফলে চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢাকতে পারে না। সূর্যের চারপাশে উজ্জ্বল একটি বলয় দেখা যায়। এই দৃশ্যকেই বলা হয় ‘রিং অব ফায়ার’।
নাসার তথ্য অনুযায়ী, এই বলয়াকার সূর্যগ্রহণ হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। গ্রহণ শুরু হবে বাকি অংশ পড়ুন...
সারা দিন পরিশ্রমের পর অনেকে বাড়ি ফিরে রাতে কোনোমতে খাওয়া-দাওয়া করেই ঘুমিয়ে পড়েন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভরপেট খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ার এই অভ্যাস একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়। চিকিৎসকরা বলছেন, দুপুর হোক কিংবা রাত, ভরপেট খেয়ে বেশ কিছুক্ষণ সচল থাকা জরুরি। এ কারণে খাওয়ার পর অন্তত ১০ মিনিট হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। খাওয়া-দাওয়ার পর সচল থাকলে শরীরও ভালো থাকে। হজমের সমস্যাও অনেক কমে যায়। ভরপেট খাওয়ার পর হাঁটার অভ্যাসে কী কী উপকার হয় তা জানানো হয়েছে, যেমন-
১. ভারী খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়লে বদহজমের আশঙ্কা থাকে। বরং যদি হাঁটা যায়, তা হলে হজমশক বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকেই গরম ভাতের সঙ্গে এক চামচ ঘি খেতে পছন্দ করেন। ঘি শুধু স্বাদে এবং গন্ধে অতুলনীয় নয়, এর স্বাস্থ্যগুণও অনেক। রান্নার স্বাদ বৃদ্ধিতে ঘি’র জুড়ি নেই। ঘিয়ে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ভিটামিন, খনিজ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এর পাশাপাশি শরীরের প্রতিটি পেশি শক্তিশালী করে, মেদ ঝরায়, হাড় মজবুত করে, শরীরের প্রতিটি কোষ সচল রাখে।
অনেকের ধারণা, ঘি খেলেই ওজন বাড়ে। পুষ্টিবিদরা বলছেন, ইচ্ছে মতো খেলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু নিয়ম করে খেলে শুধু ওজনই নিয়ন্ত্রণে থাকবে তা নয়। পাশাপাশি আরও অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে। যেমন-
জ্বরের বাকি অংশ পড়ুন...
সব মানুষের দুশ্চিন্তা ও উত্তেজনা নেওয়ার ক্ষমতা সমান হয় না। কারণ হঠাৎ রাগ, ভয়, দুশ্চিন্তা বা তীব্র উত্তেজনা- এই অনুভূতিগুলো কেবল মানসিক নয়, শারীরিক প্রতিক্রিয়াও তৈরি করে।
বিশেষ করে যাদের উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) আছে বা বয়স বেশি, তাদের ক্ষেত্রে এই আবেগজনিত প্রতিক্রিয়া মুহূর্তেই রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এখন প্রশ্ন হলো- কেন এমন হয়, আর তখন কি করা উচিত?
কেন দুশ্চিন্তা রক্তচাপ বাড়ায়?
স্ট্রেস বা মানসিক চাপ তৈরি হলে শরীর ‘ফাইট অর ফ্লাইট’ প্রতিক্রিয়ায় যায়। অ্যাড্রেনালিন ও কর্টিসল নামের স্ট্রেস হরমোন নিঃসৃত হয়। এর ফলে হৃদস্পন্দন বে বাকি অংশ পড়ুন...
নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের হারুলিয়া গ্রামে ৮শ বছরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী গাইনের মসজিদটি জৌলুস হারিয়েছে অনেক আগেই। দ্রুততম সময়ে সংস্কার না করা হলে হারিয়ে যেতে পারে মোঘল আমলের ঐতিহ্যবাহী এ দ্বীনি স্থাপনাটি।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, মোঘল সাম্রাজ্যকালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজীর শাসন আমলে জনৈক শাইখ মোহাম্মদ ইয়ার নামক এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি ১২০০ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন।
মসজিদটির ঈমাম আব্দুল্লাহ জানান, মসজিদের ভেতরে দেয়ালের গায়ে ফার্সিতে শাইখ মোহাম্মদ ইয়ারের নাম বাকি অংশ পড়ুন...
রসালো, মিষ্টি আর সুগন্ধি কমলা এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু বাজার ঘুরলে অনেক ক্রেতাই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। চোখের সামনে চকচকে, গোলগাল কমলাটি কি আসলেই মিষ্টি কমলা, নাকি অন্য কিছু। বাজারে কমলার নামে বেশিরভাগ সময় বিক্রি হয় কেনু ও মান্ডারিন। দেখতে মিল থাকায় ক্রেতাদের কাছে পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে যায়। স্বাদ, খোসার ধরন, বীজের সংখ্যা ও গঠন-এই বিষয়গুলো না জানলে আসল কমলা আর কেনুর মধ্যে বোঝা মুশকিল।
দুটি ফল দেখতে প্রায় একই রকম হলেও স্বাদ, খোসার গঠন এবং উৎসের দিক থেকে এদের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য।
কমলা ও কেনুর পার্থক্য:
বাকি অংশ পড়ুন...
মাগুরার শালিখা উপজেলার শতপাড়া গ্রাম। সেখানে দাঁড়িয়ে আছে ১৮৫৫ সালের এক প্রাচীন মসজিদ। মসজিদের ভেতরেই আছে এক বিস্ময়কর কুয়া। কুয়াটি খননের সময়ই গড়ে ওঠে মসজিদটি। উদ্দেশ্য ছিলো মুসল্লিদের ওজুর জন্য সহজে বিশুদ্ধ পানি পাওয়ার ব্যবস্থা। আজও সেই কুয়ায় পানি থেমে থাকেনি। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, এখন শুধু ওজুর কাজেই নয় বরং এলাকার সব মানুষের পিপাসা মেটানোর একমাত্র আশ্রয় হয়ে উঠেছে এই কুয়া। শিশু থেকে বৃদ্ধ, সব ধরণের মানুষ এখানে এসে তৃষ্ণা মেটান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৮৫৫ সালে ওজিউদ্দিন মুন্সী ন বাকি অংশ পড়ুন...
পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলা সদরে অবস্থিত ‘একুশ স্মৃতি পাঠাগার’। এই পাঠাগারটি প্রায় এক যুগ ধরে বই পড়া কার্যক্রম, পাঠক সৃষ্টি, মাসিক আলোচনাসহ শিশুদের আর্ট শেখা, আবৃত্তি শেখা ও সামাজিক অনেক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলো। দুর্বৃত্তদের হামলা ও আগুনে পাঠাগারটির সমস্ত বইপুস্তক, আসবাবপত্র পুড়ে যাওয়ার এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেটি সচল হয়নি। সরকারও কোনো উদ্যোগ নেয়নি এটি চালুর।
একুশ স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি শেখ আবুল হোসেন জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সন্ধ্যায় দুর্বৃত্তরা পাঠাগারটিতে হামলা করে সমস্ত বইপুস্তক, আসবাবপত্র পুড়িয়ে দেয়। সেই থেকে রক বাকি অংশ পড়ুন...
পুরনো বইয়ের দোকানে গেলে অনেক হলদেটে বা লালচে পাতার বই দেখা যায়। ওসবের আদতে অনেক বয়স। পুরনো বই বা পত্রিকার কাগজ অনেক দিন রেখে দিলে সাদা রঙ ধীরে ধীরে লালচে বা হলদেটে হয়ে যায়।
কাগজের হলদেটে হওয়ার রহস্য খুঁজতে গেলে প্রথমে জানতে হবে, কাগজ আসে কোথা থেকে। কাগজ কি দিয়ে তৈরি। কাগজ বানানো হয় কাঠ থেকে। কাঠ একদম গুঁড়া করে পানি মিশিয়ে নরম ম- তৈরি করা হয় প্রথমে। তারপর সেই ম-কে চাপ দিয়ে পাতলা করে শুকিয়ে নিলেই তৈরি হয় কাগজ।
কাঠের মধ্যে থাকে লিগনিন নামের এক ধরনের পদার্থ। এই পদার্থ কাগজকে মজবুত করে। গাছের ভেতরে এটা আঠার মতো কাজ করে। কিন্তু এর একটা বাকি অংশ পড়ুন...
স্মার্টফোন আসক্তি কি? সহজ কথায়, যখন মোবাইল ফোনের ব্যবহার আপনার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং এটি আপনার কাজ, পড়াশোনা বা সম্পর্কে ব্যাঘাত ঘটায়, তখন তাকে ফোন আসক্তি বলা যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা স্মার্টফোনকে পকেটে রাখা সøট মেশিনের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যা আমাদের বারবার টানে। জেনে নিন ফোন আসক্তির প্রধান কারণসমূহ।
অ্যাপের ডিজাইন:
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা টিকটকের মতো অ্যাপগুলো এমনভাবে তৈরি যেন আপনি অবিরাম স্ক্রল করতে থাকেন।
মস্তিষ্কের রসায়ন:
নোটিফিকেশন বা লাইক-কমেন্ট পেলে আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন নামক এক ধরনের ভালো লাগার হরমোন নিঃসৃত হয়, বাকি অংশ পড়ুন...
আসছে পবিত্র রোযার মাস। রোযা রেখে খেজুর খেয়ে ইফতার শুরু করা খাছ সুন্নত। তাই রোযায় খেজুরের কদর বেড়ে যায়। খেজুর না থাকলে ইফতার পরিপূর্ণ হয় না।
কিন্তু কি আছে এই খেজুরে, আমরা কেন এত গুরুত্বের সঙ্গে খেজুর খাই? আমরা হয়তো অনেকেই জানি মিষ্টি মধুর ছোট এই ফলটির গুণের কথা। আর যারা না জেনেই খেজুর খাই, তারা জেনে নিন।
খেজুরের উপকারিতা প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদরা জানান, খেজুরকে বলা হয় সুপারফুড। এটি সারাবছর খাওয়া উচিত।
একজন রোযাদার মানুষের ইফতারের সময় খেজুর খাওয়া ভীষণ প্রয়োজন। কারণ সারাদিন পর খেজুর খেলে ক্যালোরি, এনার্জি এবং খনিজ গুণ পাওয়া যায় খুব দ বাকি অংশ পড়ুন...
শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা অনেক কম থাকে। আর এ কারণে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ফেটে যায়। বাতাসের এই আর্দ্রতা নির্ভর করে বাতাসে কতটুকু পানীয় বাষ্প আছে তার ওপর। বাতাস কতটুকু ভেজা বা শুষ্ক তা বোঝা যায় আর্দ্রতার পরিমাপ দিয়ে।
বাতাসে পানীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হলে আর্দ্রতাও বেশি হয়, কম হলে আর্দ্রতাও কম হয়। অনেকে ভেবে থাকেন, বাতাস নিজেই বুঝি পানীয় বাষ্প রাখতে চায় না। কিংবা ঠা-া বাতাস কম আর গরম বাতাস বেশি পানীয় বাষ্প ধারণ করে। আসলে বিষয়টি এমন নয়।
আর্দ্রতা ধরে রাখার ক্ষেত্রে বাতাসের খুব একটা ভূমিকা নেই। বাতাস হলো গ্যাসের মিশ্ বাকি অংশ পড়ুন...












