ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরে ১০০টিরও বেশি দ্বীপ রয়েছে। এর মধ্যে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দ্বীপ হলো-
কেশম ইরানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ, কিশ পর্যটন ও বাণিজ্যকেন্দ্র, খারগ প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র, আবু মুসা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ এবং হরমুজ দ্বীপ হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত।
এসব দ্বীপের অনেকগুলোতেই সামরিক ঘাঁটি, জ্বালানি অবকাঠামো বা বাণিজ্যিক বন্দর রয়েছে। পারস্য উপসাগরে তেল পরিবহন ও সামরিক কৌশলের দিক থেকে এগুলোর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
খারগ দ্বীপ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
পারস্য উপসাগরে ইরানের উপকূল থে বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
আলজেরিয়া:
আলজেরিয়ান মুসলিমরা পিজ্জা ‘সোয়ারবা’, সবজি রোল, আলু, সবজি দিয়ে তৈরি দোলমা ইত্যাদি দিয়ে ইফতার শুরু করেন।
মাগরিবের নামাযের পর তারা ‘সিগার’ নামক এক ধরনের পানীয় পান করেন, যা বাদাম দিয়ে তৈরি। এছাড়া, তাদের ইফতারের তালিকায় বিভিন্ন স্যুপও থাকে।
সৌদি আরব:
আরব নিউজের এক প্রতিবেদন বলছে, সৌদিরা ইফতারের শুরুতে ‘গাহওয়া’ ন বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের ইফতার আয়োজনে রয়েছে বৈচিত্র্য।
যদিও প্রায় সব দেশেই সাধারণত খেজুর বা পানির মতো হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু হতে দেখা যায়, কিন্তু দেশে দেশে ইফতার আয়োজনে বাহারি পদের খাবার দেখা যায়।
পাকিস্তান:
পাকিস্তানে ইফতার আয়োজনে পানি এবং খেজুর তো থাকেই তবে সেখানে প্রাধান্য পেতে দেখা যায় গোশত ও রুটির মতো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলো।
নানা ধরনের কাবাব, তান্দুরি, কাটলেট, টিক্কার উপস্থিতি প্রায় প্রতিদিনের ইফতারেই রেখে থাকেন বড় অংশের পাকিস্তানি।
এসব ভারী খাবারের পাশাপাশি ইফতারের সময় বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার বাকি অংশ পড়ুন...
নাম ‘খান বাবা’। ২৫ বছর বয়সী পাকিস্তানের এই নাগরিকের ওজন ৪৩৫ কেজি। নিজেকে দাবি করে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ বলে। তার আসল নাম আরবাব খিজির হায়াত। তবে ‘খান বাবা’ নামেই তিনি বেশি পরিচিত।
পাকিস্তানের মারদান প্রদেশে আরবাব খিজির হায়াত। তিনি এক হাতে যে কোনো মানুষকে ওপরে তুলে ফেলতে পারেন, হাত দিয়ে গাড়ি টেনে নিয়ে যেতে পারেন বহুদূর এবং খালি হাতে ট্রাক্টর থামাতে পারেন। তাকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ বলছেন অনেকেই।
ছয় ফুটের বেশি লম্বা আরবাব খিজির। উচ্চতা এবং শরীরের ওজনের কারণে এরইমধ্যে পাকিস্তানের জাহাজ উপাধি পেয়েছেন তিনি। বাকি অংশ পড়ুন...
ইফতারের সময় প্রধান খাদ্য হিসেবে সর্বপ্রথম খেজুরের চাহিদা বেশি থাকে। দেশের অধিকাংশ খেজুর আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ-বিশেষ করে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, ইরান, ওমান ও ইরাক থেকে।
রোযা রাখার পর দ্রুত শক্তি ফিরে পেতে খেজুর বেশ কার্যকর। এতে প্রাকৃতিক শর্করা থাকায় শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে।
বিশ্বে কয়েক’শ ধরনের খেজুর রয়েছে। তবে বাংলাদেশে সাধারণত কয়েক ধরনের খেজুর বেশি দেখা যায়। সেগুলো হলো-
আজওয়া খেজুর:
এটি সৌদি আরবের পবিত্র মদীনা শরীফের বিখ্যাত খেজুর। ছোট আকারের, গাঢ় রঙের এবং নরম স্বাদের জন্য এটি বিখ্যাত। এটি বাংলাদেশে বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান জেনজি প্রজন্মের ঘুমানোর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিলস দেখার প্রবণতা দ্রুত বেড়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে- রিলস যেন হয়ে উঠেছে সহজ বিনোদনের মাধ্যম। ব্যস্ত দিনের শেষে বিছানায় শুয়ে ফোন হাতে নেয়া এখন অনেকেরই দৈনন্দিন অভ্যাস। কিন্তু অজান্তেই এই অভ্যাস শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের আগে দীর্ঘ সময় রিলস দেখা শুধু ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক সমস্যাও তৈরি করতে পারে।
সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকি বাকি অংশ পড়ুন...
কালের সাক্ষী হয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ৬০০ বছরের প্রাচীন মাচাইন শাহী মসজিদ। প্রাচীনতম মসজিদটি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার মাচাইন গ্রামে অবস্থিত।
চুন, সুরকি ও সাদা সিমেন্টে নির্মিত মসজিদটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে টিকে থাকলেও সঠিক সংরক্ষণ ও নিয়মিত সংস্কারের অভাবে এর শৈল্পিক কারুকাজ ক্রমেই মলিন হয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা-দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ইতিহাসের এই সম্পদ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
জানা যায়, ১৫০১ খ্রিষ্টাব্দের শেষভাগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ মসজিদটি নির্মাণ করেন। তার শাসনামলকে বাকি অংশ পড়ুন...
ডায়েটের জগতে কার্বোহাইড্রেট নিয়ে নানা মত-অভিমত রয়েছে। কেউ কেউ কম কার্বোহাইড্রেট বা কার্বোহাইড্রেট-মুক্ত খাবারের কথা বলে, আবার কেউ কেউ কার্বোহাইড্রেটকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি হিসেবে গ্রহণ করে। কিন্তু অনেকেই মনে করে কার্ব হলো শত্রু। আসলে কার্বোহাইড্রেট হলো শরীরের পছন্দের শক্তির উৎস, এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্য সাহায্য করবে নাকি বাধা দেবে তা অনেকটাই নির্ভর করে কি খাওয়া হচ্ছে, কখন খাওয়া হচ্ছে তার উপর।
কার্ব হলো জ্বালানি:
কার্বোহাইড্রেট সহজাতভাবে খারাপ নয়। এটি শরীরকে গ্লুকোজ দেয়- যা মস্তিষ্ক, পেশী এবং স্নায়ুতন্ত্রের জ্ব বাকি অংশ পড়ুন...
সৌন্দর্যের অন্যতম নিদর্শন আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ। যা রূপ নিয়েছে যমুনাপাড়ের সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ঐতিহ্যে। মসজিদটির সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন দূর-দূরান্তের মুসল্লি ও দর্শনার্থীরা। এটি সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়কের মুকন্দগাঁতী নামক স্থানে অবস্থিত।
মসজিদটির আধুনিক নির্মাণশৈলী এক অনন্য দৃষ্টান্ত। কেবল নির্মাণ কৌশল আর দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যের কারণে মসজিদটি এখন পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
জানা যায়, ২০২১ সালের ২ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হওয়া মসজিদটি গড়ে উঠেছে আড়াই বিঘা জমির ওপর। রহমত গ্রুপের চেয়ারম বাকি অংশ পড়ুন...
রোযা রেখে ইফতার এবং সাহরির মাঝের সময়টি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় কি খাওয়া হচ্ছে, কতটুকু খাওয়া হচ্ছে- এসবের ওপরই নির্ভর করে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকবে কিনা। তাই পরিকল্পনা করে খাবার খেলে রোযা রেখে সুস্থ থাকা সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতার ও সাহরির মাঝের সময়টিতে এমন খাবার বেছে নেওয়া উচিত যা শক্তি দেয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দেয় না।
অনেকেই ইফতারের সময় অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা মিষ্টি খান। এতে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তবে অবশ্যই ইফতার শুরু করা উচিত সুন্নতী খাবার খে বাকি অংশ পড়ুন...
রাজধানী ঢাকাকে বলা হয় ‘মসজিদের শহর’। নগরীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য মসজিদ- যার প্রতিটি ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাংলার সংস্কৃতির একেকটি জীবন্ত দলীল। প্রাচীন কারুকার্যম-িত স্থাপত্যশৈলীর মসজিদের পাশাপাশি বর্তমানে আধুনিক ও নান্দনিক নকশায় নির্মিত মসজিদও শোভা পাচ্ছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে। তেমনই এক আলো ঝলমলে মসজিদের নাম- ‘মসজিদ আল মুস্তফা’।
মসজিদটি রাজধানীর ১০০ ফিটে মাদানি এভিনিউয়ে ইউনাইটেড সিটিতে অবস্থিত। মসজিদ আল মুস্তফার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সামনের দিকে কালো রঙের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পবিত্র কা’বা শরীফের আকৃতি। দেও বাকি অংশ পড়ুন...












