শীতে ঘি শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি ও তাপ জোগায়। এতে থাকা ভিটামিন ‘এ’, ‘ডি’, ‘ই’ ও ‘কে’ হাড়, দাঁত ও চোখের জন্য খুবই উপকারী।
প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ ও খাদ্যসংক্রান্ত বিজ্ঞান ঘি’কে বিশেষ স্থান দিয়ে এসেছে। শুধু স্বাদ বাড়ানোর জন্য নয়, বরং শরীরের স্বাস্থ্য রক্ষায়ও ঘি অনেক উপকারী। তবে শীত এলেই রান্নাঘরে ঘি’র গুরুত্ব বেড়ে যায়।
* ঠা-া ও কাশি প্রতিরোধক: ঘি’তে থাকা প্রাকৃতিক চর্বি ও শক্তি শরীরকে গরম রাখে। ফলে শীতকালে সর্দি, কাশি ও ঠা-া কম অনুভূত হয়।
* হজম শক্তি বাড়ায়: ঘি হজমে সহায়ক, পেট পরিষ্কার রাখে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। সাধার বাকি অংশ পড়ুন...
ব্রণ ও ত্বকের নানা সমস্যার সমাধানে আদা হতে পারে প্রাকৃতিক উপায়। শুধু রান্নায় স্বাদ বাড়ানো নয়, স্বাস্থ্য এবং ত্বকের যতেœও আদা এক বিশেষ ভূমিকা রাখে। পুষ্টিবিদরা বলছেন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আদা ত্বকের প্রদাহ কমাতে এবং ব্রণের সমস্যা দূর করতে বেশ কার্যকরী।
তাদের মতে, নিয়মিত আদার সঠিক ব্যবহার ত্বকের সুস্থতা ফিরিয়ে আনতে পারে। তবে ব্যবহার শুরু করার আগে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া জরুরি।
আদা ব্যবহার করার কার্যকরী উপায়
ফেস মাস্ক: * ১ টেবিল চামচ আদার রস * ২ টেবিল চামচ গোলাপ পানি * আধা টেবিল চামচ মধু।
সব একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। বাকি অংশ পড়ুন...
চিকুনগুনিয়া একটি মশাবাহিত রোগ, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এর প্রধান উপসর্গ হলো জ্বর, জয়েন্টে তীব্র ব্যথা এবং ফুসকুড়ি। চিকুনগুনিয়া থেকে বাঁচতে মশা থেকে দূরে থাকতে হবে। এছাড়া মশার কামড় থেকে বাঁচতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
চিকুনগুনিয়া কিভাবে ছড়ায়?
এডিস ইজিপ্টি এবং এডিস অ্যালবোপিকটাস মশা চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের বাহক। এই মশাগুলো দিনের বেলায় কামড়ায়। এই মশা যখন কোনো চিকুনগুনিয়া আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন সেই মশাটি ভাইরাস বহন করে। এরপর সেই মশা যখন অন্য কোনো সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ালে, সেই ব্যক্তিও চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হন।
বাকি অংশ পড়ুন...
গলার স্বর শুনেই আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে বলে দেওয়া সম্ভব, যে শরীরে ডায়াবেটিস বাসা বেঁধেছে কি না।
সাম্প্রতিক একটি গবেষণা জানাচ্ছে, দু’ সপ্তাহ ধরে দিনে ৬ বার মোট ২৬৭ জনের গলার স্বর রেকর্ড করা হয়। রোবট চিকিৎসক ১০ সেকেন্ড স্বরের রেকর্ড শুনেই ডায়াবেটিসদের চিহ্নিত করছে।
মায়ো ক্লিনিকের ‘ডিজিট্যাল হেলথ’ পত্রিকায় সমীক্ষাটি প্রকাশিত হয়েছে। সমীক্ষার আয়োজক কমিটিতে থাকা গবেষক ইয়ান ফোসাট জানায়, স্বর শুনে ডায়াবেটিস চিহ্নিত করার এই প্রযুক্তি নবজাগরণের মতো।
বাকি অংশ পড়ুন...
মরিচ এক ধরনের মসলা যা রান্নায় ঝাল স্বাদের জন্য ব্যবহার করা হয়। মাছ, গোশত রান্না, সস তৈরি বা ফুচকার মতো মুখরোচক খাবার তৈরিতে লাল মরিচ অপরিহার্য। গুঁড়া মসলা হিসেবে রান্নায় লাল মরিচ বেশি ব্যবহার করা হয়। লাল মরিচ তার সুন্দর রং, ঝাল স্বাদের জন্যই কদর।
ক্যারোটিনয়েড নামের রঞ্জক পদার্থ মরিচের লাল রংয়ের জন্য দায়ী। আবার ঝালের জন্য প্রধানত যে অণু দায়ী তা ক্যাপসিন নামে পরিচিত। পলিমোডাল স্নায়ু রয়েছে মানুষের মুখে, যার কাজ ব্যথা, তাপমাত্রা ও ঝাল শনাক্ত করা।
মরিচ খেলে মরিচের ভেতরে থাকা ক্যাপসিন মুখের পলিমোডাল স্নায়ুকে উত্তেজিত করে এবং মস্ত বাকি অংশ পড়ুন...
শীত মৌসুম চলছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে শরীরকে সুস্থ রাখতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা জরুরি।
চিকিৎসকদের মতে, এই মৌসুমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এমন খাবার তালিকায় রাখা উচিত। আর শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে গাজর অন্যতম একটি উপকরণ যা শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষিত রাখে।
মূলত বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন-এ, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও খনিজ উপাদানে ভরপুর গাজর সর্দি-জ্বর ও বিভিন্ন ভাইরাসজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরকে প্রাকৃতিক শক্তি জোগায়।
গাজরকে বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম উৎস ধরা হয় যা শরীরে প্রবেশ করে ভিটামিন-এ-তে রূপান্তরিত হয়। এটি কেব বাকি অংশ পড়ুন...
একটা গ্রামের কোনো মানুষই জুতা বা স্যান্ডেল পরে না। গ্রামের বাইরে কোথাও যেতে হলেও তারা খালি পায়ে যায়। এ বিস্ময়কর গ্রামটি ভারতের।
ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের তিরুপাতি থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রামটির নাম ভেমানা। গ্রামটির বাসিন্দারা জানায়, এটি তাদের অনেক পুরনো ঐতিহ্য। জুতা না পরাসহ আরও কিছু অদ্ভুত রীতি আছে এই গ্রামে। পরিবারের কেউ যদি অসুস্থ হয়, তাহলেও তারা হাসপাতালে যায় না। আর কোনো কারণে যদি তাদের আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার দরকার হয় বা অন্য কোথাও যাওয়ার দরকার হয় তাহলে তারা বাইরের কোনো খাবার খায় না।
জানা গেছে, জেলা ম্যাজি বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেক প্রাণীর নিজস্ব জীবন প্রণালি রয়েছে। রয়েছে তাদের নিজস্ব বোধ-বুদ্ধি ও সমাজ ব্যবস্থা। কিন্তু মানুষের মতো তাদের সমাজে কোর্ট-কাচারি নেই। তাই মানুষের অত্যাচারের অভিযোগ জানাতে ন্যায় বিচারের আশায় আদালতে হাজির হলো এক হাতি।
ভারতের উত্তরাখ-ে সম্প্রতি এমন ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু বুনো হাতিটা কীভাবে আদালত চত্বরে এসেছে তাই সবার প্রশ্ন।
জানা গেছে, উত্তরাখ-ের হরিদ্বারের রোশানাবাদ এলাকায় অবস্থিত জেলা দায়রা আদালত। আদালত চত্বরে দেখা যায় বিশালাকারের একটি হাতিকে। মূল ভবনের গেটের কাছে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত শুর নাড়িয়ে ভেতরে প্রবেশ করতে চাইছে বাকি অংশ পড়ুন...
৯৯ শতাংশ জিনের গঠন একইরকম। মানুষের কোষের ভিতর রয়েছে নিউক্লিয়াস। সেই নিউক্লিয়াসের মধ্যে রয়েছে ডিএনএ। এই ডিএনএ-ই মূলত জিনের গঠন। ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে এটি দেখতে একইরকম। অথচ মানুষের উচ্চতা থেকে গলার আওয়াজ এমনকি চেহারা আলাদা আলাদা দেখা যায়। কারও চেহারার সঙ্গে কারও চেহারার ১০০ শতাংশ মিল থাকে না। এমনকি যমজ ভাই-বোনদের মধ্যেও কিছু না কিছু তফাৎ থেকেই যায়। কেন এমনটা হয় জানেন?
এর উত্তর আদতে লুকিয়ে রয়েছে বাকি ১ শতাংশ জিনের ১০ ভাগের এক ভাগে। ওইটুকু জিনের মধ্যেই রয়েছে চেহারা বদলের খতিয়ান। গলার আওয়াজ, উচ্চতা থেকে অন্যান্য বৈশিষ্ট্য ওই জিন নিয় বাকি অংশ পড়ুন...
জমি আমাদের মূল্যবান সম্পদ। কিন্তু অনেকেই নিজের নামে জমি থাকলেও তা সঠিকভাবে জানেন না। বিশেষ করে উত্তরাধিকারের মাধ্যমে বা দালালের ফাঁদে পড়লে আর্থিক ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই জমির মালিকানা ও খতিয়ান সম্পর্কে সঠিক তথ্য থাকা অত্যন্ত জরুরি।
খতিয়ান ও পর্চা কি?
খতিয়ান বা পর্চা হলো জমির সরকারি দলিল যা জমির মালিকানা, দখলদারের নাম, পরিমাণ, সীমানা এবং খাজনা সম্পর্কিত তথ্য জানায়। সাধারণত যার নামে খতিয়ান থাকে, তার নামেই পর্চা হয়।
খতিয়ান ও পর্চায় অন্তর্ভুক্ত থাকে- দাগ নম্বর, মৌজা নম্বর, খতিয়ান নম্বর, বাট্রা নম্বর, এরিয়া নম্বর, জমির দখলদার বাকি অংশ পড়ুন...
কলার থোড় হলো কলা গাছের ভোজ্য, তন্তুযুক্ত মূল, যা বাঙালি খাবারে বেশ জনপ্রিয়। কলার থোড় দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু তরকারি। আবার এর রসও ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। কলার থোড়ে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, পটাসিয়াম এবং উদ্ভিদ যৌগ রয়েছে যা কিডনি, রক্তে শর্করা, হজম এবং সামগ্রিক বিষমুক্তকরণে সহায়তা করতে পারে। কলার থোড়ের উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন-
কিডনিতে পাথর প্রতিরোধ করে:
কিডনিতে পাথর তৈরি বা বৃদ্ধি রোধ করতে ঐতিহ্যবাহী ওষুধে কলার থোড়ের রস ব্যবহার করা হয়। পরীক্ষাগার গবেষণা প্রমাণ করে যে, অপ্রক্রিয়াজাত কলার থোড় শরীর বাকি অংশ পড়ুন...
উত্তর গোলার্ধে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শীত শুরু হতে যাচ্ছে এই সপ্তাহেই। আগামী ২১ ডিসেম্বর হবে শীতকালীন অয়নান্ত, যা বছরের সবচেয়ে ছোট দিন ও সবচেয়ে বড় রাত হিসেবে পরিচিত।
এই দিনে পৃথিবীর উত্তর মেরু সূর্য থেকে সবচেয়ে বেশি দূরের দিকে হেলে থাকে। ফলে উত্তর গোলার্ধে সূর্য আকাশের দক্ষিণ দিকে সবচেয়ে নিচু অবস্থানে দেখা যায় এবং দুপুরেও সূর্যের উচ্চতা থাকে বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে। এর ফলেই দিনের দৈর্ঘ্য কমে গিয়ে রাত সবচেয়ে দীর্ঘ হয়।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক শীত হলো ঋতু নির্ধারণের সেই পদ্ধতি, যা পৃথিবীর সূর্যকে ঘিরে অবস্থান ও ঝোঁকের ওপর ভিত্তি করে বাকি অংশ পড়ুন...












