প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের নির্মাণ দক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে স্কটল্যান্ডে পাওয়া এক রহস্যময় কৃত্রিম দ্বীপকে ঘিরে। বিজ্ঞানীরা বলছে, প্রায় ৫ হাজার বছর আগে তৈরি এই দ্বীপটি স্টোনহেঞ্জেরও পুরোনো। আবিষ্কারটি প্রাচীন ব্রিটেনের সমাজ ও প্রযুক্তি সম্পর্কে দীর্ঘদিনের ধারণা বদলে দিতে পারে।
স্কটল্যান্ডের আউটার হেব্রিডস অঞ্চলের লুইস দ্বীপে অবস্থিত লখ ভোরগাস্তাইল হ্রদে এই কৃত্রিম দ্বীপের সন্ধান পাওয়া গেছে। প্রতœতত্ত্ববিদরা এটিকে ‘ক্র্যানগ’ নামে পরিচিত প্রাচীন দ্বীপ কাঠামো বলে শনাক্ত করেছে। সাধারণত পাথর, কাঠ ও গাছ বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ার আস্ট্রখান ওব্লাস্ট অঞ্চলের বিস্তীর্ণ মরু প্রান্তরের মাঝ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ চোখ আটকে যেতে পারে বিশালাকৃতির এক লাল ইটের দালানের দিকে। ২০ তলা ভবনের সমান উঁচু এই কাঠামোটি আসলে একটি বাতিঘর। সাধারণত সমুদ্র উপকূলে এমন বাতিঘরের দেখা মিললেও আস্ত্রাখানের এই বাতিঘরটি থেকে নিকটতম উপকূলের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। এমনকি এর চূড়ায় উঠলেও সমুদ্রের দেখা পাওয়া কঠিন।
অদ্ভুত মনে হলেও পেত্রোভস্কি লাইটহাউস নামের এই স্থাপত্যটির পেছনে রয়েছে এক ঐতিহাসিক কারণ। ১৭১৭ সালে রাশিয়ার শাসক যখন এই বাতিঘরটি নির্মাণের নির্দেশ দেয়, তখন এই পুর বাকি অংশ পড়ুন...
পৃথিবীর অন্যতম বিষাক্ত গাছ হিসেবে পরিচিত ম্যানচিনিল। এই গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ‘হিপোম্যানি ম্যান্সিনেলা’। দেখতে নিরীহ ও সাধারণ হলেও এর প্রতিটি অংশ-পাতা, ফল, ছাল এমনকি রসও-মানুষের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক।
ম্যানচিনিল গাছের ফল দেখতে অনেকটা ছোট আপেলের মতো। তাই অনেকে একে ‘মৃত্যুর আপেল’ বলেও ডাকেন। গাছটি মূলত ফ্লোরিডা, মেক্সিকো, ক্যারিবিয়ান অঞ্চল, মধ্য আমেরিকা এবং উত্তর দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলীয় এলাকায় জন্মে। লোনা পানিভূমি ও ম্যানগ্রোভ বনের আশপাশে এদের বেশি দেখা যায়। এই গাছ প্রায় ৪৯ ফুট পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। এর ফুল ছোট এবং সবুজাভ- বাকি অংশ পড়ুন...
থাইরয়েড হরমোন খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো শরীরের শক্তির মাত্রা, বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম), শরীরের তাপমাত্রা, মুড, হৃদস্পন্দন এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। যদি আপনার থাইরয়েড পর্যাপ্ত হরমোন তৈরি না করে, তাহলে তাকে হাইপোথাইরয়েডিজম বলা হয়।
এই অবস্থায় শরীরে নানা নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং সবসময় ক্লান্ত বা অবসন্ন বোধ হতে পারে। থাইরয়েড হরমনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে খাদ্যতালিকায় কোন কোন খাবার রাখা জরুরি, তা জেনে নিন।
থাইরয়েডের সমস্যার সঠিক কারণ অনেক ক্ষেত্রেই অজানা। তবে কিছু খাবার থাইরয়েডের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে বাকি অংশ পড়ুন...
গবেষকরা বলছে, বৃষ্টির সঙ্গে পড়া শিলা খাওয়া নিরাপদ না। কারণ হিসেবে তারা বলছে, বৃষ্টির সঙ্গে পড়া শিলাতে নানা ধরনের দূষিত উপাদান থাকে; যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।
গবেষণায় দেখা গেছে, শিলাতে নাইট্রেটসহ বেশকিছু ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে। এই উপদানগুলো পানিতেও থাকে, তবে শিলাতে এসবের উপস্থিতি সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি। গবেষকদের মতে, যখন শিলাবৃষ্টি শুরু হয়, তখন সেটাকে আইস নিউক্লিয়েশন বলা হয়।
এই আইস নিউক্লিয়েশনে বাতাসের বিভিন্ন পলিউশন থাকে। এই পলিউশনের কিছু কিছু সাফসটেন্স আইস নিউক্লিয়া হিসেব কাজ করে। অর্থাৎ যে আইস গঠিত হয়, তার সিড হিসেবে কা বাকি অংশ পড়ুন...
রাতের আকাশে আমরা যে তারা দেখি, সেগুলো সব সময় একরকম থাকে না। সময়ের সঙ্গে তাদের আচরণ বদলায়। বিজ্ঞানীরা এখন বলছে, তরুণ নক্ষত্র (নতুন তারা) দ্রুত শান্ত হয়ে যায়। এতে আশেপাশের গ্রহে জীবন গড়ে ওঠার সুযোগ বাড়তে পারে।
নাসার এক নতুন গবেষণায় এই তথ্য পাওয়া গেছে। তারা মহাকাশে থাকা শক্তিশালী দূরবীন দিয়ে নক্ষত্রগুলো পর্যবেক্ষণ করেছে।
বিজ্ঞানীরা বলে, তরুণ নক্ষত্র থেকে অনেক শক্তিশালী এক্স-রে বের হয়। এই রশ্মি গ্রহের বাতাস (বায়ুম-ল) নষ্ট করতে পারে। এতে জীবনের জন্য দরকারি উপাদান তৈরি হওয়া কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, এই এক্স-রে আগে বাকি অংশ পড়ুন...
সূর্যের তাপকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা যেতে পারে বিদ্যুৎ। সরাসরি সূর্য শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ অফুরন্ত উৎপন্ন করা যায়। সূর্য নিজে থেকেই এক বিশাল এনার্জির উৎস, ৫০০ কোটি বছর থেকে আমাদের এনার্জি সঞ্চার করে আসছে আর নিঃসন্দেহে আরো ৫০০ কোটি বা তার অধিক সময় এনার্জি সঞ্চারিত করেই যাবে।
যুগের পরিবর্তনে, প্রযুক্তির কল্যাণে মানুষ সূর্যের আলো প্রয়োজনানুসারে বিভিন্নভাবে ব্যবহার করছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সোলার প্যানেল বা সৌরবিদ্যুৎ। বেললাব কর্তৃক মহাকাশ কার্যক্রমে সৌরবিদ্যুতের প্রায়োগিক ব্যবহার শুরু হয় ১৯৫৮ সালে। আসমান থেক বাকি অংশ পড়ুন...
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ ঠান্ডা-সর্দি হলে শরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া প্রয়োজন। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশীল করতে সাহায্য করে এবং দ্রুত সুস্থ হতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এছাড়া এ সময় শরীরকে আর্দ্র রাখা জরুরি। বেশি করে পানি পান, গরম স্যুপ, লেবু মিশ্রিত পানি কিংবা ভেষজ চা গলা আরাম দিতে এবং শরীরের পানির ঘাটতি কমাতে সহায়তা করে।
নাক বন্ধ বা শ্বাস নিতে সমস্যা হলে গরম পানির ভাপ নেওয়া উপকারী হতে পারে। প্রয়োজনে পানিতে সামান্য ইউক্যালিপটাস তেল বা মেনথল ব্যবহার করা যেতে পারে, যা নাকের বন্ধভাব কমাতে সাহায্য কর বাকি অংশ পড়ুন...
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির সঙ্গে আকাশ থেকে বরফের টুকরো বা গোলাকার বরফখ- পড়াকে বলা হয় শিলাবৃষ্টি। এটি সাধারণত কিউমুলোনিম্বাস মেঘ থেকে সৃষ্টি হয়। এই মেঘে থাকা পানির কণা অত্যন্ত ঠান্ডা হয়ে বরফে পরিণত হয় এবং একসময় ভারী হয়ে মাটিতে পড়ে যায়।
বিজ্ঞানীরা জানায়, শিলার জন্ম হয় ক্ষুদ্র একটি বরফ স্ফটিক থেকে। ঝড়ের কারণে সেই স্ফটিক মেঘের বিভিন্ন স্তরে ওঠানামা করতে থাকে। এ সময় হিমাঙ্কের নিচে থাকা ঠান্ডা পানির কণা স্ফটিকের গায়ে জমে বরফে রূপ নেয়। এভাবেই ধীরে ধীরে শিলার আকার বাড়তে থাকে।
বরফ জমার এই প্রক্রিয়া সবসময় সমান গতিতে হয় না। স্ফটিকের পৃ বাকি অংশ পড়ুন...
জমির দাগ-খতিয়ান নম্বরসহ মৌলিক বিষয়গুলো সম্পর্কে জানা জরুরি। এই বিষয় সম্পর্কে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, জমির হিসাব ও পরিচয় বোঝার জন্য প্রধান তিনটি বিষয় হলো-দাগ, খতিয়ান ও মৌজা।
দাগ নম্বর (প্লট নম্বর): ম্যাপ বা নকশায় প্রতিটি খ- জমিকে আলাদাভাবে চেনার জন্য যে নম্বর দেওয়া হয়, তাকে দাগ নম্বর বলে। একটি মৌজার অধীনে আপনার জমিটি ঠিক কোন অবস্থানে এবং এর সীমানা কতটুকু, তা এই নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা হয়।
খতিয়ান (রেকর্ড অব রাইটস-আরওআর): খতিয়ান হলো জমির স্বত্ব বা মালিকানার সংক্ষিপ্ত বিবরণী, যেখানে একজন মালিকে বাকি অংশ পড়ুন...
দুপুরের গরম ভাতে এক চামচ ঘি। এই অভ্যাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আবেগ আর স্বাদ। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই সামান্য ঘি আপনার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কতটা বাড়িয়ে দিতে পারে? হাজার বছর ধরে আয়ুর্বেদ শাস্ত্র ঘি’কে ‘স্মৃতিবর্ধক’ হিসেবে চিনে আসলেও, বর্তমান সময়ের আধুনিক বিজ্ঞানও এখন এই তথ্যে সিলমোহর দিচ্ছে।
স্মৃতিভ্রম, মনোযোগের অভাব বা ‘ব্রেন ফগ’-এর মতো সমস্যায় যখন অনেকেই ভুগছেন, তখন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ঘি কেন জরুরি, তা নিয়ে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য।
মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বা মেধাশক্তি বাড়াতে ঘি কেন কার্যকরী?
মানুষের বাকি অংশ পড়ুন...
জ্ঞানের চূড়ান্ত পর্যায় হলো নিজেকে জানা। এখান থেকেই জ্ঞানের শুরু, আবার এখানেই জ্ঞানের সমাপ্তি। নিজেকে জানার মতো গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। আমরা যা কিছু পড়ি, লিখি বা ভাবি, এই সবকিছুর চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হলো নিজের সম্পর্কে ধারণা লাভ করা বা প্রতিনিয়ত সেই ধারণাকে স্পষ্ট করা। কিন্তু আমাদের মস্তিষ্কে কিভাবে নিজের সম্পর্কে ধারণা তৈরি হয়?
আমরা সব সময় মনে করি, আজকের আমি, গতকালের আমি বা আগামীকালের আমি-সবই এক ও অভিন্ন ব্যক্তি। কিন্তু বাস্তবে, মস্তিষ্ক আমাদের নিজের পরিচয় একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত তৈরি করতে থাকে। ফলে আপন বাকি অংশ পড়ুন...












